ছাব্বিশে বঙ্গে রক্তপাতহীন নির্বাচনের লক্ষ্যে বহু আগে থেকে কোমর বেঁধেছে নির্বাচন কমিশন। ভোটের একমাস আগে থেকে মোতায়েন বিপুল কেন্দ্রীয় বাহিনী। এবার আরও বড় ঘোষণা কমিশনের। ভোট পরবর্তী হিংসার আশঙ্কায় অনির্দিষ্টকালের জন্য ৫০ হাজার জওয়ান মোতায়েন থাকবে রাজ্যে! শুক্রবার নতুন করে এই বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। তাতে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, ভোটের পর শুধুমাত্র ইভিএম, স্ট্রং রুম সুরক্ষার স্বার্থে মোতায়েন থাকবে ২০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখতে আরও বেশি জওয়ান থাকবেন। ভোট যত এগোচ্ছে, তত অশান্তির খবর আসছে রাজ্যের নানা দিক থেকে। এই মুহূর্তে কালিয়াচকের ঘটনা নিয়ে সবচেয়ে উত্তপ্ত রাজ্য। এসআইআরের কাজে যে জুডিশিয়াল অফিসাররা গিয়েছিলেন, তাঁদের বুধবার রাতে কালিয়াচক ২ বিডিও অফিসে আটকে রাখার ঘটনায় পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। নাম বাদের প্রতিবাদে জনবিক্ষোভে এমনটা হলেও পুলিশকে সেখানে দেখা যায়নি বলে অভিযোগ। এনিয়ে সুপ্রিম কোর্টের তোপের মুখে পড়তে হয় নির্বাচন কমিশনকে। আবার দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিক, রাজ্যের ডিজিপি, মুখ্যসচিবকে শোকজ করা হয়। এই মুহূর্তে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এনআইএ। তবে তার আগেই এই ঘটনায় অভিযুক্ত সন্দেহে এক মিম নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি। ঘটনার জেরে নিরাপত্তা নিয়ে আরও তোড়জোড় শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, ভোটের ফলপ্রকাশের পরও ৫০০ কোম্পানি বাহিনী রাজ্যে মোতায়েন থাকবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখার জন্য। আর তাতেই মনে করা হচ্ছে, ভোটের পরও অশান্তির আশঙ্কায় কমিশনের এই নির্দেশ। কমিশনের ‘অতি-সক্রিয়তা’ য় নিরাপত্তা সত্যিই জোরদার।





