Friday, April 24, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

লক্ষ্মীরতন শুক্লাকে এসআইআর শুনানিতে শুনানিতে ডাক!‌ ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম ছিল না ক্রিকেটারের বাবার

১৯৯৫ সালের পর লক্ষ্মীরতন শুক্লার বাবার ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম ছিল না। সেই কারণেই শুনানিতে ডেকে পাঠানো হয়েছে তাঁকে। হাওড়া উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার লক্ষ্মীরতন শুক্লা। এর আগে মহম্মদ সামিকেও ডেকে পাঠানো হয়েছিল। অভিনেতা দেবকেও তলব করা হয়েছিল এসআইআর শুনানিতে। মহম্মদ সামির পরে লক্ষ্মীরতন শুক্লাকে এসআইআর নোটিস। রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার লক্ষ্মীরতন শুক্লাকে শুনানির জন্য ডাকা হয়েছে। লক্ষ্মীরতন শুক্লা জানান, এসআইআরের শুনানির জন্য ৭ জানুয়ারি তাঁকে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। বিজয় হাজারে ট্রফিতে দলের কোচিংয়ে ব্যস্ত থাকার কারণে তিনি হাজিরা দিতে যেতে পারেননি। রাজ্যে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন এসআইআর-এ শুনানির ডাক পেলেন ভারতীয় দলের প্রাক্তন ক্রিকেটার তথা বাংলা দলের বর্তমান কোচ লক্ষ্মীরতন শুক্লা। এর আগে ভারতীয় দলের ক্রিকেটার মহম্মদ সামিকে এসআইআরের নোটিস পাঠিয়েছিল কমিশন। বাংলা দলের কোচ হিসাবে টুর্নামেন্টে ছিলেন। ওই টুর্নামেন্ট থেকে দল বিদায় নেওয়ার পরে তিন দিন আগে লক্ষ্মী কলকাতায় ফিরেছেন। কবে শুনানির জন্য যাবেন, কথা বলে স্থির করবেন। সূত্রের খবর, প্রাক্তন ক্রিকেটারের বাবার নাম নিয়ে সমস্যা হয়েছে। লক্ষ্মী হাওড়া উত্তরের ভোটার। তিনি এ রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। সেই দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়ার পরে মনোজ তিওয়ারি ওই পদে বসেন। বিজয় হজারে টুর্নামেন্টে খেলার কারণে সামি এসআইআরের ডাক পেয়েও যেতে পারেননি। কলকাতার রাসবিহারী বিধানসভার অন্তর্গত ৯৩ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার। এনুমারেশন ফর্মে ২০০২ সালের তালিকার সঙ্গে যোগ দেখাতে পারেননি বলে তাঁকে তলব করা হয় বলে কমিশন সূত্রে খবর। এই নিয়ে কমিশনকে নিশানা করেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

সামি এবং দেব এনুমারেশন ফর্ম পূরণ সম্পূর্ণই করেননি! তাই পেয়েছেন শুনানির নোটিস। এনুমারেশন ফর্ম পূরণ সম্পূর্ণই করেননি সাংসদ-অভিনেতা দেব এবং ক্রিকেটার মহম্মদ সামি। তাই তাঁরা ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের এসআইআর শুনানির নোটিস পেয়েছেন। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, দেব এবং সামিকে নির্দিষ্ট নথি নিয়ে শুনানিকেন্দ্রে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। কারণ, তাঁদের এনুমারেশন ফর্ম থেকে প্রয়োজনীয় কোনও তথ্যই পাওয়া যায়নি। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, এনুমারেশন ফর্মের কেবল উপরের অংশ পূরণ করেছেন দেব এবং সামি। নীচের অংশে কিছুই লেখেননি। দেব তাঁর ফর্মের উপরের অংশে লিখেছেন জন্মতারিখ, মোবাইল নম্বর, বাবার নাম এবং মায়ের নাম। নিজের আধার নম্বর, বাবা বা মায়ের এপিক নম্বরও লেখেননি। এ ছাড়া, ফর্মের নীচের অংশে দু’টি ভাগ ছিল। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় যাঁদের নাম রয়েছে, তাঁদের বাঁ দিকের অংশ এবং ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় যাঁদের নাম নেই, তাঁদের ডান দিকের অংশ পূরণ করার কথা ছিল। দেব এই অংশ ফাঁকা রেখেই ফর্ম জমা দিয়েছেন। ফর্মের উপরের অংশ পূরণ করেছেন। লিখেছেন জন্মতারিখ, আধার নম্বর, মোবাইল নম্বর, বাবার নাম এবং মায়ের নাম। বাবা বা মায়ের এপিক নম্বর সামি লেখেননি। ফর্মের নীচের অংশেও কোনও তথ্য দেননি। দেবের ফর্মের উপরে ডান দিকে তাঁর ছবি ছিল। সামির ফর্মে তা-ও ছিল না। ২০০২ সালের তালিকার সঙ্গে যাঁরা নিজেদের কোনও যোগ দেখাতে পারেননি, প্রাথমিক ভাবে তাঁদের শুনানিতে তলব করছে কমিশন। এঁদের ‘আনম্যাপ্‌ড’ ভোটার হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এ ছাড়াও ১.৩৬ কোটি ভোটার কমিশনের সন্দেহের তালিকায় রয়েছে। শুনানিতে ডাকা হতে পারে। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে কমিশন। এনুমারেশন ফর্মে ২০০২ সালের তালিকার সঙ্গে যোগ দেখাতে পারেননি বলেই দেব এবং সামিকে তলব করা হয়েছে। দেবের পরিবারের আরও তিন সদস্য শুনানির নোটিস পেয়েছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles