Tuesday, July 21, 2026

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

‘দুর্গাপুরের উন্নতি দরকার,মোদিজি আপনি আসুন’ নাছোড়বান্দা তরুণীর কান্না! ‘দল চায় না আমি যাই’দুর্গাপুরে মোদির সভায় নেই?দিল্লিতে হাজির দিলীপ ঘোষ

দুর্গাপুরে মোদির সভায় থাকছেন না বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। শুক্রবার সকালে দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা দেন তিনি। বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে বুঝিয়ে দিলেন, দলের সঙ্গে দূরত্ব বেড়েছে অনেকটা। বললেন, “কর্মীরা ডেকেছিলেন। কিন্তু দল চায় না আমি সভায় থাকি।” প্রধানমন্ত্রীর সভামঞ্চে থাকবেন দিলীপ ঘোষ? গত কয়েকদিন ধরে চর্চায় এই একটাই বিষয়। কখনও শোনা গিয়েছে, দলের তরফে আমন্ত্রণ পত্র পৌঁছেছে দাপুটে এই নেতার কাছে। যদিও পরে তিনি নিজে দাবি করেছেন বঙ্গ বিজেপি আমন্ত্রণ করেনি। তবে দিলীপ বলেছিলেন কর্মী হিসেবে তিনি যাবেন সভায়। কিন্তু বৃহস্পতিবার রাতে শোনা গিয়েছিল, তিনি যাচ্ছেন না। তারপরই সোশাল মিডিয়ায় ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট করেন দিলীপ। লেখেন, “আমরা থাকব, আপনি আসুন।” তাতেই নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছিল। শুক্রবার সকাল সাড়ে সাতটা নাগাদ দমদম বিমানবন্দরে দিলীপ ঘোষ জানান, দলের কাজে তিনি দিল্লি যাচ্ছেন। কিন্তু মোদির সভার দিনেই কেন দিল্লি সফর? দিলীপের কথায়, “আমাকে কর্মীরা ডেকেছিলেন। তাই হ্যাঁ বলেছিলাম। পার্টি ডাকেনি। হয়তো পার্টি চায় না আমি যাই। আমি গেলে হয়তো অস্বস্তি হবে। তাই আমি দুর্গাপুর যাচ্ছি না। দিল্লিতে বিশেষ কাজে যাচ্ছি। পার্টিরই কাজ।” মোদির সভায় দিলীপকে আমন্ত্রণ না জানানোয় অভিমানী দিলীপ। দিল্লিতে জে পি নাড্ডার বাড়িতে গিয়েও তাঁর দেখা পেলেন না বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। মুখে কুলুপ এঁটে দিলীপ। বললেন, “যা বলার সময় মতো বলবেন।” বিকেলে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নাড্ডার সঙ্গে দেখা হতে পারে দিলীপের। প্রধানমন্ত্রীর দুর্গাপুরের সভামঞ্চে আমন্ত্রণ পত্র পাওয়া প্রসঙ্গে দাপুটে নেতা দাবি করেন বঙ্গ বিজেপি আমন্ত্রণ করেনি। দিলীপ বলেছিলেন কর্মী হিসেবে তিনি যাবেন সভায়। শুক্র সকালে সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে দিল্লি রওনা হন বিজেপি নেতা। নাড্ডার তলবেই নাকি দিল্লি পাড়ি। দিল্লি পৌঁছে ঘড়ির কাঁটায় একটা নাগাদ জে পি নাড্ডার বাড়িতে যান দিলীপ। মিনিট পাঁচেকের মধ্যে বেরতে দেখা যায় তাঁর গাড়ি। জানা যায়, নাড্ডার সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়নি। দিলীপ সাফ জানান, “সময় হলেই যা বলার বলবেন।” নাড্ডা-দিলীপের সাক্ষাৎ। বদলাতে পারে সমীকরণ।

নাছোড়বান্দা!‌ কাতর আর্জি!‌ মোদিজি, আপনি আসুন!‌ দুর্গাপুরের কোনও উন্নয়ন হয়নি। “মোদিজিকে ডেকেছি। বলেছি আসুন, দুর্গাপুর-সহ বাংলার উন্নয়ন প্রয়োজন। বাংলায় কারখানা বন্ধ। আমার ভাই-বোনেরা কাঁদছে। আপনি আসুন।” ছন্দা প্রামাণিক নামে এক তরুণীর সভাস্থলের বাইরে রাস্তার উপর বসে কান্নাকাটি। সকলে হতবাক। নিরাপত্তারক্ষীরা ছুটে যান। উন্নত দুর্গাপুর পেতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মুখোমুখি কথা বলতে চান। তরুণীর দাবি, প্রধানমন্ত্রী নাকি তাঁকে চেনেন! সরকারি প্রকল্পরের উদ্বোধন। নেহেরু স্টেডিয়ামে সভা। নিরাপত্তার চাদরে মোড়া স্টেডিয়াম চত্বর। পাখির চোখ ২৬-এর বিধানসভা নির্বাচন। তৃণমূলের ২১ জুলাইয়ের কর্মসূচির ঠিক আগে বঙ্গ সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দুর্গাপুরে মোদীর জনসভা। জনসভার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী ৫০০০ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের একাধিক উন্নয়ন প্রকল্পের শিলান্যাস করেন। বাঁকুড়া এবং পুরুলিয়া জেলার জন্য ভারত পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন লিমিটেডের সিটি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন সিডিজি প্রকল্পের ১৯৫০ কোটি টাকার শিলান্যাস ছাড়াও দুর্গাপুর হলদিয়া প্রাকৃতিক গ্যাস পাইপলাইন-এর দুর্গাপুর থেকে কলকাতা ১৩২ কিলোমিটার অংশটি দেশের জন্য উৎসর্গ করলেন। প্রধানমন্ত্রী উরজা গঙ্গা প্রকল্পের অংশ। দুর্গাপুর ইস্পাত তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং দামোদর ভ্যালি কর্পোরেশনের রঘুনাথপুর তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে ১৪৫৭ কোটি টাকা ব্যয়ে দূষণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার শিলান্যাস। প্রতিটি ক্ষেত্রেই রোজগারের সুযোগ বাড়বে বলে দাবি করছে কেন্দ্র। রেল পরিকাঠামোর উন্নয়নে একাধিক প্রকল্পের শিলান্যাস করবেন মোদী। তার মধ্যে রয়েছে পুরুলিয়া-কলকাতা রেললাইন ডাবলিং ৩৬ কিলোমিটার। জামশেদপুর, বোকারো, ধানবাদের কারখানাগুলির মধ্যে রেল সংযোগের সুবিধা বাড়বে বলে জানাচ্ছে কেন্দ্র। প্রকল্পটি ৩৯০ কোটি টাকার।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles