রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চ্যাটার্জির ফোন। দুর্নীতির দায়ে দীর্ঘ কারাবাসের পর, জেলমুক্তি ঘটেছে পার্থর। আরও এক জেলমুক্তি পাওয়া রাজনৈতিক সহকর্মীর প্রতি পার্থ চ্যাটার্জি কিছুটা আবেগতাড়িত। বিরাট দুর্নীতির দায়ে জেলে যাওয়া পার্থর আরও এক রাজনৈতিক সহকর্মীর সঙ্গে ফোনেআলাপ ‘আমি চুরি করিনি, এতটাও খারাপ আমি নই।’ স্নানঘরে গিয়ে পা ভেঙেছে তৃণমূল নে্গেছের। বাড়িতেই ঘটনাটি ঘটে৷ ভর্তি সল্টলেকের এক হাসপাতালে৷ উত্তর কলকাতার গড়পার রোডের বাড়িতেই আচমকা পিছল খেয়ে মেঝেতে পড়ে গিয়ে কাণ্ড।
প্রাথমিক নিয়োগ মামলায় রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের জামিন বাতিলের হুঁশিয়ারি দিলেন বিচারক! বুধবার ইডি-র ওই মামলার শুনানি থাকা সত্ত্বেও বিচারভবনে সশরীরে হাজিরা নেই পার্থর। বিরক্ত হয়ে পার্থের জামিন বাতিলের হুঁশিয়ারি দিলেন বিচারক। বিচারভবনে ইডি-র প্রাথমিক নিয়োগ মামলার শুনানি ছিল। তাতে সশরীরে আদালতে হাজির থাকার কথা ছিল অভিযুক্তদের। কিন্তু পার্থর হাজিরা নেই। এর পরেই বিচারক শুভেন্দু সাহা বলেন, ‘‘পার্থ-সহ বাকি যাঁরা উচ্চ আদালত থেকে জামিনে মুক্ত, তাঁদের শর্ত দেওয়া আছে যে মামলার দিনগুলিতে তাঁদের আদালতে হাজিরা দিতে হবে। আশা করি আপনারা পচা শামুকে পা কাটবেন না!’’ পার্থর আইনজীবী জানিয়েছেন, স্বাস্থ্যজনিত কারণেই পার্থ আদালতে সশরীরে হাজিরা দিতে পারেননি। সেই মর্মে আবেদনও জানিয়েছেন তাঁরা। এর পরেই হুঁশিয়ারি দিয়ে বিচারক বলেন, ‘‘হাজিরা না দিলে এই কোর্টের ক্ষমতা আছে জামিন বাতিল করে দেওয়ার।’’ তবে বুধবার আইনজীবীর মাধ্যমে পাসপোর্ট আদালতের কাছে জমা পার্থর।
পার্থ ছাড়াও বুধবার আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন মামলার আর এক অভিযুক্ত শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিংহ, কুন্তল ঘোষ, পার্থের বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়-সহ বেশ কয়েক জন হাজির ছিলেন। আদালতে অর্পিতা জানান, তাঁর তিনটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অ্যাকাউন্টগুলি ফের খুলে দেওয়ার আবেদন জানান তিনি। অর্পিতার যুক্তি, অ্যাকাউন্টগুলি ২০০২ সালের। তখন এই মামলার অস্তিত্ব ছিল না। তাই তাঁর অ্যাকাউন্টগুলি বন্ধ করে দেওয়ার কোনও যুক্তি নেই। আগামী ৮ ডিসেম্বর অর্পিতার এই আবেদনের শুনানি হবে।
চন্দ্রনাথের আইনজীবী আদালতে জানান, ইডি-র দেওয়া নথি এখনও পড়ে উঠতে পারেননি তিনি। জানুয়ারি মাসে চার্জগঠনের প্রক্রিয়া শুরু করার অনুরোধ জানিয়েছেন আইনজীবী। প্রত্যুত্তরে আদালত জানিয়েছে, আইনজীবী যা মুখে বলছেন, তা লিখিত আকারে জমা দিতে হবে। ৬ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি।




