Saturday, June 27, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

ভোটার শুনানির নোটিস যাচাই করবেন জেলা নির্বাচনী আধিকারিক?‌ ২০০২ সালের তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও শুনানিতে ডাক পড়লে যাওয়ার প্রয়োজন নেই!

২০০২ সালের ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) তালিকায় নাম রয়েছে। অথচ এ বারের এসআইআরের শুনানিপর্বে যদি ডাক পড়ে কোনও ভোটারের, তবে কী করবেন তাঁরা? শনিবার তা জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। এ ব্যাপারে রাজ্যের সব জেলাশাসককে চিঠি পাঠিয়ে কী করণীয় তা জানাল রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) দফতর। একই সঙ্গে তারা ‘ত্রুটি’র কথাও মেনে নিয়েছে। জানিয়েছে, যদি ২০০২ সালের তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও শুনানিতে ডাক পড়লে যাওয়ার প্রয়োজন নেই! ২০০২ সালের এসআইআর তালিকায় নাম ছিল। চলতি এসআইআর পর্বে বাড়িতে এনুমারেশন ফর্মও বিলি করেছেন বুথস্তরের আধিকারিকেরা। সেখানে ২০০২ সালের তথ্য ভরে জমা করার পরেও এসআইআরের শুনানিতে যাওয়ার নোটিস পেয়েছেন ভোটার! এমন অভিযোগ উঠেছে। তা নিয়ে শোরগোল শুরু হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। শাসক দল তৃণমূল তো বটেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তার পরেই এ সংক্রান্ত কমিশনের চিঠি গেল জেলাশাসকদের কাছে। সিইও দফতর জানিয়েছে, বিএলও অ্যাপে ‘নো ম্যাপিং’ দেখাচ্ছে, অথচ ২০০২ সালের তালিকায় নাম ছিল, এমন অনেকে রয়েছে! ‘নো ম্যাপিং’ অর্থাৎ, ২০০২ সালের তালিকার সঙ্গে যে ভোটারদের কোনও ‘ম্যাপিং’ করা যায়নি তেমন ভোটার। কমিশনের দাবি, কম্পিউটার বা মোবাইল অ্যাপে ভোটাদের তথ্য সঠিক ভাবে ধরা না পড়ায় ওই সমস্যা দেখা গিয়েছে। এই গরমিলে সংশ্লিষ্ট ভোটারের কোনও দোষ নেই। এ ধরনের সমস্যা সম্পূর্ণ প্রযুক্তিগত! কমিশন জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট শুনানিতে ডাকা হবে না। এমনকি নোটিস পাঠানোও হবে না। যদি এমন কোনও ভোটার শুনানির নোটিস পান, তবে তাঁদের শুনানিতে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। শুধু পুরনো ভোটার তালিকার তথ্য দিলেই হবে। জেলাশাসকদের দেওয়া চিঠিতে কমিশন জানিয়েছে, ২০০২ সালের ভোটার তালিকার কাগজ দেখে সেই তথ্য জেলা নির্বাচনী আধিকারিক (ডিইও) যাচাই করবেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles