Friday, July 17, 2026

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

এনুমারেশন ফর্ম খুবই কম ডিজিটাইজড!‌ হাওড়ার ডিএম এর ভুলে এসআইআর বিঘ্ন?‌

বিহারের পর নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে বাংলায় এসআইআর স্পেশাল ইন্টেনশন রিভিশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভুয়ো ভোটার শনাক্ত করে ভোটার তালিকা সংশোধন। চলতি বছরের আগস্ট মাসে বিহারে এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হয়। পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের ১২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভোটার তালিকা শুদ্ধিকরণ অভিযান শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। ভোটার তালিকায় নাম রাখতে গেলে ১১টি নথি নির্দিষ্ট করে দিয়েছে, তবে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে অনুযায়ী ২০০২ সালে ভোটার তালিকায় যাদের নাম রয়েছে তাদের নতুন করে কোনও নথি জমা দিতে হবে না। এ বিষয়ে হাওড়া জেলাশাসক জেলার এসআইআর বিষয়ে জেলা সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলিকে নিয়ে একটি মিটিং করেন। নভেম্বর মাসের ২০ দিন অতিক্রান্ত। হাওড়ায় ‘এনুমারেশন ফর্ম’ পূরণ করেও জমা নেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ। ৫০ নম্বর ওয়ার্ডে প্রত্যেক বুথে বিএলও বিপদে পড়ছেন। ১৬৫ বিধানসভায় ১ থেকে ১৬০ প্রত্যেক পার্ট নম্বরে ডিএম কোনও ডেটা না দিতে পারায় ফর্ম সাবমিট হচ্ছে না। ধন্দে এলাকার বিএলওরা। এই কাজ সম্পন্ন করতে বিএলওরা বেশ চিন্তিত।

উত্তর কলকাতার বেলেঘাটার সাত জন বুথ স্তরের আধিকারিক (বিএলও)-কে শোকজ করল নির্বাচন কমিশন। এনুমারেশন ফর্ম খুবই কম ডিজিটাইজড হওয়ায় তাঁদের কারণ দর্শানোর নোটিস পাঠিয়েছে কমিশন। শুক্রবারের মধ্যেই ওই সাত বিএলও-কে জবাব দিতে নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। ভোটারদের পূরণ করা এনুমারেশন ফর্ম সংগ্রহের পরে তা, নির্দিষ্ট অ্যাপের মাধ্যমে ডিজিটাইজ়ড করতে হয় বিএলও-দের। কমিশন সূত্রের খবর, বেলেঘাটার ওই সাত বিএলও খুব কম সংখ্যক এনুমারেশন ফর্ম ডিজিটাইজ় করেছেন। ওই সূত্র জানাচ্ছে, অন্যত্র সংগ্রহ করা এনুমারেশন ফর্মের প্রায় ৩০% ডিজিটাইজ় করা হয়ে গিয়েছে। অথচ বেলেঘাটার ওই সাত বিএলও মাত্র ৪-৮ শতাংশ ফর্মই ডিজিটাইজ় করেছেন। কেন এত কম ফর্ম ডিজিটাইজ় হয়েছে, সেই ব্যাখ্যা জানতে চেয়েছে কমিশন। কমিশন সূত্রে খবর, বৃহস্পতি সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রাজ্যে ৯৯.৭৩ শতাংশ ভোটারদের কাছে এনুমারেশন ফর্ম বিলি করা হয়ে গিয়েছে। সার্বিক ভাবে রাজ্যে প্রায় ২৫.৫ শতাংশ ফর্ম ডিজিটাইজ়েশনও হয়ে গিয়েছে। এনুমারেশন ফর্ম বিলি এবং জমা নেওয়ার প্রক্রিয়ার জন্য এক মাস সময় রেখেছে কমিশন। গত ৪ নভেম্বর থেকে তা শুরু হয়েছে। শেষ হবে আগামী ৪ ডিসেম্বর। তার পরে আগামী ৯ ডিসেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে। ফর্ম বিলি এবং জমা নেওয়ার এটি তৃতীয় সপ্তাহ চলছে। হাতে আর বেশি সময় বাকি নেই। তাই এই প্রক্রিয়ায় আরও গতি আনতে চাইছে কমিশন। বিএলও-দের পাঠানো ওই শোকজ় নোটিসে কমিশন জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট এলাকায় ডিজ়িটাইজেশনের কাজ খুবই শ্লথ। এতটাই শ্লথগিতে ডিজ়িটাইজ়েশন চলছে, যে তা উল্লেখ করার মতো অবস্থাতেও নেই। গোটা বিধানসভা এলাকাতেই এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে মনে করছে কমিশন। সেই কারণে শুক্রবার দুপুর ১২টার মধ্যে এর জবাব দিতে বলা হয়েছে ওই বিএলও-দের।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles