পতৌদি ট্রফির নামবদল। নাম তেণ্ডুলকর-অ্যান্ডারসন ট্রফি। পতৌদির নাম সরিয়ে তেণ্ডুলকর-অ্যান্ডারসনের নামে সিরিজের নামকরণ নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে। ক্রিকেটের ঈশ্বর শচীন তেণ্ডুলকরকেও কাঠগড়ায় তুলতে ছাড়েননি নেটিজেনরা। প্রবল বিতর্কের মধ্যে অবশেষে মুখ খুলেছেন শচীন। মাস্টার ব্লাস্টার স্পষ্ট জানিয়েছেন, পতৌদির ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখতে সবরকমভাবে চেষ্টা করেছেন। ২০ জুন থেকে শুরু ভারত-ইংল্যান্ড টেস্ট সিরিজ। সিরিজের আগের নাম ছিল পতৌদি ট্রফি। বর্তমানে এই সিরিজের নাম তেণ্ডুলকর-অ্যান্ডারসন ট্রফি। নামবদল নিয়ে কম বিতর্ক হয়নি। পতৌদির ঐতিহ্য মুছে দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগও উঠেছে। কিন্তু এত বিতর্কের মধ্যেও সিরিজের নাম বদলাচ্ছে না। জানা গিয়েছে, সিরিজ শুরুর আগের দিন অর্থাৎ ১৯ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে এই সিরিজের নাম ঘোষণা করা হবে। প্রাথমিকভাবে ভাবা হয়েছিল, জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠান করে এই সিরিজের নামকরণ হবে। কিন্তু আহমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনার জেরে যাবতীয় জাঁকজমক বাতিল করা হয়েছে। পতৌদি ট্রফির নাম পরিবর্তনের পরেই সরব হয়েছিলেন স্বয়ং শচীন তেণ্ডুলকর, যাঁর নামে নতুন করে সিরিজের নামকরণ করা হয়েছে। ইংল্যান্ড বোর্ডকে অনুরোধ করেছেন, পতৌদির ঐতিহ্য বজায় রাখতে। বিসিসিআইয়ের সঙ্গে শচীন এই বিষয়ে কথা বলেন। বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করেন আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ। তারপরেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, সিরিজজয়ী অধিনায়কের হাতে তুলে দেওয়া হবে মেডেল অফ এক্সেলেন্স। পতৌদিকে সম্মান জানাতেই এই পুরস্কার দেওয়া হবে। কমছে না সমালোচনার ঝড়। শচীন বলেন, “পতৌদির ঐতিহ্য বাঁচিয়ে রাখা দরকার। ভারতীয় ক্রিকেটে পতৌদি পরিবারের অবদান অনস্বীকার্য। আমি তাঁর পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছি। জয় শাহ, বিসিসিআই, ইসিবি-সকলের সঙ্গে কথা বলেছি। তারপরেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, পতৌদি মেডেল দেওয়া হবে সিরিজজয়ী অধিনায়ককে। সিরিজের নামকরণের সিদ্ধান্ত পুরোপুরিভাবে দুই বোর্ডের। আমি আমার সবটা দিয়ে চেষ্টা করেছি পতৌদির ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখতে।” শচীনের কথায় বিতর্কের ঝড়?

ইংল্যান্ড-ভারত টেস্ট সিরিজে পতৌদি ট্রফির নাম পরিবর্তন করে ‘অ্যান্ডারসন-তেণ্ডুলকর’ করে ইসিবি। সিদ্ধান্ত ‘অদ্ভুত’ মনে হয়েছে কিংবদন্তি কপিল দেবের। নাম পরিবর্তনে রীতিমতো অবাক প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক বলেন, “এই সিদ্ধান্তটা আমার সত্যিই অদ্ভুত লাগছে। এরকম কী কখনও ঘটে? যাই হোক, ঠিক আছে। ক্রিকেটে অনেক কিছুই কাজ করে। দিনের শেষে কোনও পার্থক্য নেই। ক্রিকেট হল ক্রিকেটই। মাঠে ক্রিকেটও একইরকম হওয়া উচিত।” নাম বদলের সমালোচনা করেন প্রবাদপ্রতিম সুনীল গাভাসকরও। ২০০৭ সালে ভারতের ইংল্যান্ড সফরের টেস্ট সিরিজের নামকরণ করা হয় পতৌদি ট্রফি। কিংবদন্তি মনসুর আলি খান পতৌদির সম্মানেই এই সিদ্ধান্ত। ট্রফির নাম পরিবর্তন হলেও পতৌদির স্মৃতিতে একটি পদক দেওয়া হবে জয়ী দলের ক্যাপ্টেনকে। সিরিজে ভারতীয় দলকে নেতৃত্ব দেবেন তরুণ অধিনায়ক শুভমান গিল। বিরাট কোহলি, রবিচন্দ্রন অশ্বিন, রোহিত শর্মা অবসর নিয়েছেন। নতুন অধিনায়ক শুভমান গিল। তাঁর সম্পর্কে কপিল বলেছেন, “শুভমানের থেকে আমার কোনও প্রত্যাশা নেই। একটা কথাই বলব, মাঠে নেমে খেলো। নিজেকে মেলে ধরো। এটাই সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ।” ১৮ জুন ছিল ভারতীয় ক্রিকেটের ইতিহাসে একটি বিশেষ দিন। এদিনই ১৯৮৩ বিশ্বকাপে জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে ১৭৫ রানের ঐতিহাসিক ইনিংস খেলেন কপিল। ১৭/৫ অবস্থা থেকে সেই ইনিংসে ভর করেই ম্যাচ জেতে ভারত। তা স্মরণ করে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে কপিল বলেন, “এই দিনটার কথা আমার কিন্তু বিশেষ কিছু মনে নেই। যাঁরা খেলাটিকে দেখেছেন, তাঁদের মনে রয়েছে। তবে যখন সবাই এই ম্যাচটির কথা বলেন, তখন স্মৃতিগুলি মনের কোণে ভেসে ওঠে। ভালো লাগে।”
এইসব বিষয়ে মাথা না ঘামিয়ে শুভমান গিল বলেন, “ইংল্যান্ডে টেস্ট সিরিজ জয় আইপিএল জয়ের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ইংল্যান্ডে অধিনায়ক হিসেবে আসার সুযোগ খুব বেশি পাওয়া যায় না। আইপিএল তো প্রতি বছর আসে। প্রত্যেক বছরেই আইপিএলে সুযোগ আসবে। কিন্তু ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট সিরিজ জেতা সব সময়েই অনেক বেশি মর্যাদার। একজন খেলোয়াড়ের কাছে এটা সবচেয়ে বড় সম্মান। টেস্ট ক্রিকেটে দেশকে নেতৃত্ব দিতে পারব ভেবে খুবই উত্তেজিত। আগস্ট পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। আমরা একসঙ্গে অনেক ম্যাচ খেলেছি। ওর দৃষ্টিভঙ্গি সুসংহত। ইতিহাসের দিকে তাকালে, ১৯৭১ সালে ইংল্যান্ডে প্রথম টেস্ট সিরিজ জেতে ভারত অজিত ওয়াদেকরের নেতৃত্বে। সেবার আন্ডারডগ হিসেবেই দেখা হয়েছিল ভারতকে। টানা ২৬ টেস্টে অপরাজিত ইংল্যান্ডকে তিন টেস্টের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে হারায় ভারত। কে বলতে পারে, শুভমানও হয়তো ইংল্যান্ডে এভাবেই ইতিহাস গড়বেন।” ২০০৭ সালের পর থেকে ইংল্যান্ডে কোনও সিরিজ জিততে পারেনি ভারত। ২০২২ সালে শেষবার সিরিজ ২-২ অমীমাংসিত রেখে ফেরে টিম ইন্ডিয়া। সেই কারণেই শুভমানের কাছে ইংল্যান্ড সিরিজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। সেই শুভমান দেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পেয়ে গর্বিত। এখনও পর্যন্ত ৩২টি টেস্টে ১,৮৯৩ রান করেছেন শুভমান গিল। এর মধ্যে ছ’টি সেঞ্চুরি থাকলেও গড় ৩৫-এর কম। SENA দেশের হয়ে রেকর্ডও খারাপ। এই দেশগুলির বিরুদ্ধে ১১টি টেস্টে তাঁর গড় মাত্র ২৫.৭০। এর মধ্যে মাত্র দু’টি অর্ধশতক। দু’টিই অস্ট্রেলিয়ায়। ইংল্যান্ডে তিনটি টেস্টে মাত্র ৮৮ রান করেছেন শুভমান। গড় ১৪.৬৬। পরিসংখ্যান নিয়ে চিন্তা করতে রাজি নন শুভমান। সিরিজের দিকে লক্ষ্য অধিনায়কের।

প্রথম টেস্টের আগে টিম ইন্ডিয়াকে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন শচীন তেণ্ডুলকর। ‘লিটল মাস্টার’ ওভারহেড কন্ডিশন, হাওয়ার গতিবেগ এবং পিচের গতিপ্রকৃতি সম্পর্কে সচেতন থাকার কথার বলেছেন। শচীনের পরামর্শ, “ইংল্যান্ডে খেলার সময় সব সময় তিনটি বিষয় মনে রাখতে হবে। প্রথমত, ওভারহেড কন্ডিশন। হাওয়ার গতিবেগ এবং পিচের অবস্থা। এই তিনটি জিনিস ঠিকমতো বুঝেই খেলতে হবে। ম্যাচে এমন কিছু ঘটবে, যখন শট খেলা কঠিন হবে। সেই সময় সবচেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হবে। সব সময় বল ছেড়ে দেওয়াটাও বুদ্ধিমানের কাজ নয়। বরং সঠিকভাবে বল ছেড়ে সুযোগ পেলেই শট খেলতে হবে। যখন ঝলমলে রোদ উঠবে, তখন ব্যাট করার আদর্শ সময়। সেই সময়ের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। তাই ধৈর্য হারালে চলবে না।” ২০ জুন থেকে শুরু হবে ভারতের পাঁচ টেস্টের ইংল্যান্ড সিরিজ। প্রথম টেস্ট লিডসে। ২ জুলাই থেকে এজবাস্টনে দ্বিতীয় টেস্ট। লর্ডসে তৃতীয় টেস্ট হবে ১০ জুলাই থেকে। ২৩ জুলাই থেকে চতুর্থ টেস্ট ম্যাঞ্চেস্টারের ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে। শেষ টেস্ট ৩১ জুলাই থেকে, ওভালে। এখন দেখার, শচীনের পরামর্শ কতটা কাজে লাগাতে পারেন শুভমানরা।
পতৌদির নাম সরিয়ে তেণ্ডুলকর-অ্যান্ডারসনের নামে সিরিজের নামকরণ নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই উন্মোচিত হল ট্রফি। ভারত-ইংল্যান্ড টেস্ট সিরিজ শুরুর একদিন আগে ট্রফি উন্মোচন করেছেন শচীন এবং অ্যান্ডারসন। দুই কিংবদন্তি ক্রিকেটারকে রুপোলি ট্রফির সামনে পোজ দিতে দেখা যায়। ট্রফিতে শচীনের ‘আইকনিক’ কভার ড্রাইভ এবং অ্যান্ডারসনের বোলিং অ্যাকশনের ছবি রয়েছে। রয়েছে দুই ক্রিকেট গ্রেটের সইও। ভারত এবং ইংল্যান্ড দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ডের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “ইসিবি এবং বিসিসিআইয়ের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এই তেণ্ডুলকর-অ্যান্ডারসন ট্রফি। ভারত-ইংল্যান্ডের মধ্যে টেস্ট সিরিজ হবে এই নামেই। আগে ইংল্যান্ডে দুই দেশের মধ্যে টেস্ট সিরিজ হত পতৌদির নামে। ভারতে সিরিজটি হত ডি মেলো ট্রফি নামে।” মাস দুই আগে ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড ট্রফিটি বাতিল করার কথা ভাবছে বলে খবর প্রকাশিত হয়েছিল। ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত দ্বিপাক্ষিক টেস্ট সিরিজের ঐতিহ্যের প্রতীক এই এমএকে পতৌদি ট্রফি। ২০০৭ সালে ভারতের ইংল্যান্ড সফরের টেস্ট সিরিজের নামকরণ করা হয় পতৌদি ট্রফি। কিংবদন্তি মনসুর আলি খান পতৌদির সম্মানেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। জানা গিয়েছিল, আসন্ন টেস্ট সিরিজ থেকেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে। সেই সিদ্ধান্তেই আজ সিলমোহর পড়ল। যদিও ইংল্যান্ড বোর্ডের তরফে বর্তমান সিদ্ধান্তের আগে তাদের কড়া সমালোচনার মুখে পড়তে হয়। প্রয়াত পতৌদির স্ত্রী শর্মিলা ঠাকুর এ ব্যাপারে ক্ষোভে ফেটে পড়েন। এমনকী এ ব্যাপারে বিসিসিআইয়ের হস্তক্ষেপও দাবি করেন।

শুরু হতে চলা ভারত-ইংল্যান্ড পাঁচ ম্যাচের টেস্ট সিরিজ। টিম ইন্ডিয়ার অধিনায়ক হিসেবে অভিষেক শুভমান গিলের। অন্যদিকে, ইংল্যান্ডের নেতৃত্বে রয়েছেন বেন স্টোকস। প্রথম টেস্টে বৃষ্টির সম্ভাবনা? পুরোপুরি খটখটে থাকবে না লিডসের আবহাওয়া। সেখানে বৃষ্টির সম্ভাবনা ষোলোআনা। ইংল্যান্ডের আবহাওয়া স্যাঁতসেঁতে থাকে। রোদবৃষ্টির খেলা চলে। মাঝেমাঝেই খেলায় বিঘ্ন ঘটে। এবারও তার বিঘ্ন হবে না বলেই পূর্বাভাস। তবে প্রথম দিন বৃষ্টির সম্ভাবনা কম। কিন্তু গোটা দিনই আকাশ অংশত মেঘলা থাকবে। তাই ‘ওভারকাস্ট কন্ডিশন’-এর সুবিধা পেতে পারেন পেসাররা। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ৩০ ডিগ্রি। সর্বনিম্ন ১৭ ডিগ্রি। সুতরাং বোঝাই যাচ্ছে, দুপুরের দিকে বেশ গরম থাকবে। গরমে অসুবিধা হওয়ার কথা নয় শুভমান-বুমরাহদের। কারণ, দেশের মাটিতে এর চেয়ে বেশি গরমে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁদের। দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম দিন বৃষ্টির ভ্রূকুটি থাকবে বলেই পূর্বাভাস। ২২ তারিখ অর্থাৎ রবিবার, পারদ পতন ঘটতে পারে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩০ থেকে নেমে আসতে পারে ২০ ডিগ্রিতে। চতুর্থ ও পঞ্চম দিন রোদ, জল, বৃষ্টির সংমিশ্রণেই এগিয়ে যাবে টেস্ট। বোঝাই যাচ্ছে, টিম ইন্ডিয়াকে ইংল্যান্ড তো বটেই, মোকাবিলা করতে হবে আবহাওয়ার সঙ্গে। পুরোপুরি ‘গ্রিন-টপ’ হবে না হেডিংলির পিচ বলেই খবর। যেখানে ব্যাটার এবং বোলার উভয়েই সাহায্য পাবেন। প্রথম টেস্টের আগে পিচ কিউরেটর রিচার্ড রবিনসন জানান, পিচে ভারসাম্য বজায় থাকবে। এমন একটা পিচ এখানে থাকবে যাতে বোলাররা ভালো লাইনে বল করতে পারে। আশা করা যায়, এই পিচে প্রথম দিন বোলাররা ভালো সাহায্য পাবে। শুষ্ক গরমে পিচ তাড়াতাড়ি শুকিয়ে গেলে স্পিনাররাও সাহায্য পাবেন।

তৃতীয় বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ। গত ১৭ জুন থেকে শ্রীলঙ্কা-বাংলাদেশ টেস্ট সিরিজ দিয়ে WTC নতুন সাইকেল শুরু হয়েছে। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ অভিযানে নামছে ভারত। ইংল্যান্ডের মাটিতে ভারতের তরুণ ব্রিগেডের অগ্নিপরীক্ষা। বাকি দলগুলিও ধীরে ধীরে নেমে পড়বে টেস্টে সেরা হওয়ার দৌড়ে। ৯টি দলের সূচি? ২০২৫-২৭ চক্রে মোট ৭১টি টেস্ট ম্যাচ হবে। ৯টি দল লড়াই করবে ফাইনালে ওঠার জন্য। সবচেয়ে বেশি পয়েন্ট শতাংশ থাকা দুই দল জায়গা করে নেবে ফাইনালে। এই চক্রে ভারত খেলবে মোট ১৮টি টেস্ট। হোম সিরিজ শুরু হবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে। এই চক্রে ভারত বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কোনও সিরিজ খেলবে না। অন্যদিকে নতুন টেস্ট চ্যাম্পিয়ন দক্ষিণ আফ্রিকার অভিযান শুরু হবে চলতি বছরের অক্টোবরে, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। অস্ট্রেলিয়া খেলবে মোট ২২টি টেস্ট। ইংল্যান্ডের মোট ম্যাচ ২১টি। ২০২৫-এ অ্যাশেজে মুখোমুখি হবে দুই দল।
একনজরে ২০২৫-২৭ চক্রের ম্যাচের সূচি
ভারত- মোট ম্যাচ ১৮
ঘরের মাঠে- ওয়েস্ট ইন্ডিজ (২), দক্ষিণ আফ্রিকা (২), অস্ট্রেলিয়া (৫)
বাইরের মাঠে- ইংল্যান্ড (৫), শ্রীলঙ্কা (২), নিউজিল্যান্ড (২)
অস্ট্রেলিয়া- মোট ম্যাচ ২২
ঘরের মাঠে- ইংল্যান্ড (৫), নিউজিল্যান্ড (৪), বাংলাদেশ (২)
বাইরের মাঠে- ওয়েস্ট ইন্ডিজ (৩), দক্ষিণ আফ্রিকা (৩), ভারত (৫)
দক্ষিণ আফ্রিকা- মোট ম্যাচ ১৪
ঘরের মাঠে- অস্ট্রেলিয়া (৩), বাংলাদেশ (২), ইংল্যান্ড (৩)
বাইরের মাঠে- পাকিস্তান (২), ভারত (২), শ্রীলঙ্কা (২)
ইংল্যান্ড- মোট ম্যাচ ২১
ঘরের মাঠে- ভারত (৫), নিউজিল্যান্ড (৩), পাকিস্তান (৩)
বাইরের মাঠে- অস্ট্রেলিয়া (৫), দক্ষিণ আফ্রিকা (৩), বাংলাদেশ (২)
নিউজিল্যান্ড- মোট ম্যাচ ১৬
ঘরের মাঠে- ওয়েস্ট ইন্ডিজ (৩), ভারত (২), শ্রীলঙ্কা (২)
বাইরের মাঠে- ইংল্যান্ড (৩), অস্ট্রেলিয়া (৪), পাকিস্তান (২)
শ্রীলঙ্কা- মোট ম্যাচ ১২
ঘরের মাঠে- বাংলাদেশ (২), ভারত (২), দক্ষিণ আফ্রিকা (২)
বাইরের মাঠে- ওয়েস্ট ইন্ডিজ (২), পাকিস্তান (২), নিউজিল্যান্ড (২)
ওয়েস্ট ইন্ডিজ- মোট ম্যাচ- ১৪
ঘরের মাঠে- অস্ট্রেলিয়া (৩), শ্রীলঙ্কা (২), পাকিস্তান (২)
বাইরের মাঠে- ভারত (২), নিউজিল্যান্ড (৩), বাংলাদেশ (২)
পাকিস্তান- মোট ম্যাচ- ১৩
ঘরের মাঠে- দক্ষিণ আফ্রিকা (২), শ্রীলঙ্কা (২), নিউজিল্যান্ড (২)
বাইরের মাঠে- বাংলাদেশ (২), ওয়েস্ট ইন্ডিজ (২), ইংল্যান্ড (৩)
বাংলাদেশ- মোট ম্যাচ- ১২
ঘরের মাঠে- পাকিস্তান (২), ওয়েস্ট ইন্ডিজ (২), ইংল্যান্ড (২)
বাইরের মাঠে- শ্রীলঙ্কা (২), দক্ষিণ আফ্রিকা (২), অস্ট্রেলিয়া (২)




