Saturday, July 25, 2026

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে ক্রীড়ামন্ত্রীর ক্লাবের কোচকে!‌ কড়া আইএফএ?‌কালীঘাটের বিরুদ্ধে জিতে কলকাতা লিগে পয়েন্ট টেবিলে এগোল লাল হলুদ

খোদ ক্রীড়ামন্ত্রীর ক্লাবের কোচের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিল আইএফএ, প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে রঞ্জনকে, না হলে গোটা মরসুম নির্বাসন। রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ক্লাব সুরুচি সঙ্ঘের কোচকে দু’ম্যাচ নির্বাসিত করল আইএফএ। রাজ্যের ফুটবল সংস্থার বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্যের জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ক্লাব সুরুচি সঙ্ঘের কোচকে দু’ম্যাচ নির্বাসিত করল আইএফএ। রাজ্যের ফুটবল সংস্থার বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্যের জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আইএফএ জানিয়ে দিয়েছে কোচকে সাংবাদিক বৈঠক করে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে। না হলে গোটা মরসুমের জন্য নির্বাসিত করা হবে। অরূপের সঙ্গে বাংলার প্রায় সব ফুটবল ক্লাবেরই সম্পর্ক ভাল। সব দরকারে আইএফএ-রও পাশে থাকেন তিনি। সেই ক্রীড়ামন্ত্রীর ক্লাবের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে আইএফএ সচিব অনির্বাণ দত্ত আনন্দবাজার ডট কম-কে বলেছেন, “কে কোন ক্লাবের দায়িত্বে রয়েছেন সেটা দেখে তো শাস্তি দেওয়া হয় না। যদি অপরাধ হয়ে থাকে তা হলে শাস্তি পেতেই হবে। সেটা যে ক্লাবই হোক না কেন।” অনির্বাণ দত্ত জানিয়েছেন, কোচ রঞ্জন ভট্টাচার্য ইতিমধ্যেই আইএফএ-র শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির কাছে দুঃখপ্রকাশ করেছেন। আইএফএ-র বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্যের জন্য প্রকাশ্যে তাঁকে ক্ষমাও চাইতে হবে সকলের সামনে। রঞ্জন জানিয়েছেন, উত্তেজনার বশে তিনি ওই মন্তব্য করেছিলেন। আইএফএ-কে বদনাম করার কোনও অভিপ্রায় তাঁর ছিল না। একই কথা বলেছেন সুরুচির দায়িত্বে থাকা কর্তা স্বরূপ বিশ্বাস, যিনি সম্পর্কে অরূপের ভাই। কাস্টমস ম্যাচের পর রঞ্জন বলেছিলেন, “বাকিরা সবাই সাতটা করে ম্যাচ খেলে ফেলল, আর আমরা ছ’নম্বর ম্যাচ খেললাম। আমাদের ছন্দটাকে নষ্ট করে দেওয়ার জন্য পিছনে পড়ে রয়েছে আইএফএ। আমাকে বোঝানো হোক, কেন বাকিরা সাতটা ম্যাচ খেললেও আমরা কম খেললাম। আমাদের ছন্দ নষ্ট করার জন্য আইএফএ চক্রান্ত করছে এটা পরিষ্কার।”

ডার্বি এবং বেহালা এসএসের বিপক্ষে পরপর জিতে এবারের কলকাতা লিগে ছন্দ ফিরে পেয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। তবে পুলিশ এসি’র ব্যারিকেডে আটক হয়ে হার স্বীকার করেছিল লাল-হলুদ ব্রিগেড। তাই চ্যাম্পিয়নশিপ রাউন্ডে যাওয়ার লড়াইয়ে থাকতে গেলে শুক্রবার কালীঘাট স্পোর্টস লাভার্স অ্যাসোসিয়েশনের বিরুদ্ধে জিততেই হত বিনো জর্জের ছেলেদের। অবশেষে সেই লক্ষ্যে সফল মশাল ব্রিগেড। এদিন নৈহাটি স্টেডিয়ামে কালীঘাটকে ১-০ গোলে হারিয়ে জয়ের সরণিতে ফিরল ইস্টবেঙ্গল। একই সঙ্গে পয়েন্ট টেবিলেও এক ধাপ উপরে উঠে এল তারা। কালীঘাট এসএলএ’র বিরুদ্ধে সেই সিনিয়র দলের সদস্যদের উপরেই ভরসা রেখেছিলেন দলের কোচ। চোটের কারণে মনতোষ মাঝি, মনতোষ চাকলাদার, জেসিন টিকেরা ছিলেন মাঠের বাইরে। কার্ড সমস্যায় কালীঘাটের বিরুদ্ধে নামতে পারেননি ডেভিড ও প্রভাত লাকড়াও। এই পরিস্থিতিতে সিনিয়র দলের দেবজিৎ মজুমদার, সৌভিক চক্রবর্তী এবং এডমুন্ড লালরিনডিকাকে প্রথম একাদশে রাখেন বিনো জর্জ। খেলায় তেমন ঝাঁজ লক্ষ্য করা যায়নি লাল-হলুদের। প্রথমার্ধে একাধিক গোলের সুযোগ পেলেও তা ফলপ্রসূ ছিল না। দলের মধ্যে বোঝাপড়ার অভাবও নজরে আসছিল। অন্যদিকে, কালীঘাটের আক্রমণও ছিল নিস্ফলা। প্রথমার্ধে কোনও দলই গোল করতে পারেনি। দ্বিতীয়ার্ধে শুরু থেকেই গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে ইস্টবেঙ্গল। তার ফলও পায় হাতেনাতে। ভানলালপেকা গুইতে এগিয়ে দেন লাল-হলুদকে। এরপর অবশ্য আর কোনও গোল হয়নি। শেষপর্যন্ত কালীঘাটকে হারিয়ে মাঠ ছাড়ে ইস্টবেঙ্গল। ৮ ম্যাচে চারটি জয় এবং দু’টি ড্রয়ের ফলে ১৪ পয়েন্ট ইস্টবেঙ্গলের। পয়েন্ট টেবিলে এক ধাপ উঠে আপাতত তৃতীয় স্থানে তারা। ৬ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে মোহনবাগান রয়েছে ক্রমতালিকায় পঞ্চম স্থানে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles