কলকাতা বনাম চেন্নাই। ধোনি বনাম রাহানে। কেকেআর বনাম সিএসকে। কেকেআর সিএসকে দ্বৈরথ। প্লে অফে যেতে গেলে ম্যাচটা জিততে হবে নাইটদের। ম্যাচের আগের দিন ইডেনে অনুশীলনে গরহাজির ধোনি। ম্যাচ তিনি খেলবেন নিশ্চিত। ম্যাচের আগের দিন কেকেআর কোচের মুখে ধোনির পাঠ। ধোনিকে নিয়ে মাতামাতি নাইটরা রুখে দিতে জানে। সিএসকে’র প্লে অফের আশা অনেকদিন আগেই শেষ। নাইটদের কাছে সব ম্যাচই মরণবাঁচন। ইডেনে আনরিখ নখিয়া, মইন আলি, দুজনেই অনুশীলনে ব্যস্ত। বাড়তি নজর দেওয়া হল ব্যাটিংয়ে। নাইটদের ঘরের মাঠে ইডেনেও হলুদ জার্সির সংখ্যা ধোনির জন্য অসংখ্য থাকবে, জানেন নাইট কোচ চন্দ্রকান্ত পণ্ডিত।
পণ্ডিত বলেন, “এই ধরনের ম্যাচে সব দল, সব প্লেয়ার, নিজেদের পারফরম্যান্স নিয়েই ভাবে। মানে যদি একজন ব্যাটার ব্যাট করে, সেই সময় আশেপাশে প্রচুর চিৎকার চলতেই পারে। কিন্তু ওই ব্যাটারকে জিজ্ঞেস করুন। সে বলবে, ‘কিচ্ছু শুনিনি’। এক্ষেত্রেও বিষয়টা তাই। কেউ জিজ্ঞেস করতেই পারে, এত মাতামাতির মধ্যে কীভাবে লক্ষ্য স্থির রাখেন? আসলে, সেই মাতামাতিগুলোকে আমরা এড়িয়ে যেতে জানি। নিজেদের খেলা নিয়ে ভাবলে বাইরের আওয়াজকে থামানো যায়। আমরা চাপ নিচ্ছি না। আমাদের ব্যাটিং অন্যতম সেরা। হয়তো এখনও পর্যন্ত সেটা সেভাবে কাজ করেনি। আগামী তিন ম্যাচে ব্যাটাররা ভালো খেলবে বলেই বিশ্বাস’’
ভারত-পাক যুদ্ধের আবহ। সীমান্তে রোজ বিনা প্ররোচনায় গুলিবর্ষণ করছে পাক সেনা। সরকারও চূড়ান্ত যুদ্ধ প্রস্তুতিতে। স্বমহিমায় চলছে আইপিএল! ক্রিকেট মহলের প্রশ্ন। দেশের বর্তমান পরিস্থিতির কথা ভেবে আইপিএল আপাত স্থগিত বা বন্ধ করা যায় না? আইপিএল চেয়ারম্যান অরুণ ধুমল বলেন, “দেশই সর্বোপোরি। সরকার যা যা সিদ্ধান্ত নেবে বিসিসিআই তার পাশে থাকবে। ক্রিকেট সংক্রান্ত সমস্ত সিদ্ধান্তও সরকারি সিদ্ধান্ত অনুসারেই নেওয়া হবে। পুরো পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে আইপিএলের পরিচালন সমিতি। অনেক গুজব, অনেক কথাও শোনা যাচ্ছে। সেসব নিয়ে আমাদের কিছু বলার নেই। যদি কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় আসে, যদি দেশের জন্য কঠোর কোনও সিদ্ধান্ত নিতে হয়, আমরা সেটার জন্য প্রস্তুত। দেশ এবং সরকারের পাশে আমরা সবসময় আছি। সরকার এবং দেশের জন্য যা যা করার আমরা করব। বিসিসিআই সবসময় সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছে। দেশের স্বার্থরক্ষার উপরে আর কিছুই হতে পারে না।”




