Sunday, April 26, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

সেমিফাইনাল পেল ইডেন! বিশ্বকাপ থেকে বিদায় পাকিস্তানের!

ম্যাচ শেষ হওয়ার আগেই এবারের মতো বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হল তাঁদের। ১৬তম ওভারে শ্রীলঙ্কার রান ১৪৭ রান পেরিয়ে যেতেই বিদায়ঘণ্টা বাজল পাকিস্তানের। পাক দলের বিদায়ে সেমিফাইনাল পেল ইডেন। বুধবার ক্রিকেটের নন্দনকাননে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে প্রথমে ব্যাটিং করে ৮ উইকেটে ২১২ রান তুলে ফেলল পাকিস্তান। সৌজন্যে সাহিবজাদা ফারহান। সেমিফাইনালে খেলতে হলে অন্তত ৬৫ রানে জিততে হবে। এই সমীকরণ সামনে রেখে শনিবার ব্যাট করতে নেমেছিলেন সাহিবজাদা ফারহান, এবং ফখর জামান। ওই বিশাল রানের ব্যবধানে জিততে হলে শ্রীলঙ্কার সামনে বিশাল লক্ষ্যমাত্রা দিতে হবে, সেটা জানতেন পাকিস্তানের দুই ওপেনার। সেই মতো শুরু থেকেই লঙ্কাব্রিগেডকে তুলোধোনা করা শুরু করেন তাঁরা। শুরু থেকেই রানের গড় ছিল দশের বেশি।বিশ্বকাপে পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কা ম্যাচ ঘিরে বিতর্ক! একদিকে যখন সাহিবজাদা ফারহান অনবদ্য সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়েন! নাহলে যে পাকিস্তান এতদিন ব্যাটিংয়ের জন্য দিনরাত নিজের দেশেই সমালোচিত হচ্ছিল, তারাই এদিন ২১২ রানের এই পাহাড়প্রমাণ ইনিংসটা খেলল কীভাবে? সেমিফাইনালে খেলতে হলে অন্তত ৬৫ রানে জিততে হবে। এই সমীকরণ সামনে রেখে শনিবার ব্যাট করতে নেমেছিলেন সাহিবজাদা ফারহান, এবং ফখর জামান। ওই বিশাল রানের ব্যবধানে জিততে হলে শ্রীলঙ্কার সামনে বিশাল লক্ষ্যমাত্রা দিতে হবে, সেটা জানতেন পাকিস্তানের দুই ওপেনার। সেই মতো শুরু থেকেই লঙ্কাব্রিগেডকে তুলোধোনা করা শুরু করেন তাঁরা। শুরু থেকেই রানের গড় ছিল দশের বেশি। অবশ্য তাতে কিছুটা সাহায্য শ্রীলঙ্কার বোলাররাও করেছেন। ভুল লাইন-লেংথে বল, বিশ্রী ফিল্ডিং, ক্যাচ মিস-সবই করেন। পাকিস্তানের দুই ওপেনারই খেলে দেন ১৬ ওভার পর্যন্ত। ততক্ষণে স্কোরবোর্ডে ১৭৬ রান উঠে গিয়েছে। ফখর জামান ৮৪ রানে আউট হয়ে গেলেও সাহিবজাদা ফারহান ৫৯ বলে ১০০ রান করেন। সেঞ্চুরি ইনিংসে বিরাট কোহলিকে টপকে বিশ্বরেকর্ডও গড়েছেন তিনি। এর আগে এক বিশ্বকাপে ৬ ম্যাচে ৩১৯ রান করে সর্বাধিক রানের মালিক ছিলেন কোহলি। সেই রেকর্ড ভেঙে দিলেন সাহিবজাদা ফারহান। এই বিশ্বকাপে তাঁর ঝুলিতে ৩৮৩ রান। তবে দুই ওপেনার আউট হওয়ার পর রানের গতি সেভাবে বাড়েনি। ফলে যে রানটা মনে হচ্ছিল ২৩০ পেরিয়ে যেতে পারত, সেটা থেমে গেল ২১২-তে। পাকিস্তানের ব্যাটিং বিভাগ যে এই রান তুলল তাতেই অনেকে বিস্মিত। কারণ এই বিশ্বকাপে এ পর্যন্ত কোনও দলের বিরুদ্ধেই এভাবে জ্বলে ওঠেনি পাক ব্যাটিং। তাছাড়া শ্রীলঙ্কাও এত খারাপ বোলিং বা ফিল্ডিং করেনি। কেউ কেউ বলছেন, এই ম্যাচ বড় ব্যবধানে হারলেই লাভ শ্রীলঙ্কার। কারণ পাকিস্তান সেমিতে উঠলে তাদের ম্যাচগুলি হবে শ্রীলঙ্কার মাটিতে। সেকারণেই এই ঢিমেতাল পারফরম্যান্স। যদিও স্রেফ অনুমানের ভিত্তিতে এই ধরনের অভিযোগ মোটেই সমর্থনযোগ্য নয়। ক্রিকেট অনিশ্চয়তার খেলা। এই খেলায় যে কোনও দিন যে কোনও কাণ্ড ঘটতে পারে। জবাবে শুরুতেই উইকেট খোয়ায় শ্রীলঙ্কা। নাসিম শাহের বলে মাত্র ৩ রানে সাজঘরের পথ ধরেন পাথুম নিশাঙ্কা। এরপর অবশ্য কামিল মিশারা এবং চরিত আশালাঙ্কা জুটি গড়ার চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু আবরার আহমেদের বলে বোল্ড হন মিশারা (২৬)। আশালাঙ্কার লড়াই শেষ হয় ২৫ রানে। এরপর একা কুম্ভ হয়ে লড়াই করেন পবন রথনায়েকে। শ্রীলঙ্কার হয়ে যেন প্রার্থনা করছিল নিউজিল্যান্ডও। দ্বিতীয় স্থানে থাকা নিউজিল্যান্ডের পয়েন্ট ৩ ম্যাচে ৩। নেট রান রেট +১.৩৯০। কিউয়ইদের সেই রান পেরতে পাকিস্তানকে ৬৫ রানের ব্যবধানে জিততেই হত। যদিও সেটা সম্ভব হচ্ছে না পবনের অনবদ্য লড়াইয়ে। এ বছরের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অভিযান সাঙ্গ হল পাকিস্তানের।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles