Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

তৃণমূলের রাজ্যসভা সাংসদ রাজীব কুমারের আত্মীয় বিজেপিতে!‌ বিজেপির টিকিট পেলেন আইপিএস রাজেশ কুমার! রাজীবেই অস্বস্তি তৃণমূলে?

রাজীব কুমারকে রাজ্যসভার সাংসদ করেছে তৃণমূল। তাঁরি আত্মীয় রাজেশ কুমার ১৯৯০ ব্যাচের আইপিএস অফিসার। তিনি বিজেপির প্রার্থী। তৃণমূল কেন্দ্রের ইউপিএ-র শরিক দল হিসেবে থাকাকালীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়া মন্ত্রিসভায় ৬ জন প্রতিমন্ত্রী ছিল তৃণমূলের। তৎকালীন প্রতি মন্ত্রী সৌগত রায়ের ব্যক্তিগত সচিব ছিলেন রাজেশ। পরে মুকুল রায় রেলমন্ত্রী হওয়ার পর তাঁর ব্যক্তিগত সচিব হিসেবেও কাজ করেন। দ্বিতীয় প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে বিজেপি। বৃহস্পতিবার প্রকাশ হওয়া সেই তালিকায় একাধিক হেভিওয়েট নাম রয়েছে। সেই তালিকায় এবার জায়গা পেয়েছেন আইপিএস রাজেশ কুমার। রাজ্য পুলিশের একাধিক পদে বিভিন্ন সময় কাজ করেছেন তিনি। তাঁর সঙ্গে প্রাক্তন আইপিএস রাজীব কুমারের ঘনিষ্ঠতার কথাও অনেকেরই জানা। জগদ্দল কেন্দ্র থেকে তাঁকে টিকিট দিয়েছে বিজেপি। রাজ্যের ডিজি নিয়োগ নিয়ে কিছুদিন আগেই ইউপিএসসি-তে মামলা দায়ের করেছিলেন প্রাক্তন এই আইপিএস অফিসার। রাজেশ কুমার রাজীব কুমারের দূর সম্পর্কের আত্মীয় বলেও জানা যায়। তাঁকেই এবার প্রার্থী করা হয়েছে। রাজ্যের গোয়েন্দা বিভাগ তথা সিআইডি-র এডিজি হয়েছিলেন একসময়। পরে তাঁকে দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। ২০১৯-এর লোকসভা ভোটের সময় কলকাতার পুলিশ কমিশনার পদে তাঁকে বসিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। পরে তাঁকে সেই পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এবারই রাজীব কুমারকে রাজ্যসভার সাংসদ করেছে তৃণমূল। কিছুদিন আগে ইউপিএসসি-র বিরুদ্ধেই আদালত অবমাননার মামলা করেন প্রাক্তন আইপিএস রাজেশ কুমার। গত বছরের নভেম্বরে ক্যাটে মামলা করেন আইপিএস অফিসার রাজেশ কুমার। তাঁর অভিযোগ ছিল, রাজ্যের তরফে নাম প্রস্তাব করা হলেও ইউপিএসসি-র একটি বৈঠকে রাজীব কুমার, রাজেশ কুমার এবং রণবীর কুমারের নাম বাদ দিয়ে দেওয়া হয়। ইউপিএসসি-র তরফে দাবি করা হয়, ওই তিন অফিসারের চাকরির মেয়াদ বেশিদিন নেই। তবে রাজেশ কুমারের দাবি, ডিজি পদ থেকে মনোজ মালব্য অবসর নেওয়ার সময় তাঁদের চাকরির মেয়াদ অনেক বেশিদিন ছিল।

“আমার ডেবরা আসার কথা ছিল না!” নির্বাচনী প্রচারের শুরুতেই অস্বস্তিতে ডেবরা বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। বালিচকের দলীয় কার্যালয়ে কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে প্রথম দিনের পরিচিতি সভাতেই তাঁর একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে। রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই তৃণমূলের অন্দরে দীর্ঘদিনের চাপা থাকা গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের বিষয়টি নতুন করে সামনে চলে এসেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। ভোটের দলের প্রার্থী নিজেই যখন এমন মন্তব্য করেন, তখন সাধারণ কর্মীদের মনোবল চঙ্গা রাখা রাখা নেতৃত্বের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায় বলেই মত তাঁদের। কর্মীদের সামনেই একটি ভিডিয়োতে রাজীব বলছেন, “দল আমাকে আপনাদের এখানে দায়িত্ব দিয়েছে। এর আগে আর এক জায়গার নাম বলেছিল। কিন্তু যে কোনও কারণে হোক সেটা পরিবর্তন হয়ে গিয়েছে। আমার তো ডেবরায় আসার কথা ছিল না। অন্য জায়গায় যাওয়ার কথা ছিল।” দলের অভ্যন্তরে যে কোন্দল রয়েছে, তা কার্যত মেনে নিয়েছেন তৃণমূলের ঘাটাল সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অজিত মাইতি। ক্যামেরার সামনেই স্বীকার করেন গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কথা। তবে তাঁর দাবি, “এটি বড় কোনও বিষয় নয়। আমরা সমস্ত গোষ্ঠীর নেতাদের এক টেবিলে বসিয়ে দ্রুত সমস্যার সমাধান করে নেব। নির্বাচনের লড়াইয়ে সবাই একজোট হয়েই নামবে।” প্রসঙ্গত, এতদিন ডেবরার বিধায়ক ছিলেন প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীর। এবার তাঁকে ডোমকলে পাঠিয়েছে দল। তাঁর জায়গায় রাজ্যের প্রাক্তন সেচমন্ত্রীকে প্রার্থী করেছে তৃণমূলে। ২০২১ সালে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন রাজীব। হয়েছিলেন ডোমজুর বিধানসভার প্রার্থী। তবে হারতে হয়েছিল। তারপরই কিছুদিনের মধ্যে কামব্যাক তৃণমূলে। ঘাসফুল শিবিরের এই অভ্যন্তরীণ বিবাদকে হাতিয়ার করে আক্রমণ শানাতে দেরি করেনি বিজেপি। ঘাটাল সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি তন্ময় দাস তীব্র কটাক্ষবাণ শানিয়েথেন। খোঁচা দিয়ে বলেন, “ডেবরার মানুষ এবার একজন ভূমিপুত্রকেই বিধায়ক হিসেবে দেখতে চান। আমরা সেই আবেগকেই সম্মান জানিয়ে স্থানীয় প্রার্থী দিয়েছি। তৃণমূলের অন্দরে পরিস্থিতি এমন যে, পরাজয় নিশ্চিত জেনে কেউ প্রার্থী হতে চাইছেন না। তাই বাধ্য হয়ে বাইরে থেকে প্রার্থী আমদানি করতে হচ্ছে।” এই কেন্দ্রে এবার শুভাশিস ওমকে প্রার্থী করেছে বিজেপি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles