Sunday, April 26, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

মমতার বাংলায় শুধু বোমা চলে! পশ্চিমবঙ্গে আইনশৃঙ্খলার অবনতি প্রসঙ্গে ‘বোমার সংস্কৃতি’ আখ্যা অর্থমন্ত্রী নির্মলার

লোকসভায় বাজেট অধিবেশনে কেন্দ্রীয় বাজেট নিয়ে ওঠা প্রশ্নগুলির জবাব দিতে গিয়েই পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দিকে আঙুল তোলেন নির্মলা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে পশ্চিমবঙ্গে আইনশৃঙ্খলার অবনতি হয়েছে। তৈরি হয়েছে ‘বোমার সংস্কৃতি’। বুধবার লোকসভায় এমনটাই দাবি করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। মঙ্গলবার লোকসভায় তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যে অভিযোগগুলি করেছিলেন, তার জবাবও দিয়েছেন নির্মলা। জানিয়েছেন, অভিষেকের বক্তব্য সভাকে ভুল পথে চালিত করছে। নির্মলা বলেন, ‘‘বাংলায় শুধু বোমা চলে। আইন চলে না।’’ এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে ২০২৫ সালের জুন মাসে নদিয়ার কালীগঞ্জে বিধানসভার উপনির্বাচনের সময় তৃণমূলের বিজয়মিছিল থেকে ছোড়া বোমার আঘাতে ন’বছরের শিশুর মৃত্যু (তমন্না খাতুন)-র কথা উল্লেখ করেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সামাল দিতে না-পেরে মমতা রাজ্যের মহিলাদের সন্ধ্যার পর রাস্তায় না-বেরোনোর পরামর্শ দেন। লোকসভার ভাষণে অভিষেক নির্মলার বাজেটকে ‘আজীবন করের ফাঁদ’ বলে তোপ দেগেছিলেন। দাবি করেছিলেন, শিশুর দুধ, ডায়াপার থেকে শুরু করে শিক্ষা এবং শিক্ষার সামগ্রী, ওষুধপত্র সর্বত্র কর দিতে হচ্ছে। এমনকি, কেউ মারা গেলে তাঁর স্মরণসভায় ধূপকাঠি জ্বালাতেও কর লাগছে। অভিষেকের দাবিও উড়িয়ে দিয়েছেন নির্মলা। তিনি বলেছেন, দুধ, শিক্ষার সামগ্রী এবং শিক্ষায় জিএসটি আরোপের কথা বলে লোকসভার সদস্যদের বিভ্রান্ত করছেন অভিষেক। মৃত্যুর পর শেষকৃত্যের কাজকর্মে কোনও জিএসটি নেওয়া হয় না বলেও দাবি করেছেন নির্মলা। কেন্দ্রীয় বাজেটে পশ্চিমবঙ্গকে বঞ্চনা করা হয়েছে বলে প্রথম থেকেই দাবি করে আসছে তৃণমূল। অভিযোগে নির্মলা জানান, বাজেটে কেন্দ্রের একাধিক প্রকল্পের প্রস্তাব রয়েছে যেখানে রাজ্যের মানুষের সুবিধার স্বার্থে পশ্চিমবঙ্গ সরকার চাইলেই যোগ দিতে পারে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর এই দাবির জবাব দিয়েছেন অভিষেক। সমাজমাধ্যমে তিনি লিখেছেন, ‘আমি লোকসভায় যা বলেছি, সেই তথ্যগুলির উৎস ভাল করে খতিয়ে দেখে মন্ত্রী আজ উত্তর দেবেন ভেবেছিলাম। কিন্তু এতটা পরিশ্রম উনি করবেন, সেই দাবি করা আমার উচিত হয়নি হয়তো। আমাদের দুটো ভারতবর্ষ রয়েছে। একটিতে মানুষকে সামান্য পেঁয়াজ কিনতে সংগ্রাম করতে হয়। বেঁচে থাকাটাই সেখানে সংগ্রামের। অন্যটিতে দেশের সর্বোচ্চ অর্থনৈতিক পদে অধিষ্ঠিত মানুষটি হঠাৎ ঘোষণা করেন যে, তিনি পেঁয়াজ খান না এবং তাই তার দাম নিয়ে চিন্তিতও নন।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles