২০২৩ সালের বিশ্বকাপের টিকিট বণ্টনে অস্বচ্ছতার অভিযোগ। মামলা দায়ের হয়েছিল কলকাতা হাই কোর্টে। বিশ্বকাপের টিকিট বণ্টন মামলায় হাই কোর্টের নির্দেশে বিপাকে সিএবি-র প্রাক্তন যুগ্ম সচিব দেবব্রত দাস, বুদ্ধদেব মুখোপাধ্যায়রা। এই নিয়ে দায়ের হওয়া আদালত অবমাননার মামলায় তাঁদের আবেদন খারিজ করে দিলেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। সিএবি-র ওম্বুডসম্যানেই আস্থা রয়েছে বলে জানিয়েছে আদালত। ২০২৩ সালের বিশ্বকাপের টিকিট বণ্টনে অস্বচ্ছতার অভিযোগ নিয়ে একটি মামলা দায়ের হয়েছিল কলকাতা হাই কোর্টে। বিসিসিআই, সিএবির বিরুদ্ধে। বিষয়টি এখন বিচারাধীন রয়েছে ওম্বুডসম্যানের কাছে। এই সংক্রান্ত বিষয়ে ওম্বুডসম্যান শুনানির দিন ধার্য করেছেন ১ নভেম্বর। এরই মধ্যে আদালত অবমাননার অভিযোগে মামলা দায়ের হয়। হাইকোর্টে মামলাকারীর হয়ে কার্যত ব্যাট ধরেন সিএবি-র নির্বাসিত যুগ্ম সচিব দেবব্রত দাস-সহ অন্যরা। সিএবির লাইফ মেম্বার এক মামলাকারীর অভিযোগ ছিল, তাঁদের প্রাপ্য কমপ্লিমেন্টারি টিকিট থেকে বঞ্চিত করেছে সিএবি। টিকিট সংক্রান্ত বিষয়ে দুর্নীতি ও গোটা প্রক্রিয়ায় অস্বচ্ছতা রয়েছে বলে দাবি মামলাকারীর। যদিও পাল্টা দাবি করা হয়, সমস্ত নিয়ম নীতি মেনেই বিসিসিআইকে টিকিট সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয় জানানো হয়েছে। ওম্বুডসম্যানের কাছেও সমস্ত নথি রয়েছে। কিন্তু এই মামলার সঙ্গে কোনওভাবে যুক্ত না থাকার পরও যেভাবে দেবব্রত আদালতের কাছে বিভিন্ন নথি পেশ করেন, সেটা দেখেই সিএবির অনেকে অবাক। বলা হচ্ছে, যেহেতু দেবব্রতর দুর্নীতির বিরুদ্ধে সিএবি ব্যবস্থা নিয়েছে, তাই সিএবিকে যেনতেন প্রকারেণ বিপাকে ফেলতে চাইছে। সেটা করতে গিয়ে অবশ্য দেবব্রত দাস নিজেই আরও বিপাকে।

এদিকে, সিএসকে’র সভাপতি হিসাবে নিযুক্ত করা হল ৮০ বছর বয়সি এন শ্রীনিবাসনকে। দলের সিইও কাশী বিশ্বনাথন জানিয়েছেন, আইপিএল এবং গ্লোবাল লিগে প্রাক্তন বিসিসিআই সভাপতিকে বিশেষ এই ভূমিকায় দেখা যেতে চলেছে। বিশ্বনাথন বলেন, “এটা সিএসকে’র জন্য বিরাট আশীর্বাদ। কারণ তিনি আমাদের অন্যতম সেরা প্রশাসক। আমি খুশি যে, সিএসকে’তে ফিরে এসেছেন তিনি। তবে তিনি উপদেষ্টার ভূমিকায় থাকবেন। কারণ তিনি খুব বেশি ভ্রমণ করেন না। আমরা তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ রেখেই চলব।” বিশ্বনাথন এ কথাও নিশ্চিত করেছেন, শ্রীনিবাসন এসএ২০ এবং মেজর ক্রিকেট লিগে সিএসকে’র তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে থাকবেন। গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রেও তাঁর নির্দেশনা চাওয়া হবে। এক্ষেত্রে তিনি সম্মিলিতভাবে দায়িত্ব পালন করবেন পূর্ণ সময়ের ডিরেক্টর গুরুনাথ এবং ম্যানেজিং ডিরেক্টর বিশ্বনাথনের সঙ্গে। পাশাপাশি চেন্নাইয়ের বোর্ড সদস্য হিসাবে থাকছেন সঞ্জয় প্যাটেল, আর শ্রীনিবাসন, রাকেশ সিং, পিএল সুব্রহ্মণ্যম, ভি মানিকম এবং ই জয়শ্রীও। গত আইপিএল মরশুমে ১৪ ম্যাচে মাত্র চারটিতে জয় পেয়ে পয়েন্ট টেবিলে তলানিতে ছিল সিএসকে। আসন্ন মরশুমে প্রত্যাবর্তনের জন্য এন শ্রীনিবাসনের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে চাইছে তারা। এর আগে চেন্নাই সুপার কিংসের কর্ণধার হিসাবে দায়িত্ব পালন করা এন শ্রীনিবাসনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের কারণে বিসিসিআই সভাপতি পদ থেকে পদত্যাগ করতে হয়েছিল।




