১ আগস্ট ইস্টবেঙ্গল দিবস। এ বছর ইস্টবেঙ্গলের ভারত গৌরব সম্মান পাচ্ছেন কিংবদন্তি হকি তারকা পি আর শ্রীজেশ। র্রাক্তন ভারত অধিনায়কের পর সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের পর এই সম্মান পাচ্ছেন ভারতীয় হকি দলের প্রাক্তন অধিনায়ক। জাঁকজমক করে পালিত হবে ইস্টবেঙ্গলের প্রতিষ্ঠা দিবস। বর্ষসেরাদের পুরস্কৃত করা হবে। শ্রীজেশ হলেন পরাত্তু রবীন্দ্রন শ্রীজেশ। ভারতীয় হকির সেরাদের মধ্যে তিনি অন্যতম। টোকিওর পর প্যারিস–টানা দুই অলিম্পিকে দেশের হয়ে জিতেছেন ব্রোঞ্জ পদক। শেষবার টানা দুই অলিম্পিকে ভারতীয় হকি দল পদক জিতেছিল ৫২ বছর আগে, মেক্সিকো সিটি ১৯৬৮ এবং মিউনিখে ১৯৭২। ভারত যে কীর্তি গড়েছে তার নেপথ্যে রয়েছে শ্রীজেশের হ্যান্ড অফ গড। শ্রীজেশ রয়েছেন ভারতীয় দলের কোচিংয়ের দায়িত্বে। পদ্মভূষণ পেয়েছেন। ইস্টবেঙ্গল তাঁকে ভারত গৌরব সম্মানে সম্মানিত করতে চলেছে। ১ আগস্ট ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে একাধিক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। ভারত গৌরব ও জীবনকৃতী সম্মানের পাশাপাশি বর্ষসেরা ফুটবলার এবং ক্রিকেটাররা সম্মানিত হবেন। এ বছর জীবনকৃতি সম্মান পাচ্ছেন প্রাক্তন অধিনায়ক সত্যজিত মিত্র ও মিহির বসু। বর্ষসেরা ফুটবলারের সম্মান পাবেন শৌভিক চক্রবর্তী ও সৌম্যা গুগুলথ। সেরা উদীয়মান ফুটবলার হচ্ছেন পিভি বিষ্ণু। বর্ষসেরা ক্রিকেটার হিসাবে সম্মান পাবেন কনিষ্ক শেঠ। সেরা কোচ হিসাবে পিকে ব্যানার্জি স্মৃতি সম্মান পাবেন সঞ্জয় সেন ও অ্যান্টনি অ্যান্ড্রু। এ ছাড়া সেরা রেফারি হিসাবে সম্মান পাবেন করুণা চক্রবর্তী ও কার্তিক ইন্দু। ‘প্রাইড অফ বেঙ্গল’ স্বীকতি দেওয়া হবে ইস্টবেঙ্গল ও ভারতীয় মহিলা দলের ফুটবলার সঙ্গীতা বাসফোরকে। গ্র্যান্ডমাস্টার দাবাড়ু আরণ্যক ঘোষকেও সংবর্ধনা জানানো হবে। ইস্টবেঙ্গল দিবসের মূল অনুষ্ঠান হবে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস ও মেয়র ফিরহাদ হাকিম। এ ছাড়াও একাধিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি মনোময় ভট্টাচার্য্যের আয়োজন করা হয়েছে।
মরক্কোর জাতীয় দলের স্ট্রাইকার হামিদ আহদাদ। এক বছরের চুক্তিতে সই করলেন ইস্টবেঙ্গলের ষষ্ঠ বিদেশি। কর্তাদের আশা, আহদাদ লাল-হলুদ সমর্থকদের প্রত্যাশা পূরণ করবেন। আক্রমণ ভাগের শক্তি আরও বাড়িয়ে নিল ইস্টবেঙ্গল। মরক্কোর ৩০ বছরের আহদাদ সেন্টার ফরোয়ার্ড এবং উইঙ্গার পজিশনে খেলতে পারেন। আহদাদকে পেয়ে খুশি ইস্টবেঙ্গল কোচ অস্কার ব্রুজ়ো। তিনি বলেছেন, ‘‘আহদাদ মূলত সেন্টার ফরোয়ার্ড হলেও লেফট উইংয়ে খেলতে পারে। অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার হিসাবেও ব্যবহার করা যাবে। গোল করার দক্ষতা দুর্দান্ত। মরক্কো এবং মিশরের একাধিক শীর্ষস্তরের ক্লাবে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। আন্তর্জাতিক ফুটবলের অভিজ্ঞতাও রয়েছে। আহদাদ যোগ দেওয়ায় আমরা লাভবান হব।’’ লাল-হলুদ শিবিরে যোগ দিয়ে উচ্ছ্বসিত আহদাদ বলেন, ‘‘এই ক্লাব সম্পর্কে অনেক কিছু শুনেছি। শতবর্ষ প্রাচীন এমন একটা ক্লাবে যোগ দিতে পারা আমার জন্য সম্মানের। আমি জ়ামালেক এফসির হয়ে খেলেছি। ডার্বি কী জিনিস জানি। ডার্বির চাপ, উত্তেজনা সম্পর্কে ধারণা রয়েছে। আশা করি কলকাতা ডার্বিও উপভোগ করব। ডার্বি খেলার অপেক্ষায় রয়েছি। এশিয়ার অন্যতম বড় ডার্বি। ক্লাব এবং সমর্থকদের জন্য নিজের সেরাটা দিতে চাই। যত বেশি সম্ভব ট্রফি জিততে চাই।’’




