Friday, April 24, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

বাংলা ও বাঙালি সংস্কৃতি রক্ষার বার্তা দক্ষিণ হাওড়া বইমেলায়!‌ কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সার্ধশতবর্ষ উপলক্ষে উৎসর্গীকৃত মেলা

আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস উপলক্ষে গত বছর দক্ষিণ হাওড়ার বইমেলা শুরু হয়েছিল। সে বার থেকেই মেলার অন্যতম বার্তা ছিল, বাংলা ভাষা, সংস্কৃতি ও বাঙালি ঐতিহ্য বজায় রাখার। আগ্রাসনের রাজনীতি থেকে বাংলা ভাষা ও বাঙালিকে রক্ষা করতে হবে। এই ভাবনা নিয়েই সূচনা হল দক্ষিণ হাওড়া বইমেলার। শনিবার চুনাভাটিতে ন’দিন ব্যাপী বইমেলার উদ্বোধন করেন কবি সুবোধ সরকার। আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস উপলক্ষে গত বছর দক্ষিণ হাওড়ার বইমেলা শুরু হয়েছিল। সে বার থেকেই মেলার অন্যতম বার্তা ছিল, বাংলা ভাষা, সংস্কৃতি ও বাঙালি ঐতিহ্য বজায় রাখার। এ ভাবেই বাংলা বিরোধী আগ্রাসনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর বার্তাও দেওয়া হয়েছিল। সেই মূল কথা মনে রেখেই এ বারেও সূচনা হল বইমেলার। দক্ষিণ হাওড়া বিধানসভা এলাকায় বইপ্রেমীদের জন্য ফের উৎসবের আমেজ। পোদরার বিবেকানন্দ মাঠে শুরু হয়ে গেল বহু প্রতীক্ষিত বইমেলা। ‘দক্ষিণী সংহতি’র উদ্যোগে আয়োজিত এই মেলা এ বছর দ্বিতীয় বর্ষে পা দিল। কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সার্ধশতবর্ষ উপলক্ষে উৎসর্গীকৃত এই মেলাকে ঘিরে শুরু থেকেই বইপ্রেমীদের ভিড় চোখে পড়ার মতো।

শনিবার সন্ধ্যায় জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বইমেলার সূচনা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট কবি সুবোধ সরকার, দক্ষিণ হাওড়া বিধানসভার বিধায়ক নন্দিতা চৌধুরী ডোমজুড়ের বিধায়ক কল্যাণ ঘোষ , সাঁকরাইলের প্রিয়া পাল, সাঁকরাইল থানার আইসি বিশ্বজিৎ মণ্ডল, হাওড়া সিটি পুলিশের এসিপি নন্দ দুলাল ঘোষ সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি। অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় পতাকা ও দক্ষিণী সংহতির পতাকা উত্তোলন করা হয়। তার পর প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে বইমেলার উদ্বোধন হয়। বইমেলার সম্পাদক তুষার কান্তি ঘোষ মঞ্চে উপস্থিত অতিথিদের উত্তরীয় পরিয়ে বরণ করে নেন। বইমেলা প্রসঙ্গে তুষার কান্তি ঘোষ বলেন, ‘গত বছর পাঠকদের যে ভালবাসা ও উৎসাহ আমরা পেয়েছিলাম, তার ফলেই এ বছর আরও বড় আকারে এই আয়োজন করা সম্ভব হয়েছে। বইপ্রেমী মানুষদের জন্যই এই মেলার মূল ভাবনা।’ তিনি জানান, এ বছর বইয়ের স্টলের সংখ্যা যেমন বেড়েছে, তেমনই পাঠকদের উপস্থিতিও চোখে পড়ার মতো। শিশু সাহিত্য থেকে শুরু করে গবেষণাধর্মী বই, উপন্যাস, কবিতা- সব ধরনের বই-ই মিলছে এই মেলায়। আয়োজকদের তরফে জানানো হয়েছে, টানা ন’দিন ধরে চলবে মেলা। প্রতিদিনই থাকছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, কবিতা পাঠ, আলোচনা সভা এবং বিশিষ্ট অতিথিদের উপস্থিতি। সন্ধ্যা নামলেই বইমেলা চত্বর রীতিমতো সাহিত্য ও সংস্কৃতির মিলনক্ষেত্রে পরিণত হচ্ছে। বইয়ের পাশাপাশি সাহিত্যচর্চা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের কেন্দ্র হিসেবে দক্ষিণ হাওড়ার এই বইমেলা আগামী কয়েক দিনে আরও জমজমাট হয়ে উঠবে বলেই আশাবাদী আয়োজকরা। বইপ্রেমীদের জন্য এই মেলা যে এক বিশেষ ঠিকানা হয়ে উঠতে চলেছে, তা বলাই বাহুল্য।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles