এবারই প্রথম ক্রিকেট বিশ্বকাপ খেলছে ফুটবলের দেশ ইতালি। সোমবার যারা স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামল। কিন্তু নাটকীয়তা যেন এই দলের পিছু কিছুতেই ছাড়ছে না। নিত্য কিছু না কিছু হচ্ছে, ঘটছে, ইটালি টিমকে কেন্দ্র করে। ২০৮ রানের বিশাল লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করতে নেমে ১৩৪ এই শেষ হল ইতালির ইনিংস। চোট এতটাই গুরুতর যে শেষ পর্যন্ত ইতালির ক্যাপ্টেন ম্যাডসেন আর ব্যাটিংই করতে নামতে পারেননি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমেছিল তারা স্কটল্য়ান্ডের বিরুদ্ধে। ইডেনের গ্যালারিতে এদিন ইতালির জন্য অনেকেই গলাও ফাটিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ৭৩ রানে জয় ছিনিয়ে নিল স্কটিশরা। ২০৮ রানের বিশাল লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করতে নেমে ১৩৪ এই শেষ হল ইতালির ইনিংস। চোট এতটাই গুরুতর যে শেষ পর্যন্ত ইতালির ক্যাপ্টেন ম্য়াডসেন আর ব্যাটিংই করতে নামতে পারেননি। ইতালির বোলাররা শেষের দিকে খুব একটা ভালো বোলিং না করতে পারায় স্কটল্যান্ড বোর্ডে তুলে নিয়েছিল ২০৭। অর্থাৎ ২০৮ রানের বিশাল লক্ষ্য়মাত্রা তাড়া করতে নেমেছিল ইতালি। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক একটা ব্যাটিংয়ের। স্কটল্যান্ড ইনিংসের চতুর্থ ওভারে। মিড উইকেট দিয়ে ছিটকে বেরনো একটা বল আটকাতে বাঁ দিকে ঝাঁপ দেন বিয়াল্লিশ বছরের ম্যাডসন। এবং সঙ্গে সঙ্গে প্রবল যন্ত্রণায় কাতরাতে শুরু করেন তিনি। কাঁধ চেপে মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে যেতে বাধ্য হন ম্যাডসন। পরে দেখা যায়, তাঁর কাঁধের হাড় সরে গিয়েছে। পরিস্থিতি যা, ইডেনের স্কটল্যান্ড ম্যাচে তো বটেই। ম্যাডসনের পক্ষে হয়তো বাকি বিশ্বকাপেই আর নামা হবে না। অর্থাৎ, জীবনের প্রথম ক্রিকেট বিশ্বকাপ শুরু হতে না হতেই যেন শেষ হয়ে গেল ইটালি অধিনায়কের।
নাটক শুরু হয় ম্যাডসনকে হাসপাতালে স্ক্যান প্রভৃতি করাতে নিয়ে যাওয়া হলে। শোনা গেল, হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর ডাক্তাররা পরামর্শ দিয়েছিলেন যে, ইটালি অধিনায়ককে ভর্তি করতে। দেখতে গেলে কাঁধের হাড় সরে যাওয়া বড় ব্যাপার। তাতে সময় সময় ভর্তি করারও প্রয়োজন পড়ে। কিন্তু ইটালি অধিনায়ক নাকি কিছুতেই হাসপাতালে ভর্তি হতে রাজি হননি! ডাক্তাররা বলার পরেও হাসপাতালে ভর্তি হতে রাজি হননি ম্যাডসন। নিজেই সেটা বলে দেন। কেন, কোন কারণে এ হেন সিদ্ধান্ত, সেটাও অজ্ঞাত। শহরে আসার পর থেকে ইটালিকে নিয়ে ঘটছেই ঘটনার ঘনঘটা।





