Tuesday, June 30, 2026

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

ইডেনে নাইটদের কলকাতায় সানরাইজার্স অস্তগামী!‌ চমক দিলেন আইপিএলের ‘ভাইরাস’?‌ পছন্দের পিচে জয় পেয়ে হাসি ফুটল রাহানের মুখে!‌

খুশি অজিঙ্ক রাহানে। ইডেনের পিচ দেখে সন্তুষ্ট। ভাগ্য সহায় হল না। নাইট অধিনায়কের হার। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে টসে হার রাহানের। প্রথম একাদশে এক বদল কেকেআর দলের। দলে মইন আলি। দলে স্পেনসার জনসনের পরিবর্তে। কেকেআরের দাবি মেনে ইডেন পিচে জল কম দিয়ে বল টার্ন করানোর চেষ্টা। পিচের ঘাস ছাঁটা। টসের সময়ে নাইট অধিনায়ক রাহানে বলেন, “পিচ দেখে আমি খুব খুশি। এই পিচে আমরা প্রথমে বল করতে চেয়েছিলাম।” হায়দরাবাদ অধিনায়ক প্যাট কামিন্স বৃহস্পতির ইডেনে টস জিতেবল করার সিদ্ধান্ত নেন। রেঞ্জ আর্মির অধিনায়ক কামিন্স পিচের চরিত্র বুঝতে অক্ষম। হায়দরাবাদের পরপর দুই ম্যাচে হার। ট্র্যাভিস হেডকে ছাড়াই নামে হায়দরাবাদ। ইডেন ভরল না আইপিএল ম্যাচে। গ্যালারির অনেক অংশই ফাঁকা। রানে ফিরলেন ২৩.৭৫ কোটির বেঙ্কটেশ। ইডেন গার্ডেন্সে আইপিএলে দুরন্ত জয় পেল কলকাতা নাইট রাইডার্স। সানরাইজার্স হায়দারাবদকে ৮০ রানে হারিয়ে পয়েন্ট তালিকায় টপ ফাইভে ঢুকে পড়ল কেকেআর। অংকৃষ রঘুবংশীর ইনিংসে ভর দিয়েই ভালো স্কোরে পৌঁছে যায় নাইটরা। পাল্টা ব্যাট করতে নেমে ১৬.৪ ওভারেই সানরাইজার্স অলআউট হয়ে যায়। কলকাতার বিরুদ্ধে হেরে হায়দরাবাদ সকলের নীচে। পয়েন্ট তালিকায় ১০ নম্বরে। হায়দরাবাদ, রাজস্থান রয়্যালস, চেন্নাই সুপার কিংস, লখনউ সুপার জায়ান্টস এবং মুম্বই ইন্ডিয়ান্স এখনও পর্যন্ত ২ পয়েন্ট করে পেয়েছে। লিগ তালিকায় শীর্ষে পাঞ্জাব কিংস এখনও পর্যন্ত কোনও ম্যাচ হারেনি। চার পয়েন্ট পেয়েছে। একই সংখ্যক পয়েন্ট দিল্লি ক্যাপিটালস, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু, গুজরাত টাইটান্স এবং কলকাতার। নেট রানরেটের কারণে শীর্ষে পাঞ্জাব, দ্বিতীয় স্থানে দিল্লি। তৃতীয়, চতুর্থ এবং পঞ্চম স্থানে যথাক্রমে বেঙ্গালুরু, গুজরাত এবং কলকাতা।

ইডেনে টস জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন প্যাট কামিন্স। শুরুতেই নতুন বলে নাইটদের ওপেনার ডি কক-কে ১ রানে ফেরালেন প্যাট কামিন্স। ৭ বলে ৭ রান করে সুনীল নারিন আউট হলেন মহম্মদ শামির অধিনায়ক রাহানে খেলার হাল ধরেন দলের কনিষ্ঠ সদস্য অংকৃষ রঘুবংশীর সঙ্গে। ২৭ বলে ৩৮ রান করেন অধিনায়ক রাহানে। প্রথম ম্যাচে ইডেনেও তিনি ভালো ইনিংস খেলেছিলেন। পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে সঙ্গে মুম্বইয়ের ব্যাটার অংকৃষ ৩২ বলে করলেন ৫০ রান। বেঙ্কটেশ আইয়ার এবং রিঙ্কু সিং। ২৫ বলে নিজের অর্ধশতরান পূরণ করেন বেঙ্কি। রিঙ্কু সিং অনেকদিন পর ভালো ইনিংস খেললেন, করলেন ১৭ বলে ৩২ রান। বেঙ্কটেশ আইয়ার ২৯ বলে ৬০ রান করে আউট। সানরাইজার্সের বিরুদ্ধএ শেষ ২৯ বলে উঠল ৭৭ রান, নাইটদের স্কোর পৌঁছাল ৬ উইকেটে ২০০ রানে।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে সানরাইজার্সকে ধাক্কা দিলেন বৈভব অরোরা। আইপিএল ২০২৪ এর ফাইনালে ট্র্যাভিস হেডকে নিজের ওভারের দ্বিতীয় বলে ফিরিয়েছিলেন বৈভব অরোরা, এবার এদিনের ম্যাচেও ইডেন গার্ডেন্সে নিজের ওভারের দ্বিতীয় বলেই হেডকে ফেরালেন। হর্ষিত রানা নিলেন ক্যাচ। ওপেনার অভিষেক শর্মাকে ফেরান হর্ষিত রানা। ৬ বলে ২ রান করে আউট হলেন অভিষেক। ২ রানে ইশান কিষানকে সাজঘরে ফেরান বৈভব অরোরা। নীতীশ রেড্ডি করলেন ১৫ বলে ১৯ রান। ২০ বলে ২৭ রান করলেন শ্রীলঙ্কার কামিন্দু মেন্দিস। ২১ বলে ৩৩ করে বৈভব অরোরার বোলিংয়ের আউট হলেন ক্লাসেন। ৪ ওভার বোলিং করে একটি মেডেন ওভারসহ ২৯ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিলেন বৈভব। ক্লাসেন অবশ্য আগেও আউট হয়েছিলেন, কুইন্টন ডি কক আবেদন করলেও আম্পায়ার আউট দেননি, রাহানেও রিভিউ নেননি। পরে দেখা যায় প্রোটিয়া ব্যাটার আউট ছিলেন, সে যাত্রা বেঁচে যান। কামিন্স করলেন ১৪। মইন আলিকে ব্যবহারই করতে লাগল না। ৮০ রানে ম্যাচ জিতল কেকেআর। ১২০ রানেই অলআউট হয়ে গেল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ইডেন গার্ডেন্সে বরুণ চক্রবর্তী দুরন্ত বোলিং করলেন। তিনি চার ওভার বোলিং করে মাত্র ২২ রান দিয়ে তুলে নিলেন ৩ উইকেট। অনিকেত বর্মা, প্যাট কামিন্স এবং সিমারজিত সিংকে আউট করেন তিনি। চার ম্যাচ শেষে ঝুলিতে রয়েছে ৬ উইকেট। পার্পেল ক্যাপের তালিকায় তৃতীয় স্থানে উঠে এলেন। চার ম্যাচ শেষে তাঁর ইকোনমি ৬.২৬।

আইপিএলে সানরাইজার্স হায়দারাবাদের বিপক্ষে নিজেদের দুরন্ত ট্র্যাক রেকর্ড ধরে রাখল কলকাতা নাইট রাইডার্স। আইপিএলের ইতিহাসে ২০বার হারাল হায়দরাবাদের ফ্র্যাঞ্চাইজিকে। প্রথম চার ম্যাচের মধ্যে তিনটি ম্যাচেই হেরে খাদের কিনারায় নিজামের শহরের ফ্র্যাঞ্চাইজি। কলকাতা নাইট রাইডার্স আইপিএলের পয়েন্ট তালিকায় পঞ্চম স্থানে। ৪ ম্যাচে থেকে পয়েন্ট চার। সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে টানা পাঁচ ম্যাচে হারাল কলকাতা নাইট রাইডার্স। গতবার আইপিএলের ফাইনালেও এই সানরাইজার্সকে হারিয়েই দশ বছর পর কাপ ঘরে তুলেছিল কলকাতার ফ্র্যাঞ্চাইজি। ম্যাচ জয়ের কৃতিত্ব অধিনায়ক রাহানের। ২৭ বলে ৩৮ রানের ইনিংসে ইডেনের পিচ বুঝে খেলায় কেকেআরের মিডল অর্ডার অক্সিজেন পেয়েছিল। এই জয় নিঃসন্দেহে দলগত সংহতির জয়, তা বলাই বাহুল্য। বরুণ চক্রবর্তী স্পিনার হয়ে তিন উইকেট নেন। পেসার বৈভবও সানরাইজার্সের টপ অর্ডার ভেঙে দেন। ব্যাটিংয়ে রাহানের পর বেঙ্কটেশ আইয়ার, অংকৃষ রঘুবংশীদের অর্ধশতরান। রিঙ্কু ১৭ বলে ৩২ রানের ইনিংস খেলেন।

রাহানে বলন, ‘এই ম্যাচটা আমাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল, আর বড় রানে জয় দরকার ছিল, সেটাই পেয়েছি। আমরাও শুরুতে বোলিং চেয়েছিলাম, তবে প্রথম দুটো উইকেট হারানোর পর আর ৬ ওভারের মধ্যে কোনও ঝুঁকি নিতে চাইনি। ঠিকঠাক ক্রিকেটিং শটই খেলতে চেষ্টা করেছি। যখন দেখলাম আমাদের হাতে উইকেট রয়েছে, তখন পরের দিকের ব্যাটাররাও রান করার মতো পরিস্থিতি পেল। আজকে আমার দলের ব্যাটারদের পারফরমেন্সে আমি খুশি, শেষ দুই ম্যাচে তেমন ছন্দে ছিল না। আমরা ভুল থেকে শিক্ষা নিয়েছি এবং আজকে এটা উদাহরণ রাখতে পেরেছি। বিশেষ করে রিঙ্কু আর বেঙ্কটেশ দুর্দান্ত কিছু শট খেলতে পারে। আমাদের ব্যাটিং ইউনিট আজ ভালো খেলেছে বলে রমনদীপকে নামতেই হয়নি, মইন আলিও তৈরি হয়ে বসেছিল। প্রথমদিকে ভেবেছিলাম ১৭০-১৮০ রান এই পিচে যথেষ্ট, কারণ স্লো বল গুলো আটকে যাচ্ছিল, তাই আমরা ১৫ ওভার পর্যন্ত আমাদের সাধারণ ক্রিকেট খেলেছি। আমাদের দলে তিনজন দুর্ধর্ষ স্পিনার রয়েছে, মইনকে তো বোলিংই করতে হয়নি। সুনীল নারিন আর বরুণ ভালো বোলিং করেছেন। হর্ষিত আর বৈভবও ভালো পারফরমেন্স দিয়েছেন বল হাতে ’।

২৩.৭৫ কোটি টাকা বেঙ্কটেশ আয়ারের চোখে-মুখে জেতার আনন্দ স্পষ্ট। বেঙ্কটেশ বলেন, ‘‘এই পিচে জিতেছি। মরসুম জুড়ে এ রকম পিচ পেলে অবশ্যই ভাল লাগবে। পিচকে বেশি গুরুত্ব না দেওয়ারই চেষ্টা করি। পরিবেশ ও পরিস্থিতি অনুযায়ী খেলা উচিত। এই পরিবেশে আমাদের বোলাররা অসাধারণ বল করেছে। প্রত্যেকে পিচের ফায়দা তুলেছে। দল জেতায় আমি সত্যি খুশি। বল থমকে ব্যাটে আসছিল। শেষ কয়েক বছরে ইডেনে এমন পিচ দেখা যায়নি। আমি খুব খুশি। ঘরের মাঠে আমাদের যে ধরনের সুবিধে প্রয়োজন, সেটা পাওয়াই উচিত। আমাদের শক্তি স্পিনার, সে রকমই বাইশ গজ আশা করি। দলের সর্বোচ্চ দরের ক্রিকেটার মানেই প্রত্যেক ম্যাচে বড় রান করব, তা তো হয় না। চাপে অবশ্যই ছিলাম। এই ইনিংসের পরে কিছুটা স্বস্তিবোধ করছি। এই পিচে ব্যাট করতে নেমেই শট খেলা সম্ভব নয়। জিঙ্কস ভাই (রাহানে) ও অঙ্গকৃশ আমাদের কাছে এই বার্তা পৌঁছে দিয়েছিল। আমি আর রিঙ্কুও শুরুটা মন্থর করেছিলাম। ধীরে ধীরে ইনিংসের গতি বাড়াই। হায়দরাবাদের মতো দলের বিরুদ্ধে কোনও রানই নিরাপদ নয়। চেয়েছিলাম, এই মাঠের গড়পড়তা রানের চেয়ে ২০ বেশি করতে। জানতাম হায়দরাবাদ অতি-আক্রমণাত্মক দল। এই ধরনের দলের দ্রুত উইকেট পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। আমাদের লক্ষ্য ছিল ওদের সেই ফাঁদে ফেলার। এক দিক থেকে ও যদি সাবলীল ব্যাটিং না করত, এত বড় রান উঠত না। এই জয়ের নেপথ্যে ওর কৃতিত্বও কম নয়।’’

‘থ্রি ইডিয়টস’-এ ‘ভাইরাস’ দু’হাতে সমান গতিতে লিখতে পারতেন। বৃহস্পতিবারের ইডেনে চমক। শ্রীলঙ্কার তরুণ অলরাউন্ডার সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কামিন্দু মেন্ডিস একই ওভারে দু’হাতে বল করে অবাক করলেন ইডেনের দর্শকদের। আইপিএলে এমন দৃশ্য আগে কখনও দেখা যায়নি। একই ওভারে ডান হাতি ব্যাটসম্যানকে বল করছিলেন বাঁ-হাতে। বাঁ-হাতি ব্যাটসম্যানকে বল করছিলেন ডান হাতে। বাঁ-হাতি স্পিনার হিসেবে অঙ্গকৃশ রঘুবংশির উইকেট নিয়ে চমকে দিলেন। অঙ্গকৃশকে বাঁ-হাতে বল করে আউট করার পরের বলই করেন ডান হাতে। আইপিএল ইতিহাসে প্রথম সব্যসাচী স্পিনার হিসেবে উইকেট পেলেন। দেশের অনিয়মিত স্পিনার মেন্ডিস। শ্রীলঙ্কা তাঁকে ব্যাটসম্যান হিসেবেই খেলায়। ১২টি টেস্টে পাঁচটি শতরান আছে। ইংল্যান্ডের মাটিতেও শতরান করেছিলেন। আইপিএলের ‘ভাইরাস’।

এদিকে ম্যাচের পর সামির উপর ক্ষোভ চড়ালেন বিচ্ছিন্না স্ত্রী। ‘‌বেশ্যাদের নিয়ে মশগুল সামি, মেয়ের সঙ্গে দেখাও করছে না’‌, কুরুচিকর আক্রমণে হাসিন জাহান। ভারতীয় তারকা আইপিএলের ম্যাচে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে খেলতে কলকাতায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁকে কুরুচিকর আক্রমণ করলেন হাসিন জাহান। বৃহস্পতি রাতের ইনস্টাগ্রামে সামির বিচ্ছিন্না স্ত্রী বলেন, ‘সামি কলকাতা আসে। কিন্তু কখনওই মেয়ে আইরার সঙ্গে দেখা করার চেষ্টাও করে না। শেষবার যখন দেখা করেছিল, তখন বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের ভয়ে দেখা করেছিল। বেশ্যাদের নিয়ে মশগুল থাকা বাপের কোনও হুঁশ নেই মেয়েকে নিয়ে। কোনও দায়িত্ব নেই। কিন্তু জঘন্য সমাজ আমায় ভুলভাল বলে থাকে।’ নেটিজেনদের একাংশ বলেন, ‘যে ছেলেটার নাম সামি। দেশের নাম উজ্জ্বল করেন, তাঁর বিষয়ে আপনি সবসময় এরকম জঘন্য কথা বলেন। মহম্মদ সামি একজন ভারতীয় খেলোয়াড়। ওঁনার নামে উলটো-পালটা কথা বলবেন না।’

ইমপ্যাক্ট প্লেয়ারই ময়ান অব দি ম্যাচ। সুপার স্ট্রাইকার্স অফ দ্য ম্যাচ বেঙ্কটেশ আইয়ার পেলেন ১ লক্ষ টাকা। ৭টি চার ও ৩টি ছক্কার সাহায্যে ২৯ বলে ৬০ রানের ইনিংস খেলার সুবাদে সুপার স্ট্রাইকার অফ দ্য ম্যাচের পুরস্কার জিতে নেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের ভাইস ক্যাপ্টেন বেঙ্কটেশ আইয়ার। ম্যাচে ২০৬.৮৯ স্ট্রাইক-রেটে রান সংগ্রহ করেন বেঙ্কটেশ। ফ্যান্টাসি কিং অফ দ্য ম্যাচ বেঙ্কটেশ আইয়ার ১ লক্ষ টাকা জেতেন। সব থেকে বেশি ফ্যান্টাসি পয়েন্ট সংগ্রহ করার সুবাদে ফ্যান্টাসি কিং অফ দ্য ম্যাচের পুরস্কার জেতেন কেকেআরের মিডল অর্ডার ব্যাটার বেঙ্কটেশ আইয়ার। ৭টি চার ও ৩টি ছক্কার সাহায্যে ২৯ বলে ৬০ রানের আগ্রাসী ইনিংস খেলেন। পরে ফিল্ডিং করার সময় ২টি ক্যাচও ধরেন আইয়ার। সুপার সিক্সেস অফ দ্য ম্যাচ অজিঙ্কা রাহানে পান ১ লক্ষ টাকা। কলকাতা নাইট রাইডার্সের ক্যাপ্টেন অজিঙ্কা রাহানে ম্যাচে দু’দলের সব ব্যাটারদের মধ্যে সব থেকে বেশি ছক্কা মারার সুবাদে সুপার সিক্সেস অফ দ্য ম্যাচের পুরস্কার জিতে নেন। ২৭ বলে ৩৮ রানের দাপুটে ইনিংসে মোট ৪টি ছক্কা মারেন। অন-দ্য গো ফোরস অ্যাওয়ার্ড- বেঙ্কটেশ আইয়ার ১ লক্ষ টাকা জেতেন। কেকেআর তারকা বেঙ্কটেশ আইয়ার ম্যাচে দু’দলের সব ব্যাটারদের মধ্যে সব থেকে বেশি চার মারার সুবাদে অন-দ্য গো ফোরস অ্যাওয়ার্ড জিতে নেন। ২৯ বলে ৬০ রানের লড়াকু ইনিংসে ৭টি চার মারেন। গ্রিন ডট বলস অফ দ্য ম্যাচ বৈভব আরোরা পান ১ লক্ষ টাকা। কেকেআরের ভারতীয় পেসার বৈভব আরোরা ম্যাচে দু’দলের সব বোলারদের মধ্যে সব থেকে বেশি ডট বল করার সুবাদে গ্রিন ডট বলস অফ দ্য ম্যাচের পুরস্কার জিতে নেন। ৪ ওভার বল করে ১টি মেডেন-সহ ২৯ রানের বিনিময়ে ৩টি উইকেট নেন। ১২টি ডট বল করেন। প্লেয়ার অফ দ্য ম্যাচ বৈভব আরোরা জিতে যান ১ লক্ষ টাকা। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার হিসেবে মাঠে নেমে চমকপ্রদ বোলিং কেকেআরের বৈভব আরোরার। ৪ ওভার বল করে ১টি মেডেন-সহ ২৯ রানের বিনিময়ে ৩টি উইকেট নেন। প্লেয়ার অফ দ্য ম্যাচের পুরস্কার জিতে নেন বৈভব।

কেকেআর প্রথম একাদশ: কুইন্টন ডি’কক, সুনীল নারিন, অজিঙ্ক রাহানে, অঙ্গকৃশ রঘুবংশী, ভেঙ্কটেশ আইয়ার, রিঙ্কু সিং, মইন আলি, আন্দ্রে রাসেল, রমনদীপ সিং, হর্ষিত রানা, বরুণ চক্রবর্তী

পরিবর্ত: মণীশ পাণ্ডে, বৈভব আরোরা, অনুকূল রায়, রভম্যান পাওয়েল, লভনীত সিসোদিয়া।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles