Saturday, April 25, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

বিজেপির রাজ্যসভার প্রার্থী মিঠুন চক্রবর্তী? তৃণমূলের সুব্রত বক্সি, সাকেত গোখলে ও ঋতব্রতর সাংসদপদের মেয়াদ শেষ

এপ্রিল মাসে রাজ্যসভার মোট ৩৭টি আসনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। বাংলায় পাঁচটি রাজ্যসভার আসনের মেয়াদ শেষ হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ থেকে তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সি, সাকেত গোখলে বন্দ্যোপাধ্যায়ের ও ঋতব্রত রাজ্যসভার সাংসদপদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। একই সঙ্গে সিপিএমের আইনজীবী নেতা বিকাশ ভট্টাচার্যরও মেয়াদ শেষ হচ্ছে। মৌসম বেনজির নুর সাংসদপদ ত্যাগ করে কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। এ রাজ্যের মোট পাঁচটি রাজ্যসভার আসনে ভোট হবে। এ ক্ষেত্রে তৃণমূলের চারজন এবং বিজেপির একজন প্রার্থীর জয় নিশ্চিত। এবারের নির্বাচনে একটি আসন জিততে ৫০ জন বিধায়কের সমর্থন প্রয়োজন। বিজেপির দিল্লি লবি এবার মিঠুনকেই একমাত্র আসনটিতে চাইছেন। সাংসদ হিসেবে বিধানসভা ভোটে রাজ্যজুড়ে পুরোদমে প্রচার করতে পারবেন মহাগুরু। পদ্মশিবিরের আরেকটা লবির তত্ত্ব হচ্ছে, এ রাজ্যে সরকার গড়ার মতো অবস্থা হলে যদি তৎকাল ও আদি শিবিরের কোন্দল চরমে ওঠে সে ক্ষেত্রে মিঠুনকে বিকল্প মুখ হিসাবে তুলে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে, মিঠুন লড়তে পারেন এমন নিশ্চিত আসনের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে রাজ্যসভা সেদিক থেকে নিরাপদ। সরকার গড়ার পরিস্থিতি হলে সাংসদ রেখেই বিধানসভায় শেষ মুহূর্তে লড়ানো হতে পারে মিঠুনকে। তখন কোনও ঝুঁকি থাকবে না।

মিঠুনকে প্রথম রাজ্যসভায় পাঠিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সারদা ও বিভিন্ন চিটফান্ড বিতর্কের পর তিনি আচমকাই ইস্তফা দেন। পরে বিজেপিতে যোগ দেন। দিল্লির আরেকটা বড় লবি আবার মনে করছে, প্রাক্তন সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়কে সংসদে নিয়ে যাওয়া ভালো। কারণ, লকেট সাংসদ থাকাকালীন দিল্লির নেতাদের আস্থাভাজন ছিলেন। একাধিক রাজ্যে বিজেপির হয়ে সাংগঠনিক কাজ ও প্রচার করেছেন দক্ষতার সঙ্গে। একটা বড় লবি লকেটকে রাজ্যসভায় চাইলেও, আগামী বিধানসভা ভোটে দাঁড়াতে অবশ্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি। যদিও তাঁর পুরনো সংসদীয় ক্ষেত্র হুগলির কোনও বিধানসভা আসনে দাঁড়ালেই যে তিনি জিতবেন তা নিশ্চিত নয়। রাজ্যসভার জন্য প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি রাহুল সিনহার নামও সামনে এসেছে। শমীক শিবিরের তরফেও রাহুলের নাম প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়াও এসেছে অনির্বাণ গঙ্গোপাধ্যায় ও বালুরঘাটের বিধায়ক অশোক লাহিড়ীর নামও। বঙ্গ নেতাদের নাম বাদ দিয়ে রাজ্য থেকে অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীকে এবার রাজ্যসভায় নিয়ে যেতে চাইছে বিজেপির দিল্লি লবির একাংশ। সিপিএমের ‘শিবরাত্রির সলতে’ বিকাশ ভট্টাচার্যর রাজ্যসভার মেয়াদ শেষ হতেই তারই আসনে বিরোধী দলের বিধায়কদের কোটায় মিঠুনকে পাঠাতে চাইছে পদ্মশিবির। স্বভাবতই এবার পরিপূর্ণভাবে সংসদীয় তথা পরিষদীয় রাজনীতিতে সিপিএম ‘শূন্য’ হয়ে যাচ্ছে। যদিও সংসদীয় রাজনীতির পাশাপাশি অন্যান্য রাজ্যে দলের সাংগঠনিক কাজেও দক্ষতার পরিচয় দেওয়া লকেট চট্টোপাধ্যায়েকেও আবার রাজ্যসভায় চাইছে পদ্মশিবিরের সর্বভারতীয় নেতৃত্বের একাংশ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles