Friday, April 24, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

স্নায়ুর স্বাস্থ্যরক্ষার জন্য এই খনিজ অপরিহার্য?‌ ভিটামিন ডি-র অভাব, মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতাও কমছে?

শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানগুলির মধ্যে বার বার উপেক্ষিত হতে থাকে ম্যাগনেশিয়াম। অথচ মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি, মস্তিষ্কের ক্ষয়রোধ, স্নায়ুর স্বাস্থ্যরক্ষার জন্য এই খনিজ অপরিহার্য। দৈনন্দিন ব্যস্ততায় প্রোটিন, ক্যালশিয়াম বা ভিটামিনের কথা যতটা ভাবা হয়, ম্যাগনেশিয়াম ভাবনাচিন্তায় ততটা স্থান পায় না। অথচ চিকিৎসকদের মতে, শরীর ও মস্তিষ্ক সুস্থ রাখতে এই খনিজটির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফ্লোরিডা নিবাসী স্নায়ুরোগ চিকিৎসক রবার্ট লাভ জানাচ্ছেন, ম্যাগনেশিয়াম শুধু পেশি বা হাড়ের জন্য নয়, স্নায়ুতন্ত্র, ঘুম, শারীরিক শক্তি এবং মানসিক স্থিতির সঙ্গেও সরাসরি জড়িত।

ম্যাগনেশিয়াম শরীরের ভিতরে বহু গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়। শরীরের অজস্র জৈবরাসায়নিক প্রক্রিয়া সঠিক ভাবে চলতে সাহায্য করে। স্নায়ুতন্ত্রের উত্তেজনাকে প্রশমিত করতে সাহায্য করে। পেশিকে শক্ত ও শিথিল— দু’ভাবেই কাজ করতে সাহায্য করে। শরীরের শক্তি উৎপাদনে ভূমিকা নেয়, ক্লান্তি কমায়। হাড় মজবুত রাখা, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ঠিক রাখতে সাহায্য করে। এই খনিজের ঘাটতি হলে পেশিতে টান ধরা, সারা ক্ষণ ক্লান্ত লাগা, ঘুমের সমস্যা, অস্থিরতা বা স্নায়বিক সমস্যার মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। শরীরে ভিটামিন ডি-কে ঠিকমতো কাজ করাতে হলেও ম্যাগনেসিয়ামের প্রয়োজন হয়। তাই প্রয়োজনে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে ম্যাগনেশিয়াম সাপ্লিমেন্ট নেওয়া দরকার। তবে নানাবিধ খাবারেও যথেষ্ট পরিমাণে ম্যাগনেশিয়াম পাওয়া সম্ভব। তাই খানিক বুঝেশুনে খাওয়া উচিত, যাতে শরীরে বিশেষ খনিজের ঘাটতি না দেখা যায়।

কোন কোন খাবারে ম্যাগনেশিয়ামের ঘাটতি মেটানো সম্ভব? কুমড়োর বীজ সহ বিভিন্ন বীজ। পালংশাক ও সবুজ শাকসব্জি। চাল, ডাল জাতীয় খাবার। ছোলা, রাজমা। টোফু। দানাশস্য। কাঠবাদাম, কাজু, চিনেবাদামের মতো বাদামগুলি। ডার্ক চকোলেট। অ্যাভোকাডো। ইয়োগার্ট

ডায়াবিটিসে মিষ্টি যেমন পুরোটাই বাদ, মিষ্টি নেই তবুও তা ক্ষতিকর হতে পারে কিছু খাবার। ডায়াবিটিস হলে বিপজ্জনক খাবার চিনি। জীবন থেকে বাদ পড়ে যায় মিষ্টি। কিন্তু নোনতা খাবারও কি সবটাই খাওয়া চলে? চিকিৎসকেরা বলেন, টাইপ ২ ডায়াবিটিস হলে খাওয়াদাওয়ায় নিয়ন্ত্রণ জরুরি। যুক্তি-বুদ্ধি দিয়ে সাজাতে হবে ডায়েট। খাদ্যতালিকা ঠিক থাকলে আর প্রয়োজন মতো ওষুধ খেলেই এমন অসুখ বশে রাখা যাবে। বাজারচলতি ফলের রস বা চিনি ছাড়া প্যাকেটজাত পানীয় খাচ্ছেন? তা নিয়মিত খাওয়া ঠিক নয়। পানীয় খেতে হলে চিনি ছাড়া চা, বা ব্ল্যাক কফি বা ভেষজ চায়ে দিনে বার দুই-তিন চুমুক দেওয়া যেতে পারে। প্যাকেটজাত পানীয়ের বদলে ঘরে শরবত বানান, চিনির বদলে ব্যবহার করতে পারেন স্টিভিয়ার মতো প্রাকৃতিক উপকরণ।

কার্বোহাইড্রেট: ময়দার মতো সরল কার্বোহাইড্রেট বাদ দিতে না পারলে, রক্তে শর্করা বাড়বেই। ময়দার লুচি, পরোটা, পাস্তা, পাউরুটি রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে। বদলে ওট্‌স, আটার রুটি, ব্রাউন রাইস বেছে নেওয়া ভাল। অবশ্যই পাতে রাখা দরকার ফাইবার রয়েছে এমন সব্জি, দানাশস্য, ডাল। ফাইবার জাতীয় খাবার রক্তে শর্করার মাত্রা এক ধাক্কায় বাড়তে দেয় না।

মাংস: প্রক্রিয়াজত মাংস যথাসম্ভব এড়িয়ে চলা ভাল। হ্যাম, সসেজ়, বেকন ইত্যাদির বদলে টাটকা কেনা মুরগির মাংস খাওয়া যায়। প্রোটিনের চাহিদা পূরণে ডিম, মাছ, ডাল তালিকায় রাখা দরকার। সামুদ্রিক মাছ খেলে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডের চাহিদা পূরণ হবে। এড়িয়ে চলা দরকার পাঁঠার মাংস।

ফল এবং সব্জি: ফল মানেই ডায়াবেটিকদের জন্য বাদ নয়। আঙুর, আপেল, পেয়ারা, বেরি জাতীয় ফল ডায়াবেটিক-বান্ধব। টাটকা সব্জিও পাতে রাখা দরকার। প্রি-ডায়াবেটিকদের জন্য ফল এবং সব্জি পাতে রাখা জরুরি।

স্ন্যাক্স: রকমারি বিস্কুট, মিষ্টি মেশানো চকোলেটের মতো খাবার এড়িয়ে যাওয়া ভাল। বদলে মাখানা, বাদাম-বীজ স্ম্যাক্সের তালিকায় রাখা যেতে পারে। তবে বেশি নুন দেওয়া বাদাম না খাওয়াই ভাল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles