বিশ্বে এই মুহূর্তের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সুরস্রষ্টা এআর রহমান। কিন্তু বলিউডে গত আট বছরে বহু কাজ হাতছাড়া হয়েছে তাঁর। বলিউডেও নিজস্ব পরিচিতি তৈরি করতে বেশ সময় লেগেছে তাঁর। নিজেই এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন এআর রহমান। হিন্দি ছবির জগতে কুসংস্কার ও পক্ষপাতের মতো বিষয় রয়েছে কি না,সেই প্রসঙ্গও উঠে আসে। তামিলদের প্রতি, বা যাঁরা মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা নন, তাঁদের নিয়ে ভেদাভেদ রয়েছে কি না, তা নিয়েও কথা বললেন রহমান। মণি রত্নমের ‘রোজা’ ছবির মাধ্যমে বলিউডে কাজ শুরু করেছিলেন। তার পরে ‘বম্বে’ ও ‘দিল সে’ ছবির গান। গানগুলি সফল হলেও বি-টাউনে নিজের পরিচিতি তৈরি করতে বেশ সময় লেগেছিল তাঁর। বলিউডের মধ্যে নিজেকে তাঁর বহিরাগত বলেই মনে হত। কিন্তু ১৯৯৯ সালে ‘তাল’ ছবিতে অভিনয় করার পর থেকে ক্রমশ বলিউডে তাঁর জায়গা তৈরি হতে শুরু করে। এই ছবিতে সঙ্গীত পরিচালনা করার আগে পরিচালক সুভাষ ঘাই তাঁকে হিন্দি শেখার পরামর্শও দিয়েছিলেন। হিন্দির পাশাপাশি উর্দুও শিখেছিলেন তিনি। পরে আরবি ও পঞ্জাবিও শিখেছিলেন রহমান। হিন্দি ছবির জগতে কুসংস্কার ও পক্ষপাতের মতো বিষয় রয়েছে কি না, সেই প্রসঙ্গও উঠে আসে। তামিলদের প্রতি, বা যাঁরা মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা নন, তাঁদের নিয়ে ভেদাভেদ রয়েছে কি না, তা নিয়েও কথা বলেছেন রহমান। সুরকার বিষয়টি অস্বীকার করেননি। তাঁর কথায়, “এমন হয়তো হয়েছে, কিন্তু আমি জানতে পারিনি। যেমন গত আট বছরে ক্ষমতার বদল হওয়ার পর থেকে এ সব হয়েছে। কারণ, ক্ষমতা তাঁদের হাতেই রয়েছে যাঁরা সৃজনশীল নন। আবার ধর্মীয় বিভাজনও হতে পারে। কিন্তু সেগুলো কোনওটাই আমার মুখের সামনে কেউ বলেনি।” রহমান জানিয়েছেন, এমনও হয়েছে, কথাবার্তা এগিয়েছে। কিন্তু এই ক্ষমতাশীল মানুষেরা তাঁদের পছন্দমতো সুরকারদের সঙ্গে কাজ করেছেন। কিন্তু এই নিয়ে আক্ষেপ নেই তাঁর। রহমানের কথায়, “ভালই হয়েছে! আমি পরিবারের সঙ্গে বেশি সময় কাটানোর সময় পাই। আমি কাজ খুঁজে বেড়াই না। কাজ আমার কাছে ঠিক চলে আসবে, আমি যদি মনোযোগী হই।”





