ভেনেজুয়েলার ঘটনা ভারতের প্রেক্ষিতে কী কূটনৈতিক বা ভূরাজনৈতিক প্রভাব ফেলবে, তা স্পষ্ট নয়। এই পরিস্থিতির জেরে অর্থনৈতিক লাভ হতে পারে নয়াদিল্লির। খনিজ তেলে সমৃদ্ধ ভেনেজ়ুয়েলায় বড় বিনিয়োগ ছিল ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা ওএনজিসি বিদেশ লিমিটেড ওভিএল-এর। পূর্ব ভেনেজুয়েলার একটি তেল উত্তোলনকেন্দ্রে অন্য সংস্থার সঙ্গে যৌথ ভাবে কাজ করত ওভিএল। কিন্তু আমেরিকা ভেনেজুয়েলার জ্বালানি রফতানির উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করায় তেল উত্তোলনের কাজ বন্ধ হয়ে যায়। একটা সময় পর্যন্ত প্রতি দিন প্রায় ৪ লক্ষ ব্যারেল খনিজ তেল ভেনেজ়ুয়েলা থেকে আমদানি করত ভারত। মার্কিন নিষেধাজ্ঞার পর ২০২০ সালে তেল আমদানি অনেকটাই কমিয়ে দেয় ভারত। সেই সময় তেল উত্তোলনকেন্দ্রের অন্যতম অংশীদার হিসাবে ওভিএলের পাওনা ছিল প্রায় ৪৮২৫ কোটি টাকা। কিন্তু অর্থনৈতিক ভাবে ধুঁকতে থাকা ভেনেজ়ুয়েলা থেকে সেই টাকা উদ্ধার করতে পারেনি ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাটি। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সেই টাকা ফেরত পেতে পারে ওভিএল। তা ছাড়া ভেনেজ়ুয়েলার ওই তেল উত্তোলনকেন্দ্রে সংস্থাটির বহু কোটি টাকার পরিকাঠামো রয়েছে। সেগুলির অডিট না-হওয়ায় ওভিএল-এর বকেয়া টাকার প্রায় সমপরিমাণ লোকসান হয়। ভেনেজুয়েলায় সামরিক অভিযান চালিয়ে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে বন্দি করে নিয়ে গিয়েছে আমেরিকা। ট্রাম্প জানিয়ে দিয়েছেন, এ বার ভেনেজ়ুয়েলার তেল উত্তোলন এবং বিক্রির বিষয়টি তাঁরাই দেখবেন। এই পরিস্থিতিতে ভেনেজ়ুয়েলার তেল উত্তোলনকেন্দ্রগুলির পরিকাঠামো উন্নত করা হতে পারে। সে ক্ষেত্রে পূর্ব ভেনেজ়ুয়েলার ওই তেল উত্তোলনকেন্দ্রটির পরিকাঠামো আরও উন্নত করে উত্তোলনের পরিমাণ বাড়ানোর সুযোগ থাকছে ওভিএল-এর সামনে। সেই তেল অন্য দেশে বিক্রি করে মুনাফা লাভের সম্ভাবনাও থাকছে। ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতি নিয়ে যখন লাভ-লোকসানের হিসাব চলছে, সেই সময় ভারতের এক বিশেষজ্ঞ সংস্থা থিঙ্ক ট্যাঙ্ক জানিয়েছে, দক্ষিণ আমেরিকার ওই দেশে সংঘাতময় পরিস্থিতির কারণে ভারতের উপর কোনও বাণিজ্যিক প্রভাব পড়বে না। মার্কিন নিষেধাজ্ঞার পর ২০২৫ সালে ভেনেজুয়েলা থেকে তেল আমদানি ৮১.৩ শতাংশ কমিয়েছিল ভারত। নতুন করে এই পরিমাণ আর কমবে না বলেই মত ওই থিঙ্ক ট্যাঙ্কটির কর্তাদের।
বিশ্বে সবচেয়ে বেশি অশোধিত তেলের ভান্ডার ৩০,৩০০ কোটি ব্যারেল ভেনেজুইয়েলায়। সে দেশের প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে বন্দি করে আমেরিকায় নিয়ে যাওয়ার পর ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, দক্ষিণ আমেরিকার ওই দেশের তেল উত্তোলনের পরিকাঠামো ভেঙে পড়েছে। আমেরিকার তেল সংস্থাগুলি নতুন করে পরিকাঠামো তৈরি করে দেশের জন্য অর্থ উপার্জন শুরু করবে বলেও জানিয়েছিলেন। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে অনেকগুলি প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। প্রথমত, এর পর ভেনেজুয়েলায় যে সরকারই আসুক, সেই সরকারের কাছ থেকে তেল উত্তোলনের জন্য অনুমতিপত্র আদায় করতে হবে প্রতিটি সংস্থাকে। সেই অনুমতি পেলে, তবেই সংস্থাগুলি পরিকাঠামোগত ক্ষেত্রে অর্থ বিনিয়োগ করবে। পরিকাঠামো তৈরি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিপুল পরিমাণ তেল উত্তোলন করা যাবে, এমনটা মনে করছেন না কেউই। স্বাভাবিক ভাবেই পর্যাপ্ত পরিমাণ তেল উত্তোলন করে এবং তা বিক্রি করে মুনাফা অর্জনের জন্য অনেকটা সময় লাগবে মার্কিন সংস্থাগুলির। আন্তর্জাতিক শক্তি সংস্থার দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, নভেম্বরে প্রতি দিন ৮ লক্ষ ৬০ হাজার ব্যারেল তেল উত্তোলন হয়েছে ভেনেজ়ুয়েলায়। ১০ বছর আগে ভেনেজ়ুয়েলায় যে পরিমাণ তেল করা উত্তোলন হত, এটি তার এক-তৃতীয়াংশ। বিশ্বের বৃহত্তম তৈলভান্ডার থাকলেও তেল রফতানিতে ভেনেজুয়েলা অনেক পিছিয়ে। ২০০০ সালে ভেনেজ়ুয়েলার প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর উগো চাভেজ় এবং পরবর্তী সময়ে মাদুরো তেল উত্তোলনের কাজ কঠোর ভাবে সরকারি নিয়ন্ত্রণেই রেখেছিলেন। তাই ভেনেজুয়েলার রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা ছাড়া অন্য সংস্থাগুলি তেল উত্তোলনের কাজে সে ভাবে যুক্ত হতে পারেনি। তাই পরিকাঠামোগত উন্নয়নও সে ভাবে হয়নি বলে মনে করা হচ্ছে। ভেনেজুয়েলার অশোধিত খনিজ তেল চরিত্রগত ভাবে ভারী। তাকে শোধন করতে যথেষ্ট কাঠখড় পোড়াতে হবে। শোধিত এই তেল বড়জোর ডিজ়েল এবং অ্যাসফল্ট তৈরি করতে ব্যবহৃত হতে পারে বলে মত তাঁদের। আমেরিকার সংস্থাগুলি মূলত হালকা তেল উত্তোলনে আগ্রহী, যা পরে পেট্রল হিসাবে ব্যবহৃত হতে পারে। ভেনেজুয়েলায় তেল উত্তোলনের কাজে যুক্ত রয়েছে ‘চেভরন’ নামে একটি সংস্থা। তারা ট্রাম্পের প্রস্তাব মেনে নিয়েছে। কিন্তু অন্য মার্কিন সংস্থাগুলি ভেনেজ়ুয়েলার এই পরিস্থিতির পরেও চুপ। অন্তত প্রকাশ্যে কেউ কিছু বলেনি। স্বপ্ন আর বাস্তবের মধ্যে বিস্তর ফারাকের বিষয়টি বুঝতে পেরেই তারা নীরব কি না, এই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ভেনেজুয়েলার তেল বিক্রি করে মুনাফা অর্জন করতে চায় আমেরিকা। নিজের এই ইচ্ছার কথা গোপন করেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও। তবে তাঁর এই ইচ্ছা বাস্তবায়িত হওয়া এত সহজ নয় বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। বহু অর্থ এবং সময় ব্যয় করার পরে ট্রাম্পের পরিকল্পনা আংশিক সফল হলেও হতে পারে বলে মত।
ভেনেজুয়েলার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে সস্ত্রীক বন্দি করে দেশছাড়া করা হয়েছে। শুক্রবার মধ্যরাত স্থানীয় সময় অনুসারে রাত ২টো থেকে ভেনেজুয়েলায় সামরিক অভিযান চালিয়ে মাদুরোকে বন্দি করেছে আমেরিকা। আমেরিকার এই সামরিক পদক্ষেপের নিন্দা করেছে ভেনেজুয়েলা। ভেনেজ়ুয়েলার সরকারের দাবি, সে দেশের খনিজ তেল এবং সম্পদ হাতানোর জন্যই এই কাজ করেছে আমেরিকা। ট্রাম্প প্রশাসনের এই চেষ্টা সফল হবে না বলেও জানিয়েছে তারা। ইতিমধ্যেই ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হানার নিন্দা করে বিবৃতি দিয়েছে বিভিন্ন দেশ। মাদুরো এবং তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে গ্রেফতারের অভিযানকে ন্যায্য প্রমাণ করতে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের তুরুপের তাস, সে দেশের এক বিদেশনীতি— মনরো তত্ত্ব মনরো ডকট্রিন। সস্ত্রীক মাদুরোকে বন্দি করার পর একটি সাংবাদিক সম্মেলন করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেখানেই এই তত্ত্বের উল্লেখ করেন ট্রাম্প। জানান, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট এবং তাঁর স্ত্রীর আটক মার্কিন বিদেশনীতি মনরো তত্ত্বের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যা ২০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে আমেরিকাকে সঠিক দিশা দেখিয়েছে। ৩ জানুয়ারি মনরো তত্ত্বের কথা উল্লেখ করেন ট্রাম্প। সেটিকে আমেরিকার একটি দীর্ঘস্থায়ী বিদেশনীতি হিসাবে বর্ণনা করেন তিনি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেন, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টকে অপসারণের যে অভিযান আমেরিকা চালিয়েছে, তা ওই তত্ত্ব মেনেই হয়েছে। মনরো তত্ত্বের নতুন নামকরণও করেছেন ট্রাম্প। নাম দিয়েছেন, ডনরো তত্ত্ব। ট্রাম্পের অভিযোগ, মাদকপাচার এবং অন্যান্য অপরাধের জন্য তেল ব্যবহার করছে ভেনেজ়ুয়েলা। ওই তেল আদতে চুরি করা হচ্ছে ভেনেজ়ুয়েলার বিভিন্ন খনি থেকে। তার পর তা বিক্রি করে জঙ্গি কার্যকলাপে ব্যবহার করা হচ্ছে। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘‘এই সমস্ত পদক্ষেপ দুশো বছরেরও বেশি সময় ধরে বিদ্যমান আমেরিকার বিদেশ নীতিমালার মূল নীতিগুলির চরম লঙ্ঘন। অনেক আগে মনরো তত্ত্ব ছিল। আর মনরো তত্ত্ব একটি বড় ব্যাপার। কিন্তু আমরা এখন এই তত্ত্ব পেরিয়ে এসেছি। এখন এটিকে ডনরো তত্ত্ব বলে।’’ মনরো তত্ত্ব? ১৮২৩ সালে আমেরিকার পঞ্চম প্রেসিডেন্ট জেমস মনরো এই তত্ত্ব চালু করেন। তাঁর নামেই ওই তত্ত্বের নামকরণ করা হয়। উনিশ শতকের আমেরিকার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিদেশনীতির মধ্যে একটি হিসাবে বিবেচনা করা হত মনরো তত্ত্বকে। উনিশ শতকে আমেরিকার বিদেশনীতির অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ ছিল মনরো তত্ত্ব, যা পশ্চিম গোলার্ধকে ইউরোপের দেশগুলির ঔপনিবেশিক শাসন থেকে মুক্ত রাখতে চেয়েছিল। বিশেষত উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকায় আমেরিকানদের প্রাধান্য বজায় রাখতে চেয়েছিল এই তত্ত্ব। মনরোর তত্ত্বে দু’টি বিষয়ের স্পষ্ট উল্লেখ ছিল। সেগুলি হল, আমেরিকা প্রথম নীতি (আমেরিকা ফার্স্ট পলিসি) এবং ইউরোপের রাজনীতি থেকে দূরে থাকা। মনরো তত্ত্বে বলা হয়েছিল, ইউরোপীয় শক্তিগুলি আমেরিকার বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবে না। বিনিময়ে ইউরোপীয় সংঘাত থেকে দূরে থাকবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মনরো তত্ত্ব মার্কিন বিদেশিনীতির কেন্দ্র হয়ে ওঠে। যদিও ল্যাটিন আমেরিকায় হস্তক্ষেপ করতে সেই নীতি ‘অস্ত্র’ হিসাবে ব্যবহার করার জন্য বার বার শিক্ষাবিদ এবং নীতিনির্ধারকদের সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে। মনরো তত্ত্ব দক্ষিণ এবং মধ্য আমেরিকাকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি কৌশলগত ‘দরজা’ হিসাবে ব্যবহারেরও সুযোগ করে দিয়েছে। ১৯০৪ সালে আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট থিওডোর রুজ়ভেল্ট সেই নীতি সংশোধন করেন এবং ‘রুজভেল্ট করোলারি’ চালু করেন। ল্যাটিন আমেরিকার দেশগুলিতে ইউরোপীয় হস্তক্ষেপ রোধ করার জন্য মার্কিন হস্তক্ষেপের অধিকারের উপর জোর দেন রুজ়ভেল্ট। তাঁর সংশোধিত নীতিতে জোর দিয়ে বলা হয়, নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে ল্যাটিন আমেরিকায় হস্তক্ষেপ করার অধিকার রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের। মনরো তত্ত্ব কিউবা, নিকারাগুয়া, হাইতি এবং ডোমিনিকান রিপাবলিকে মার্কিন হস্তক্ষেপকে মান্যতা দেওয়ার জন্য ব্যবহার করা হয়েছিল। ‘ইউরোপীয়দের প্রভাব’কে দূরে রাখার জন্য ১৯০৪ সালে সান্টো ডোমিঙ্গো, ১৯১১ সালে নিকারাগুয়া এবং ১৯১৫ সালে হাইতিতে মার্কিন নৌসেনাও পাঠানো হয়েছিল। আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার শাসনকালে তৎকালীন মার্কিন বিদেশমন্ত্রী জন কেরি ঘোষণা করেছিলেন, ‘‘মনরো তত্ত্বের যুগ শেষ।’’ কিন্তু সেই ঘোষণার এক দশক পরে সস্ত্রীক ভেনেজ়ুয়েলার প্রেসিডেন্টকে বন্দি করার জন্য সেই নীতিকেই তুরুপের তাস হিসাবে ব্যবহার করলেন ট্রাম্প। নাম দিলেন, ডনরো তত্ত্ব। আমেরিকার সঙ্গে ভেনেজ়ুয়েলার চাপানউতর দীর্ঘ দিন ধরেই চলছিল। দক্ষিণ আমেরিকার দেশটিতে তেলের ট্যাঙ্কার চলাচলের উপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছিলেন ট্রাম্প। স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, ভেনেজ়ুয়েলা সীমান্তে কোনও তেলের ট্যাঙ্কার আসা-যাওয়া করতে পারবে না। সঙ্গে ভেনেজ়ুয়েলা সরকারকে ‘জঙ্গিগোষ্ঠী’ তকমাও দিয়েছিলেন তিনি। মাদুরোকে ‘অবৈধ শাসক’ বলে অভিহিত করে তাঁকে পদত্যাগ করতেও বলেছিলেন। এই মুহূর্তে বিশ্বের বৃহত্তম খনিজ তেলের ভান্ডার রয়েছে ভেনেজুয়েলায়। প্রতি দিন প্রায় ১০ লক্ষ ব্যারেল তেল উৎপাদন হয় সে দেশে। ভেনেজ়ুয়েলার দাবি, তাদের সেই খনিজ সম্পদ লুট করতে চান মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তা ছাড়া, গত কয়েক বছরে চিন এবং রাশিয়ার সঙ্গেও ঘনিষ্ঠতা বাড়িয়েছে মাদুরোর সরকার। তার পর থেকেই নড়েচড়ে বসেছে ওয়াশিংটন। ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ এনেছে আমেরিকা। মাদকসন্ত্রাস, কোকেনপাচারের মতো অভিযোগ তো রয়েইছে, এ ছাড়াও মাদুরোর বিরুদ্ধে অস্ত্র অপরাধের অভিযোগও আনা হয়েছে। মার্কিন বিচার বিভাগ জানিয়েছে, মাদুরোর বিরুদ্ধে দুর্নীতিগ্রস্ত, অবৈধ সরকার পরিচালনার অভিযোগ আনা হয়েছে। ফার্স্ট লেডি সিলিয়ার বিরুদ্ধেও সরকারি কর্তাদের প্রভাবিত করা, কোটি কোটি টাকা ঘুষ নেওয়া থেকে শুরু করে মাদকপাচারে মদত দেওয়ার মতো নানা গুরুতর অভিযোগ তুলেছে আমেরিকা।





