বিখ্যাত যৌন বিশারদ সীমা আনন্দ। অবশ্য তিনি একজন পুরাণবিদ এবং গল্প কথকও বটে। জানতে চাওয়া হয়েছিল তরুণরা বয়সে বেশি মহিলাদের প্রতি অনেক সময়ই আকর্ষণ করে কেন। এর জবাবে সীমা তাঁর ব্যক্তিগত একটি অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন। আর তাতেই ঘটে যায় অনর্থ। যৌনতা বিষয়টা নিয়ে প্রকাশ্যে আলোচনা হলে বিতর্কের একটা সম্ভাবনা থেকেই যায়, যদি বক্তা কোনও বেফাঁস মন্তব্য করা থেকে বিরত না থাকেন। সীমা গত বছর তাঁর সঙ্গে ঘটা একটি ঘটনার উল্লেখ করে জানান, সেই সময় তাঁর কাছে প্রেম প্রস্তাব নিয়ে আসা ছেলেটির বয়স ছিল ১৫ বছর। তিনি আরও জানান যে, তখন তাঁর বয়স ছিল ৬৩ বছর। চার গুণ ছোট একটি ছেলে আপনার সঙ্গে ফ্লার্ট করার চেষ্টা করেছে। সীমা বলেন, “এবং অত্যন্ত জঘন্য ভাষায়।” ছেলেটিকে তিনি পরিষ্কার বুঝিয়ে দেন অল্পবয়সিদের সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে তিনি পছন্দ করেন না। কিন্তু কিশোরটি বারবার প্রস্তাব দিতে থাকে। বলে একবার ‘ট্রাই’ করতে। কিন্তু সেই প্রস্তাবে রাজি হননি সীমা।
সীমা আনন্দ একজন লন্ডনবাসী। তিনি পুরাণ বিশেষজ্ঞ এবং পেশাদার গল্পকথক। তাঁর ‘দ্য আর্টস অফ সিডাকশন’ বইটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। মহাভারত, রামায়ণ, তান্ত্রিক দর্শন, কামসূত্র এবং ভগবদ্গীতা নিয়ে শিক্ষাদানের জন্যও তিনি সমাদৃত। ইনস্টাগ্রামে তাঁর দশ লক্ষেরও বেশি ফলোয়ার। এই প্ল্যাটফর্মে তিনি যৌন আনন্দ নিয়ে খোলামেলা আলোচনা, যৌনতা সম্পর্কিত ভ্রান্ত ধারণা দূর করা এবং কামসূত্রকে সহজবোধ্য করে তোলার মতো যুগান্তকারী প্রচেষ্টার জন্য পরিচিতি লাভ করেছেন। যৌনতা বিষয়টা নিয়ে প্রকাশ্যে আলোচনা হলে বিতর্কের একটা সম্ভাবনা থেকেই যায়। সীমার মন্তব্যে বিতর্ক তুঙ্গে। অনেকেই বলেছেন, যেখানে একজন নাবালক জড়িত, সেখানে কথা বলার সময় আরও সতর্ক হওয়া উচিত ছিল। তাঁদের মতে, আলোচনাটি নিছক কৌতূহল বা সামাজিক পর্যবেক্ষণ ছাড়িয়ে দায়িত্ব, সীমারেখা এবং সুরক্ষার মতো বিষয়গুলোকে ফুটিয়ে তোলে। যৌনতা বিষয়টা নিয়ে প্রকাশ্যে আলোচনা হলে বিতর্কের একটা সম্ভাবনা থেকেই যায়, যদি বক্তা কোনও বেফাঁস মন্তব্য করা থেকে বিরত না থাকেন। ঠিক তেমনটাই হয়েছে সাম্প্রতিক এক পডকাস্টে। সেখানে উপস্থিত থাকা দু’জনই জনপ্রিয় মুখ। আর তাঁরাই এবার জড়ালেন বিতর্কে। তাঁদের একজন বিখ্যাত সাংবাদিক শুভঙ্কর মিশ্র। অন্যজন বিখ্যাত যৌন বিশারদ সীমা আনন্দ। অবশ্য তিনি একজন পুরাণবিদ এবং গল্প কথকও বটে।





