Sunday, May 3, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

গম্ভীর পরাজয়ে বিশ্বকাপে লজ্জার নজির ভারতের!‌ ‘শিক্ষার অভাবে’ প্রোটিয়াদের কাছে ভরাডুবি? সেমির পথ কঠিন সুর্যদের?‌

সাহসী আর দায়িত্বজ্ঞানহীন ক্রিকেটের পার্থক্যটা কি অভিষেক শর্মারা বুঝতে পারলেন? দল চাপে পড়লে কী করা দরকার। সম্ভবত কোনও পরিকল্পনা নেই কোচের হাতে। অথবা দলের প্লেয়ারদের কাছে সেই বার্তা পৌঁছয় না। টি-টোয়েন্টি ‘পাওয়ার গেম’। সময় বুঝে স্ট্র্যাটেজি বদলাতে হয়, ধৈর্য্য ধরতে হয়। টানা জিততে জিততে কি সেটা ভুলতে বসেছিল টিম ইন্ডিয়া? সুপার এইটে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ৭৬ রানে হার কোচ গৌতম গম্ভীর ও অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবের জন্য শিক্ষা। প্রোটিয়ারা শিখিয়ে দিয়ে গেল কীভাবে চাপ নিতে হয়। বিশ্বকাপ সেমির স্বপ্ন এখনও অধরা নয়। কিন্তু তার জন্য অনেক কিছু শোধরাতে হবে টিম ইন্ডিয়াকে।

ওপেনিং জুটি: অভিষেক শূন্য রানে আউট হননি। শূন্য লেখা ছিল ঈশান কিষানের ব্যাটে। টানা চার ম্যাচে ভারতীয় কোনও না কোনও ওপেনারের ব্যাট থেকে রান আসেনি। পাকিস্তান ম্যাচের মতো এই ম্যাচেও বিপক্ষ অধিনায়ক প্রথম ওভারেই এসে উইকেট তুললেন। অভিষেক এদিন করলেন ১৫। একেবারেই স্বচ্ছন্দ নয়। কোথায়-কখন বল চালাবেন বুঝে উঠতে পারছেন না। বিশেষ করে অফ স্টাম্পের বল পড়লেই দিক হারাচ্ছেন। জানসেন গতির হেরফের করতেই আউট! সঞ্জু স্যামসন কেন বাইরে বসে, কেউ জানে না।

ব্যাটিংয়ে নেই পরিকল্পনা:‌ এমনিতেই গোটা দলে আট জনের মধ্যে ছ’জন বাঁ হাতি। তার মধ্যেও অদ্ভুত ভাবে ডান হাতি-বাঁ হাতি কম্বিনেশন প্রয়োগ করতে গেল ভারত। ঘেঁটে গেল পুরো দলের কম্বিনেশনই। কেন যে হার্দিককে না নামিয়ে ওয়াশিংটনকে পাঁচে নামানো হল তার উত্তর কেউ দিতে পারবেন বলে মনে হয় না। সম্ভবত সূর্যকুমার (ডান হাতি) ক্রিজ়ে ছিলেন বলেই। ভারতের কৌশল নিয়ে বিস্মিত ধারাভাষ্যকারেরাও। দীনেশ কার্তিকও বলে ফেললেন, “এ রকম কৌশলের এখন আদৌ দরকার আছে কী?” কে বোঝাবে গম্ভীরদের। তাঁরা হারুন বা জিতুন, নিজেদের কৌশল থেকে সরে আসবেন না। ভারতের ব্যাটারদের খেলা নিয়েও প্রশ্ন থাকছে। দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারেরা যেখানে একের পর এক মন্থর বল করছেন, তা খেলার জন্য কেন পরিকল্পনা থাকবে না ব্যাটারদের? অনুশীলনে ব্যাটিং কোচ সীতাংশু কোটাকের কাজটা কী? দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হার এ রকমই প্রশ্ন তুলে দিয়ে গেল।

অতি আত্মবিশ্বাস: বিশ্বকাপে টানা ১৭ ম্যাচে জয়। অবিশ্বাস্য রেকর্ড। গ্রুপ পর্বে অপরাজিত। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকেও হেলায় হারিয়েছে। এই তো মাস কয়েক আগে দক্ষিণ আফ্রিকাকে টি-টোয়েন্টি সিরিজে ৩-১ ব্যবধানে হারিয়েছিলেন সূর্যরা। তাই কি অতি আত্মবিশ্বাস গ্রাস করেছিল অভিষেক শর্মাদের? ভারত অধিনায়ক তো ম্যাচের আগে রীতিমতো হুঙ্কার দিয়েছিলেন। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকা বোঝাল তারা আমেরিকা-পাকিস্তান নয়। ব্যাটিং-বোলিং-ফিল্ডিং, সব দিকে টেক্কা দিয়ে গেল প্রোটিয়ারা। ৭৬ রানে হার বিশ্বকাপে রানের নিরিখে ভারতের সবচেয়ে বড় হারের লজ্জা।

মিডল অর্ডারের ধীরগতির ব্যাটিং:‌ চাপের মুখেও নিজেদের কৌশল থেকে সরবেন না গম্ভীর, সূর্যকুমারেরা। ঈশান, অভিষেক ফিরে যাওয়ার পরেও চলল সেই টুকটুক করে ব্যাটিং। যাঁকে ‘অ্যাঙ্কর’-এর মতো গালভরা নাম দিয়েছেন সূর্যকুমারেরা নিজেই। অর্থাৎ ধরে খেলা। পরিস্থিতির বিচার না করেই ধরে খেলতে গিয়ে চলে আসছে বিপদ। দক্ষিণ আফ্রিকাও ২০ রানে ৩ উইকেট হারিয়েছিল। তাই বলে ডেভিড মিলার এবং ডেওয়াল্ড ব্রেভিস ‘টেস্ট’ খেলার রাস্তায় হাঁটেননি। পাল্টা মারের রাস্তায় হেঁটে ভারতীয় বোলারদের চাপে ফেলে দিয়েছেন। ভারত সেটাই করতে পারল না। ধরে খেলতে গিয়ে নিজেদের উপর চাপ এতটাই বাড়িয়ে ফেলল যে পরের দিকে আর সামলানো গেল না।

ভুলে ভরা স্ট্র্যাটেজি: এই দলে ওয়াশিংটন সুন্দরের কী ভূমিকা? ব্যাটে রান নেই, বলেও সফল নন। অথচ দলের সহ-অধিনায়ক অক্ষর প্যাটেল বাইরে বসে। ঠিক কোন যুক্তিতে, সেটা একমাত্র গৌতম গম্ভীরই জানেন। তাছাড়া দল চাপে পড়লে কী করতে হয়, সেটারও সম্ভবত কোনও পরিকল্পনা নেই কোচের হাতে। বা থাকলেও দলের প্লেয়ারদের কাছে সেই বার্তা পৌঁছয় না। প্রশ্নের মুখে সূর্যর নেতৃত্বও। কেন একই ভুল বারবার করছেন দেখেও বরুণ চক্রবর্তী ও শিবম দুবেকে টানা বল করিয়ে গেলেন? সেখানেই তো ম্যাচের রাশ হাতছাড়া করে ফেলল ভারত।

বোলিংয়ে রান দেওয়ার প্রবণতা: আহমেদাবাদে টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন প্রোটিয়া অধিনায়ক আইডেন মার্করাম। নিঃসন্দেহে ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত। কিন্তু সেটা খেটে গেল। জশপ্রীত বুমরাহ যথারীতি ম্যাজিক দেখালেন। ভালো বোলিং করলেন অর্শদীপ সিংও। কিন্তু বরুণ-শিবম-হার্দিকরা চরম ব্যর্থ। আসলে এর আগে তুলনায় সহজ প্রতিপক্ষ ছিল। প্রথমে ব্যাট করায় বিপক্ষকে চাপেও ফেলা গিয়েছিল। আর এদিন পরিস্থিতি একটু এদিক-ওদিক হতেই টিম ইন্ডিয়ার কঙ্কালসার ছবিটা স্পষ্ট।

ডোবালেন ভারতের দুই স্পিনার:‌ আহমদাবাদের পিচে কী ভাবে বোলিং করতে হয়, তা ভারতকে শিখিয়ে গেল দক্ষিণ আফ্রিকা। কেশব মহারাজের মতো বোলার যেখানে এক ওভারে তিনটি উইকেট তুলে নিলেন, সেখানে ভারতের স্পিনারদের প্রাপ্তি মাত্র একটি উইকেট। তা-ও মাত্র ছ’ওভার বল করানো গিয়েছে। বরুণ চক্রবর্তী ভারতের স্ট্রাইক বোলার। তিনি এমন বল করলেন যে লোকানো যাচ্ছিল না। কার্যত বাধ্য হয়ে বরুণকে দিয়ে চার ওভার বল করাতে হল। শেষ ওভারে ডেভিড মিলারকে আউট করলেন ঠিকই। তত ক্ষণে মিলার যা ক্ষতি করার করে দিয়েছেন। চার ওভারে বরুণ দিলেন ৪৭ রান। ওয়াশিংটন সুন্দরকে প্রথমে আনা হল সপ্তম ওভারে। তার পর ১৪তম ওভারে। যদি বলই না করানো হবে তা দলে নেওয়া হল কেন?

এই পিচে কেন অক্ষর নয় কেন:‌ গৌতম গম্ভীর কোচ, আর সেখানে দল নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন উঠবে না এমন হতে পারে না। টসের সময় সূর্যকুমার যাদব ক্ষমা চাওয়ার ভঙ্গিতে বললেন, “হয়তো অক্ষর পটেলের প্রতি একটু কড়া হলাম। কিন্তু আজকের দল অপরিবর্তিতই রাখছি।” অহমদাবাদের পিচে খেলে বড় হয়েছেন অক্ষর। মাঠ থেকে ৬০ কিলোমিটার দূরে নাদিয়াদে থাকেন। তিনি দলের সহ-অধিনায়কও বটে। তাঁকেই কি না এই ম্যাচ থেকে বাদ দেওয়া হল? হর্ষিত রানার মতোই ওয়াশিংটনও দিন দিন গম্ভীরের ‘প্রিয়’ ক্রিকেটার হয়ে উঠছেন। যার ফল ভুগতে হচ্ছে দলকে। যে কোনও দিন অলরাউন্ডার হিসাবে ওয়াশিংটনের থেকে অক্ষর এগিয়ে থাকবেন। তার উপর অহমদাবাদ তাঁর ঘরের মাঠ। সেখানে সহ-অধিনায়ককে বাদ দিয়ে ভারত বুঝিয়ে দিল, এই দলে পদের কোনও গুরুত্ব নেই।

চাপের মুখে ব্যর্থতা: ‘গুরুত্বহীন’ সিরিজ হোক বা গ্রুপ পর্বের ম্যাচে সাদামাটা প্রতিপক্ষ। ভারতের ব্যাটাররা গোলাবারুদ ছুড়তে অভ্যস্ত। কিন্তু চাপের মুখে পড়তেই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ল টিম ইন্ডিয়ার ব্যাটিং। বিশ্বকাপে বড় রান তাড়া করতে গেলে শুরুটা ভালো করতে হয়। কিন্তু ওপেনিং জুটি ব্যর্থ হওয়ায় চাপ আরও বাড়ল। দক্ষিণ আফ্রিকাও একটা সময়ে ৪ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ২০ রান ছিল। কিন্তু মিলার-ব্রেভিসরা ধৈর্য্য ধরেছিলেন। ভারতীয় ব্যাটারদের সেই ধৈর্য্য কোথায়? তিলক বর্মা, ওয়াশিংটন সুন্দর- দুজনেই ক্রিজের বাইরে এসে মারতে গেলেন এবং ডি’ককের হাতে বন্দি হলেন।

ভুল হয়েছে। মেনে নিলেন ভারতের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে কেন ৭৬ রানে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হারতে হল, তা বুঝতে পেরেছেন সূর্য। এরপর সেগুলো যত তাড়াতাড়ি শুধরে মাঠে নামতে হবে। কারণ প্রোটিয়াদের কাছে হারলেও সেমির আশা এখনই শেষ হচ্ছে না টিম ইন্ডিয়ার। তবে অঙ্ক জটিল হল। আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে দক্ষিণ আফ্রিকার ১৮৮ রান তাড়া করতে নেমে মাত্র ১১১ রানে গুটিয়ে যায় ভারতের ইনিংস। এ তো শুধু হার নয়, তারকাখচিত টিমের জন্য রীতিমতো লজ্জাজনক। জশপ্রীত বুমরাহ যথারীতি ম্যাজিক দেখালেন। ভালো বোলিং করলেন অর্শদীপ সিংও। কিন্তু বরুণ-শিবম-হার্দিকরা চরম ব্যর্থ। কিন্তু সবচেয়ে বড় সমস্যা ভারতের ব্যাটিং। দুই ওপেনার ব্যর্থ। ভারতীয় ব্যাটারদের যেন ধৈর্য্যের অভাব। সেটা সূর্যও স্বীকার করলেন। পাওয়ার প্লে’তেই ভারত তিন উইকেট হারায়। সেখানেই ম্যাচের ভাগ্য ঠিক হয়ে যায়। সূর্য বললেন, “পাওয়ার প্লে-তে ম্যাচ জেতা যায় না, তবে ম্যাচ হারা যায়। আমাদের ক্ষেত্রে সেটাই হয়েছে। পাওয়ার প্লে-তে আমরা নিয়মিত উইকেট হারিয়েছি। পরেও জুটি তৈরি হয়নি। আমাদের বোলিং ভাল হয়েছে ঠিকই, ব্যাটিং ভাল হয়নি। সেই কারণেই হারতে হয়েছে। এই হার থেকে শিক্ষা নেব।” এবার করণীয়? সূর্য বললেন, “এখনও দুটো ম্যাচ বাকি। সেখানে ভালো খেলতেই হবে। ব্যাটিং-বোলিং-ফিল্ডিং, তিন ক্ষেত্রেই উন্নতির দরকার আছে। আশা করছি, সেটা করতে পারব।” পরের দু’টো ম্যাচে প্রতিপক্ষ জিম্বাবোয়ে ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এবারের বিশ্বকাপে চমকে দিয়েছে জিম্বাবোয়ে। অন্যদিকে ক্যারিবিয়ানরা বিশ্বজয়ের ‘ডার্ক হর্স’। ভারতকে দুই ম্যাচই বড় ব্যবধানে জিততে হবে। কারণ, এই ম্যাচ হেরে ভারত নেট রানরেটে (-৩.৮০০) অনেকটাই পিছিয়ে। একই সঙ্গে দক্ষিণ আফ্রিকাকেও দুটো ম্যাচই জিততে হবে। সেক্ষেত্রে ৪ পয়েন্ট নিয়েও সেমি নিশ্চিত হয়ে যাবে সূর্যদের। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকা যদি একটা ম্যাচ হারে এবং ভারত দু’টি ম্যাচই জেতে, তাহলে আরও একটি দলের পয়েন্ট দাঁড়াবে ৪। সেক্ষেত্রে নেট রানরেট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।

এ বারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠার সুযোগ ভারতের কমেছে। বিশ্বকাপের সুপার এইটের প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হেরেছে ভারত। শুধু হার নয়, ৭৬ রানে লজ্জার হার হয়েছে সূর্যদের। এই হারের ফলে সরাসরি সেমিফাইনালে ওঠার সুযোগ কমেছে ভারতের। গ্রুপের বাকি দুই ম্যাচ জিতলেও অন্য ম্যাচের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে সূর্যদের। রবিবারের ম্যাচের পর ‘এক্স’ গ্রুপে সকলের উপরে দক্ষিণ আফ্রিকা। তাদের পয়েন্ট ২। নেট রানরেট +৩.৮০০। ভারত সকলের নীচে। নেট রানরেট -৩.৮০০। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও জিম্বাবোয়ে এখনও সুপার এইটে কোনও ম্যাচ খেলেনি। ভারতের বাকি দুই ম্যাচ রয়েছে জ়িম্বাবোয়ে ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের বিরুদ্ধে। ২৬ ফেব্রুয়ারি চেন্নাইয়ের মাঠে জ়িম্বাবোয়ে ও ১ মার্চ ইডেন গার্ডেন্সে ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের বিরুদ্ধে খেলবেন সূর্যেরা। এই দুই ম্যাচ ভারত জিতলে তাদের পয়েন্ট হবে ৪। ৪ পয়েন্টে যাওয়ার সুযোগ তিন দলের রয়েছে। ভারতকে প্রার্থনা করতে হবে, দক্ষিণ আফ্রিকা যেন বাকি দুই ম্যাচও জেতে। তা হলে তাদের পয়েন্ট হবে ৬। সে ক্ষেত্রে ভারত বাকি দুই ম্যাচ জিতলে ৪ পয়েন্ট নিয়ে সেমিফাইনালে উঠবে। কারণ, এই অঙ্ক মিললে জিম্বাবোয়ে বা ওয়েস্ট ইন্ডিজ় ২ পয়েন্টের বেশি পাবে না। দক্ষিণ আফ্রিকা যদি জ়িম্বাবোয়ে বা ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের মধ্যে কারও কাছে হারে ও ভারত তাদের বাকি দুই ম্যাচ জেতে তার পরেও তিন দলের ৪ পয়েন্টে যাওয়ার সুযোগ থাকবে। সে ক্ষেত্রে নেট রানরেটের উপর বিচার হবে যে কোন দুই দল সেমিফাইনালে উঠবে। ভারত ৭৬ রানে হারায় নেট রানরেট বড় ধাক্কা খেয়েছে। ফলে ভারতকে তাদের পরের দুই ম্যাচ বড় ব্যবধানে জিততে হবে। পাশাপাশি প্রার্থনা করতে হবে যে, দক্ষিণ আফ্রিকা হারলেও যেন ব্যবধান বেশি না হয়। আগে ভারতকে তাদের পরের দুই ম্যাচ জিততেই হবে। কারণ, এর পর আর একটি ম্যাচ হারলে আর প্রায় কোনও অঙ্কেই সেমিফাইনালে ওঠার সুযোগ থাকবে না সূর্যদের।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles