২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী ইউসুফ পাঠানের কাছে প্রায় ৮৫ হাজার ভোটে পরাজিত হন। বহরমপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে তাঁকে প্রার্থী করেছে কংগ্রেস। বৃহস্পতিবারই এই কেন্দ্র থেকে কংগ্রেসের হেভিওয়েট প্রার্থী অধীররঞ্জন চৌধুরী মনোনয়নপত্র জমা দেন। সেখানেই নিজের সম্পত্তির খতিয়ান তুলে ধরেন বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রের পাঁচবারের সাংসদ। দেখে নেওয়া যাক তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা ও সম্পত্তির পরিমাণ। অধীরের হলফনামা অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে অধীরের বার্ষিক আয় ছিল ২৫ হাজার ৭০ টাকা। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে তিনি আয় করেন ১১ লক্ষ ৮৫ হাজার ২২০ টাকা। অধীরের বিরুদ্ধে ৫টি মামলা রয়েছে। বর্তমানে তাঁর হাতে রয়েছে ৯৪ হাজার ৫০০ টাকা। অধীরের স্ত্রী অতসী চ্যাটার্জি চৌধুরী ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে আয় করেছেন ১৪ লাখ ২৮ হাজার ৫৭০ টাকা। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে তাঁর আয়ের পরিমাণ ২০ লক্ষ ৪২ হাজার ৩৪০ টাকা। বর্তমানে অতসীর হাতে রয়েছে ৭ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা।

একটা সময় হুমায়ুন ছোট ব্যবসা করতেন। সেই ব্যবসা এখন অনেকটাই বড়। এছাড়াও বিবিধ আয়ের উৎস রয়েছে তাঁর। কিন্তু সব মিলিয়ে হুমায়ুনের সম্পত্তি কত? তাঁর স্ত্রীই বা কতটা ধনী? বৃহস্পতিবার মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে জেলাশাসকের দপ্তরে রেজিনগর ও নওদা বিধানসভার প্রার্থী হিসাবে মনোনয়নপত্র জমা দেন তিনি। সেখানেই রয়েছে তাঁর যাবতীয় সম্পত্তির খতিয়ান। নির্বাচনী হলফনামা অনুযায়ী, হুমায়ুন কবীরের বার্ষিক আয় ১৩ লক্ষ ২৬ হাজার টাকা। মূলত ব্যবসা এবং বেতন থেকে ওই রোজগার করেন আজপ সুপ্রিমো। তাঁর হাতে এই মুহূর্তে নগদ রয়েছে প্রায় ৪ লক্ষ ৫২ হাজার টাকা। বিভিন্ন ব্যাঙ্ক ও বিমায় তাঁর বিনিয়োগ ২ লক্ষ ৬২ হাজার টাকা। হুমায়ুনের একটি বিলাসবহুল গাড়ি রয়েছে। টয়োটার ফর্চুনা গাড়িটির দাম প্রায় ৩৩ লক্ষ টাকা। সঙ্গে রয়েছে ৩৪.৫ গ্রাম সোনা। সব মিলিয়ে তাঁর অস্থাবর সম্পত্তি ৪৫ লক্ষ ৫৬ হাজার ১৭৬ টাকা। মুর্শিদাবাদে একটি চাষযোগ্য জমি আছে আমজনতা উন্নয়ন পার্টির সুপ্রিমোর। যার বাজার মূল্য ২ কোটি ১০ লক্ষ টাকা।





