Friday, April 24, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ মাতাবে কোন ব্যাটার-‌বোলাররা!‌ বিশ্বকাপে সেরা ১০ অলরাউন্ডারকে দেখা যাবে চমক দিতে?

আসন্ন টি২০ বিশ্বকাপে ব্যাটসম্যানদের পারফরম্যান্স এবং সাম্প্রতিক আইসিসি র‍্যাঙ্কিং-এর ভিত্তিতে কয়েকজন ব্যাটার বাড়তি নজর কেড়ে নিচ্ছেন। কিছু ব্যাটারের ব্যাট শাসন করতে পারে প্রতিপক্ষ বোলারদের। চার-ছয়ের বন্যা বইয়ে দিতে পারেন। হয়তো একাই জিতিয়ে দেবেন দলকে। ১০ জনের তালিকা তুলে ধরল ‘‌আর কে স্পোর্টজ’‌।

অভিষেক শর্মা বর্তমান আইসিসি টি২০ ব্যাটিং র‍্যাঙ্কিংএ শীর্ষে থাকা এই ভারতীয় ওপেনার তার চমৎকার ফর্মের কারণে বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা বলে ধরছেন বিশেষজ্ঞরা। ঝুঁকি নিতে পারেন, বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি খেলতে পারেন বড় ইনিংস। অভিষেক শর্মা যদি ফর্মে থাকেন, ভারতের রানের গতি যে শুরু থেকে উঠবে, তা নিয়ে সন্দেহ নেই। অভিষেকের ফর্মের নির্ভর করছে বিশ্বকাপে ভারতের সাফল্য। অভিষেক শর্মা বর্তমান আইসিসি টি২০ ব্যাটিং র‍্যাঙ্কিংএ শীর্ষে থাকা এই ভারতীয় ওপেনার তার চমৎকার ফর্মের কারণে বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা বলে ধরছেন বিশেষজ্ঞরা। ঝুঁকি নিতে পারেন, বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি খেলতে পারেন বড় ইনিংস। অভিষেক শর্মা যদি ফর্মে থাকেন, ভারতের রানের গতি যে শুরু থেকে উঠবে, তা নিয়ে সন্দেহ নেই। অভিষেকের ফর্মের নির্ভর করছে বিশ্বকাপে ভারতের সাফল্য। জস বাটলার টি২০ ফরম্যাটে অভিজ্ঞ এই ইংরেজ ব্যাটসম্যান ম্যাচের গতি যে কোনও সময় বদলে দিতে সক্ষম। তিনি সীমিত ওভারের দলের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান ও উইকেট-রক্ষক। ২০১৯ ওডিআই বিশ্বকাপ জয়ী দলের সদস্য। ২০২২ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ী ইংল্যান্ড দলের অধিনায়ক ছিলেন। মিচেল মার্চ অস্ট্রেলিয়ার এই ব্যাটসম্যান বিশ্বকাপে বড় স্কোরের খোঁজ দিতে পারেন। তিনি বর্তমানে টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়কত্ব করেন। একজন অলরাউন্ডার হিসেবে যে কোনও টিমের ত্রাস। ব্যাটিং ও মিডিয়াম-ফাস্ট বোলিং দলকে ভারসাম্য দেবে। আইপিএল ২০২৫-এ তিনি লখনউ সুপার জায়ান্টসের হয়ে খেলেছেন। পাথুম নিসানকা শ্রীলঙ্কার ব্যাটিংকে নেতৃত্ব দিতে পারেন এবং ম্যাচ জয়ের জন্য বড় ইনিংস খেলতে সক্ষম। তিনি দলের হয়ে সব ফরম্যাটে ওপেনিং ব্যাটার হিসেবে খেলেন। তিনি ২০২১ সালে অভিষেকের পর থেকে শ্রীলঙ্কার টপ অর্ডারের অন্যতম নির্ভরযোগ্য ব্যাটার। ফিল সল্ট ইংল্যান্ডের এই ওপেনারের বড় ইনিংস খেলার ক্ষমতা রয়েছে। তিনি মূলত তাঁর বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের জন্য পরিচিত। উইকেটরক্ষক ব্যাটার হিসেবে তিনি ইংল্যান্ডের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট বেশ কিছু ম্যাচ একাই জিতিয়ে দিয়েছেন। আইপিএলে কলকাতার হয়ে খেলেছেন। এখন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে খেলেন। তাই ভারতের পরিবেশও ভালোই চেনা তাঁর। রহমানউল্লাহ গুরবাজ আফগানিস্তানের অন্যতম চর্চিত ব্যাটসম্যান, যিনি আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের জন্য বিখ্যাত। উইকেটরক্ষক-ব্যাটার হিসেবে খেলেন। ২০১৯ সালে আন্তর্জাতিক অভিষেক হওয়ার পর থেকে তিনি আফগানিস্তানের সীমিত ওভারের দলের নিয়মিত মুখ। সাহেবজাদা ফরহান পাকিস্তানের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান। পাকিস্তান বরাবর আনপ্রেডিক্টেবল দল। গ্রিন আর্মি চমক দেখাবে কিনা, নির্ভর করবে ফরমানের মতো ব্যাটারের উপর। এমনিতে গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্যায় থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল পাকিস্তানকে। সূর্যকুমার যাদব ভারতের ক্যাপ্টেনের উপর নির্ভর করবে দলের সাফল্য। অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান। সদ্য আইসিসি র্য়ঙ্কিংয়ের ১০-এ ফিরেছেন। আক্রমণাত্মক ব্যাটার আবার ফিরেছেন ছন্দে। যা স্বস্তি দিচ্ছে ভক্তদের। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ৩৬০ ডিগ্রি ব্যাটিংয়ের জন্য পরিচিত। মাঝের ওভারগুলোতেই থাকে টি-টোয়েন্টি ম্যাচ জেতার চাবিকাঠি। সূর্য সেই কাজটা দায়িত্ব নিয়ে করতে পারেন। তিলক ভার্মা অভিষেকের সঙ্গে ভারতকে শক্তিশালী করে তুলতে মিডল অর্ডারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন তিলক। তিনি একজন প্রতিভাধর ক্রিকেটার। বাঁ হাতি এই ব্যাটার ছন্দ খুঁজে পেলে ভারতের সুবিধা। আইপিএলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে উত্থান। এমন কিছু ইনিংস ভারতের হয়ে খেলেছেন, যা নিয়ে চর্চা রয়েছে। অতীতকে ছাপিয়ে গিয়ে কি নতুন তিলকের দর্শন মিলবে? ট্রাভিস মাইকেল হেড দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেডে জন্মগ্রহণকারী একজন প্রখ্যাত অস্ট্রেলীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। তিনি মূলত একজন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান এবং কার্যকরী অফ-স্পিন বোলার। তিনি অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট, ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি দলের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের জন্য পরিচিত হেড ২০২৩ সালে ওডিআই বিশ্বকাপ জয়ী অস্ট্রেলিয়া দলের অন্যতম নায়ক ছিলেন।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ভারত ও শ্রীলঙ্কা যৌথ আয়োজক। কুড়ি-বিশের এই বিশ্বকাপে বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ের দৌরাত্ম আটকাতে বোলাররা তৈরি রাখছেন নানা অস্ত্র। স্লোয়ার বাউন্সার, ওয়াইড ইয়র্কার, গতির হেরফের, স্পিনের ঝলক থাকবে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে কোন সেরা ১০ বোলারকে দেখা যাবে? টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেরা ১০ বোলারদের প্রথম সারিতেই থাকবেন বরুণ চক্রবর্তী। মিস্ট্রি স্পিনার পলকে বদলে দিতে পারেন খেলার রঙ। গত কয়েক মাসে সাদা বলের দুটো ফর্ম্যাটেই দুরন্ত ছন্দে রয়েছেন। টি-টোয়েন্টিতে তিনি বরাবরই ঘাতক বোলার। নাইট রাইডার্সের ক্রিকেটার বিশ্বকাপে ভারতের সেরা অস্ত্র হতে চলেছেন। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেরা ১০ বোলারদের মধ্যে প্রথম সারিতেই থাকবেন বরুণ চক্রবর্তী। মিস্ট্রি স্পিনার পলকে বদলে দিতে পারেন খেলার রঙ। গত কয়েক মাসে সাদা বলের দুটো ফর্ম্যাটেই দুরন্ত ছন্দে রয়েছেন। তবে টি-টোয়েন্টিতে তিনি বরাবরই ঘাতক বোলার। নাইট রাইডার্সের ক্রিকেটার বিশ্বকাপে ভারতের সেরা অস্ত্র হতে চলেছেন। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সেরা বোলারদের তালিকায় রাখা হল পাকিস্তানের আবরার আহমেদকে। উপমহাদেশে বিশ্বকাপ। তিনি লেগস্পিনার। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ অভিষেক হয় আবরারের। তিনি পাকিস্তান দলের একজন গুরুত্বপূর্ণ বোলার। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সেরা বোলারদের তালিকায় থাকবেন অ্যাডাম জাম্পা। অস্ট্রেলিয়ার লেগস্পিনার বহু পরীক্ষায় সসম্মানে পাশও করেছেন। অজি দলের হয়ে ১০০টিরও বেশি টি-টোয়েন্টি খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে জাম্পার। আদিল রশিদ সেরা বোলারদের তালিকায় ছ’নম্বরে থাকবেন। ইংলিশ লেগস্পিনারের প্রচুর অভিজ্ঞতা। দীর্ঘদিন খেলছেন দেশের হয়ে। ছোট ফর্ম্যাটের বিশ্বকাপেও দলের ভরসা রশিদ। শুধু তাই নয়, ইংল্যান্ডের হয়ে দু’বার বিশ্বকাপও জিতেছেন। টি-টোয়েন্টিতে ইংল্যান্ডের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারীও। আদিলে ভরসা থাকবে দলের। ২০২৬ বিশ্বকাপে অন্যতম সেরা বোলার হতে পারেন জ্যাকব ডাফি। নিউজিল্যান্ডের ফাস্ট বোলার। ২০২০ সালের ডিসেম্বরে নিউজিল্যান্ড জাতীয় দলের হয়ে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে অভিষেক ডাফির। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে আইপিএল খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। যে কারণে এই বিশ্বকাপে তিনি সাফল্য পেতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ান পেসার নাথান এলিস সফল হতে পারেন। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে তাঁর বৈচিত্র্যময় বোলিংয়ের জন্য পরিচিত। ২০২১ সালে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টিতে হ্যাটট্রিক করে বিশ্বরেকর্ড গড়েন এলিস। চেন্নাই সুপার কিংসে নিয়মিত খেলার দরুণ উপমহাদেশের পিচ ও পরিবেশ সম্পর্কেও ওয়াকিবহাল। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে চমক দেখাতে পারেন আর এক স্পিনার রশিদ খান। আফগানিস্তানের সেরা অস্ত্রও তিনি। লেগস্পিনার টি-টোয়েন্টি ফর্ম্য়াটে বিশ্বের অন্য়তম সেরা বোলার। গতির হেরফের থেকে চকিত স্পিন, সবই আছে তাঁর তূণে। আফগানিস্তানকে যদি কুড়ি-বিশের ফর্ম্যাটে চমক দেখাতে হয়, রশিদকে বল হাতে সফল হতে হবে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেরা ১০এর তালিকায় তিনে থাকবেন ওয়ানিন্দু হাসরাঙ্গা। শ্রীলঙ্কান লেগস্পিনার উপমহাদেশের মাটিতে বল হাতে বিপক্ষকে চাপে ফেলে দিতে পারেন। ওয়ান ডে-তে দ্রুততম ১০০০ রানের পাশাপাশি ১০০ উইকেট শিকারী। ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ খেলবেন। হাসারাঙ্গাই শ্রীলঙ্কার সেরা বাজি হতে পারেন। ভারত ও শ্রীলঙ্কায় বিশ্বকাপ। স্পিনারদের দাপট যেমন থাকবে, পেসাররাও ক্যারিশমা দেখাবেন। ভারতের জসপ্রীত বুমরাকে তালিকার তিনে রাখতেই হবে। তীব্র গতি, চকিত ইয়র্কারের জন্য টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বারবার সাফল্য পান। বিশ্বকাপে সাফল্য পেতে বুমরার দিকে তাকিয়ে থাকবে ভারত। ভারতের জসপ্রীত বুমরাকে তালিকার তিনে রাখতেই হবে। তীব্র গতি, চকিত ইয়র্কারের জন্য টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বারবার সাফল্য পান। বিশ্বকাপে সাফল্য পেতে বুমরার দিকে তাকিয়ে থাকবে ভারত। পাকিস্তানকে নিয়ে বিতর্ক যতই থাকুক, যে কোনও টিমকে চমকে দিতে পারে। গ্রিন আর্মির বাঁ হাতি পেসার শাহিন শাহ আফ্রিদি ফর্মে থাকলে কাজটা আরও সহজ হবে পাকিস্তানের। গতির পাশাপাশি সুইংয়ের মাস্টার। ইদানীং আবার ব্যাট হাতেও দ্রুত রান তুললে পারেন আফ্রিদি।

আসন্ন টি২০ বিশ্বকাপ কোন টিম জিতবে? কুড়ি-বিশের ক্রিকেট আবর্তিত হয় অলরাউন্ডারের পারফরম্যান্সের উপর। এ বারের বিশ্বকাপে বেশ কিছু অলরাউন্ডার রয়েছেন, যাঁরা ব্যাট ও বল দুইয়েই শাসন করতে পারে প্রতিপক্ষকে। চার-ছয়ের বন্যা বইয়ে দিতে পারেন ও নিতে পারেন উইকেটও। হয়তো একাই জিতিয়ে দেবেন দলকে। বিশ্বকাপের সেরা অলরাউন্ডারের খোঁজ। অজমতউল্লাহ ওমরজাই প্রতিভাবান আফগান অলরাউন্ডার। ডানহাতি মিডিয়াম ফাস্ট বোলিংয়ের পাশাপাশি আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের জন্য সুপরিচিত। ২০২৪ সালের আইসিসি বর্ষসেরা ওডিআই ক্রিকেটার হয়ে তিনি ইতিহাস গড়েছিলেন। আফগান ক্রিকেটার সাদা বলের ক্রিকেটে বরাবর দুরন্ত পারফর্মার। বিশ্বকাপেও দলের অন্যতম ভরসা। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ২০২১ সালে আত্মপ্রকাশ করেন এবং দ্রুত দলের অপরিহার্য সদস্য হয়ে ওঠেন। দীপেন্দ্র সিং আইরি নেপালি ক্রিকেটার বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ের জন্য চর্চায়। এশিয়ান গেমসে মঙ্গোলিয়ার বিরুদ্ধে মাত্র ৯ বলে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে দ্রুততম হাফ সেঞ্চুরির বিশ্বরেকর্ড গড়েছিলেন। পাশাপাশি একজন দক্ষ অলরাউন্ডার। তবে দীপেন্দ্রর কাছে এটা বড় পরীক্ষা। বিশ্বকাপের আসরে তিনি কতটা সফল হন, তা দেখার অপেক্ষায় থাকবে অনেকেই। হার্দিক পান্ডিয়া নিজের দিনে একাই ছিনিয়ে নিয়ে যেতে পারেন ম্যাচ। দলের ভাঙনে নিতে পারেন ভূমিকা। বল হাতেও চমকে দিতে পারেন। এই তিনি বিশ্বকাপে নামার আগেই বিস্ফোরক ছন্দে রয়েছেন। হার্দিক পান্ডিয়া যে ভারতের সেরা বোলিং অলরাউন্ডার, সন্দেহ নেই। বিশ্বের প্রথম সারিরও বটে। মিডল অর্ডার ব্যাটিং এবং ডেথ বোলিংয়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার, তিনি টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ১০০০ রান এবং ১০০ উইকেট পূর্ণ করা প্রথম ফাস্ট বোলিং অলরাউন্ডার। মহম্মাদ নবির বয়স ৪১। কিন্তু পারফরম্যান্সে তারুণ্যের ছায়া। বল হাতে বরাবরই ভীষণ কৃপণ। তবে আফগান ক্রিকেটার প্রয়োজনে দ্রুত রানও তুলতে পারেন। আফগানিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। আগের দলের অধিনায়কও ছিলেন। টি-টোয়েন্টি আফগানিস্তান অন্যতম ফেভারিট দল। তারুণ্যের জন্য তো বটেই, ধারাবাহিকতার জন্যও। নবির মতো সিনিয়র অলরাউন্ডার সাফল্য পেলে দলের কাজটা সহজ হয়ে যাবে। মহম্মাদ নবি বয়স ৪১। কিন্তু পারফরম্যান্সে তারুণ্যের ছায়া। বল হাতে বরাবরই ভীষণ কৃপণ। তবে আফগান ক্রিকেটার প্রয়োজনে দ্রুত রানও তুলতে পারেন। আফগানিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। আগের দলের অধিনায়কও ছিলেন। টি-টোয়েন্টি আফগানিস্তান অন্যতম ফেভারিট দল। তারুণ্যের জন্য তো বটেই, ধারাবাহিকতার জন্যও। নবির মতো সিনিয়র অলরাউন্ডার সাফল্য পেলে দলের কাজটা সহজ হয়ে যাবে। মহম্মদ নওয়াজ পাকিস্তানের অভিজ্ঞ বাঁ-হাতি স্পিনার। সেই সঙ্গে লোয়ার অর্ডার ব্যাটার। কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্স ও পাকিস্তান দলের নিয়মিত এই সদস্য ২০২২ এশিয়া কাপের অন্যতম নায়ক ছিলেন। তিনি ২০২৫-২৬ বিপিএলেও দুর্দান্ত ফর্মে ছিলেন। গত বিশ্বকাপে পাকিস্তান কার্যত কিছুই করতে পারেননি। ব্যাটিং নিয়ে বারবার প্রশ্নের মুখে পড়ে। সেই গ্রিন আর্মিকে শেষ দিকে যদি দ্রুত রান এনে দিতে পারেন নওয়াজ, দলে তাঁর গুরুত্ব আরও বাড়বে। রোমারিও শেফার্ড মিডিয়াম পেসার হিসেবে যথেষ্ট পরিচিত। শুধু তাই নয়, বিধ্বংসী ব্যাটার হিসেবে সুনাম রয়েছে তাঁর। আইপিএলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স, লখনউ সুপার জায়ান্টসের হয়ে খেলেছেন। ফলে উপমহাদেশে সাফল্যের রেসিপি তাঁর জানা। শেফার্ডের দিকে নজর থাকবে ক্রিকেট মহলের। রস্টন চেজ ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান বেশ চর্চিত অলরাউন্ডার। ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি অফস্পিনের হাতটাও চমৎকার। মাঠে নানা ভূমিকায় দেখা যাবে তাঁকে। দলকে ব্যাট ও বল হাতে সাফল্য দেওয়ার গুরু দায়িত্ব নিতে হবে রস্টনকে। ছোট ফর্ম্যাটে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দু’বার বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন। সাইম আইয়ুব পাকিস্তানি অলরাউন্ডার আইয়ুব বাঁহাতি ওপেনিং ব্যাটার এবং ডানহাতি অফব্রেক বোলার। তিনি ২০২৩ সালে পাকিস্তান দলের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক করেন। দ্রুত রান তোলার ক্ষমতা এবং অসাধারণ টাইমিংয়ের জন্য পরিচিত এই তরুণ অলরাউন্ডার। সিকান্দার রাজা টি-টোয়েন্টির মূলস্রোতে ফিরেছে জিম্বাবোয়ে। দলের ক্যাপ্টেন তো বটেই, চমৎকার অলরাউন্ডারও। ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি অফস্পিন বোলিং করেন। জিম্বাবোয়ের সোনালি অতীত না থাকলেও দলকে গোছানো থেকে মাঠে লড়াই করা, সবেতেই ভরসার মুখ সিকান্দার রাজা। আইপিএলে পাঞ্জাব কিংসের প্রতিনিধিত্বও করেছেন। উপমহাদেশের পরিবেশে দলকে সাফল্য দিতে পারবেন বলে মনে করা হচ্ছে। ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা শ্রীলঙ্কার অত্যন্ত প্রতিভাবান লেগস্পিনার এবং অলরাউন্ডার। তিনি টি-টোয়েন্টি এবং ওয়ানডে ক্রিকেটে তাঁর দুরন্ত স্পিন বোলিংয়ের পাশাপাশি দ্রুত গতিতে রান তুলতে পারেন। তিনি ওয়ান ডে-তে দ্রুততম ১০০০ রান ও ১০০ উইকেট নেওয়ার রেকর্ড গড়েছেন। টি-টোয়েন্টিতে দ্রুততম ১০০ উইকেট অর্জনকারী বোলারদের মধ্যে তিনি অন্যতম। ভারতের সঙ্গে শ্রীলঙ্কাও বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক। ঘরের মাঠে দলের ভরসার মুখ হাসারাঙ্গা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles