Thursday, April 23, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

সৌরভ ও অভিষেক থাকছেন ২৮ সেপ্টেম্বর বোর্ডের এজিএমে!‌ একজন সিএবি প্রেসিডেন্ট, অন্যজন ন্যাশানাল ক্রিকেট ক্লাব প্রতিনিধি

সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ও অভিষেক ডালমিয়া। দুজনই ২৮ সেপ্টেম্বর বোর্ডের এজিএমে থাকছেন। সৌরভ সিএবি প্রেসিডেন্ট হিসাবে। অভিষেক থাকছেন এনসিসি অর্থাৎ ন্যাশানাল ক্রিকেট ক্লাব প্রতিনিধি হিসাবে। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় তিন বছর আগে ছিলেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট। তাঁর আমলেই রাহুল দ্রাবিড়ের ভারতীয় দলের কোচ হওয়া, বিরাট কোহলির হাত থেকে নেতৃত্বের ব্যাটন রোহিত শর্মার হাতে ওঠা। অভিষেক ডালমিয়া ছিলেন আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য। অরুণ ধূমলের নেতৃত্বে আইপিএলের নীল নকশা তৈরিতে অংশ নিতেন। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ও অভিষেক ডালমিয়া। বাংলার দুই ক্রিকেট প্রশাসককে ফের ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কোনও দায়িত্বে দেখা যায় কি না, জানতে উৎসুক ছিলেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। ২৮ সেপ্টেম্বর, দুর্গাপুজোর ষষ্ঠীর দিন মুম্বইয়ে বোর্ডের বার্ষিক সাধারণ সভা। সেদিনই ঠিক হবে, কারা ভারতীয় ক্রিকেটের মসনদে বিভিন্ন পদে বসবেন। ২৮ সেপ্টেম্বরের এজিএম কার্যত নিয়মরক্ষার। কারণ, তার এক সপ্তাহ আগে, শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বরই নির্ধারিত হয়ে গিয়েছে, কাদের হাতে থাকবে ভারতীয় ক্রিকেট প্রশাসনের দায়িত্ব। নয়াদিল্লিতে যেদিন জোড়া বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল। হাজির ছিলেন বোর্ডের প্রভাবশালী কর্তারা। সেই বৈঠকে কেন্দ্রের শাসক দলের কয়েকজন শীর্ষ ব্যক্তিত্বও ছিলেন। সেই বৈঠকে বাংলার জন্য ভাল কোনও খবর নেই। বোর্ডের প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন না সৌরভ। অভিষেককেও বড় কোনও দায়িত্বে দেখা নাও যেতে পারে এবার। আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিলেও থাকছেন না প্রবাদপ্রতিম ক্রিকেট প্রশাসক, আইসিসি, বিসিসিআই ও সিএবি-র প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট জগমোহন ডালমিয়ার পুত্র। বোর্ড প্রেসিডেন্ট পদে মনোনয়ন জমা করেছেন মিঠুন মানহাস। জম্মু-কাশ্মীরের মানহাস দিল্লির হয়ে ঘরোয়া ক্রিকেট খেলেছেন। বোর্ডের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসাবে মনোনয়ন পেশ করেছেন উত্তর প্রদেশের রাজীব শুক্লা। ফের সচিব হচ্ছেন অসমের দেবজিৎ সাইকিয়া। ছত্তীসগঢ় ক্রিকেট সংস্থার প্রতিনিধি প্রভতেজ সিংহ ভাটিয়া হচ্ছে যুগ্মসচিব। কোষাধ্যক্ষ হচ্ছেন কর্নাটকের রঘুরাম ভাট। আইপিএল চেয়ারম্যান থাকছেন অরুণ ধূমলই। যিনি হিমাচল প্রদেশ ক্রিকেট সংস্থার প্রতিনিধি। মিজোরামের মামন মজুমদার আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিলে ঢুকে পড়ছেন অভিষেক ডালমিয়ার জায়গায়। সৌরাষ্ট্রের জয়দেব শাহ অ্যাপেক্স কাউন্সিলের সদস্য হচ্ছেন। বোর্ডে কোনও নির্বাচন হচ্ছে না। প্রত্যেক পদেই নাম চূড়ান্ত। ২৮ তারিখ শুধু আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে।

বাংলার প্রাপ্তির ভাঁড়ার শূন্য?‌ পুরো প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত, এমন কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, প্রেসিডেন্ট পদে রঘুরাম ভাটের নাম কার্যত চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু আগের বোর্ড প্রেসিডেন্ট রজার বিনিও ছিলেন কর্নাটকের। একই রাজ্য থেকে পরপর দুবার বোর্ড প্রেসিডেন্ট হোক, চায়নি ভারতীয় ক্রিকেটের ‘হাইকম্যান্ড’। তাই দিল্লির মিঠুন মানহাসের প্রবেশ। রঘুরাম ভাটকে খালি হাতে ফিরতে হয়নি। তাঁকে বোর্ডের কোষাধ্যক্ষ করা হচ্ছে। বিদায়ী কোষাধ্যক্ষ প্রভতেজ ভাটিয়া হচ্ছেন যুগ্মসচিব। প্রেসিডেন্ট পদে সৌরভের নাম নিয়ে খুব যে আলোচনা হয়নি। ভারতীয় দলের প্রাক্তন অধিনায়কের বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডের জন্যই তাঁর কথা বোর্ড প্রেসিডেন্ট পদে ভাবা হয়নি, বলা হল কোনও কোনও মহল থেকে। ঠিক যেভাবে পাঞ্জাবের হরভজন সিংহ ধারাভাষ্যকারের কাজের ব্যস্ততার জন্য দৌড় থেকে ছিটকে গিয়েছেন বলে দাবি কারও কারও। অভিষেক একটা সময় আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হওয়ার দৌড়ে ছিলেন। প্রাথমিকভাবে অরুণ ধূমলের কুলিং অফে যাওয়ার কথা ছিল। সেক্ষেত্রে অভিষেক তাঁর জায়গা নেবেন, এমন আলোচনা চলছিল। বোর্ড কর্তারা আইনি পরামর্শ নিয়ে জানতে পারেন যে, অরুণ ধূমলের কুলিং অফে না গেলেও চলে। আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিলকে যেহেতু বোর্ডের পদাধিকারী হিসাবে দেখা হয় না। অনুরাগ ঠাকুরের ভাই অরুণ ধূমলই আইপিএল চেয়ারম্যান থাকছেন। শোনা গেল, অরুণ ধূমলের থাকা নিশ্চিত হয়ে যাওয়ার পরই বদলে যায় চিত্রনাট্য। অভিষেকের পরিবর্তে আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিলে ঢুকছেন মিজোরামের মামন। মহালয়ার দিনই সমস্ত ভাবি পদাধিকারীরা আমদাবাদ রওনা হয়েছেন। ভারতীয় ক্রিকেটের ‘হাইকম্যান্ড’-এর ডাকে, বিশেষ ডিনারে অংশ নিতে। আইসিসি চেয়ারম্যান হলেও ভারতীয় ক্রিকেট এখনও যাঁর অঙ্গুলিহেলনে চলে বলে জানেন ওয়াকিবহাল সকলেই।

হল না মহারাজকীয় প্রত্যাবর্তন। আশাও ক্ষীণ ছিল। প্রথম বিদায়কাল ছিল ২০০৮। পুজোর ঢাকের বাজনার মধ্যে থেমে গিয়েছিল তাঁর ক্রিকেটজীবন। মহানবমীতে সেই অবসর ঘোষণা। বিদায় নিয়েছিলেন ক্রিকেটার সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। চোদ্দো বছর পরে পুজোর রেশ মিলিয়ে যেতে না যেতেই ফের সেই বিষাদের সানাই। ১১ অক্টোবর, ২০২২ বোর্ডের ড্রেসিংরুম থেকে বিদায় প্রশাসক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের। এবার বাঙালি মনে আগাম বিসর্জনের বিষাদ। মহালয়ার দিনেই মহারাজকীয় প্রত্যাবর্তনের প্রত্যাশায় জল ঢেলে দিল বিসিসিআই। বোর্ডের শীর্ষ কর্তাদের বৈঠকে পদাধিকারীদের নাম চূড়ান্ত। মিঠুন মানহাস। জাতীয় দলে খেলা হয়নি। তবুও, ‘উইকেট’ গেল শুধু সৌরভের। দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে এই প্রশ্ন, বঙ্গসন্তান সৌরভ রাজনীতিক, ব্যাবসায়ী, শিল্পপতি নাকি কুইজমাস্টার? কোন‌ গুগলিতে বোল্ড হলেন? বিখ্যাত কুইজমাস্টার সৌরভ নিজেই ‘গুগলি রাউন্ড’এ বোল্ড?‌ সে দিনের মতো আজ তাঁকে জায়গা করে দেওয়ার করার জন্য কোনও জগমোহন ডালমিয়াও আর বেঁচে নেই! আবারও বঙ্গ ক্রিকেটের মহারাজকীয় প্রত্যাবর্তনের মাঝেই দেশীয় লেখা হয়ে থাকল বোর্ড প্রশাসনের বিদায়গাথা। পরবর্তী বিসিসিআই সভাপতি পদে বড় চমক। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় নন। গদিতে বসবেন মিঠুন। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ফের বিসিসিআই সভাপতি হতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছিল। এদিকে ঘোরাফেরা করছিল কিংবদন্তি স্পিনার হরভজন সিংয়ের নামও। তবে শেষ পর্যন্ত এই দুই ক্রিকেটারের কেউই বিসিবিআই সভাপতি হচ্ছেন না বলে জানা গিয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, পরবর্তী বোর্ড সভাপতি হতে চলেছেন প্রাক্তন ক্রিকেটার মিঠুন মানহাস। ভারতের জার্সিতে মাঠে না নামলেও ঘরোয়া ক্রিকেটে অতিপরিচিত নাম মিঠুন মানহাস। চুটিয়ে আইপিএল-ও খেলেছিলেন একসময়। ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলতেন দিল্লির হয়ে। দু’বছর তিনি জম্মু ও কাশ্মীরের হয়েও খেলেছেন। আইপিএলে দিল্লি ডেয়ারডেভিল, পুনে ওয়ারিয়র, চেন্নাই সুপারকিংসে খেলেছিলেন তিনি। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ১৫৭ ম্যাচে ৯৭১১ রান আছে তাঁর। আইপিএলে ৫৫ ম্যাচে ৫১৪ রান করেছিলেন তিনি। এছাড়া ভারতীয় এ দলে বেশ কয়েকবার সুযোগ পেয়েছিলেন। মিঠুনকে বোর্ড সভাপতি করা হতে পারে বলে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতাতেই বিসিসিআই-এর সভাপতি পদে বসতে চলেছেন মিঠুন মানহাস। রবিবার ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি পদে মনোনয়ন জমা দেবেন। সিএবি থেকে সৌরভ এবং পাঞ্জাব থেকে হরভজন সিং-এর মতো প্রাক্তন ক্রিকেটাররা বিসিসিআইয়ের বার্ষিক সাধারণ সভায় অংশগ্রহণ করায় মনে করা হচ্ছিল তাঁদের মধ্যে কাউকে বোর্ড সভাপতি করা হতে পারে। শেষ পর্যন্ত বোর্ড সভাপতি পদে বড় চমক দিল অমিত শাহ গোষ্ঠী। নিজে এখন আর সক্রিয় ভাবে ক্রিকেট প্রশাসনের সঙ্গে যুক্ত না থাকলেও বিসিসিআই-তে অমিত শাহের প্রভাব সর্বজনবিদিত। অমিত শাহের ছেলে জয় শাহ বর্তমানে আইসিসি সভাপতি। এর আগে দীর্ঘদিন বিসিবিআই সচিব পদে ছিলেন। অমিত শাহের বাড়িতেই পরবর্তী বিসিবিআই সভাপতির নাম নিয়ে বৈঠক হয়েছিল সম্প্রতি। মিঠুনের সঙ্গে বিসিসিআই সভাপতি হওয়ার দৌড়ে ছিলেন ভারতের হয়ে দুটি টেস্ট খেলা কর্ণাটকের প্রতিনিধি রঘুরাম ভাট। রজার বিনির জায়গায় ফের এক কন্নড়ের বিসিবিআই সভাপতি হওয়া হল না। তবে রঘুরাম সম্ভবত বিসিসিআইয়ের কোষাধক্ষ্য হচ্ছেন। এদিকে রাজীব শুক্ল বোর্ডের সহ-সভাপতি থেকে যাচ্ছেন। আইপিএল গভর্নিং কমিটি চেয়ারম্যান পদে থেকে যাচ্ছেন অরুণ সিং ধুমাল। আর সচিব থাকছেন দেবজিৎ সাইকিয়া। আর যুগ্ম সচিব হচ্ছেন প্রভতেজ সিং ভাটিয়া। ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসিআই)-এর সভাপতি পদে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রত্যাবর্তন ঘটবে কি না, তা নিয়ে শুরু হয়েছিল জল্পনা৷ এমন কি, নাম শোনা যাচ্ছিল প্রাক্তন তারকা স্পিনার হরভজন সিং-এর৷ সৌরভ, হরভজনের মতো হেভিওয়েটদের পিছনে ফেলে বিসিসিআই-এর শীর্ষ পদে বসছেন প্রাক্তন ক্রিকেটার মিঠুন মানহাস৷ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ভারতের প্রতিনিধিত্ব না করলেও কয়েক বছর আগেও ঘরোয়া ক্রিকেট পরিচিত মুখ ছিলেন মিঠুন৷‌

বাংলা ক্রিকেট সংস্থার মতোই ভারতের ক্রিকেটে বোর্ড সভাপতি-সহ বাকি পদে নির্বাচন যে হবে না, তা আগে থেকেই বোঝা গিয়েছিল। সভাপতিনিয়ে কৌতুহল ছিলই। সভাপতি পদে একমাত্র প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন মিঠুন মনহাস। দেশের হয়ে একটিও ম্যাচ না খেলা ক্রিকেটার বোর্ডের সর্বোচ্চ পদে বসতে চলেছেন। নেপথ্যে মনহাসের চতুর বুদ্ধি। মনহাস সকলের কাছে প্রিয় এবং গ্রহণযোগ্য। ইলেক্টোরাল রোলে তিন জন টেস্ট খেলা ক্রিকেটারদের মধ্যে দু’জন ১০০-রও বেশি টেস্ট খেলেছেন। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ও হরভজন সিং। মনহাস বরাবরই উজ্জ্বল, চালাক এবং বুদ্ধিমান মানুষ। আকাশ চোপড়া বলেন, “মনহাসকে সকলেই পছন্দ করে। ও এমন সময় দিল্লির নেতৃত্ব দিয়েছে যখন অনেক বড় বড় তারকা ছিল দলে। ভারতের হয়ে খেলা ক্রিকেটারেরা ওর নেতৃত্বে খেলেছে। ও সকলকেই দারুণ ভাবে সামলেছে। মনহাসের ক্রিকেটজীবন সাধারণ মানের। তবে ও জানত ঠিক কী দরকার এবং কত দিনের জন্য। ক্রিকেটার হিসাবে সনেটে খেলা রমন লাম্বা, অজয় শর্মা, কেপি ভাস্কর, আকাশ চোপড়া বা আশিস নেহরা, ঋষভ পন্থের ধারেকাছেও ছিল না। দিল্লি দলে সুযোগ পাওয়া পর্যন্তই ওর সঙ্গে সনেটের যোগাযোগ ছিল। ওএনজিসি-তে স্পোর্টস কোটায় চাকরি পাওয়ার পর আর সনেটের দিকে বিশেষ যায়নি।” মিঠুনের বেশির ভাগ বন্ধুই ছিল তারকা ক্রিকেটারেরা। যেমন বিরাট কোহলি, বীরেন্দ্র শেহবাগ, যুবরাজ সিং। টি-টোয়েন্টিতে দিল্লি ডেয়ার ডেভিলসের হয়ে ৫৫টা ম্যাচ খেলেছেন সহবাগের অধিনায়কত্বে। পুণে ওয়ারিয়র্স এবং পাঞ্জাব কিংসে যুবরাজের নেতৃত্বে ছিলেন। শেহবাগ এবং মিঠুন খুবই ঘনিষ্ঠ বন্ধু।

১৯৯৭/৯৮ মরসুমে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেক হয় মনহাসের। ১৭ বছর ধরে তিনি দিল্লির মিডল অর্ডারে নির্ভরযোগ্য ব্যাটার ছিলেন। রাহুল দ্রাবিড়, সচিন তেন্ডুলকর, ভিভিএস লক্ষ্মণ এবং সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের যুগে তাঁর পক্ষে ভারতীয় দলে জায়গা করা কঠিন ছিল। শিকে ছেঁড়েওনি। তিনি অধিনায়ক হিসাবে দিল্লিকে ২০০৭-০৮ মরসুমে রঞ্জি ট্রফি চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন। সেই বছর ৫৭.৫৬ গড়ে ৯২১ রান করেছিলেন। বিরাট কোহলিও তাঁর নেতৃত্বে রঞ্জি খেলেছেন। ডানহাতি ব্যাটার মনহাস অফ-স্পিন বোলিংও করতেন। ১৫৭টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচে ২৭টি শতরান, ৪৯টি অর্ধশতরান-সহ ৪৫.৮২ গড়ে ৯,৭১৪ রান করেছেন। পাশাপাশি ৪০টি উইকেটও রয়েছে। তিনি দিল্লি ডেয়ারডেভিলস, পুণে ওয়ারিয়র্স এবং চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে আইপিএলে খেলেছেন। ২০০৮ সালে প্রথম আইপিএলে দিল্লি তাঁকে নিলামে কেনে। ২০১১ সালে তাঁকে নেয় পুণে। ২০১৪ সালে মহেন্দ্র সিংহ ধোনির চেন্নাই তাঁকে কিনে নেয়। আইপিএলে ৫৫টি ম্যাচে ২২.৩৪ গড়ে ৫১৪ রান করেন। ২০১৭ সালে মনহাস পাঞ্জাব কিংসের সহকারী কোচ হন। এর পর বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ব্যাটিং পরামর্শদাতা হন। দু’বছর সেই পদে থাকার পর তিনি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর সহকারী কোচ হন। এখন তিনি গুজরাত টাইটান্সের সহকারী কোচের পদে রয়েছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles