Saturday, July 25, 2026

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

শচীন পুত্র অর্জুন বিয়ে করছেন বয়সে বড় সানিয়া চন্দোককে!‌ বাবা শচীন তেন্ডুলকরের থেক স্ত্রী অঞ্জলিও ছিলেন বয়সে বড়

শচীন তেন্ডুলকরের পথেই হাঁটলেন অর্জুন তেন্ডুলকর। বাবাকেই অনুসরণ করলেন ছেলে। বয়সে বড় মহিলাকেই বিয়ে করছেন অর্জুন। সানিয়া চন্দোকের সঙ্গে বাগ্‌দান হয়েছে। সানিয়া বয়সে অর্জুনের থেকে এক বছরের বেশি বড়। ১৩ আগস্ট অর্জুনের সঙ্গে সানিয়ার বাগ্‌দান। জীবনপঞ্জী বলছে সানিয়ার জন্ম ১৯৯৮ সালের ২৩ জুন। অর্থাৎ এখন তাঁর ২৬ বছর বয়স। অর্জুনের জন্ম ১৯৯৯-এর ২৪ সেপ্টেম্বর অর্থাৎ এখন ২৫। অর্জুনের থেকে এক বছর তিন মাসের বড় সানিয়া। অর্জুন তাঁর দিদি সারার থেকে দু’বছরের ছোট। শচীন ১৯৯৫ সালে অঞ্জলির সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন। বিয়ের আগে থেকেই তাঁদের পাঁচ বছর বয়সের ব্যবধান নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। শচীনের জন্ম ১৯৭৩-এর ২৪ এপ্রিল। অঞ্জলির জন্ম ১৯৬৭-র ১০ নভেম্বর। অঞ্জলি পেশায় চিকিৎসক ছিলেন। বিয়ের পর তিনি কেরিয়ার ছেড়ে দেন। নিজের ক্রিকেটজীবনের সাফল্যের পিছনে বার বার অঞ্জলির কথা উল্লেখ করেছেন শচীন। অবসরের দিনেও স্ত্রী এবং দুই সন্তান ছিলেন তাঁর পাশে। অর্জুনের সানিয়া পড়াশোনা করেছেন ক্যাথিড্রাল অ্যান্ড জন ক্যানন স্কুলে। এর পর লন্ডন স্কুল অফ ইকনমিক্সে বিজ়নেস ম্যানেজমেন্ট নিয়ে পড়াশোনা করেছেন। ২০২০-তে পাশ করার পর দেশে ফিরে এসে নিজের ব্যবসা শুরু করেন। সানিয়া নিজে পশুপ্রেমী। মুম্বইয়ের মানুষদের মধ্যে পোষ্যের জনপ্রিয়তা দেখে ‘মিস্টার পজ় পেট স্পা অ্যান্ড স্টোর’ খোলেন। এখানে পোষ্যদের যত্ন নেওয়া এবং খেয়াল রাখার কাজ করা হয়। এখনও পর্যন্ত বিশেষ লাভের মুখ দেখেননি। মুম্বইয়ের হয়ে অর্জুনের ক্রিকেটজীবন শুরু হয় ২০২০-২১ সালে। হরিয়ানার বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টিতে অভিষেক হয়। মুম্বইয়ের হয়ে জুনিয়র বিভাগেও খেলেছেন। তবে সিনিয়র দলে জায়গা না মেলায় ২০২২-২৩ মরসুমে গোয়ায় চলে যান। সেখানে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট এবং লিস্ট এ ক্রিকেটে অভিষেক হয়। লাল বলের ক্রিকেটে ১৭ ম্যাচে ৫৩২ রান করেছেন অর্জুন। একটা শতরান এবং দুটো অর্ধশতরান রয়েছে। ৩৭টা উইকেটও রয়েছে।

অর্জুন তেন্ডুলকরের সঙ্গে বাগ্‌দান হয়েছে সানিয়া চন্দোকের। আগে থেকেই তেন্ডুলকর পরিবারের সঙ্গে মিশে গিয়েছেন মুম্বইয়ের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রবি ঘাইয়ের নাতনি। হবু ননদ সারা তেন্ডুলকরের পাইলেটস ফিটনেস সংক্রান্ত অ্যাকাডেমির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সানিয়াও উপস্থিত ছিলেন সকলের সঙ্গে। বাগ‌্‌দানের পর থেকেই আগ্রহের কেন্দ্রে অর্জুন-সানিয়া। তাঁদের সম্পর্কের সমীকরণ, বয়স মাপার চেষ্টা করছেন শচীন তেন্ডুলকরের অনুরাগীরা। এর মধ্যেই ভাইরাল হয়েছে একটা পুরনো অনুষ্ঠানের ছবি এবং ভিডিয়ো। আন্ধেরিতে সারার পাইলেটস অ্যাকাডেমির উদ্বোধনে তেন্ডুলকর পরিবারের সকলের সঙ্গে সানিয়াও ছিলেন। শচীন, অঞ্জলি তেন্ডুলকর, সারা, অর্জুনের সঙ্গে ছিলেন সানিয়া। ওই অনুষ্ঠানে পরিবারের সদস্যেরা ছাড়া অল্প কয়েক জন ঘনিষ্ঠ উপস্থিত ছিলেন। সানিয়াকে সেই অনুষ্ঠানে বিভিন্ন কাজে সাহায্য করতেও দেখা গিয়েছে। সকলকেই একসঙ্গে হাসিমুখে দেখা গিয়েছে। সানিয়া যে বাগ্‌দানের আগে থেকেই তেন্ডুলকর পরিবারের একজন হয়ে উঠেছেন, তা ওই অনুষ্ঠানের ছবি এবং ভিডিয়ো থেকেই পরিষ্কার। মুম্বইয়ে ব্যবসায়িক সাফল্যের পর দুবাইয়েও একটি শাখা খুলেছেন সারা। অর্জুন এবং সানিয়ার বাগ্‌দান অনুষ্ঠান হয় ঘরোয়া ভাবে। দুই পরিবারের ঘনিষ্ঠ পরিজন এবং বন্ধুরা উপস্থিত ছিলেন।

অবসরের ১০ বছর পর মহেন্দ্র সিংহ ধোনির বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ বীরেন্দ্র শেহবাগের। ভারতের প্রাক্তন ওপেনিং ব্যাটারের অভিযোগ, এক দিনের ক্রিকেট থেকে তাঁকে অবসর নিতে বাধ্য করেছিলেন মাহি। শচীন তেন্ডুলকর পাশে না থাকলে কয়েক বছর আগে খেলা ছাড়তে হত। এক দিনের ক্রিকেট থেকে অবসরের প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘‘২০০৭-০৮ মরসুমে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সিরিজ়ের প্রথম তিনটে ম্যাচ খেলেছিলাম। তার পর ধোনি আমাকে বাদ দিয়ে দেয়। তার পর বেশ কয়েকটা ম্যাচে আমাকে খেলানো হয়নি। একটা সময় মনে হল, আমাকে বোধহয় আর প্রথম একাদশে রাখা হবে না। ওই পরিস্থিতির পর আর এক দিনের ক্রিকেট চালিয়ে যাওয়ার কোনও অর্থ খুঁজে পাইনি। আমি শচীন তেন্ডুলকরের কাছে গিয়েছিলাম। বলেছিলাম, এক দিনের ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার কথা ভাবছি। শচীন আমাকে বলে, ‘এক দম না। আমিও ১৯৯৯-২০০০ মরসুমে এ রকম সময়ের মধ্যে দিয়ে গিয়েছি। তখন আমারও মনে হত, ক্রিকেট ছেড়ে দিই। খারাপ সময়টা যেমন এসেছিল, তেমন চলেও গিয়েছিল। তোরও একটা কঠিন সময় যাচ্ছে। কেটে যাবে। আবেগের বশে কোনও সিদ্ধান্ত নিবি না। নিজেকে সময় দে। দু’একটা সিরিজ় দেখ না। তার পর সিদ্ধান্ত নিস।’ পরের সিরিজ়ে আবার সুযোগ পেয়েছিলাম। প্রচুর রান করেছিলাম। ফলে বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ পাই। বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য হই।’’ ২০০৮ সালে অস্ট্রেলিয়ায় ত্রিদেশীয় সিরিজ়ে ফর্মে ছিলেন না শেহবাগ। পাঁচটা ম্যাচ খেলে করেন ৮১ রান। ওই সিরিজ়ে ১০টা ম্যাচে গৌতম গম্ভীর করেছিলেন ৪৪০ রান। শচীন করেছিলেন ৩৯৯ রান। দলে প্রত্যাবর্তনের পর শেহবাগ ২০১২ পর্যন্ত খেলেছিলেন। ধোনির সহ-অধিনায়কও হয়েছিলেন। পরে আবার জাতীয় দল থেকে বাদ পড়ার পর ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলেন। জাতীয় দলে ফেরার পর ২০১৫ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles