Thursday, April 23, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

‘যেমন দুর্গাপুজো দেখেন,তেমন নির্ভয়ে ভোট দেবেন’ মনোজের ‘অভয়বাণী’!‌বাংলার ১০০ শতাংশ বুথকেই স্পর্শকাতর বলে নজরবন্দি করছে কমিশন!‌

RK NEWZ বাংলার ভোট অবাধ, সুষ্ঠু ও রক্তপাতহীন করার লক্ষ্যে বহু আগে, মার্চের শুরু থেকে এখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। এবার রেকর্ড সংখ্যক বাহিনীর পাহারায় ভোট হতে চলেছে। শুধু তাই নয়, ভোটের ফলপ্রকাশের পরও বাহিনী থাকবে রাজ্যে। ভোট পরবর্তী হিংসা আটকাতে কমিশনের এই পদক্ষেপ। ইতিমধ্যে বিভিন্ন স্পর্শকাতর এলাকায় রুট মার্চ ও টহলদারি চলছে বাহিনীর জওয়ানদের। কেবল তাই নয়, প্রায় সব এলাকা নিজেদের দখলে এনে ফেলেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। প্রতি ১০টি বুথ পিছু থাকছে একটি করে ক্যুইক রেসপন্স টিমের গাড়ি রাখছে কমিশন। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে রাজ্য যেন কমিশনের ‘দুর্গে’ পরিণত হয়েছে। বাংলার ১০০ শতাংশ বুথকেই স্পর্শকাতর ধরে এগোতে চাইছে নির্বাচন কমিশন। ১০০% স্পর্শকাতর বুথের মধ্যেই থাকছে অতি স্পর্শকাতর এবং অতি উত্তেজনাপ্রবণ বুথও। কোথাও কোনও অশান্তি রুখতে প্রতি ১০টি বুথ পিছু থাকছে একটি করে ক্যুইক রেসপন্স টিমের গাড়ি রাখছে কমিশন। যে গাড়িগুলোর মাথায় লাগানো থাকবে ক্যামেরা। লাইভ ওয়েবকাস্টিংয়ের মাধ্যমে সবকিছুই নজরবন্দি হবে নির্বাচন কমিশনের অফিসে। নির্বাচন কমিশনও ওয়েবকাস্টিংয়ের মাধ্যমে গোটা রাজ্যের সব এলাকা নজরবন্দি করে ফেলেছে নিজেদের সার্ভারে। এমত অবস্থায় মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল জেলা সফরে বেরিয়ে আবারও সবাইকেই মনে করিয়ে দিলেন নির্বাচন কমিশনের দেওয়া গাইডলাইন। নির্বাচন কমিশনের গাইডলাইনের বাইরে কোনও কিছুই বরদাস্ত করা হবে না বলেই বীরভূমে গিয়ে পরিষ্কার ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন রাজ্যের সিইও মনোজ।

এবার শান্তিপূর্ণ ভোটই লক্ষ্য নির্বাচন কমিশনের। আর সেই লক্ষ্যে ভোট শুরুর আগে বাংলার নানা জেলায় ঘুরে ঘুরে সরেজমিনে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল। এবার শান্তিপূর্ণ ভোটই লক্ষ্য নির্বাচন কমিশনের। আর সেই লক্ষ্যে ভোট শুরুর আগে বাংলার নানা জেলায় ঘুরে ঘুরে সরেজমিনে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল। শুক্রবার বীরভূমের দুবরাজপুরের যশপুর গ্রামে যান। ভোটারদের সঙ্গে কথা বলেন। নির্ভয়ে প্রত্যেক ভোটারকে ভোট দিতে যাওয়ার কথা বলে। প্রথমে জেলাশাসক ধবল জৈন, পুলিশ সুপার সূর্যপ্রসাদ যাদব-সহ একাধিক আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক সারেন মনোজ কুমার। এরপর সিউড়ির সার্কিট হাউসে চলে যান। সেখানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এরপর রামপুরহাটেও প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন। ভোটারদের সঙ্গে কথা বলার সময় ভোটকে বাঙালির সেরা উৎসব দুর্গাপুজোর সঙ্গে তুলনা করেন। বলেন, “আপনারা যেমন ঘুরে ঘুরে দুর্গাপুজো দেখেন, তেমনই নির্ভয়ে বুথে গিয়ে ভোট দেবেন।” তাঁর আশ্বাস, “কোথাও কোনও সমস্যা হলে প্রশাসন আছে। নির্বাচন কমিশন আছে। আমরা দেখে নেব।” বাংলার ভোটে অশান্তি ঘটে না তা একেবারে বলা যাবে না। বোমাবাজি থেকে খুন – এমন নানা বড় ঘটনার সাক্ষী থাকে বহু জায়গা। একুশের নির্বাচনের পর ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগে রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল পড়ে যায়। বিশেষত, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, মুর্শিদাবাদ, মালদহে একাধিক অশান্তির ঘটনা ঘটে। যদিও চব্বিশের লোকসভা নির্বাচন মোটের উপর শান্তিপূর্ণ ছিল। ভোট কিংবা ভোট পরবর্তী হিংসায় একজনেরও প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। ছাব্বিশের নির্বাচনে চব্বিশের সেই ধারা বজায় রাখতে তৎপর নির্বাচন কমিশন। আর সে কারণেই ভোটের কাজে যুক্ত প্রত্যেক আধিকারিকদের একমাত্র কমিশনের নির্দেশমতো কাজ করার কথা বারবার মনে করিয়ে দিয়েছেন জ্ঞানেশ কুমার। কোনও রাজনৈতিক দল কিংবা নেতার নির্দেশে কাজ করলে ওই আধিকারিকদের বিরুদ্ধে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। এছাড়া প্রত্যেক পুলিশ সুপারদের কোনও হিংসা দেখলেই কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles