Saturday, July 25, 2026

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

‌লোধা আইনে নতুন ক্রীড়া বিল? কোন নিয়মে বোর্ডের নির্বাচন? সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় অথবা তৃতীয় সপ্তাহে বিসিসিআইয়ের নির্বাচন?‌

জাতীয় ক্রীড়া বিল এখন আইন হওয়ার পথে। লোকসভার পর রাজ্যসভাতেও পাস। একবার সেটা হয়ে গেলে দেশের সমস্ত ক্রীড়া সংস্থা তার আওতায় চলে আসবে। ক্রীড়া বিলের নিয়ম-কানুন অনুযায়ী সমস্ত ক্রীড়া সংস্থাকে চলতে হবে। যার মধ্যে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডও রয়েছে। গণ্ডগোল বাঁধিয়েছে আসন্ন বোর্ড নির্বাচন। আগামী সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় কিংবা তৃতীয় সপ্তাহে যা হওয়ার কথা। কিন্তু সমস্যা সৃষ্টি করেছে জাতীয় ক্রীড়া বিল। এত দিন লোধা আইনে চলেছে ভারতীয় বোর্ড। কিন্তু জাতীয় ক্রীড়া বিল এলে তার আইন অনুযায়ী চলতে হবে। তাই এ মুহূর্তে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হল, বোর্ড নির্বাচন নিয়ে কী করবে? লোধা আইন অনুসারে তা আপাতত সম্পন্ন করে অপেক্ষা করবে জাতীয় ক্রীড়া বিল প্রয়োগ হওয়ার? তারপর আবার নির্বাচন করবে? নাকি ক্রীড়া বিল আইন হওয়ার পর একেবারে নির্বাচন করবে? বোর্ডমহলের খবর, আপাতত লোধা আইন অনুযায়ী নির্বাচন করার দিকে ঝুঁকে রয়েছে বোর্ড। তবে মন্ত্রকের সঙ্গেও সমান্তরাল ভাবে কথা চালাচ্ছেন বোর্ড কর্তারা। যদি মন্ত্রকের থেকে সবুজ সংকেত পেয়ে যায় বোর্ড, তা হলে লোধা আইনেই নির্বাচন সম্পন্ন করে ফেলবে। পরে ক্রীড়া বিল আইন হিসেবে প্রয়োগ হলে তখন আবার নির্বাচন হবে। তবে মন্ত্রক যদি অপেক্ষা করতে বলে, তা হলে সব সমীকরণ আবার বদলে যাবে। অতএব, কিছুটা হলেও ধোঁয়াশা রয়েছে। ধোঁয়াশা অবশ্য আরও আছে। যেমন, ক্রীড়া বিল প্রয়োগ হওয়ার পর পুনরায় নির্বাচন হলে, লোধা নিয়ম অনুযায়ী যাঁরা এখন পদাধিকারী নির্বাচিত হবেন, তাঁদের মেয়াদ কত দিনের হবে? কারণ ক্রীড়া আইন অনুযায়ী নির্বাচনের সময় লোধা মতে নির্বাচিত যাঁরা, তাঁদের কাউকে কাউকে তো সরেও যেতে হতে পারে। তা হলে? দ্বিতীয় ধোঁয়াশা, পদাধিকারী হওয়ার আইন নিয়ে। ক্রীড়া বিলে বলা রয়েছে, জাতীয় ক্রীড়া সংস্থার পদাধিকারী হতে গেলে তিনটে শর্তের যে কোনও একটা পূরণ করলেই চলবে। এক, প্রার্থীকে স্পোর্টসপার্সন অফ আউটস্ট্যান্ডিং মেরিট হতে হবে। দুই, এক্সিকিউটিভ কমিটিতে প্রার্থীকে একটা টার্ম চার বছর পূর্ণ করতে হবে। তিন, প্রার্থীকে তাঁর সংশ্লিষ্ট অনুমোদিত সংস্থায় প্রেসিডেন্ট, সেক্রেটারি জেনারেল কিংবা কোষাধ্যক্ষ হতে হবে। প্রশ্ন উঠছে, রাজ্য সংস্থার ক্ষেত্রে তাহলে কী হবে? রাজ্য ক্রিকেট সংস্থার অনুমোদিত সংস্থা অ্যাফিলিয়েটেড ইউনিট যারা, তাদের প্রেসিডেন্ট, সেক্রেটারি জেনারেল বা কোষাধ্যক্ষ কি সরাসরি রাজ্য ক্রিকেট সংস্থার পদপ্রার্থী হতে পারবেন? তৃতীয়ত, প্রশাসনিক পদ। জাতীয় ক্রীড়া বিলে তিনটে পদের কথা উল্লেখ করা রয়েছে। প্রেসিডেন্ট। সেক্রেটারি জেনারেল। এবং কোষাধ্যক্ষ। কিন্তু বর্তমানে তার চেয়ে বেশি পদ রয়েছে রাজ্য ক্রিকেট সংস্থাগুলোয়। অনেক ক্রিকেট সংস্থা ভবিষ্যতে সদস্যদের কথা ভেবে যথেষ্ট সংখ্যক ভাইস প্রেসিডেন্ট রাখতে ইচ্ছুক। সেই সমস্ত পদের কার্য ক্ষমতা না থাকলেও। কিন্তু শোনা যাচ্ছে, জাতীয় ক্রীড়া বিল প্রয়োগের পর সর্বোচ্চ তিন থেকে পাঁচ পদ রাখা যাবে। হয় বিলে যে তিন পদের কথা উল্লেখ করা রয়েছে, সেই তিন। না হলে ক্রিকেট সংস্থার বর্তমান ‘বাই ল’জ’ অনুযায়ী। অর্থাৎ, ক্রিকেট সংস্থায় সর্বোচ্চ পাঁচ পদ থাকার সম্ভাবনা।

‘বিগ বস’এ দেখা যাবে অনয়া বঙ্গারকে। রূপান্তরিত ক্রীড়াবিদ হিসাবে রিয়্যালিটি শোয়ে যোগ দেবেন ভারতের প্রাক্তন অলরাউন্ডার সঞ্জয় বঙ্গারের কন্যা। লিঙ্গ পরিবর্তনের পর থেকে নানা কটাক্ষ, কুপ্রস্তাব সহ্য করতে হয়েছে অনয়াকে। ক্রিকেটের ২২ গজ ছেড়ে এ বার তিনি নামছেন ‘বিগ বস’এর লড়াইয়ে। ১০ মাসের প্রক্রিয়া শেষে আরিয়ান থেকে অনয়া হয়েছেন। জীবনের নানা ঘাত-প্রতিঘাত পেরিয়ে নিজের নতুন পরিচিতি তৈরি করতে পেরেছেন ২৪ বছরের অনয়া। লিঙ্গ পরিবর্তনের সময় থেকে নানা সমস্যার মোকাবিলা করতে হয়েছে তাঁকে। ভারতীয় দলের প্রাক্তন সহকারী কোচের সন্তানের অভিযোগ, এক সময় তাঁকে নগ্ন ছবি পাঠাতেন বিভিন্ন ক্রিকেটার। কুপ্রস্তাবও দিতেন। লিঙ্গ পরিবর্তনের ফলে ক্রিকেট থেকে নির্বাসিত অনয়া। ২৪ আগস্ট থেকে শুরু হতে যাওয়া ‘বিগ বস’এ দেখা যাবে অনয়াকে। সমাজমাধ্যমের পরিচিত মুখ হিসাবে তাঁকে বেছে নেওয়া হয়েছে। তিনি যোগ দিলে ‘বিগ বস’ আলাদা মাত্রা পাবে বলে মনে করছেন নির্মাতারা। নতুন চ্যালেঞ্জ সামলাতে হবে অনয়াকে। পেশাগত কারণে বর্তমানে ইংল্যান্ডে থাকেন অনয়া। বাবার মতোই ক্রিকেটার হতে চেয়েছিলেন বাঁহাতি ব্যাটার। খেলেন মুম্বইয়ের ইসলাম জিমখানার হয়ে। লেস্টারশায়ারের হিঙ্কলি ক্রিকেট ক্লাবের হয়েও খেলেছেন লিঙ্গ পরিবর্তনের আগে। ভারতীয় দলের অন্যতম সদস্য সরফরাজ খানের ঘনিষ্ঠ বন্ধু অনয়া। লিঙ্গ পরিবর্তনের পরও তাঁদের বন্ধুত্ব আগের মতোই রয়েছে। ২০২৩ সালের নভেম্বরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা আইসিসি জানায়, রূপান্তরিতদের মহিলা ক্রিকেটে অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়া হবে না। আপাতত ক্রিকেট থেকে দূরে।

দুই দশক পর ক্লাব কোচিং থেকে ‘অবসর’এর সিদ্ধান্ত মুনায়েমের? ময়দানের পোড়খাওয়া এই ক্রিকেট কোচ এবার আর কোনও ক্লাবের দায়িত্ব নেননি। দরজায় কড়া নাড়ছে ময়দানি ক্লাব ক্রিকেটের নতুন মরশুম। দল গোছানোর কাজ অনেকটাই করে ফেলেছে ছোট থেকে বড় প্রায় সব ক্লাবই। যে কাজে অন্যতম প্রধান ভূমিকা থাকত দলের হেডকোচের। গত দু’দশক যে কাজ নিষ্ঠার সঙ্গে করে এসেছেন আবদুল মুনায়েম। এবার করছেন না। হয়তো ভবিষ্যতে আর করবেনও না। প্রায় দু’দশক পর ক্লাব কোচিং থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মুনায়েম। ময়দানের পোড়খাওয়া এই ক্রিকেট কোচ এবার আর কোনও ক্লাবের দায়িত্ব নেননি। বলছিলেন, “অন্তত চল্লিশ বছর আমি ক্রিকেটের সঙ্গে জড়িয়ে। প্রথমে কুড়ি বছর প্লেয়ার হিসাবে। পরের কুড়ি বছর কোচ হিসাবে। এবারই প্রথম, যে শীতকালে আমার তেমন কাজ থাকবে না। হয়তো ময়দানে ম্যাচ দেখব।” কোচিং ছাড়ছেন। তবে ক্রিকেট থেকে দূরে যাচ্ছেন না মুনায়ম। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ক্রিকেটারদের তুলে আনার কাজে আরও সময় দিতে চান। একটি অ্যাকাডেমির পূর্ণাঙ্গ দায়িত্বে রয়েছেন। শ্যামবাজারের আরও একটি নামী অ্যাকাডেমিতে উঠতি প্রতিভাদের কোচ হিসাবে দেখা যেতে চলেছে তাঁকে। কেন ময়দানের ক্লাব কোচিং ছাড়ছেন মুনায়েম? বলছিলেন, “দীর্ঘদিন ধরেই ক্লাব কোচিং করাচ্ছি। এখন আর মানসিকভাবে কানেক্ট করতে পারি না। তাছাড়া আমি রিজার্ভ ব্যাঙ্কের কর্মী। অফিসেও চাপ বেড়েছে। তাই এবার আর কোনও ক্লাবের দায়িত্ব নিলাম না। একটা-দু’টো ক্লাব বলেছিল। তবে না করে দিয়েছি।” হঠাৎ করে মানসিক দূরত্বের কারণ কি লুকিয়ে গত মরশুমের সিএবি লিগ ফাইনালে? ইডেনে যে ম্যাচে একাধিকবার মাঠে নামতে ও খেলতে অস্বীকার করেছিলেন মুনায়েমের কোচিংয়ে থাকা ইস্টবেঙ্গল ক্রিকেটাররা। অবশ্য সেই ম্যাচে দলের দায়িত্বে ছিলেন না তিনি। মুনায়েম অস্বীকার করছেন না সেই ম্যাচের প্রভাবের কথা। “আমার ছাত্ররা মাঠে নামতে চাইছে না, আমি ভাবতেও পারি না। তাছাড়া বড় ক্লাবে কোচিং করানোর ক্ষেত্রে পূর্ণ স্বাধীনতা পাওয়া যায় না। যেটা ভবানীপুরে সৃঞ্জয় বোস ও চিত্রক মিত্র আমাকে দিয়েছিলেন। যদিও ব্যক্তিগতভাবে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব বা দেবব্রত সরকারের সঙ্গে আমার সম্পর্ক খুবই ভালো,” অল্প কথায় অনেক জবাব যেন দিয়েই দিলেন মুনায়েম।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles