Saturday, April 25, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

জিম করলে যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়? “মর্নিং পাওয়ার” স্বাভাবিক জৈবিক প্রক্রিয়া পুরুষ নারী উভয়েরই হয়

শীততাপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে বসে কাজ করতে গিয়ে অনেকের ফিটনেসের দফারফা হচ্ছে। ভুঁড়ি বাড়ছে, বাড়ছে ওজনও। সারাদিনের ক্লান্তির পর সঙ্গীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হওয়ার বদলে ঘুমকেই প্রিয় মনে হয়। কখনও বা কাছাকাছি এলেও ‘তৃপ্তি’ পাওয়া যায় না। বিশেষ করে পুরুষদের মধ্যে দেখা যায় লাগাতার স্ট্রেস, উদ্বেগ, কাজের চাপের কারণে যৌন ক্ষমতা কমে যাওয়া। কখনও কখনও ইরেকটাইল ডিসফাংশন, ইত্যাদির মতো রোগ এবং সমস্যাও তৈরি হয়। আর এই সমস্ত সমস্যার কারণে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে দাম্পত্য জীবনেও। সেখান থেকেই প্রশ্ন ওঠে তবে কি জিম বা নিয়মিত শরীর চর্চা যৌন ক্ষমতা এবং চাহিদা দুটোকেই বৃদ্ধি করে? যৌন রোগ এবং সমস্যাকে দূরে রাখে? সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে এবং একই সঙ্গে নিজেদের ফিট রাখতে বহু মানুষ জিমে যান নিয়মিত। শরীর চর্চা করেন। কিন্তু কেবল উক্ত কারণ নয়, অনেকের মতে জিম করলে বাড়ে যৌন ক্ষমতাও। রোজ জিম বা শরীর চর্চা করলে উক্ত সমস্যা আদতেই অনেকটা কমে। কিন্ত তার সঙ্গে প্রয়োজন সঠিক ডায়েটের। তাঁদের মতে জিম করলে পেলভিক ফ্লোর শক্তিশালী হয়। ব্রিজ, স্কোয়্যাট, ইত্যাদির মতো ব্যায়াম করলে উপকার পাওয়া যায়। আর পেলভিক ফ্লোর শক্তিশালী হলে, স্ট্যামিনা বাড়ে। অনেকে ভয় পান যে প্রোটিন পাউডার স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর, এতে সেক্স্যুয়াল স্ট্যামিনা কমে যায়। কিন্তু বিশেষজ্ঞের মতে, সেটা সত্য নয়। ব্যায়াম করলে বিছানায় পারফরমেন্স ভাল হয়। প্রোটিন পাউডার তাতে আখেরে সাহায্যই করে। নিয়মিত শরীর চর্চা করলে রক্ত চলাচল সঠিক থাকে। কার্ডিভাস্কুলার হেলথ ভাল থাকে। শরীর চর্চা টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে। ইস্ট্রোজেনকে রেগুলেট করতে সাহায্য করে ব্যায়াম। পাশাপাশি কমায় স্ট্রেস হরমোন। ওজন কমায়, বাড়ায় হজমশক্তি। ফলে মেদ ঝরলে শরীর চনমনে থাকে। অল্পে ক্লান্তি আসে না। শরীর চর্চা স্ট্যামিনা বৃদ্ধি করে। ফলে বিভিন্ন ভাবেই শরীর চর্চা যৌন স্বাস্থ্যকে ভাল রাখে। শরীর চর্চার পাশাপাশি ডায়েটেও নজর দিন। ডার্ক চকোলেট, বিট, রসুন, বাদাম, ডিম, ইত্যাদি জাতীয় খাবার খান।

সকালে ঘুম ভাঙতেই অনেক পুরুষের অজান্তে ঘটে যাওয়া উত্থানের ফলে বীর্যপাত অনেক সময় বিস্ময় বা অস্বস্তির কারণ হয়। আসলে এটিই “মর্নিং পাওয়ার”—একটি স্বাভাবিক জৈবিক প্রক্রিয়া, যার বৈজ্ঞানিক নাম Nocturnal Penile Tumescence (NPT)। এটি শুধু পুরুষদের মধ্যেই নয়, নারীদের ক্ষেত্রেও ঘুমের সময় যৌনাঙ্গে রক্তসঞ্চার দেখা যায়। নানা তত্ত্ব থাকলেও মূলত এটি শরীরের প্রাকৃতিক রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থা, যা যৌনস্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। ঘুম বা জাগরণের সময় অজান্তে হওয়া উত্থানকে বলা হয় Nocturnal Penile Tumescence (NPT)। শৈশব থেকেই NPT ভ্রূণ অবস্থাতেই শুরু হয় এবং জীবনভর চলতে থাকে। নারীদের ক্ষেত্রেও ঘুমের মধ্যে ক্লিটোরাল রক্তসঞ্চার ঘটে। সাধারণত REM (Rapid Eye Movement) ঘুমে এর প্রবণতা বেশি দেখা যায়। নোরএপিনেফ্রি REM ঘুমে মস্তিষ্কে কিছু নিউরন নিষ্ক্রিয় হয়, যা উত্থানকে সহজ করে। নাইট্রিক অক্সাইড তত্ত্ব: রক্তনালী শিথিল ও রক্তপ্রবাহ বাড়ানোর কারণে উত্থান হতে পারে। রক্ষণাবেক্ষণে “টিস্যু অক্সিজেনেশন” ঘটায়, ফলে পুরুষাঙ্গ সুস্থ থাকে এবং ইরেক্টাইল ডিসফাংশন প্রতিরোধ করে। রক্ষণাবেক্ষণের ভূমিকা: এটি “টিস্যু অক্সিজেনেশন” ঘটায়, ফলে পুরুষাঙ্গ সুস্থ থাকে এবং ইরেক্টাইল ডিসফাংশন প্রতিরোধ করে। বেডওয়েটিং তত্ত্ব বিতর্কিত,কিছু ধারণা বলে এটি প্রস্রাব আটকে রাখে, তবে বৈজ্ঞানিকভাবে এর সমর্থন দুর্বল।

শীতকালে কফিপ্রেমীদের জন্য একটি দারুণ বিকল্প হতে পারে ঘি-ওয়ালা কফি। ঘি মেশানো কফি শুধু সুস্বাদুই নয়, স্বাস্থ্যের পক্ষেও বেশ উপকারী। কফিতে এক চামচ দেশি ঘি মেশালে সারাদিন শরীর চাঙ্গা থাকে। আসলে ঘি-সহ কফি পান করলে শরীর ভেতর থেকে উষ্ণ থাকে, যা শীতকালে খুবই উপকারী। ঘি-ওয়ালা কফি ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করে এবং স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা এনে দেয়। এটি হজমশক্তি বাড়ায় এবং ওজন কমাতেও সহায়ক হতে পারে। বিজ্ঞান অনুযায়ী, ঘিয়ের মধ্যে থাকা ভাল ফ্যাট ও ভিটামিন শরীরের মেটাবলিজম এবং রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে। শীতকালে ঠান্ডা ও শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে ত্বকের আর্দ্রতা কমে যায়, ফলে ত্বক রুক্ষ ও নিষ্প্রভ হয়ে পড়ে। ঘিয়ের মধ্যে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ও ভিটামিন এ ত্বককে ভিতর থেকে হাইড্রেট করে। প্রতিদিন সকালে ঘি-সহ কফি পান করলে ত্বক ভেতর থেকে পুষ্টি পায় এবং স্বাভাবিক গ্লো ফিরে আসে। বিশেষ করে যাদের ত্বক শীতে খুব বেশি শুষ্ক হয়ে যায়, তাদের জন্য এই কফি বেশ উপকারী।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles