Wednesday, April 29, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

ভান্ডারহাটিতে তুষার শীলের জমজমাট কালীপুজো!‌ যোগ বিশারদের বাড়ির দীপাবলীর আলোকের ছটায় উদ্ভাসিত দু:‌স্থরাও

ড:‌ তুষার শীল। ভারত বিখ্যাত যোগ বিশারদ। আমতা বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিধায়ক হওয়ার জন্য লড়েছিলেন। সুকান্ত পালের ছলনা ও প্রবঞ্চনার ফাঁদে পড়ে হারতে হয়েছিল। আমতা বিধানসভা কেন্দ্রে কান পাতলে এই সত্য কথাই বারংবার প্রতিধ্বনিত হয়। কিছু মানুষকে ভুল বুঝিয়ে ও প্রলোভন দেখিয়ে নিজের টিকিট নিশ্চিত করার জন্যই এই প্রবঞ্চকের ভুমিকা পালন করেছিলেন বিধায়ক সুকান্ত পাল। এই মূহুর্তে আমতা বিধানসভার অধিকাংশ বুথে বুথে দলের বিক্ষুব্ধ নেতারাই সরব বিধায়কের বিরুদ্ধে। এছাড়া এলাকায় প্রচুর পরিমানে তোলাবাজি, প্রতারণামূলক কাজকর্মের অভিযোগ রয়েছে বিধায়কের বিরুদ্ধে বলে শোনা যাচ্ছে তৃণমূল দলের নেতাদের মুখেই। এবার সুকান্ত পালকে টিকিট দেওয়া হলে অধিকাংশ নেতাকর্মীরা কাজ করবেন না এমনটাও জানিয়েছেন দলেরই সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতাকর্মীরা। সুকান্ত পালকে নিয়ে তিতিবিরক্ত দল বলেও শোনা যাচ্ছে। তুষার শীল সবসময় মানুষের পাশে দাঁড়াতে ভালোবাসেন। নিজেকে কখনও রাজনীতিক হিসাবে প্রমাণ করার চেষ্টাও করেন না। একই নমুনা দেখা গেল বাড়ির কালীপুজোর অনুষ্ঠানে। অসংখ্য মানুষের উপস্থিতি। কলকাতা, হুগলি বর্ধমান সহ নানান জেলা থেকে অসংখ্য মানুষের ভিড়। আমতা বিধানসভা কেন্দ্রেরও অসংখ্য নেতাকর্মীরা সাধুবাদ জানিয়ে গেলেন সামাজিক কর্মকাণ্ডকে। আগত কেউই অভুক্ত ছিলেন না। শীতের প্রাক্কালে চাদর এমনকি বস্ত্রও বিতরণও করলেন এলাকার মানুষদের। এমনিতেও আমতা বিধানসভায় প্রায়শই বন্যার্তদের সাহায্য থেকে শুরু করে প্রায় সারা দিন পড়ে থাকতেন তুষার শীল।

ভান্ডারহাটীতে তুষার শীলের বাড়ির কালী পূজো। দীপাবলীর মহালগ্নে মানুষদের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করলেন যোগ বিশারদ। মাতৃ আরাধনায় হোমের আগুনের লেলিহান শিখা। যজ্ঞের পাশেই বসেছেন এশিয়া খ্যাত বডি বিল্ডার। সোমবার, কালীপুজোর রাত থেকে এই ছবিই দৃশ্যমান। কালীপুজোয় বাড়িতে ঢাক বাজাতে দেখা গিয়েছে খুদেদের। পরনে লাল টি-‌শার্ট পুজো-অর্চনার মনোযোগী তুষার। বরাবর ঈশ্বরভক্ত। দেবী কালীকে মানেন। বাড়িতেও ঠাকুরঘর আছে। সেখানে ধুপ দেখানো হয়। বাড়িতে কালীপুজো এমনকি দূর্গাপূজোও হয়। সরস্বতী পুজোতেও আড়ম্বর। ঈশ্বরের প্রতি আত্মনিবেদন। ঈশ্বরভক্তি বা ঈশ্বরপ্রীতি অনেকটা মানবসেবা ও মানুষে ভক্তিরও সমতুল্য। তাই নিয়ে তুষার ভূত চতুর্দশীতেও জানালেন তিনি বাস্তবে বিশ্বাসী। দেব-দেবী, পূজা-অর্চনা, মন্দিরে মানত কিংবা ভৌতিক অভিজ্ঞতা- এ সবই বিশ্বাস? উপোস করেন? মন্দিরে মানত রাখেন? সেই প্রার্থনা পূরণ হয়?

পুজো দেব মানতেই ভালোবাসেন। যদি ঐতিহাসিক মন্দির বা মসজিদ থাকে তা হলে সেটা অবশ্যই দেখতে যাওয়া। বিশ্বাস নিয়েই সেই ধর্মীয় স্থানে পা রাখা এই জায়গা থেকেই কালীপুজো তাঁর কাছে বিশেষ দিন। সেটা ছেলেবেলায় বাজি পোড়ানোর জন্য। বড় হয়ে দেবী কালিকার মাহাত্ম্য তাঁকে আকর্ষণ করেছে। মা কালীর মতো দেবী বিরল। বাঙালিরা দশমহাবিদ্যার আরাধনার মাধ্যমে নারীশক্তির আরাধনা করে। কখনও সেই আরাধনায় দেবীর কোমল রূপ। কখনও কঠিন। আমার চোখে দেবী কালিকা রুদ্র রূপের প্রতীক। তিনি যেন শক্তির আধার। অলৌকিকতায় অবিশ্বাস নেই। মনে হয়, জোড়হাতে মাকে ডাকলে তিনি সমস্ত মনোবাঞ্ছা পূর্ণ করবেন?

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles