Thursday, April 23, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

অনয়া ‘মহিলা’!‌ মহিলাদের ক্রিকেটে খেলার অনুমতি পাবেন? যৌনাঙ্গের সার্জারিতে ‘মহিলা’ হচ্ছেন বাঙ্গারকন্যা অনয়া!‌ অস্ত্রোপচারের নাম ‘ভ্যাজিনোপ্লাস্টি’

অনয়া ২০২১ সালে লিঙ্গ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেন। সেই মতো ‘হরমোনাল রিপ্লেসমেন্ট সার্জারি’ও হয় তাঁর। দীর্ঘ ১০ মাসের প্রক্রিয়া শেষে আরিয়ান থেকে অনয়া হয়েছেন তিনি। কিন্তু সেই প্রক্রিয়ার মধ্যে থেকে যাওয়ার সময় অনেক লড়াই করতে হয়েছিল। বাবা সঞ্জয় বাঙ্গার নাকি স্পষ্টই বলেছিলেন, ক্রিকেটে তাঁর আর কোনও জায়গা নেই। পরিস্থিতি এতটাই জটিল হয়ে গিয়েছে যে, ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটারকে নিয়ে কথাও বলতে চাইতেন না মেয়ে অনয়া। এমনকী তাঁর মাথায় এসেছিল আত্মহত্যার ভাবনাও। আবার ‘অনয়া’ হয়ে ওঠার পর তাঁকে কয়েকজন ক্রিকেটার নগ্ন ছবি পাঠাত। এক সময়ে খেলেছিলেন যশস্বী জয়সওয়াল, মুশির খানের সঙ্গে। তাঁর আরেকটি পরিচয়, তিনি প্রাক্তন ক্রিকেটার সঞ্জয় বাঙ্গারের সন্তান। লিঙ্গনির্ণায়ক অস্ত্রোপচারের পথে হাঁটছেন অনয়া। কিন্তু এবার সঞ্জয় পাশে আছেন। অনয়ার চিকিৎসার সমস্ত খরচ তিনিই বহন করবেন।প্রথমে বাবা-মায়ের আপত্তি সত্ত্বেও লিঙ্গ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন অনয়া। এবার বাবা সঞ্জয় বাঙ্গার পাশে আছেন। অনয়ার চিকিৎসার সমস্ত খরচ তিনিই বহন করবেন।

বড় পদক্ষেপের পথে হাঁটছেন অনয়া। যে অস্ত্রোপচারের নাম ‘ভ্যাজিনোপ্লাস্টি’। অর্থাৎ এই সার্জারির মাধ্যমে পুরুষাঙ্গ অপসারণ করে সেখানে কৃত্রিমভাবে যোনিপথ স্থাপন করা হয়। অনন্যা বলছেন, “মার্চে আমার লিঙ্গনির্ণায়ক অস্ত্রোপচার হবে। এর আগে যাঁদের এই অস্ত্রোপচার হয়েছে, তাঁরা আমাকে সাহায্য করছেন। থাইল্যান্ডে এই অস্ত্রোপচার হবে। তারপর কিছুদিন আমাকে বিশ্রাম নিতে হবে। অন্তত ৬ মাস ক্রিকেট খেলতে পারব না। কিন্তু আমি খুশি যে, এটা শেষ পর্যন্ত হচ্ছে।” অনয়া পুরোপুরি ‘মহিলা’ হয়ে গেলে কি মহিলাদের ক্রিকেটে খেলতে পারবেন? আইসিসি’র নিয়ম অনুযায়ী, কেউ যদি পুরুষ হিসেবে বয়ঃসন্ধি কাটান, পরে মহিলা হিসেবে খেলতে পারবেন না। এর পাশাপাশি টেস্টোস্টেরন লেভেল দেখা হবে। অনয়ার স্বীকারোক্তি, “এই মুহূর্তটার জন্য আমি পাঁচ বছর অপেক্ষা করেছি। যে লিঙ্গ নিয়ে আমি জন্মেছি, সেটা আমি কখনই মানিয়ে নিতে পারিনি। অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য আমাকেও অনেক রকম মানসিক লড়াই লড়তে হয়েছে। থেরাপি করিয়েছি, নিজের সঙ্গে কথা বলেছি, অনেক শারীরিক পরীক্ষা হয়েছে।” বাবা-মাকে পাশে পাচ্ছেন অনয়া। তার কারণও ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি বলেন, “আমার বাবা দেখেছেন, লোকে আমাকে সম্মান করছেন, কথা বলছেন। তাঁরা বুঝেছেন, ঝোঁকের বশে আমি এই সিদ্ধান্ত নিইনি। এখন আমার বাবা চিকিৎসার খরচ বহন করবেন। এভাবে পরিবার পাশে দাঁড়ালে অনেক রূপান্তরকামীদের সুবিধা হবে।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles