Monday, April 27, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

লক্ষ্মীর হাবভাবে ফের জল্পনা, ‘‌ফিরছেন কবে, কোথায়?’‌ পুনরায় রাজনীতিতে ফেরার চেষ্টা করছেন বাংলার লক্ষ্মীরতন শুক্লা?‌

মন্ত্রিসভা থেকে পদত্য়াগ করা প্রাক্তন ক্রিকেটার লক্ষ্মীরতন শুক্লা। তবে, তিনি কবে কোথায় আবার রাজনীতির মাঠে নামবেন, তা নিয়ে জল্পনা আবার মাথাচাড়া দিতে চলেছে। ২০২৬ ভোট আসন্ন। প্রত্যেকেই চাইছেন টিকিট। নানান আকারে ইঙ্গিতে বোঝানোর চেষ্টা চলছে। এই দল ওই দলের সঙ্গে গোপন যোগাযোগ রাখার দক্ষতাও স্পষ্ট। মন্ত্রিসভার পাশাপাশি হাওড়া জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সদর লেটারহেডে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারপার্সন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ২০২১ এর ৪ জানুয়ারি চিঠি দিয়ে লক্ষ্মীরতন শুক্লা সামগ্রিক ভাবে রাজনীতি থেকেই সরে দাঁড়াচ্ছেন বলে জানিয়েছিলেন লক্ষ্মীরতন শুক্লা। তৎকালীন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ও টুইট করে জানিয়ে দিয়েছিলেন, মন্ত্রী লক্ষ্মীরতন শুক্লার পদত্যাগপত্র গৃহীত। তবে সেই সঙ্গে লক্ষ্মীর যে চিঠি রাজ্যপাল টুইটার হ্যান্ডেলে দিয়েছেন, সেটি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে লেখা হাওড়া জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সদর সভাপতি লক্ষ্মীরতন শুক্লার পদত্যাগপত্র। সেই চিঠিতে অবশ্য লক্ষ্মী জানিয়েছিলেনন, তিনি রাজনীতি ছেড়ে দিচ্ছেন। লক্ষ্মী পদত্যাগ করার পর দপ্তরের দায়িত্ব পুরোপুরি ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ দপ্তরের পূর্ণমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসই সামলাবেন বলে সরকারি ভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। হাওড়া জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের (সদর) দায়িত্ব দেওয়া হয় ভাস্কর ভট্টাচার্যকে। মুখ্যমন্ত্রীও বলেছিলেন, ‘কেউ মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করতেই পারে। কী যায় আসে? লক্ষ্মী ভালো ছেলে। ও খেলায় বেশি সময় দিতে চাইছে বলে চিঠিতে জানিয়েছে। আমিও চাই, ভালো করে খেলাধুলো করুক। ও খেলার জগতের লোক। শুভেচ্ছা রইল। তবে ও শুধু বিধায়ক পদে থাকতে চেয়েছে।’ মন্ত্রিসভা ও দলীয় পদ থেকে পদত্যাগ। বিজেপিতে কি যোগ? ফের তৃণমূলে কি যোগ? সরাসরি প্রশ্নের উত্তর না পাওয়া গেলেও কিছুটা প্রসঙ্গ ঘুরিয়ে দাবার চাল দেওয়া!‌

মন্ত্রিসভা ও দলীয় পদ থেকে পদত্যাগের পর বিজেপিতে যোগদানের সম্ভাবনা কিছুটা হলেও প্রকট হয়েছিল। সেই সময় বলেছিলেন, ‘‌আপাতত রাজনীতি থেকে সরে গেলাম। ২০১৬ থেকে যাঁদের সঙ্গে কাজ করেছি, তাঁদের সকলকে ধন্যবাদ। মানুষের জন্য কাজ করব। একটা সুযোগ পেয়েছিলাম, চেষ্টা করেছি সততার সঙ্গে তা করার। বাংলার প্রত্যেক মানুষকে ধন্যবাদ জানাই। আজও আমাকে লোকে বলে খেলোয়ার। আমার এটাই পরিচয়। আপাতত খেলার দিকে নজর থাকবে আমার। আমার জীবনে অ্যাজেন্ডা নেই, সোজা পথে হাঁটি। বিধায়ক আছি। এই টার্মটা সম্পূর্ণ করব। আমার থেকে বিশেষ কিছু পাবেন না রাজনৈতিক। আমার কোনও ক্ষোভ নেই। বিরোধী, নিজের বলে এখানে কিছু নেই। সকলের প্রতিই শ্রদ্ধা। বাংলায় হিংসা-প্রতিহিংসা চাই না। প্লিজ হিংসা থেকে সবাই দূরে থাকুন। কিছু কারণ আছে, যা নিজের মধ্যে থাকা উচিৎ। সেইটুকুই আমার থাক। মুখ্যমন্ত্রী আমাকে একটা সুযোগ দিয়েছিলেন। তাঁর সঙ্গে আমার সুসম্পর্ক থাকবে। উনি ওনার মতো করে যথেষ্ট কাজ করেন। ভালো কাজ করেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরিশ্রমের জন্য মানুষ জিতিয়েছে। আমার শুভকামনা থাকবে।’‌

কিডনি বিকল বাংলার ক্রিকেটারের, মুখ্যমন্ত্রীর কাছে সাহায্য চেয়ে বসলেন লক্ষ্মীরতন শুক্লা!

এবার এক বাংলার ক্রিকেটারের কিডনি খারাপ হয়ে মরণাপন্ন অবস্থায় পৌঁছানোর খবর সামনে। বাংলার প্রতিভাবান তরুণ ক্রিকেটার আকাশ বিশ্বাস। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কালীঘাট স্পোটিং ক্লাবের হয়ে খেলছেন। লেগ স্পিনার হিসেবে নিজের পরিচয় তৈরি করেছেন। এর সঙ্গেই ব্যাটিং‌ও ভালোই করেন। ক্রিকেটকে জীবনের লক্ষ্য করে এগিয়ে যাওয়ার পথে শারীরিক সমস্যা বর্তমানে তার বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। দুটো কিডনি খারাপ হয়ে গেছে আকাশের। বেঁচে থাকতে গেলে তার দুটো কিডনি প্রতিস্থাপন করতে হবে। বিপুল টাকা এই মুহূর্তে প্রয়োজন। কিন্তু ক্লাব ক্রিকেট খেলা ক্রিকেটারের পক্ষে এই অর্থ জোগাড় করা সম্ভব নয়। ফলে বিপাকে এই তরুণ ক্রিকেটার। বাংলার প্রধান কোচ লক্ষ্মীরতন এর আগে দু’লক্ষ টাকা জোগাড় করে তুলে দিয়েছিলেন এই তরুণ ক্রিকেটারের হাতে। অস্ত্রোপচারের খরচ সম্পূর্ণ জোগাড় করতে পারেননি। বাংলার প্রাক্তন অধিনায়ক এই বিষয়ে বলেন,“আকাশের এই অসুস্থতা সত্যিই দুর্ভাগ্যজনক একটি বিষয়। আমি নিশ্চিত যে ও খুব তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে আবারও মাঠে ফিরবে। সেই কারণে আমাদের সকলকে তার পাশে থাকতে হবে। আমি সকলের কাছে অনুরোধ করছি যে এই ক্রিকেটারের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন।” মৃত্যুর মুখ থেকে ছেলেকে বাঁচাতে মরিয়া মা। তার কাতর আবেদন মুখ্যমন্ত্রী শুনবেন বলেই মনে করছেন বাংলা দলের প্রধান কোচ। এবার, এই বিষয়ে লক্ষ্মীরতন শুক্লা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে সাহায্যের আবেদন করলেন।

এসআইআর প্রক্রিয়ার পুরো “সিস্টেমের উপর আস্থা আছে” বলেও মন্তব্য লক্ষ্মীরতনের!‌

এসআইআর প্রক্রিয়ার শুনানিতে হাজিরা দিলেন ভারতীয় দলের প্রাক্তন ক্রিকেটার লক্ষ্মীরতন শুক্লা।প্রয়োজনীয় নথিপত্র নিয়ে পিলখানার কাছে ব্রিজ অ্যান্ড রুফ কারখানার শুনানি কেন্দ্রে হাজিরা দেন। সেখান থেকে বেরিয়ে জানান, “সিস্টেমের উপর আস্থা আছে।” কমিশনের পক্ষ থেকে তাঁকে গত ৭ জানুয়ারি শুনানিতে হাজির থাকার জন্য ডেকে পাঠানো হয়েছিল। তবে খেলার ব্যস্ততার কারণে ওই দিন হাজিরা দিতে পারেননি বলেই জানিয়েছেন লক্ষ্মীরতন। এসআইআর নিয়ে বলেন, “এটা সিস্টেমের কাজ, সিস্টেমের উপর ভরসা আছে। কিন্তু কারও যেন কোনওরকম ক্ষতি না হয়।” লক্ষ্মীরতনের ক্ষেত্রে মূলত তাঁর বাবার নাম সংক্রান্ত তথ্য নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সেই কারণেই এসআইআরের আওতায় শুনানির জন্য ডেকে পাঠানো হয়েছে তাঁকে। লক্ষ্মীরতন হাওড়া উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার। রাজনৈতিক জীবনে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক ছিলেন এবং একসময় রাজ্যের ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বও সামলেছেন। লক্ষ্মীরতন শুক্লা স্ত্রী ছাড়াও তাঁর বাবা এবং দাদাকেও শুনানির জন্য ডেকে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু তাঁর বাবা অসুস্থ থাকায় এদিন হাজিরা দিতে পারেননি বলে জানা গেছে। শুনানিতে হাজিরা দিয়ে লক্ষ্মীরতন শুক্লা বিচলিত নন! ‘‌কারও ক্ষতি না হয়,’‌ এসআইআর নিয়ে বললেন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার।

আপাতত বঙ্গ রাজনীতিতে ঘোরাফেরা করছে একাধিক প্রশ্ন। কোন দলে যোগ দিচ্ছেন?‌ কোন কেন্দ্রে দাঁড়াবেন?‌ কার জায়গায় দাঁড়াবেন?‌ ভোটের মুখে আবার ফিরে আসার সুপ্ত চেষ্টা চালাচ্ছেন অনেকেই। টিকিট পেতে মরিয়া?‌ প্রশ্ন খোদ জনগনের?‌ বেছে নেবেন কোন নেতাকে?‌ ধন্দেও সাধারন মানুষ!‌

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles