কাজাখস্তানের শ্যামখন্দ শহরে বেশ গরম। বাতাসে আপেক্ষিক আদ্রতা একেবারেই কম। গরম অসহ্য। অতিরিক্ত গরমে নাক থেকে রক্তপাত। বাংলার শুটার আদ্রিয়ান কর্মকারেরও রক্ত ঝড়েছে শ্যামখন্দে। এশিয়ান শুটিং চ্যাম্পিয়নশিপের জুনিয়র পর্যায়ে লড়াই করতে কাজাখস্তানে অলিম্পিয়ান শুটার জয়দীপ কর্মকারের পুত্র। আবহাওয়ার মোকাবিলার ধরন বুঝতে পারেননি বঙ্গ তরুণ। মাঝে নাক থেকে রক্তপাত। ৫০ মিটার থ্রি পজিশনে জোড়া সোনা জয়ের ক্ষেত্রে আদ্রিয়ানের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি কোনও সমস্যাই। এই ইভেন্টে দলগত বিভাগে সোনা আসে আদ্রিয়ানের ঝুঁলিতে। তাঁর সঙ্গে দলে ছিলেন বেদান্ত ওয়াঘমারে ও রোহিত কানিয়ান। যোগ্যতা অর্জন পর্বে মোট ১৭৩৩ পয়েন্ট স্কোর করে চ্যাম্পিয়ন তাঁরা। এরমধ্যে বেদান্ত ৫৮২, আদ্রিয়ান ৫৭৬ এবং রোহিত ৫৭৫ পয়েন্ট পান। তাতেই দক্ষিণ কোরিয়ার থেকে ১১ পয়েন্টে এগিয়ে থেকে চ্যাম্পিয়ন ভারত। যোগ্যতা অর্জন পর্বটা অবশ্য ভালো কাটেনি আদ্রিয়ানের। ৫৭৬ পয়েন্ট পান উজবেকিস্তানের নিকিতা সোকোলভও। কেন্দ্রের কাছে বেশিবার পৌঁছানোর জেরে অষ্টম হয়ে ফাইনালে চলে যান। আদ্রিয়ানের ব্যক্তিগত ইভেন্টে ৪৬৩.৮ পয়েন্ট স্কোর। জুনিয়র পর্যায়ে মহাদেশীয় রেকর্ড। শ্যামখন্দ থেকে আদ্রিয়ান বলেন, “প্রথমদিকে আমাদের ইভেন্ট আউটডোরে হয়। হাওয়ার জন্য সমস্যায় পড়ছিলাম। পরে ফাইনাল ইন্ডোরে হওয়ায় আর কোনও সমস্যা হয়নি। তবে এটা আমার কাছে একটা শিক্ষা। পরবর্তীতে এমন পরিস্থিতিতে আরও ভালোভাবে পারফর্ম করতে পারব।” যোগ্যতা অর্জন পর্বের পর বাবার পরামর্শও সাহায্য করেছে জয়দীপ-পুত্রকে। এর আগে জার্মানিতে জুনিয়র বিশ্বকাপে পদক জয়ী আদ্রিয়ান। ২৮ আগস্ট প্রতিযোগিতায় নিজের পরবর্তী ইভেন্টে নামছেন। সেদিকেই ফোকাস করছেন এই বঙ্গ শুটার। আরও সোনা জয়ই লক্ষ্য আদ্রিয়ানের।




