Monday, April 27, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

টি-২০ বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল ইডেনে! ভারত ও শ্রীলঙ্কায় যৌথ ভাবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ

ভারত ও শ্রীলঙ্কায় যৌথ ভাবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। স্বাভাবিকভাবেই আলোচনা চলছে, কোন কেন্দ্র কোন ম্যাচ পাবে? বিশ্বকাপের সবচেয়ে হাইপ্রোফাইল ম্যাচ ভারত বনাম পাকিস্তান। কিন্তু সেটা কোনওভাবেই ভারতে হচ্ছে না। ভারত-পাক ক্রিকেটীয় যুদ্ধ হবে নিরপেক্ষ কেন্দ্র কলম্বোয়। বিশ্বকাপ শুরু হচ্ছে ৭ ফেব্রুয়ারি। বিশ্বকাপের ফাইনাল হবে আহমেদাবাদে। দু’বছর আগে ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনালও পেয়েছিল আহমেদাবাদ। ইডেনে একটা সেমিফাইনাল হয়েছিল। তবে রোহিত শর্মারা সেমিফাইনাল খেলেছিলেন ওয়াংখেড়েতে। এবারও ইডেনে একটা সেমিফাইনাল পাবে, সেটা বলে দেওয়াই যায়। এখনও পর্যন্ত যা গতিপ্রকৃতি, তাতে ভারত সেমিতে উঠলে, সেই ম্যাচই দেওয়া হতে পারে ইডেনে। ইডেন থেকে এবার আইপিএলের কোয়ালিফায়ার এবং ফাইনাল ম্যাচ সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। ‘ক্ষতিপূরণ’ হিসেবে ইডেন বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল পাবে। বিশ্বকাপের ক্রীড়াসূচির প্রাথমিক একটা খসড়া তৈরি হয়ে গিয়েছে। তবে সরকারিভাবে সেটা এখনই ঘোষণা করা হবে না। আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের বার্ষিক সভা। সেখানে নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করা হবে। বিশ্বকাপের আয়োজক যেহেতু ভারত, তাই বোর্ডের নতুন কমিটি গঠন না হওয়া পর্যন্ত সরকারিভাবে কিছুই করা হবে না। বোর্ডেরই কারও কারও মতে, নতুন কমিটি হয়ে যাওয়ার সাত থেকে দশ দিনের মধ্যেই সরকারিভাবে ক্রীড়সূচি ঘোষণা করে দেওয়া হবে। এখনও পর্যন্ত ঠিক আছে, ৮ মার্চ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল হবে আহমেদাবাদে। অবশ্য যদি পাকিস্তান ফাইনালে ওঠে, খেলা হবে কলম্বোয়। ভারত বনাম পাকিস্তান ম্যাচের দিনক্ষণ নিয়েও ক্রিকেটমহলে প্রচুর জল্পনা। আইসিসি ইভেন্টে সাধারণত টুর্নামেন্ট শুরুর পর প্রথম রবিবারেই এই মেগা ম্যাচ দেওয়া হয়। তবে এবার কী হবে, সেটা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। কারণ ৭ ফেব্রুয়ারি টুর্নামেন্ট শুরু হলে, সেটা হবে শনিবার। আইসিসি যদি নিজেদের ট্র্যাডিশন বজায় রাখে, তাহলে তার পরের দিন অর্থাৎ ৮ ফেব্রুয়ারি ভারত বনাম পাকিস্তান হওয়ার কথা। তবে অনেকেই মনে করছেন, শেষবারের বিশ্বকাপ যেহেতু ভারত জিতেছে, তাই উদ্বোধনী ম্যাচে খেলতে পারে টিম ইন্ডিয়া। সেটা যদি হয়, তাহলে ভারত বনাম পাকিস্তান হবে ১৫ ফেব্রুয়ারি। ঝুলে রয়েছে বোর্ডের এজিএমের জন্য। অনেকে বলাবলি করছেন, নতুন প্রেসিডেন্ট যিনিই হোন না কেন, তাঁর শহরে একটা ‘মার্কি’ ম্যাচ দিতেই হবে। অক্টোবরে শুরুতেই পুরোটা পরিষ্কারের সম্ভাবনা।

ব্রাত্য ওয়াংখেড়ে, ইডেন গার্ডেন্সের মতো ঐতিহ্যবাহী ক্রিকেট স্টেডিয়াম! সব ঠিক থাকলে আগামী বছর টি-২০ বিশ্বকাপের ফাইনালও পেতে চলেছে আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম। ঠিক যেমনটা হয়েছিল ২০২৩ সালে। ২০২৬ টি-২০ বিশ্বকাপের জন্য ইতিমধ্যেই যোগ্যতা অর্জন করেছে আয়োজক ভারত এবং শ্রীলঙ্কা, ইংল্যান্ড, আফগানিস্তান, অস্ট্রেলিয়া, বাংলাদেশ, আয়ারল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, পাকিস্তান, দক্ষিণ আফ্রিকা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ইটালি এবং নেদারল্যান্ডস। বাকি ৫ দল সুযোগ পাবে আফ্রিকা (২) এবং এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চল (৩)-এর বাছাইপর্বের ম্যাচ থেকে। টুর্নামেন্ট শুরু হতে পারে ৭ ফেব্রুয়ারি। ফাইনাল হতে পারে ৮ মার্চ। ওই উইনডোর কথা সদস্য দেশগুলিকে জানিয়েও দেওয়া হয়েছে। ওই সময় বিশ্বকাপ হওয়ার অর্থ দলগুলি প্রস্তুতির জন্য সময় পাচ্ছে মোট মাস পাঁচেক। ২০২৩ বিশ্বকাপের মতো এবারের ফাইনালও হতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রিকেট স্টেডিয়াম অর্থাৎ নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে। বিসিসিআইয়ের সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনার পর আইসিসি তেমনটাই ঠিক করেছে। তবে এখানে একটা কিন্তু থাকছে। বিকল্প ভেন্যু হিসাবে শ্রীলঙ্কার কলোম্বো স্টেডিয়ামকেও তৈরি রাখা হচ্ছে। কারণ রাজনৈতিক কারণে পাকিস্তান কোনও ম্যাচ ভারতের মাটিতে খেলবে না। তাই পাক ম্যাচগুলি আয়োজিত হবে শ্রীলঙ্কায়। যদি পাকিস্তান ফাইনালে ওঠে তাহলে ফাইনালও শ্রীলঙ্কাতেই করতে হবে। সেক্ষেত্রে ফাইনালের ভেন্যু হবে কলোম্বো।

কলা কেনার জন্য ৩৫ লক্ষ টাকা খরচ! আর সব মিলিয়ে সরকারি তহবিলের ১২ কোটি টাকা অপব্যবহারের অভিযোগ উত্তরাখণ্ড ক্রিকেট সংস্থার বিরুদ্ধে। যার জেরে উত্তরাখণ্ড হাই কোর্ট বিসিসিআইকে নোটিস জারি করেছে। একটি টুর্নামেন্ট আয়োজনের জন্য সরকারি তহবিলের যে টাকা বরাদ্দ হয়েছিল, তার হিসেব নিয়েই শুরু হয়েছে জলঘোলা। মামলাকারীরা উত্তরাখণ্ড ক্রিকেট সংস্থার অডিট রিপোর্ট তুলে ধরেছে। সংস্থার বাইরের এক চার্টার্ড অ্যাকাউন্টের দ্বারা তৈরি করা রিপোর্টে নাকি ৩৫ লক্ষ টাকা খরচের হিসেব দেখানো হয়েছে, ‘প্লেয়ারদের জন্য কলা কেনার খরচ।’ দেরাদুনের বাসিন্দা সঞ্জয় রাওয়াত ও আরও কয়েকজন সংস্থার ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষের হিসেবকে সামনে রেখে তদন্তের আবেদন করেছিলেন। বিচারক মনোজকুমার তিওয়ারির সিঙ্গল বেঞ্চে একাধিক শুনানি হয়। রিপোর্টে দেখানো হয়েছে ৬.৪ কোটি টাকা অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য ব্যয় করা হয়েছে। টুর্নামেন্ট ও ট্রায়ালের জন্য ২৬.৩ কোটি টাকা খরচ দেখানো হয়েছে। যা গত অর্থবর্ষের থেকে ২২.৩ কোটি টাকা বেশি খরচ। মামলাকারীদের দাবি, শুধু খাবারের খরচ দেখিয়েই কোটি কোটি টাকার অপব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়া রাজ্যস্তরের প্লেয়ারদের জন্য যে ব্যবস্থাপনার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তা একেবারেই বরাদ্দ হয়নি। মামলাকারীদের বক্তব্য শোনার পর আগামী শুক্রবার ফের শুনানি হবে বলে জানিয়েছে উত্তরাখণ্ড হাই কোর্ট।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles