Monday, April 27, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

নজিরবিহীন নিরাপত্তা! অঘেষিত রাষ্ট্রপতি শাসন, বলছে সন্ত্রস্থ তৃণমূল!‌ প্রথম দফার ভোটের আগে ২৪০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রাজ্যে

কেন্দ্র ৪৮০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েনের কথা জানিয়েছিল। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক মূল্যায়নে আরও বাহিনী প্রয়োজন বলে মনে হওয়ায় এই অতিরিক্ত ১৯২০ কোম্পানি পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে পশ্চিমবঙ্গে কেন্দ্রীয় সশস্ত্র বাহিনীর বিপুল মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র। ইতিমধ্যেই ৪৮০ কোম্পানি পাঠানোর নির্দেশ ছিল, রাজ্যে এবার তার সঙ্গে যোগ হচ্ছে আরও ১৯২০ কোম্পানি বাহিনী। জম্মু-কাশ্মীর, মণিপুর, ত্রিপুরা, অরুণাচল প্রদেশ থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনী আসছে রাজ্যে। প্রসঙ্গত, গতকাল‌ই দ্য ওয়াল জানিয়েছিল আর‌ও ১৯২০ কোম্পানি বাহিনী আসতে চলেছে রাজ্যে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের পাঠানো একটি জরুরি বার্তায় জানানো হয়েছে, নির্বাচন কমিশনের অনুরোধে এই অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে, যাতে রাজ্যে অবাধ, শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করা যায়। নথি অনুযায়ী, প্রথম দফায় ৩১ মার্চের মধ্যে ৩০০ কোম্পানি বাহিনী রাজ্যে পৌঁছবে। এরপর ধাপে ধাপে ৭ এপ্রিল, ১০ এপ্রিল এবং ১৩ এপ্রিলের মধ্যে আরও বাহিনী মোতায়েন করা হবে। ১০ এপ্রিল আসবে ৩০০ কোম্পানি, ৭ এপ্রিল ৩০০ কোম্পানি, ১৩ এপ্রিল আসবে ২৭৭ কোম্পানি, ১৭ এপ্রিল আসবে ফোর্স ৭৪৩ কোম্পানি – অর্থাৎ মোট আরও ১৯২০ কোম্পানি বাহিনী আসছে রাজ্যে।

এই বাহিনীর মধ্যে রয়েছে সিআরপিএফ, বিএসএফ, সিআইএসএফ, আইটিবিপি এবং এসএসবি-র জওয়ানরা। নির্বাচন চলাকালীন এলাকায় দখলদারি, ভোটের দিন নিরাপত্তা, ইভিএম ও স্ট্রংরুম পাহারা, গণনা কেন্দ্রের নিরাপত্তা – সব ক্ষেত্রেই এই বাহিনী ব্যবহার করা হবে। এর আগে কেন্দ্র ৪৮০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েনের কথা জানিয়েছিল। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক মূল্যায়নে আরও বাহিনী প্রয়োজন বলে মনে হওয়ায় এই অতিরিক্ত ১৯২০ কোম্পানি পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যরা নির্দিষ্ট সময়ের আগে বুথে পৌঁছে পুরো এলাকা স্যানিটাইজ ও নিরাপদ করবেন, যাতে ভোটকর্মীদের আগমনের আগেই কেন্দ্রটি সম্পূর্ণ সুরক্ষিত থাকে। ভোটের স্বচ্ছতা রক্ষায় নাকা চেকিং থেকে বুথের বাইরে পর্যন্ত চালু হচ্ছে লাইভ স্ট্রিমিং ব্যবস্থা। নির্বাচন যাতে কোনওভাবেই বিঘ্নিত না হয়, তা নিশ্চিত করতে কাজ শুরু করে দিয়েছে কমিশন। এবার শুধু বুথের ভেতর নয়, বুথের ‘ক্যাচমেন্ট এরিয়া’- অর্থাৎ আশপাশের অঞ্চলেও নজরদারি জোরদার হচ্ছে। যদি ওই এলাকায় হুমকি, ভয় দেখানো বা হিংসার প্রমাণ মেলে, তবে বুথের ভেতরে শান্তিপূর্ণ ভোট হলেও পুনর্নির্বাচন করতে পারে কমিশন। এতদিন পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত মূলত বুথের ভেতরের পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করত। এবার সেই পরিধি বাড়ল। ফলে সব মিলিয়ে এবার বাংলার ভোটে নজিরবিহীন নিরাপত্তা বলয় তৈরি হতে চলেছে বলেই মনে করছে প্রশাসনিক মহল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles