২০২২ সালের ইউএস ওপেনের পর টেনিস থেকে বিদায় নিয়েছিলেন ৪৪ বছর বয়সী তারকা। সেরিনা উইলিয়ামস আবার পেশাদার টেনিসে ফিরতে পারেন। তিনি নিজেই এই ইঙ্গিত দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, ডোপ পরীক্ষার ফর্মও ভর্তি করেছেন ২৩টি গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ী এই তারকা। ডোপ পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় কিছু কাগজপত্র জমা দেওয়ার পর থেকেই সেরিনাকে নিয়ে এই গুঞ্জন আরও জোরালো হয়েছে। ২০২২ সালের ইউএস ওপেনের পর টেনিস থেকে বিদায় নিয়েছিলেন ৪৪ বছর বয়সী এই তারকা। গত ডিসেম্বরে ইন্টারন্যাশনাল টেনিস ইন্টিগ্রিটি এজেন্সি জানিয়েছিল, সেরিনা আবারও ডোপিং টেস্ট বা ড্রাগ টেস্টিং পুলের জন্য খেলোয়াড়দের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।
সেই সময় সেরিনা বলেছিলেন যে, তিনি কোর্টে ফিরছেন না। কিন্তু গত বুধবার ‘টুডে শো’-তে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি কোর্টে ফেরার সম্ভাবনা একদম উড়িয়ে দেননি। সেরিনা বলেন, ‘‘আমি জানি না, দেখা যাক কী হয়।’’ যিনি সাক্ষাৎকার নিচ্ছিলেন, সেই সাভানা গুথরি আবার সেরিনাকে প্রশ্ন করেন। তখন সেরিনা বলেন, ‘‘সত্যিই, আপনি টুডে শো-তে এই প্রশ্ন করছেন? ওহ, মাই গুডনেস! আমি এখন শুধু জীবনকে উপভোগ করছি এবং মজা করছি। এটা ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’-এ উত্তর দেওয়ার বিষয় নয়। আমি জানি না। দেখা যাক কী হয়।’’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘‘আমার দুই সন্তান আছে। আমি এখন পূর্ণ সময়ের গৃহবধূ। সেদিন একটা ফর্ম ভর্তি করার সময় পেশার জায়গায় আমি ‘হাউসওয়াইফ’ লিখেছি।’’ ড্রাগ টেস্টিং পুলে ফেরার ব্যাপারে জানতে চাইলে সেরিনা রহস্য বজায় রেখে বলেন, ‘‘আমি কি আবার টেনিসে ফিরছি? আমি জানিও না যে, আমি এর বাইরে ছিলাম কি না। এটা নিয়ে আলোচনা করতে পারব না।’’ নিয়ম অনুযায়ী, কোনও খেলোয়াড় প্রতিযোগিতামূলক টেনিসে ফিরতে চাইলে তাঁকে অন্তত ছয় মাস টেস্টিং পুলে থাকতে হয়। সেরিনার ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে আরিনা সাবালেঙ্কা বলেন, ‘‘সেরেনার ফেরা দারুণ হবে।’’ টানা চতুর্থ বার অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের ফাইনালে ওঠার পর বিশ্বের এক নম্বর সাবালেঙ্কা বলেন, ‘‘শুনেছি ও জীবন উপভোগ করছে। ও যা করলে খুশি হবে, তাতেই আমি খুশি। যদি ও ফিরতে চায়, সেটা ওর সিদ্ধান্ত। ওকে ট্যুরে ফিরতে দেখাটা মজার হবে। ফিরলে দারুণ লাগবে।’’
২০২৪ সালের উইম্বলডনের পর আবার একটি গ্র্যান্ড স্ল্যামের ফাইনালে নোভাক জোকোভিচ। শেষ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন ২০২৩ সালের ইউএস ওপেন। তার পর থেকে শুরু হয়েছে নোভাকের ২৫তম গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ের অপেক্ষা। কার্লোস আলকারাজ়ের সঙ্গে ফাইনালের আগে সেমিফাইনালে ইয়ানিক সিনারের বিরুদ্ধে জয় উপভোগ করছেন সার্ব টেনিস খেলোয়াড়। ৪ ঘণ্টা ৯ মিনিটের লড়াইয়ের পর তাঁর মনে পড়ছে পুরনো প্রতিপক্ষ রাফায়েল নাদালের কথা। টিকিট বিক্রির ১০ শতাংশ টাকাও দাবি করলেন। সেমিফাইনালে জয়ের পর ১০ বারের অস্ট্রেলিয়ান ওপেন চ্যাম্পিয়ন বললেন, ‘‘কী বলব বুঝতে পারছি না। অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছে। ৪ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে খেললাম। রাত ২ টো পর্যন্ত। ২০১২-র কথা মনে পড়ছে। সে বার নাদালের সঙ্গে ৬ ঘণ্টার ফাইনাল খেলেছিলাম। এই ম্যাচে বেশ লড়াই হল। টেনিসের মানও বেশ ভাল ছিল। জানতাম, সিনারকে হারাতে হলে এ রকম লড়াই করতে হবে।’’





