Sunday, May 3, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

স্ট্রংরুমের বাইরে তৃণমূল-বিজেপির উত্তেজনা! দু’দলেরই জটলা হটাতে সক্রিয় পুলিশ-কেন্দ্রীয় বাহিনী

RK NEWZ তৃণমূল এবং বিজেপি উভয় দলেরই কর্মী-সমর্থকেরা জড়ো হয়ে যান বিধাননগরের স্ট্রংরুমের বাইরে। উভয় পক্ষই স্লোগান এবং পাল্টা স্লোগান তুলতে থাকে। পরিস্থিতি সামলাতে আসরে নামে পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী। বিধাননগরে স্ট্রংরুমের বাইরে ক্যাম্প অফিসের তাঁবু খাটানোকে কেন্দ্র করে তৃণমূল এবং বিজেপির মধ্যে উত্তেজনা ছড়াল। বিজেপির অভিযোগ, তাদের তাঁবুতে নিজেদের দলীয় পতাকা লাগিয়ে দিয়েছেন তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকেরা। অন্য দিকে, তৃণমূলের দাবি, স্ট্রংরুমের বাইরে কারা কোথায় তাঁবু বসাবে, তা নিয়ে কোনও আলোচনা না-করেই একতরফা সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিজেপি। দু’পক্ষের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডার জেরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে স্ট্রংরুমের বাইরে। তৃণমূল এবং বিজেপি উভয় পক্ষকেই আলাদা করে দেওয়ার চেষ্টা করেন কেন্দ্রীয় বাহিনী জওয়ান এবং পুলিশ আধিকারিকেরা। পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী। মাইক প্রচার করে দু’পক্ষকে এলাকা থেকে সরে যাওয়ার জন্য বলা হয় পুলিশের তরফে। তৃণমূল এবং বিজেপি উভয় দলের কর্মীদেরই সেখানে জমায়েত না-করার জন্য অনুরোধ করে পুলিশ। পরিস্থিতি বর্তমানে কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আনা গেলেও দু’পক্ষের কর্মীদেরই বিক্ষিপ্ত জটলা রয়েছে। উত্তেজনার সময়ে সেখানে উপস্থিত ছিলেন রাজারহাট নিউটাউন বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী তাপস চট্টোপাধ্যায়। তৃণমূল প্রার্থীর দাবি, তিনি স্ট্রংরুমে ছিলেন। হট্টগোল শুনে বাইরে বেরিয়ে আসেন। তাপস বলেন, “আমরা (বিজেপি-কে) বললাম, আপনারা ও দিকে থাকুন। আমরা এ দিকে থাকি। তার পরে সকালে সিপি সাহেবের সঙ্গে মিটিং হোক। ওরা বলছে, ওদের (তাঁবুর) সামনে আমাদের চারটে পতাকা আছে।” কী ভাবে এই পরিস্থিতি তৈরি হল, তা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তৃণমূল প্রার্থী বলেন, “এটা আমি বলতে পারব না। আমি ভিতরে ছিলাম। শুনে বাইরে এসেছি। সিনিয়র রাজনীতিক হিসাবে চেষ্টা করেছি যাতে শান্তি ফেরানো যায়।” তাঁর দাবি, সিআরপিএফ লাঠিচার্জ করেছে। তা-ও তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকেরা সিআরপিএফ-এর সঙ্গে সহযোগিতা করেছে। তিনি বলেন, “আমরা এত ভোট করেছি, কিন্তু এমন পরিস্থিতি আমরা দেখিনি।” বিজেপি তাদের তাঁবুতে তৃণমূলের পতাকা লাগানো নিয়ে যে অভিযোগ তুলছে, সে প্রসঙ্গে তাপস বলেন, “আমি জানি না। কার তাঁবু, কে অনুমোদন দিয়েছে— আমরা জানি না। তিনটে তাঁবু ওঁদেরই থাকবে, আর তৃণমূলের কোনও তাঁবু থাকবে না— এটা তো হতে পারে না।” তাপসের বক্তব্য, বিধাননগরের এই স্ট্রংরুমে তিনটি বিধানসভা আসনের ইভিএম রয়েছে। সে ক্ষেত্রে কোন তাঁবু কোন পক্ষ নেবে, কী ভাবে তা বণ্টন হবে সেই বিষয়গুলি দেখা দরকার বলেই মনে করছেন তিনি। অন্য দিকে তৃণমূলকে খোঁচা দিয়ে বিজেপির নেতা-কর্মীরা বলেন, “ওরা হল ডুবন্ত মানুষ। খড়কুটো দেখলেই ধরে নিচ্ছে। ওদের অবস্থা খুব খারাপ। আমাদের তৈরি ক্যাম্পে ওরা ঝান্ডা বসাচ্ছে। এটা আমরা মেনে নেব না।” দ্বিতীয় দফার ভোট শেষ হওয়ার পর থেকেই স্ট্রংরুমের সুরক্ষা নিয়ে তৃণমূল এবং বিজেপির মধ্যে চাপানউতর শুরু হয়েছে। যার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল কলকাতার দুই স্ট্রংরুম— ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্র এবং সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুল। ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের স্ট্রংরুমের ভিতরে ‘সন্দেহজনক গতিবিধির’ অভিযোগ তুলেছিল তৃণমূল। সেই অভিযোগ তুলে বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের গেটের বাইরে অবস্থানে বসেন বেলেঘাটার তৃণমূল প্রার্থী কুণাল ঘোষ এবং শ্যামপুকুরের প্রার্থী শশী পাঁজা। অন্য দিকে, তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আসন ভবানীপুরের স্ট্রংরুম রয়েছে সাখাওয়াত মেমোরিয়ালে। মমতা নিজে সেখানে পৌঁছে গিয়েছিলেন। প্রায় চার ঘণ্টা ধরে ‘পাহারা’ দেন স্ট্রংরুম। ওই সময়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নির্বাচনী এজেন্ট সূর্যনীল দাসও ছিলেন স্ট্রংরুমের পাল্টা ‘পাহারায়’। স্ট্রংরুম ঘিরে শাসক এবং বিরোধী শিবিরের মধ্যে চাপানউতর চলছেই। শনিবারও উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতে স্ট্রংরুম ঘিরে তৃণমূল এবং বিজেপির মধ্যে উত্তাপ বৃদ্ধি পেয়েছিল। সিসিটিভির ডিসপ্লে মনিটর কিছু ক্ষণের জন্য বন্ধ হয়ে গিয়েছিল বলে অভিযোগ। যদিও কমিশন সূত্রে দাবি করা হয়, সিসি ক্যামেরা বন্ধ ছিল না। ডিসপ্লে মনিটরটি কোনও কারণে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। পর পর এই উত্তেজনার মাঝে রবিবার সকাল থেকে সব স্ট্রংরুমের বাইরে অবস্থানে বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিজেপির মহিলা কর্মীরা।

লের কাউন্টিং এজেন্টদের নিয়ে বৈঠকে বসেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল সূত্রে খবর, ওই বৈঠকেই গণনার দিন জেলাভিত্তিক পর্যবেক্ষক নিয়োগের কথা বলা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন ডিজি রাজীব কুমার এখন তৃণমূলের ‘নেতা’। রাজ্যসভার সাংসদও বটে। সেই রাজীবকে এ বার বিধানসভার ভোট গণনার দিন অর্থাৎ, সোমবার গণনা পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব দিল তৃণমূল। দমদম-ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলার গণনা পর্যবেক্ষক করা হল রাজীবকে। শুধু দমদম-ব্যারাকপুর নয়, রাজ্য জুড়ে তৃণমূলের সাংগঠনিক জেলা ধরে ধরে গণনা পর্যবেক্ষক নিয়োগ করার কথা জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের কাউন্টিং এজেন্টদের নিয়ে বৈঠকে বসেছিলেন মমতা-অভিষেক। তৃণমূল সূত্রে খবর, ওই বৈঠকেই গণনার দিন জেলাভিত্তিক পর্যবেক্ষক নিয়োগের কথা বলা হয়েছে। সেখানে সাংগঠিক জেলা ধরে ধরে পর্যবেক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেখানেই রাজীবের দায়িত্বের কথা আলাদা করে উল্লেখ করেছেন অভিষেক, এমনটাই জানা গিয়েছে তৃণমূল সূত্রে। জানা গিয়েছে, ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অভিনেতা-সাংসদ দীপক অধিকারীকে (দেব) এবং মেদিনীপুরে সাংগঠনিক জেলার গণনা পর্যবেক্ষক করা হয়েছে জুন মালিয়াকে। গত লোকসভা নির্বাচনে নির্দিষ্ট কিছু আসনের জন্য গণনার কাজে বিশেষ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছিল তৃণমূল। অভিষেকের পরিকল্পনাতেই তেমন পর্যবেক্ষক পাঠানো হয়েছিল। যেমন, তমলুক কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছিল রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে, আরামবাগের দায়িত্বে ছিলেন শান্তনু সেন এবং বাঁকুড়া লোকসভায় গণনা পর্যবেক্ষণে গিয়েছিলেন সমীর চক্রবর্তী। অনেকে ভেবেইছিলেন এ বারও একই পথে হাঁটতে পারে তৃণমূল। সেই সম্ভাবনাই সত্যিই হল শনিবারের বৈঠকে। বৈঠক ছিল মূলত গণনার দিন তৃণমূলের রণকৌশল ঠিক কী হবে, তা দলের কাউন্টিং এজেন্টদের মধ্যে পৌঁছে দেওয়া। শুধু তা-ই নয়, বুথফেরত সমীক্ষা যেন কোনও ভাবেই কাউন্টিং এজেন্টদের মনোবল ভেঙে দিতে না-পারে, তার বার্তা দেওয়া। তৃণমূল সূত্রে খবর, বৈঠকে মমতা-অভিষেক দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে জানান, শেয়ার মার্কেটকে চাঙ্গা করতেই বুথফেরত সমীক্ষাগুলিতে বিজেপিকে এগিয়ে রাখা হয়েছে। তাঁরা এ-ও জানান যে, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন এবং ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটেও একই পন্থা নেওয়া হয়েছিল। গত ৩১ জানুয়ারি রাজ্য পুলিশের ভারপ্রাপ্ত ডিজির পদ থেকে অবসর নেন রাজীব। তার প্রায় এক মাস পরে, ২৭ ফেব্রুয়ারি তৃণমূল ঘোষণা করে, প্রাক্তন ডিজি রাজীবকে তারা রাজ্যসভায় পাঠাচ্ছে। এর পরে চলতি মাসেরই ৭ তারিখ রাজ্যসভার সাংসদ হিসাবে শপথ নেন রাজ্যের প্রাক্তন পুলিশপ্রধান। এ বার তিনি দমদম-ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলার গণনা পর্যবেক্ষক। এটাই প্রথম তৃণমূলের কোনও সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করতে চলেছেন রাজীব।

২১ মে ফলতার ২৮৫ ভোটকেন্দ্রে আবার ভোটগ্রহণ হবে। আর ভোটগণনা হবে আগামী ২৪ মে। এর ফলে সোমবার ফলতা বাদে রাজ্যের ২৯৩ আসনে ভোটগণনা হবে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা বিধানসভায় আবার নতুন করে ভোটগ্রহণের ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। তার পরেই আসরে নেমে পড়েছে বিজেপি। তাদের খোঁচা, ‘ডায়মন্ড হারবার মডেল ধুলিস্মাৎ’ হয়ে গিয়েছে। এ বার সেই খোঁচার পাল্টা জবাব দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর হুঙ্কার, ডায়মন্ড হারবার মডেল কালিমালিপ্ত করতে ১০ জন্মও যথেষ্ট নয়। একই সঙ্গে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে ‘দালাল’ বলেও কটাক্ষ তৃণমূলের ‘সেনাপতি’র। তিনি এ-ও বলেন, ‘‘আমি গোটা ভারতকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছি— ক্ষমতা থাকলে সর্বশক্তি নিয়ে ফলতায় চলে আসুন।’’ ২৯ এপ্রিল, বুধবার রাজ্যের ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ হয়। সে দিনই ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার অন্তর্গত ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের ২৮৫টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হয়েছিল। কিন্তু ভোটের দিন ওই বিধানসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন জায়গা থেকে নানা অভিযোগ ওঠে। পরে ওই কেন্দ্রের বিভিন্ন বুথের পুনর্নির্বাচনের দাবিও তোলা হয়। শনিবার রাতে কমিশন জানায়, গোটা ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রেই আবার নতুন করে নির্বাচন হবে। তার পরেই বিজেপি অভিষেকের ‘ডায়মন্ড হারবার মডেল’ নিয়ে খোঁচা দেয়। বিজেপি নেতা অমিত মালবীয় এক্স পোস্টে লেখেন, ‘ডায়মন্ড হারবার মডেল চুরমার’। সেই পোস্টের জবাব দেন অভিষেক। এক্স পোস্টে তাঁর পাল্টা, ‘আপনাদের বাংলা বিরোধী গুজরাতি গ্যাং এবং তাদের দালাল জ্ঞানেশ কুমারের পক্ষে আমার ডায়মন্ড হারবার মডেলে কালি ছেটানো সম্ভব নয়।’ অভিষেক আরও লেখেন, ‘আপনাদের যা কিছু আছে, সব নিয়ে চলে আসুন। আপনাদের সবচেয়ে শক্তিধরকে পাঠান, দিল্লি থেকে কোন এক গডফাদারকে পাঠান। যদি ক্ষমতা থাকে ফলতায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করুন।’ ভোটগ্রহণ পর্বের আগে থেকেই আলোচনায় ফলতা। ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার পুলিশ পর্যবেক্ষক অজয়পাল শর্মা বনাম ফলতার তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খানের মধ্যে ‘ঠান্ডা লড়াই’ শুরু হয়। ভোটের দিনও সংবাদের শিরোনামে ছিল ফলতা। অভিযোগ ওঠে, ওই বিধানসভা কেন্দ্রের একাধিক বুথে ইভিএমে বিজেপি এবং সিপিএমের বোতামের উপর ‘টেপ’ লাগানো রয়েছে। সেই নিয়ে বিতর্ক দানা বাঁধে। ভোটের দিন সংশ্লিষ্ট বুথের প্রিসাইডিং অফিসার দুপুর ১টায় জানান, টেপ তুলে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তত ক্ষণে ওই বুথগুলিতে প্রায় ৫৮ শতাংশ ভোট পড়ে গিয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। ফলে ওই বুথগুলির ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। তার পরেই ফলতার বেশ কয়েকটি বুথে পুনর্নির্বাচনের আবেদন জানানো হয় কমিশনের কাছে। কোন বুথে পুনর্নির্বাচন হবে, তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে স্ক্রুটিনি করে কমিশন। সেই স্ক্রুটিনি পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া হয় কমিশন নিযুক্ত বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তকে। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে পুনর্নির্বাচন সংক্রান্ত রিপোর্ট দিল্লিতে পাঠান সুব্রত। সূত্রের খবর, সেই রিপোর্টে বিশেষ করে উল্লেখ ছিল ফলতার নাম। কমিশনের কাছে পাঠানো প্রস্তাবে সুব্রত জানান, ফলতার প্রায় ৩০টি বুথে পুনর্নির্বাচন করানো হোক। তবে শনিবার কমিশন জানিয়ে দিল, আলাদা করে কোনও বুথে নয়, গোটা ফলতা বিধানসভাতেই নতুন করে ভোটগ্রহণ হবে ২১ মে। ভোটগণনা হবে ২৪ মে। অর্থাৎ, সোমবার ফলতা বাদে পশ্চিমবঙ্গের ২৯৩টি আসনে ভোটগণনা হবে। তার পর থেকেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles