টাটা স্টিল ওয়ার্ল্ড ২৫কে কলকাতার এক দশকের সাফল্যকে উদযাপন করলেন অঙ্কিতা এবং বাইচুং। টাটা স্টিল ওয়ার্ল্ড ২৫কে কলকাতার এক দশকের শ্রেষ্ঠত্বের প্রশংসা করলেন অঙ্কিতা ও বাইচুং ভুটিয়া। প্রতি বছরের মতো এবারও ‘বিয়ন্ড দ্য ফিনিশ লাইন’ এমন কিছু গল্প তুলে ধরেছে যা মানুষকে জয়ের শিখরে পৌঁছাতে অনুপ্রাণিত করে। আমন্ত্রিত অতিথিরা গত এক দশকে কলকাতার মানুষের মানসিকতায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনার জন্য টাটা স্টিল ওয়ার্ল্ড ২৫কে-এর ভূয়সী প্রশংসা করেন। ডাঃ বোরিয়া মজুমদারের সঞ্চালনায় এই প্যানেলে উপস্থিত ছিলেন এশীয় আর্চারি সোনাজয়ী অঙ্কিতা ভকত, কিংবদন্তি টেনিস তারকা জয়দীপ মুখার্জি, ফুটবল আইকন বাইচুং ভুটিয়া এবং বিশিষ্ট সুরকার ও গায়ক অনুপম রায়। নিজের সোনা জয় সম্পর্কে বলতে গিয়ে অঙ্কিতা বলেন, “প্যারিস অলিম্পিক আমার জন্য একটি সতর্কবার্তা ছিল। আমি কিছুটা ঘাবড়ে গিয়েছিলাম এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছিল। তাই আমি নতুন করে নিজেকে গুছিয়ে নিয়ে কঠোর পরিশ্রম শুরু করি। আমি সিদ্ধান্ত নিই যে সব হতাশা পেছনে ফেলে দেব। ঢাকায় এশীয় চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা জয় সেই পরিশ্রমেরই ফল। পরবর্তী অলিম্পিক আবার অনেক চাপের। আমাদের বিভাগে ভারত থেকে কেউ এখনও সোনা জিতেনি, কিন্তু আমরা আমাদের সেরাটা দেব।” প্রতিকূলতা কাটিয়ে ওঠার বিষয়ে বলতে গিয়ে জয়দীপ মুখার্জি ১৯৬৬ সালের ঐতিহাসিক ভারতীয় ডেভিস কাপ দলের কথা স্মরণ করেন। সেই দল ফাইনালে পৌঁছে কলকাতার ঘাসের কোর্টে অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হয়েছিল। তিনি মনে করিয়ে দেন কীভাবে তিনি এবং রামানাথান কৃষ্ণন মিলে নিউকম্ব এবং রোচে জুটির বিরুদ্ধে এক বিখ্যাত ডাবলস জয় ছিনিয়ে এনেছিলেন। জয়দীপ মুখার্জি, রামানাথান কৃষ্ণন এবং প্রেমজিৎ লালের সেই লড়াই আজও সাহস এবং সামর্থ্যের চেয়েও বড় কিছু করে দেখানোর এক জ্বলন্ত উদাহরণ। টাটা স্টিল ওয়ার্ল্ড ২৫কে রত্ন বাইচুং ভুটিয়া স্মৃতিচারণ করে বলেন, “১৭ বছর বয়সে ইস্টবেঙ্গলে যোগ দেওয়া আমার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল। ফুটবলে আজ আমি যা কিছু অর্জন করেছি, তা ভক্তদের জন্য, যেসব ক্লাবে আমি খেলেছি তাদের জন্য এবং দেশের প্রতিনিধিত্ব করার সম্মানের জন্য।” দৌড় প্রতিযোগিতা সম্পর্কে তিনি বলেন, প্রথম বছরে মাত্র কয়েক হাজার থেকে এ বছর ২৩ হাজারে পৌঁছানো একটি বিশাল অগ্রগতি। এটি শহরের মানুষের মধ্যে আসা পরিবর্তনকে স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলে। অনুপম রায় বলেন, “শীতের রবিবারে টাটা স্টিল ওয়ার্ল্ড ২৫কে-এর জন্য আমাদের শহর যেভাবে একত্রিত হয়, তা অনেক বড় কথা। এটি আমাদের সবার জন্য খুব অনুপ্রেরণাদায়ক একটি মুহূর্ত। খেলাধুলা আপনাকে দ্বিতীয়বার সুযোগ দেয়, আর এটাই এর সৌন্দর্য।” অনুষ্ঠানের শেষে এই চার আইকন কলকাতার ক্রীড়া জগতে টাটা স্টিল ওয়ার্ল্ড ২৫কে-এর রূপান্তরমূলক প্রভাবের প্রশংসা করেন। ‘বিয়ন্ড দ্য ফিনিশ লাইন’ হলো প্রো ক্যাম ইন্টারন্যাশনালের একটি উদ্যোগ। এই অনুষ্ঠানে সহযোগী স্পন্সর হিসেবে ছিল আইডিএফসি ফার্স্ট ব্যাঙ্ক, লাইভ ব্রডকাস্ট পার্টনার ইনিটিয়াম, টেলিকাস্ট পার্টনার সোনি স্পোর্টস নেটওয়ার্ক এবং হসপিটালিটি পার্টনার দ্য ললিত গ্রেট ইস্টার্ন কলকাতা।

বিশ্বরেকর্ডের মালিক। জোড়া অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন। তিনবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। ৫০০০ এবং ১০,০০০ মিটারে রেকর্ডের অধিকারী। ২০২০ সালে দশম অ্যাথলিট হিসেবে জোড়া রেস জয়ের নজির গড়েন। সেই জোশুয়া চেপতেগেই ভারতীয় সংস্কৃতিতে মুগ্ধ। রবিবার টাটা স্টিল ম্যারাথনে যোগ দেবেন উগান্ডার তারকা। তাঁর তৃতীয় ভারত সফর। কলকাতায় প্রথম। এর আগে বেঙ্গালুরু এবং দিল্লি ম্যারাথনে যোগ দিয়েছিলেন। তাতেই ভারতের প্রেমে পড়ে যান। তাই এই দেশে আসার সুযোগ ছাড়তে চান না। জানান, ভারত তাঁর ‘সেকেন্ড হোম’। তাই আমন্ত্রণ পেয়েই লুফে নেন উগান্ডার তারকা। ছুটে আসেন কলকাতায়। নতুন অভিজ্ঞতার জন্য মুখিয়ে আছেন। সবেমাত্র বৃহস্পতিবার রাতে শহরে পা রেখেছেন। এখনও স্থানীয় খাবার চেখে দেখার সুযোগ হয়নি। টাটা স্টিল ম্যারাথনের ফটোসেশন উপলক্ষে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল যান। কিন্তু মাত্র জোড়া সফরে কীভাবে ভারত তাঁর দ্বিতীয় ঘর বাড়ি হয়ে গেল? বিশ্বতারকা জানান, এই দেশ থেকেই কার্যত তাঁর জীবন শুরু হয়েছে। ভারতে প্রথম ট্রফি জয়। জোশুয়া বলেন, ‘ভারত আমার দ্বিতীয় বাড়ি। ২০১৪ সালে প্রথম জাতীয় স্বীকৃতি এখানেই পেয়েছি। তারপর থেকেই সুযোগ পেতে শুরু করি। আমার জীবন ভারত থেকেই শুরু হয়েছে। ভারতীয় অ্যাথলিটদের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাতের সুযোগ হয়েছে আমার। ভারতে ম্যারাথন, অ্যাথলেটিক্সের প্রসার বাড়ছে। রেসকে ক্রমশ আপন করে নিচ্ছে ভারত।’

ভারতীয় সংস্কৃতিতে মুগ্ধ। এই দেশের পোশাক তাঁর পছন্দ। আগের সফরে স্ত্রীর জন্য দিল্লি থেকে একটি পোশাক কিনে নিয়ে গিয়েছিলেন। তাতে মনে ভরেছে স্ত্রীর। এবারও সেই ইচ্ছে আছে। শনিবার প্রস্তুতি সেরে সুযোগ পেলে শপিং করতে চান। জোশুয়া বলেন, ‘আমি ভারতীয় সংস্কৃতিতে মুগ্ধ।।এখনও কলকাতার খাবার খাওয়ার সুযোগ পাইনি। তবে সুযোগ পেলে শপিং করতে যেতে চাই। এখানকার পোশাক আমার খুব পছন্দ। এখানকার মানুষও খুব ভাল।’ ম্যারাথনে নেমেছেন খুব বেশিদিন হয়নি। প্রথম অভিজ্ঞতা তেমন ভাল নয়। আগের বছর ন্যূনতম প্রস্তুতি ছাড়া নেমেছিলেন। সেই অভিজ্ঞতা ভুলে এবার নিজেকে নতুন করে মেলে ধরতে চান। তবে এবারই পোডিয়াম ফিনিশ প্রত্যাশা করছেন না। পরের বছর জেতার লক্ষ্য নিয়ে নামবেন। গত দশ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চ দাপাচ্ছেন। এবার আন্তর্জাতিক সার্কিট থেকে সরে দাঁড়াতে চান। মনে করেন, এবার পরবর্তী প্রজন্মকে জায়গা ছেড়ে দেওয়া উচিত। জোশুয়া ছাড়াও আন্তর্জাতিক পুরুষ অ্যাথলিটদের মধ্যে অংশগ্রহণ করবেন অ্যালফন্স ফেলিক্স সিম্বু এবং টেবেলো রামাকোঙ্গা। মেয়েদের মধ্যে এবারের টাটা স্টিল ম্যারাথনে অংশ নেবেন সুতুমে কেবেডে, দেগিটু আজিমারো এবং অ্যাগ্নেস কেইনো। জয়ের হ্যাটট্রিকের লক্ষ্যে নামবেন সুতুমে। ভারতীয় অ্যাথলিটদের মধ্যে অংশ নেবেন গুলবির সিং, সাওয়ান বরওয়াল, সঞ্জীবনী যাদব এবং সিমা। আগেরবারের চ্যাম্পিয়ন গুলবির। এই ম্যারাথনের মাধ্যমে এশিয়ান গেমস, কমনওয়েলথের প্রস্তুতি সারতে চান।

২৩,০০০+ অংশগ্রহণকারীর জন্য সুপরিকল্পিত আয়োজন, টাটা স্টিল ওয়ার্ল্ড ২৫কে কলকাতার ১০ম সংস্করণকে সামনে রেখে প্রস্তুতি তুঙ্গে, বিশ্বের প্রথম World Athletics Gold Label Road Race-এর আয়োজক প্রোক্যাম ইন্টারন্যাশনাল আগামী রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫ অনুষ্ঠিতব্য টাটা স্টিল ওয়ার্ল্ড ২৫কে কলকাতা সফলভাবে আয়োজনের জন্য নির্বিঘ্ন প্রস্তুতি নিশ্চিত করেছে। আইকনিক রেড রোড-এর মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে রেস রুট, মেডিক্যাল সুবিধা এবং ২৩,০০০-এর বেশি অন-গ্রাউন্ড ও ভার্চুয়াল অংশগ্রহণকারীদের জন্য গৃহীত বিভিন্ন ব্যবস্থার বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। USD 142,214 প্রাইজমানির এই ইভেন্টে পুরুষ ও মহিলা বিজয়ীদের জন্য সমান পুরস্কার অর্থের প্রতিশ্রুতি অব্যাহত রয়েছে। ১০ম সংস্করণ উপলক্ষে ১:১১:০৮ সময় ভেঙে নতুন বিশ্বরেকর্ড হলে অতিরিক্ত USD 25,000 বোনাস দেওয়া হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন বয়সভিত্তিক বিভাগে পুরুষ ও মহিলা শীর্ষ তিনজন অ্যামেচার দৌড়বিদ যথাক্রমে ৩৫,০০০, ২৫,০০০ ও ১০,০০০ পুরস্কার পাবেন। রেস ডে’র লাইভ সম্প্রচার হবে Sony Sports 1 HD & SD-এ সকাল ৫:৩০টা থেকে। হিউ জোন্স, রেস ডিরেক্টর বলেন “এবারের কোর্সটি আলাদা এবং আরও চ্যালেঞ্জিং। তবে অনুকূল আবহাওয়া ও ভোরের শুরু দৌড়বিদদের কৌশলগত সুবিধা দেবে।” সঞ্জুক্তা দত্ত, ইমার্জেন্সি হেড, ফোর্টিস হাসপাতাল ও মেডিক্যাল ডিরেক্টর বলেন “প্রোক্যাম ও ফোর্টিস হাসপাতালের যৌথ উদ্যোগে রেস ডে’তে উন্নত মেডিক্যাল সুবিধার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। দৌড়বিদদের প্রতি আমার পরামর্শ পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন, হালকা প্রাতঃরাশ করুন, দৌড়ের আগে ওয়ার্ম-আপ এবং পরে কুল-ডাউন করুন। নিজেকে অতিরিক্ত চাপ দেবেন না। আনন্দের সঙ্গে দৌড়ান।”
অন-গ্রাউন্ড ও ভার্চুয়াল রানের বিভাগভিত্তিক অংশগ্রহণ
২৫কে – ৬,৯২৭
ওপেন ১০কে – ৮,০৬৮
আনন্দ রান – ৬,০৬৬
সিনিয়র সিটিজেন রান – ১,৮১৫
চ্যাম্পিয়নস উইথ ডিসঅ্যাবিলিটি – ৪৫০

রেস রুট ও সময়সূচি
২০২৫ সংস্করণে ভোরের শুরু ও কলকাতার অনুকূল আবহাওয়ার কারণে সব পাঁচটি রেস রেড রোড থেকেই শুরু ও শেষ হবে। রবিবার বিদ্যাসাগর সেতু বন্ধ থাকায় শহর কর্তৃপক্ষের সহায়তায় নতুনভাবে রুট পরিকল্পনা করা হয়েছে। দৌড়বিদরা দক্ষিণ কলকাতার নতুন পথ, টিপু সুলতান মসজিদ, রবীন্দ্র সরোবর অতিক্রম করে লেকস ফ্লাইওভার-এর চ্যালেঞ্জিং অংশে দৌড়াবেন। এলিট ২৫কে সকাল ৫:৪৫ থেকে ,ইন্দিরা গান্ধী সরণি রেড রোড , অ্যামেচার ও বিজয় দিবস ট্রফি ২৫কে সকাল ৫:৪৯। ইন্দিরা গান্ধী সরণি রেড রোড। ওপেন ও পুলিশ কাপ ১০কে শুরু সকাল ৬:৫০। সিনিয়র সিটিজেন ও সিডহ্লিউডি ২.৩কে, ৮:২০ থেকে। আনন্দ রান ৪.৫কে ৮:৫৫ থেকে।

রেস ডে ব্যবস্থাপনা ও সুবিধা: দৌড়বিদরাই টাটা স্টিল ওয়ার্ল্ড ২৫কে কলকাতার প্রধান অংশীদার। তাঁদের জন্য স্মরণীয় অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে প্রোক্যাম প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। রুট জুড়ে ১২টি জল স্টেশন-এ মোট ৭৮,০০০ লিটার পানীয় জল সরবরাহ করবে। রুটে ৯টি জল স্টেশন রেঞ্জার্স গ্রাউন্ডে ১টি হোল্ডিং এরিয়া, ফিনিশের পরে ১টি জল স্টেশন, পোস্ট-রিফ্রেশমেন্টে ১টি, রুটে ৪টি স্টেশন, ফিনিশের পরে ১টি, রুটে ১টি, জেল স্টেশন, অতিরিক্ত সুবিধা:, ১টি রেড বুল স্টেশন, ২টি চিক্কি স্টেশন, ৩টি কমলা ও লবণ স্টেশন, ২টি আইস স্টেশন + ১টি পোস্ট ফিনিশ, মেডিক্যাল পার্টনার: ফোর্টিস হাসপাতাল, প্রায় ২০০ জন মেডিক্যাল পেশাদার মোতায়েন থাকবেন।, রেঞ্জার্স গ্রাউন্ডে ১টি মেডিক্যাল স্টেশন রুটে ৮টি, ইউনিভার্সিটি গ্রাউন্ডে পোস্ট ফিনিশ ও, পোস্ট রিফ্রেশমেন্ট স্টেশন, টেন্টে মেডিক্যাল স্টেশন, ১৪টি অ্যাম্বুলেন্স, এলিট দৌড়বিদদের জন্য বিশেষ মেডিক্যাল স্টেশন, শেষ ১ কিমি জুড়ে ৩০ জন প্রশিক্ষিত স্পটার, ১০০% বর্জ্য-ব্যবস্থাপিত ইভেন্ট, টেকসই উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি, টাটা স্টিল ওয়ার্ল্ড ২৫কে কলকাতা পরিবেশবান্ধব ও টেকসই ইভেন্ট আয়োজনের লক্ষ্যে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। মূল উদ্যোগসমূহ:, ১০০% বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ল্যান্ডফিল শূন্য, রিফিল পয়েন্ট, পেপারলেস রেজিস্ট্রেশন ও ডিজিটাল কমিউনিকেশন, প্লাস্টিক-মুক্ত বিব ও কিট বিতরণ, পুনর্ব্যবহারযোগ্য ইভেন্ট ব্যাগ. ইভেন্ট ব্যানার পুনঃব্যবহার. বর্জ্য পৃথকীকরণ জৈব বর্জ্যের কম্পোস্টিং, কাগজ ও কার্ডবোর্ড রিসাইক্লিং, অবশিষ্ট জল গাছের পরিচর্যায় ব্যবহার, ডিজিটাল সাইনেজ, সাইকেল-বান্ধব প্রবেশ ব্যবস্থা, অতিরিক্ত খাবার দান জীববৈচিত্র্য সমীক্ষা বিশ্বখ্যাত অ্যাথলিটদের মূল্যায়ন ও স্বীকৃতি।
রিপোর্টিং : হৃত্বিক মণ্ডল
ছবি তুলেছেন দেবব্রত বড়াই




