Monday, July 27, 2026

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

ফাস্ট ফুড বা মশলাদার খাবার সমস্যা তৈরি করে নিমেষেই!‌ ওজন কমাতে প্রচুর কসরৎ! ম্যাজিকের মত কাজ করে অ্যামাইনো অ্যাসিড?

খুব দ্রুত আপনার ওজন কমতে পারে। কী সেই উপাদান? মার্কিন গবেষকদের সাম্প্রতিকতম সমীক্ষা বলছে, সিস্টাইন নামে একপ্রকার অ্যামাইনো অ্যাসিডের মধ্যেই রয়েছে সেই ম্যাজিক! দ্রুত আপনার শরীরে মেদ ঝরাতে সাহায্য করে। কীভাবে অ্যামাইনো অ্যাসিড কাজ করে শরীরকে তন্বী করে তোলে? ব্যাপারটা পুরোটাই বৈজ্ঞানিক। ‘নেচার মেটাবলিজম’ নামে এক পত্রিকায় মার্কিন গবেষকদের এই সমীক্ষা প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে বলা হচ্ছে, পুরো ব্যাপারটাই সম্পর্কিত শরীরে হজমশক্তির সঙ্গে। শরীর থেকে সিস্টাইন বের করে দিতে পারলেই মুশকিল আসান। অ্যামিনো অ্যাসিডের প্রধান কাজ হল, শরীর কোনও খাদ্য গ্রহণ করলে সঙ্গে সঙ্গে তা ক্ষুদ্র থেকে ক্ষুদ্রতর কণায় ভেঙে ফেলা। বিজ্ঞানের পরিভাষায়, হোয়াইট ফ্যাটকে ব্রাউন ফ্যাটে রূপান্তরিত করে ওই অ্যামাইনো অ্যাসিড। তাতে ওই খাদ্যবস্তু থেকে ক্যালোরি শরীরে জমার সুযোগ পায় না। সেটাই ক্যালোরি গলে যাওয়া অর্থাৎ ওজন কমানোর অন্যতম উপায়। গবেষকদলের অন্যতম সদস্য ড. স্টেডলারের কথায়, ”শরীরে সিস্টাইনের ভারসাম্য ঠিক থাকলেই সমস্যা হয় না। আর অ্যামাইনো অ্যাসিড সেই কাজটা প্রায় ম্যাজিকের মতোই করে। আসলে শরীরকে যত দ্রুত ডিটক্স অর্থাৎ বর্জ্যপদার্থমুক্ত করা যায়, তত মেদ জমার সুযোগ পায় না এবং দ্রুত রোগা হতে পারবেন। আমরা জানি যে ক্যালোরিযুক্ত খাবার যত কম খাওয়া যায়, ততই দৈহিক গড়ন ভালো থাকে। কিন্তু আমাদের গবেষণা বলছে, খাবার খেলেও তা যাতে দ্রুত হজম হয়ে যায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। আর অ্যামাইনো অ্যাসিডই সেই কাজটা সবচেয়ে ভালোভাবে করতে পারে। মূল চাবিকাঠি রয়েছে খাদ্যগ্রহণের ভারসাম্যের মধ্যেই।”

মৌরিতে রয়েছে অ্যানিথোল যৌগ। হজম প্রক্রিয়াকে উন্নত করে। পেটের মধ্যে অ্যাসিডের উৎপাদন কমায়। পরিপাকতন্ত্রের সুস্থতা বজায় রাখে। ফলে, খাবারে অনিয়ম বা অতিরিক্ত খাওয়া-দাওয়া হলেও খুব একটা সমস্যা তৈরি হবে না। প্রতিদিন সকালে আদা ভেজানো জল ফুটিয়ে খাওয়া। আদাতে রয়েছে জিঞ্জেরল নামক উপাদান। এটি পাকস্থলীর অ্যাসিড উৎপাদন কমায়। গ্যাস অম্বল দূর করে। সারারত আদা কুচি জলে ভিজিয়ে রাখুন। সকালে উঠে সেই জল ফুটিয়ে খেয়ে নিলেই বদহজম নিয়ে আর কোনও দুশ্চিন্তা থাকবে না। কাঁচা জোয়ান। জোয়ানে রয়েছে থাইমল নামক যৌগ। এটি হজমে সহায়ক উৎসেচক বাড়িয়ে হজমে সাহায্য করে। এছাড়া জোয়ানে থাকা সোডিয়াম শরীরে হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিডের ভারসাম্য বজায় রাখে। ফলে, অ্যাসিডিটির ভয় থাকে না। প্রতিদিন সকালে একটা করে কলা। কলা প্রাকৃতিক অ্যান্টাসিড হিসাবে কাজ করে পাকস্থলীর অতিরিক্ত অ্যাসিডকে প্রশমিত করতে পারে। আবার অ্যাসিড রিফ্লাক্সের ফলে সৃষ্ট অস্বস্তি কমাতেও এর জুড়ি মেলা ভার। হাতের কাছে এই ক’টি জিনিস রাখলেই হবে। কোনওরকম চিন্তা না বাড়িয়ে পুজোতে কবজি ডুবিয়ে খাওয়া-দাওয়া করুন। অ্যাসিডিটি থেকে চটজলদি রেহাই পেতে এই ঘরোয়া টিপস মেনে চললেই ফল।

বয়স বাড়লে স্মৃতি দুর্বল হওয়াটা স্বাভাবিক। কিন্তু অল্প বয়েসেই যদি সব কিছু ভুলে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটে, তাহলে সাবধান! ‘ব্রেন ফগ’-এ হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, অনিদ্রা, ডিপ্রেশন, মানসিক চাপ এবং ফাইব্রোমায়ালজিয়া প্রভৃতি কারণে ব্রেন ফগ দেখা দেয়। তবে সম্প্রতি একটি গবেষণা চালিয়েছে ভারতের ‘সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল এন্ড প্রিভেনশন’ (সিডিসি)। মস্তিষ্কে ধোঁয়াশার কারণ খুঁজতে গিয়ে তারা জানিয়েছে, মানুষের খাদ্যাভাসের সঙ্গে এই রোগের অঙ্গাঙ্গি সম্পর্ক রয়েছে। ‘ব্রেন ফগ’ কোনও ডাক্তারি পরিভাষা নয়। স্মৃতিশক্তির অক্ষমতার সঙ্গে সঙ্গে ব্যক্তির শারীরিক অবস্থাকে বর্ণনা করার জন্য এই শব্দটি অনেকেই ব্যবহার করে থাকেন। বেশ কিছু অভ্যন্তরীণ শারীরিক সমস্যার জন্য এই অবস্থা তৈরি হয়। কিন্তু সিডিসি গবেষণা চালিয়ে জানাচ্ছে, মানুষের রোজকার খাবার খাওয়ার সঙ্গে এই রোগের একটা গভীর সম্পর্ক রয়েছে। অতিরিক্ত মিষ্টি, তেলমশলা, ভাজাভুজি কিংবা বেশি কার্বোহাইড্রেট যুক্ত খাবার খেলে আমাদের রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে যায়। এই অবস্থা যদি দিনের পর দিন চলতে থাকে, তাহলে রক্তে জমা হওয়া অতিরিক্ত শর্করা সরাসরি মাথার রক্তজালিকায় আঘাত করে। এর প্রভাব পড়ে স্নায়ুতন্ত্রেও। ফলে মাথাব্যথা, অবসাদ, শারীরিক ক্লান্তি বা ভুলে যাওয়ার মতো লক্ষণগুলি তৈরি হয়। এই অবস্থাকে ডাক্তারি পরিভাষায় ‘ভাস্কুলার ডিমেনশিয়া’ বলে। সিডিসির গবেষণায় জানা যাচ্ছে, রোজের পাতে প্রোটিন কম ও কার্বোহাইড্রেট বেশি থাকলে ব্রেন ফগের ঝুঁকি বাড়ে। এছাড়া দিনের প্রধান দুই খাবার খাওয়ার মধ্যেকার সময়ের ব্যবধান দীর্ঘ হলেও এই রোগে ভোগার আশঙ্কা থাকে।

(১) প্রতিদিন ভোরে ৩০ মিনিট করে ব্যায়াম।
(২) ঘুম থেকে উঠেই সকালে খালিপেটে এক গ্লাস জল পান।
(৩) অতিরিক্ত চিনি বা মিষ্টিজাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে হবে।
(৪) খাদ্যতালিকায় প্রোটিনের পরিমাণ বৃদ্ধি করা। কার্বোহাইড্রেট যথাসম্ভব কম।
(৫) দিনে ৩-৪ লিটার জল পান। শরীরে তৈরি হওয়া জলশূন্যতাও ব্রেন ফগের একটি অন্যতম কারণ।
(৬) প্রতিদিন ৮-৯ ঘন্টা ঘুম প্রয়োজন।
(৭) পুষ্টিকর খাবার বেশি করে খান। প্রতিদিন সকালে কিছুক্ষণ সূর্যের আলোয় থাকা ভালো।‌

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles