অপেক্ষা দীর্ঘদিনের। অপেক্ষার অবসান ঘটতে চলেছে। বড় আপডেট কলকাতা মেট্রো প্রসঙ্গে। সূত্রের খবর, আর দেরি নয়, স্বাধীনতা দিবসের পরেই শুরু হয়ে যাবে শিয়ালদহ-এসপ্ল্যানেড রুটে মেট্রো চলাচল। সূত্রের খবর, ২২ আগস্ট, ওই লাইনের মেট্রো চলাচলের উদ্বোধন করার সম্ভাবনা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। আপাতত ঠিক হয়ে রয়েছে তেমনটাই, খবর সূত্রের। একই সঙ্গে জানা গিয়েছে, কেবল এক রুটের নয়, ওইদিন নোয়াপাড়া থেকে জয়হিন্দ পর্যন্ত নবনির্মিত ইয়লো লাইন, হেমন্ত মুখাধায় থেকে বেলিয়াঘাটা পর্যন্ত অরেঞ্জ লাইন এবং গ্রিন লাইন ১ ও ২ অর্থাৎ শিয়ালদহ থেকে এসপ্ল্যানেড পর্যন্ত আন্তঃসংযুক্ত মেট্রো স্টেশনের উদ্বোধনের সম্ভাবনা প্রধানমন্ত্রীর হাতে। ওই দিনের অনুষ্ঠান প্রসঙ্গে ইতিমধ্যেই তৎপরতা শুরু হয়ে গিয়েছে সংশ্লিষ্ট বিভাগে। কর্মীদের জানানো হয়েছে কী কী করণীয় ওই বিশেষ দিনের জন্য। আগস্ট মাসেই যে প্রধানমন্ত্রী খোদ শিয়ালদহ-এসপ্ল্যানেড রুটে মেট্রো চলাচলের উদ্বোধন করতে পারেন, সেই জল্পনা ছিলই গত কয়েকদিন ধরেই। ২০২৪ সালেই সূচনা হয়ে গিয়েছে গঙ্গার তলায় মেট্রো চলাচল। অন্যদিকে মেট্রো ছুটছে শিয়ালদহ থেকে এসপ্ল্যানেড পর্যন্ত। তাতে বহু মানুষের দৈনন্দিন যাতায়াতের সুবিধা হয়েছে। তবে বউবাজার অংশে নানা সমস্যার কারণে দীর্ঘকাল থমকে ছিল ওই অংশের কাজ। তবে এবার শিয়ালদল-এসপ্ল্যানেড লাইনের উদ্বোধন হয়ে গেলে, হাওড়া ময়দান থেকে সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত মেট্রোতেই যাতায়াত করতে পারবেন যাত্রীরা।
দূষণমুক্ত ট্রেন চলবে দেশে! এবার আসছে সুপারফাস্ট হাইড্রোজেন ট্রেন। ঘন্টায় যার গতিবেগ ১৬০ কিমি। সবচেয়ে খুশির খবর হল, ট্রেনটি ইতিমধ্যেই তৈরি হয়ে গিয়েছে। হয়েছে ট্রায়াল রানও। নয়া সেই হাইড্রোজেন ট্রেনের ফার্স্ট লুক দেশবাসীর কাছে প্রকাশ্যে এনেছেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। সুন্দর একটি ভিডিও এক্স হ্যান্ডেলে দেশবাসীকে উপহার দিয়েছেন। বিশ্বের পঞ্চম দেশ হিসেবে হাইড্রোজেন ট্রেন চালানোর গৌরব অর্জন করবে ভারতবর্ষ। চেন্নাইয়ের ইন্টিগ্রাল কোচ ফ্যাক্টরিতে যেখানে এই ট্রেনটি তৈরি হয়েছে। সেখানেই ট্রায়াল রানও সম্পূর্ণ। এবার শুধু অপেক্ষা কবে সেই অত্যাধুনিক ট্রেন আমজনতার পরিষেবার জন্য আনবে রেল। এবার বিষয়টা হচ্ছে দেশের অন্যান্য ট্রেনের তুলনায় ঠিক কতটা আলাদা এই হাইড্রোজেন রেল? এই নতুন ট্রেন যে ডিজেল কিংবা বিদ্যুতের দ্বারা চলবে না সেটা নিশ্চয় এর নাম শুনেই বুঝতে পারছেন। ডিজেল এবং ইলেকট্রিক দু’টির মাল্টিপল ইউনিট রেকেই এই হাইড্রোজেন সেলকে যুক্ত করা হয়েছে। পরিবেশ রক্ষায় এটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। কারণ, হাইড্রোজেন ভিত্তিক জ্বালানি পরিবেশ বান্ধব। তাই বাতাসে ‘বিষ’ ছড়ানোর সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। প্রসঙ্গত, হরিয়ানার জিন্দে অবস্থিত ইলেকট্রোলাইজার থেকে পলিমার ইলেকট্রোলাইট মেমব্রেনের মাধ্যমে ১ মেগাওয়াট হাইড্রোজেন জ্বালানি পাঠানো হবে। তা দিয়েই উৎপাদিত হবে ৪৩০কেজি হাইড্রোজেন। ট্রেনের দুই প্রান্তে থাকবে অভিনব এই হাইড্রোজেন ইঞ্জিন। প্রতি ঘন্টায় এই ট্রেনের গতি হতে চলেছে কমবেশি ১৬০ কিমি। অতএব গতির নিরিখে ১২০০ হর্সপাওয়ারের এই নয়া ট্রেন বন্দে ভারতকে পিছনে ফেলে দেবে। এক একটি ট্রেন তৈরি করতে খরচ হয়েছে প্রায় ৮০ কোটি টাকা। আপাতত, ৭০ কোটি টাকা হাইড্রোজেন ট্রেনের ট্র্যাক তৈরিতে খরচ করা হবে। দেশে পর্যটনকে নয়া দিশা দেখাবে হাইড্রোজেন ট্রেন। অন্তত এমনটাই দাবি করছেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। রাজ্যসভায় তিনি জানিয়েছিলেন, ‘হাইড্রোজেন ফর হেরিটেজ’-এর উদ্যোগে গোটা দেশে সবমিলিয়ে ৩৫টি হাইড্রোজেন ট্রেন চালানো হবে। পাইলট প্রজেক্টে আপাতত হরিয়ানার জিন্দ থেকে সোনিপত পর্যন্ত চলবে এই ট্রেন। পরে আরও বিভিন্ন রুটে হাইড্রোজেন ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে ভারতীয় রেলের। নতুন হাইড্রোজেন ট্রেনে যাত্রী স্বাচ্ছন্দের বিষয়টিতে যথেষ্ট নজর দিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। ২৬৩৮টি আধুনিক স্টাইলের আসন থাকবে এই ট্রেনে। প্রতি ট্রেনে ৮টি কোচ থাকবে। পাশাপাশি নিরাপত্তার জন্য প্রতি কম্পার্মেন্টে থাকবে একাধিক সিসিটিভি ক্যামেরা।




