Saturday, June 20, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

রাজ্যে বাড়ল ৪ হাজার ৬৬০টি ভোটকেন্দ্র!‌ ট্রাইব্যুনালের আবেদনপত্র, অফলাইনের পাশাপাশি থাকছে অনলাইনে আবেদন

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা অনুযায়ী, ১ হাজার ২০০ জনের বেশি ভোটার হলে অতিরিক্ত ভোটগ্রহণ কেন্দ্র তৈরি করতে হবে। সেই অনুযায়ী আরও ৪ হাজার ৬৬০টি পোলিং স্টেশন বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া ৩২১টি ভোটগ্রহণ কেন্দ্রকে নতুন জায়গায় সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সুষ্ঠুভাবে ভোট পরিচালনা করতে যাতে সমস্যা না হয়, সে কারণে অতিরিক্ত ভোটগ্রহণ কেন্দ্র তৈরির সিদ্ধান্ত বলেই কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের তরফে আরও জানানো হয়েছে, ভোটগ্রহণ কেন্দ্র বৃদ্ধি কিংবা ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের ঠিকানা বদলের হলে, সে খবর ভোটারদের কান পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়া কমিশনেরই কাজ। সেক্ষেত্রে প্রত্যেক ভোটারকে জানাতে হবে। সংশ্লিষ্ট এলাকার রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের কাছেও সে খবর পৌঁছে দিতে হবে। এর আগে বাংলায় এসে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার ভোটারদের স্বার্থে একগুচ্ছ পদক্ষেপের কথা ঘোষণা করেন। তিনি জানান, বুথে থাকবে বিশেষ সহয়তা ক্যাম্প। থাকবে নম্বরও। যেখানে যে কোনও রাজনৈতিক দল ফোন করে অভিযোগ জানাতে পারবেন। এছাড়াও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সমস্ত ভোটকেন্দ্রেই ওয়েব কাস্টিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে। আর তা কমিশন সম্পূর্ণ মনিটরিং করবে বলে জানিয়েছেন দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। নিরাপত্তার স্বার্থে মোবাইল নিয়ে বুথে ঢোকা যাবে না। তা বাইরে রেখেই ভোট দিতে হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। এছাড়াও প্রতি দু’ঘণ্টা অন্তর ভোটের হার প্রকাশ করা হবে বলেও জানিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। তা পাওয়া যাবে ECINET অ্যাপে।

জেলাশাসক বা মহকুমা শাসকের কার্যালয়ে জমা দেওয়া যাবে ট্রাইব্যুনালের আবেদনপত্র। অফলাইনের পাশাপাশি থাকছে অনলাইনে আবেদন জমা দেওয়ার সুযোগও। শুক্রবার ভোটার তালিকা সংশোধন ও আপিল সংক্রান্ত প্রক্রিয়া নিয়ে বিশেষ নির্দেশিকা দিল রাজ্যের সিইও দপ্তর। নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, ভোটার তালিকা সংক্রান্ত আপিল কীভাবে গ্রহণ ও নিষ্পত্তি করা হবে, তা নিয়ে নতুন করে নির্দিষ্ট নিয়ম চালু করা হচ্ছে। নির্দেশিকা অনুযায়ী, যে সব আবেদন এখনও বিচারাধীন রয়েছে, সেই সমস্ত ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ভোটাররা নির্দিষ্ট অনলাইন পদ্ধতির মাধ্যমে আবেদন জমা দিতে পারবেন নির্দিষ্ট সরকারি পোর্টালের মাধ্যমে। ওই পোর্টালে রয়েছে বিচারাধীন আবেদনকারীদের জন্য আলাদা একটি বিভাগ। সেখানেই এই আবেদন করা যাবে। এছাড়াও থাকছে অফলাইনে আবেদন করার ব্যবস্থাও। যাঁর নাম অন্তর্ভুক্তি বা বাদ দেওয়া নিয়ে আপত্তি তোলা হয়েছে, তাঁর পরিচয় সংক্রান্ত তথ্য উল্লেখ করে সাধারণ কাগজে আবেদনপত্র জমা দিতে হবে। সেই আবেদনপত্রে লিখে দিতে হবে পরিচয়পত্রের নম্বর। এই আবেদন জমা হবে জেলাশাসক বা মহকুমা শাসকের কার্যালয়ে। কমিশনের নির্দেশ, জমা পড়া সমস্ত নথি ডিজিটাল মাধ্যমে সংরক্ষণ করতে হবে এবং মূল আবেদনপত্র অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে সংরক্ষণ করা বাধ্যতামূলক। অনলাইন বা অফলাইনে ২০২৬ সালের ২৮ জানুয়ারি প্রকাশিত চূড়ান্ত ভোটার তালিকা সংক্রান্ত যে সমস্ত আবেদন ইতিমধ্যেই জমা পড়েছে সেগুলির নিষ্পত্তির দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট জেলাশাসকের। এসআইআরের পর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হতে দেখা গিয়েছে বাদ পড়েছে ৬০ লক্ষের নাম। অতিরিক্ত তালিকায় প্রায় ৫০ লক্ষের বেশি নিষ্পত্তি হয়েছে। বাদ পড়েছে বহু ভোটারের নাম। নতুন করে তাঁদের নাম তুলতে ২৩ জেলার জন্য ১৯ জন প্রাক্তন বিচারপতিকে নিয়ে ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়েছে। এই ট্রাইব্যুনালে রয়েছেন কলকাতা হাই কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম, প্রাক্তন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু, রঞ্জিতকুমার বাগ, সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায়-সহ ১৯ জন বিচারপতি। কারও নাম যদি অতিরিক্ত ভোটার তালিকায় না তোলা হয় বা কেটে দেওয়া হয়, তবে সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে এই ট্রাইব্যুনালে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles