Sunday, April 26, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই!‌ এসআইআর নিয়ে ১৫ সংশয়ের জবাব!‌ ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে নানা কৌতূহল?‌

SIR অর্থাৎ Special Intensive Revision বাংলায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া। ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে নানা কৌতূহল শুরু। নানা জল্পনা। কেউ কেউ আতঙ্কিত! নির্বাচন কমিশন জানাচ্ছে, ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। এটা সরকারি কাজ। আগেও দেশে এই কাজ হয়েছে। জাতীয় নির্বাচন কমিশন ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন অর্থাৎ এসআইআর প্রক্রিয়া ঘোষণা ইস্তক নানা প্রশ্ন উঠেছে। এ নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের বক্তব্য এক-এক রকম। আবার নাগরিকদেরও বিভিন্ন জিজ্ঞাসা রয়েছে। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল সমস্ত কৌতূহলের জবাব দিয়ে নাগরিকদের আশ্বস্ত করে বলেন, ‘‘আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই।’’

১) এক মাসের মধ্যে কি এসআইআর-এর পুরো প্রক্রিয়া শেষ করা যাবে?

সিইও: বিহারে পশ্চিমবঙ্গের চেয়ে ভোটার সংখ্যা বেশি। সেখানে কোনও প্রস্তুতি ছিল না। ছিল না প্রশিক্ষণ। সিংহ ভাগ নাগরিক জানতেনই না, প্রক্রিয়াটি কী! সেখানে যদি সময়ের মধ্যে নির্বিঘ্নে পুরো প্রক্রিয়া শেষ করা যায়, তা হলে বাংলায় নয় কেন? এ রাজ্যে অনেক আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সেই সময় তারা পেয়েছে। তা ছাড়া বাংলার ভোটার সংখ্যাও বিহারের চেয়ে কম। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই এসআইআর-এর প্রক্রিয়া শেষ হবে।

২) আধার কার্ড কি পরিচয়পত্র হিসাবে গ্রহণ করা হবে?

সিইও: হ্যাঁ। আধার কার্ডের বিষয়ে গত ৯ সেপ্টেম্বর বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সেই অনুযায়ী পদক্ষেপ করা হবে।

৩) কারও বাড়ি মেদিনীপুরে, তিনি কলকাতায় কাজ করেন। তিনি কী ভাবে এনুমারেশন ফর্ম পূরণ করবেন?

সিইও: দুটো পদ্ধতি রয়েছে। এক, অনলাইন, দুই, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বাড়ির কোনও সদস্য এনুমারেশন ফর্মে সই করলে তা গ্রাহ্য করা হবে। ফর্ম পূরণ করে পরিবারের সদস্য জমা দিতে পারবেন।

৪) প্রত্যন্ত এলাকার মানুষদের সচেতনতার বৃদ্ধির জন্য কী করবেন?

সিইও: আমরা প্রচার করব। সংবাদমাধ্যম থেকে স্থানীয় স্তরে মাইকপ্রচার কিংবা অন্য ভাবে প্রচার করা হবে। সকলেই এই প্রক্রিয়া সম্পর্কে সমস্ত তথ্য জানতে পারবেন।

৫) সব বুথে কি রাজনৈতিক দলের বিএলএ রয়েছে?

সিইও: সব বুথে বিএলএ নেই। তবে যত বেশি সংখ্যক বিএলএ থাকবেন, কাজের সুবিধা তত বেশি হবে। মঙ্গলবার সর্বদল বৈঠকেও কমিশনের তরফে বলা হয়েছে, আরও বুথভিত্তিক এজেন্টের নাম দিতে। কমিশন জানিয়েই দিয়েছে, বিএলএ-রা ৫০টা করে ফর্ম জমা দিতে পারবেন।

৬) রাজনৈতিক ব্যক্তিদের বক্তব্য শুনে অনেকে আতঙ্কিত! এসআইআর ঘোষণার পর আত্মহত্যার অভিযোগও সামনে আসছে। এ নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য কী?

সিইও: অযথা আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। এসআইআর বা ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন সরকারি কাজ। এর আগেও ৮-১০ বার হয়েছে। ভয়ের কোনও প্রশ্নই নেই।

৭) কার বাড়িতে কবে বিএলও যাবেন, তিনি জানবেন কী ভাবে? সেই সময় বাড়িতে তিনি না থাকলে কী হবে?

সিইও: বিএলও সেই আধিকারিক, যাঁর কাছে নির্দিষ্ট এলাকার সমস্ত ভোটার সম্পর্কে তথ্য থাকে। তিনি জানেন, কে কোথায় থাকেন, কর্মসূত্রে বাইরে থাকেন কি না। তাই বিএলও কোনও এলাকায় যাওয়ার আগে আগাম সেখানে খবর পাঠিয়ে দেবেন। তার পরেও কেউ বা কোনও পরিবার খবর না পেলেও অসুবিধা নেই। বিএলও এক বার নয়, প্রত্যেক এলাকায় প্রয়োজনে তিন-চার বার যাবেন। তা ছাড়া এক-একটি বুথে ভোটার সংখ্যা মোটামুটি ১২০০। বিএলও-দের কাজ কঠিন নয়। প্রতি দিন গড়ে ১৫-২০টি বাড়িতে গেলেই এক মাসের মধ্যে সমীক্ষার কাজ হয়ে যাবে।

৮) ১১টি নথি না থাকলে কী হবে?

সিইও: নিজের নাম, বাবা-মায়ের নাম থাকলে কোনও নথি দিতে হবে না। তা ছাড়াও ১১টি নথি ব্যতীত নাগরিকত্ব প্রমাণ করার যে কোনও নথি দিলেই তা গ্রাহ্য হবে। সে জন্য ইআরও ডেকে শুনানি করবেন। ওই ব্যক্তির পুরো বক্তব্য শুনবেন। শোনা হবে, তিনি কী ভাবে নাগরিক, তাঁর যুক্তি কী। এনুমারেশন ফর্ম জমা দেওয়া প্রত্যেকের নামই খসড়া তালিকায় থাকবে। তখন কোনও নথি লাগবে না। আবার কেউ যদি কোনও নথি না-দিয়ে এনুমারেশন ফর্ম নেন, তাঁর নাম খসড়া তালিকাতে থাকবেই। পরে চূড়ান্ত তালিকা তৈরি হওয়ার আগে ওই ব্যক্তিকে ডেকে পাঠানো হবে। তখন ১১টি নথির যে কোনও একটি নথি দিয়ে ব্যাখ্যা করতে হবে, সেটি তিনি কী ভাবে পেয়েছেন।

৯) এখন কি নতুন ভোটার তালিকায় নাম তোলা যাবে?

সিইও: যাবে না। খসড়া তালিকায় নাম না বেরোনো পর্যন্ত নতুন করে ভোটার তালিকায় নাম তোলা যাবে না। সোমবারই নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটার তালিকা ‘ফ্রিজ়’ করা হয়েছে। খসড়া তালিকা তৈরির পর আবার ভোটার তালিকায় নাম তোলার বিষয়টি দেখা হবে।

১০) এসআইআরের সঙ্গে এনআরসির সম্পর্ক রয়েছে বলা হচ্ছে। সত্যি?

সিইও: আমাদের এটা রিভিশন প্রক্রিয়া। এ বিষয়ে আমরা কোনও মন্তব্য করব না।

১১) অনাথদের জন্য কী হবে?

সিইও: যাঁদের বাবা-মা নেই, তাঁদের ক্ষেত্রে কমিশনের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। এনুমারেশন ফর্ম পূরণ করলেই পরে সেটা দেখে নেওয়া হবে।

১২) রাজ্যে এত আধিকারিকদের বদলি করা হল। এতে কি অসুবিধা হবে?

সিইও: রাজ্য প্রশাসনের অন্দরে আধিকারিকদের বদলি হতেই পারে। আমাদের যাঁরা ‘ডিস্ট্রিক্ট ইলেকশন অফিসার’ (ডিআইও) এবং ইআরও, তাঁদের প্রশিক্ষণ দেওয়াই আছে। এখনও যাঁরা প্রশিক্ষণ পাননি, তাঁদেরও প্রশিক্ষিত করা হবে। তা ছাড়া, সার্ভিস রুল অনুসারে যাঁকে যে দায়িত্ব দেওয়া হবে, তিনি তা বুঝে নেবেন। উদাহরণ: এক আধিকারিক অন্য দফতরে বদলি হলে তাঁকে প্রশিক্ষণ দিয়ে দেওয়া হয়। এ ক্ষেত্রেও অসুবিধা হবে না।

১৩) বিএলওরা হুমকির মুখে পড়ছেন বলে অভিযোগ উঠছে। তাঁদের কি কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা দেওয়া হবে?

সিইও: এমন কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি। আর এটা আইনশৃঙ্খলার বিষয়। সেটা রাজ্য সরকার দেখবে। বিএলও-দের আমরা কাজ করাচ্ছি। তাঁদের নিরাপত্তার দিকে আমাদের নজর থাকবেই।

১৪) সিইও ওয়েবসাইট বন্ধ। ফলে অনেকে নাম জানতে পারছেন না!

সিইও: ওয়েবসাইটের কাজ চলছে। আগামী সাত দিন কাজ চলবে।

১৫) প্রশান্ত কিশোরের নাম পশ্চিমবঙ্গ এবং বিহারে রয়েছে। কেন?

সিইও: বিহারে আগেই এসআইআর হয়েছে। বিহারে তাঁর নাম রয়েছে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে এর আগে যখন এসআইআর হয়েছিল, তখন সেন্ট্রালাইজড ডেটা ছিল না। এখন নতুন প্রযুক্তি আনা হচ্ছে। একটাই অ্যাপ্লিকেশনে সমস্ত তথ্য থাকবে। তাই, কোনও ব্যক্তির নাম দুই বা ততোধিক ভোটার তালিকায় থাকলে, তাঁর একটি নাম ব্যতীত অন্যগুলি বাদ যাবে।

ভারতের নির্বাচন কমিশন ঘোষিত এসআইআর SIR শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, এবার এসআইআর হচ্ছে ১২ টি রাজ্যে। প্রথম ধাপে বিহারে SIR সম্পূর্ণ হয়েছে। এবার দ্বিতীয় ধাপে বিশেষ নিবিড় সংশোধন লাগু হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাড়ু, কেরল, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান, ছত্তীসগঢ়, গোয়া, গুজরাট, মধ্যপ্রদেশ রাজ্যে এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল লক্ষদ্বীপ, পুদুচেরি, আন্দামান ও নিকোবরে। দুই নির্বাচন কমিশনার, এসএস সান্ধু ও বিবেক যোশীকে পাশে বসিয়ে এমনটাই বার্তা দেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। নির্বাচন কমিশনের এই ঘোষণার পর থেকেই নানা মুনির নানা মত প্রকাশ পেয়েছে। এতে সবচেয়ে সমস্যায় পড়েছেন সাধারণ মানুষ। বহু মানুষ SIR কে NRC এর সঙ্গে তুলনা করছেন। কেউ কেউ ভাবছেন তাদের হয়তো পশ্চিমবঙ্গ থেকে বিতাড়িত করা হবে। কিন্তু না, SIR নিয়ে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। এটি স্বচ্ছ ভোটার তালিকা তৈরীর একটি পদ্ধতি মাত্র। মূল উদ্দেশ্য, মৃত ভোটার ও অস্বচ্ছ ভোটার তালিকাকে সংশোধন করা এবং নতুন করে একটি স্বচ্ছ ভোটার তালিকা প্রকাশ করা। ২০০২ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত, অর্থাৎ ২১ বছর আগে শেষবার হয়েছিল এসআইআর। ১. ২৮ অক্টোবর থেকে ৩ নভেম্বর পর্যন্ত SIR কর্মীদের প্রশিক্ষণ চলবে। ২. ৪ নভেম্বর থেকে ৪ ডিসেম্বর ঘরে ঘরে যাবেন বিএলও অফিসাররা। ৩. ৯ ডিসেম্বর একটি প্রাথমিক খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ। ৪. ৯ ডিসেম্বর থেকে ৮ই জানুয়ারি ২০২৬, তালিকা দেখার পরে নাম নথিভুক্ত করতে আবেদন প্রক্রিয়া চলবে। ৫. ৯ ডিসেম্বর থেকে ৩১শে জানুয়ারি ২০২৬, আবেদনের পর যাচাই প্রক্রিয়া হবে। ৬. ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, চূড়ান্ত স্বচ্ছ ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে কমিশন। ভোটার হিসেবে কীভাবে বাছাই হবে ও কোন ১১ টি নথি প্রয়োজন? জ্ঞানেশের স্পষ্ট জানিয়েছেন, যাঁদের নাম ভোটার তালিকায় আছে তাঁরা সকলে ‘এনুমারেশন ফর্ম’ পাবেন। আর যাঁরা এই এনুমারেশন ফর্ম-এর সাথে সঠিক ১১টি নথি জমা দেবেন তাঁদের সকলের নাম খসড়া তালিকায় থাকবে। এই ‘এনুমারেশন ফর্ম’ সবার বাড়িতে গিয়ে পোঁছে দেবেন বুথ লেভেল অফিসারেরা। যদি এই ১১টি নথির সবটা না থাকে তবে চিন্তার কোনও কারণ নেই। কারণ এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছেন, বিহারের মতো পশ্চিমবঙ্গেও একই ভাবে SIR হবে। অর্থাৎ, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় যদি আপনার নাম থাকে, তবে আপনাকে কোনও নথি দিতে হবে না। একেবারে এসআইআরে তাঁদের নাম উঠে যাবে। নতুন তালিকায় নাম ওঠার ক্ষেত্রে কমিশন জানিয়েছে, নির্দিষ্ট করে দেওয়া ১১টি নথির মধ্যে যে কোনও একটি নথি এবং ২০০২ সালের তালিকায় বাবা অথবা মায়ের নাম রয়েছে প্রমাণ করতে পারলেই লিস্টে নাম চলে আসবে।

১১টি নথি কী কী? ১. কেন্দ্রীয় অথবা রাজ্য সরকারের চাকরি করলে সেই কাগজ অথবা পেনশন পান এমন পরিচয়পত্র দেখাতে হবে। ২. ১৯৮৭ সালের ১ জুলাইয়ের আগে ব্যাঙ্ক, LIC, পোস্ট অফিস বা স্থানীয় প্রশাসনের দেওয়া যে কোনও একটি নথি দেখতে হবে। ৩. নিজের জন্ম শংসাপত্র। ৪. পাসপোর্ট। ৫. মাধ্যমিক বা তার বেশি শিক্ষাগত যোগ্যতার শংসাপত্র। ৬. জমি অথবা বাড়ির দলিল। ৭. জাতিগত শংসাপত্র। ৮. ফরেস্ট রাইট সার্টিফিকেট। ৯. কোনও নাগরিকের ন্যাশনাল রেজিস্ট্রার (National Register of Citizens)। ১০. স্থানীয় প্রশাসনের দেওয়া পারিবারিক রেজিস্ট্রার। ১১. রাজ্য সরকারের উপযুক্ত প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষের দেওয়া বাসস্থান সম্পর্কে শংসাপত্র। অর্থাৎ, রেসিডেন্সিয়াল সার্টিফিকেট। নাম নথিভুক্ত করার ক্ষেত্রে খুব সহজ ভাবে কমিশন কয়েকটি শর্তের কথা উল্লেখ করেছে। সেগুলি হলো – ১. আপনাকে অবশ্যই ভারতীয় নাগরিক হতে হবে। ২. আপনার বয়স ১৮ বছর বা তার বেশি হতে হবে। ৩. আপনাকে আপনার সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় থাকতে হবে। ৪. কোনও ভাবেই সংশ্লিষ্ট এলাকায় আপনার ভোট দেওয়ার অধিকার বাতিল হলে চলবে না। পরিচয়পত্র হিসাবে আধার কার্ড বৈধ। এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট আগেই নির্দেশ দিয়েছিলো আধার কার্ড কে SIR-এ পরিচয়পত্র হিসেবে মান্যতা দিতে হবে। সেই মোতাবেক পরিচয়পত্র হিসাবে এটি দেখানো যাবে। তবে কমিশন জানিয়েছে, এটি দেখিয়ে নাগরিকত্বের দাবি করা যাবে না। আধার কার্ড-এর সাথে ১১টি নথির মধ্যে যে কোনও একটি দেখাতে পারলে নাম নথিভুক্ত হবে। নতুন করে নাম নথিভুক্ত করা যাবে? কাদের নাম বাদ যাবে? যাদের নাম কোনও ভোটার তালিকায় নেই, একেবারে নতুন, তাঁরাও লিস্টে নাম তুলতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের পূর্বে বেঁধে দেওয়া নিয়মেই নাম তোলা যাবে। একটি ৬ নম্বর ফর্ম পূরণ করে এবং এই ফর্মে থাকা উপযুক্ত নথি জমা দিলেই নতুন করে নাম নথিভুক্ত হবে। অন্যদিকে নাম বাদ যাওয়ার ক্ষেত্রে কমিশন জানিয়েছে- যারা ২০০২ সালের তালিকায় নাম দেখাতে পারবেনা এবং ভারতীয় নাগরিকত্ব প্রমাণ করতে ব্যর্থ হবে, তাদের নাম তালিকা থেকে বাদ দিতে পারে কমিশন। সহজ করে বললে, যদি আপনি ১১ টি নথির মধ্যে একটি নথি দেখান, কিন্তু আপনার বাবা বা মায়ের বা নিজের নাম ২০০২ সালের তালিকায় দেখাতে পারলেন না, তবে আপনার নাম বাদ যেতে পারে। মনে রাখবেন যাঁদের নাম দু’টি এপিক নম্বরে, অর্থাৎ দু’জায়গায় রয়েছে তাঁদের নাম এক জায়গা থেকে বাদ পড়বে। সব শেষে জেনে রাখা দরকার, আপনি যদি এই SIR-এ অংশগ্রহণ না করেন তবে ২০২৬ এর নতুন তালিকায় নাম নথিভুক্ত হবে না। পাশাপাশি আগামী নির্বাচনেও ভোট দিতে পারবেন না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles