Thursday, July 23, 2026

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

কলকাতা লিগে ডার্বির দায়িত্বে ভিনরাজ্যের রেফারি!‌ মহমেডান স্পোর্টিং এখনও স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে অক্ষম?‌

কল্যাণীতে কলকাতা লিগের বড় ম্যাচ। মরশুমের প্রথম ডার্বিতে নামার চাপে ইস্টবেঙ্গল। লিগে চার ম্যাচে মাত্র পাঁচ পয়েন্ট পেয়েছে। ডার্বিতে নামবে শেষ ম্যাচ হেরে। সেখানে পাঁচ ম্যাচে দশ পয়েন্ট পাওয়া মোহনবাগান মাঠে নামবে জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়ে। মর্যাদার লড়াইয়ে সিনিয়র দলের উপরই ভরসা রাখছে ইস্টবেঙ্গল। এমনিতে লিগে এখন রিজার্ভ দল খেলায় দুই প্রধানই। লিগে পরপর তিন ম্যাচে পয়েন্ট নষ্ট করার পর রিজার্ভ দলের কোচ বিনো জর্জ জানান, দলের হাল শুধরে নেওয়ার জন্য সিনিয়র স্কোয়াড থেকে প্লেয়ার চাইবেন। প্রভাত লাকড়ার মতো সিনিয়র দলের সদস্যকে দেখা গিয়েছে লাল-হলুদ জার্সিতে। জেসিন টিকে, তন্ময় দাস, সুমন দে’র মতো ফুটবলাররাও এখন প্র্যাকটিস করেন সিনিয়র দলের সঙ্গেই। ডার্বির জন্য তাঁদের সঙ্গে সিনিয়র দলের জনা পাঁচেক ফুটবলারকেও নথিভুক্ত করিয়েছে ইস্টবেঙ্গল। তাঁরা হলেন দেবজিৎ মজুমদার, ডেভিড লালহানসাঙ্গা, এডমুন্ড লালরিনডিকা, মার্তণ্ড রায়না, লালরামসাঙ্গা এবং মার্ক জোথানপুইয়া। রামসাঙ্গা ও মার্ক দু’জন বৃহস্পতিবার রিজার্ভ দলের অনুশীলনেও ছিলেন। দেবজিৎ, ডেভিড, এডমুন্ড ও মার্তণ্ড বুধবার ডুরান্ডের প্রথম ম্যাচে লাল-হলুদের প্রথম একাদশে ছিলেন। ফলে এদিন ছুটি দেওয়া হয়েছিল তাঁদের। শুক্রবার সকালে ডার্বির শেষ প্রস্তুতি সারবে ইস্টবেঙ্গল। সেখানে দেখা যেতে পারে এই চার ফুটবলারকে। প্রাথমিকভাবে পিভি বিষ্ণুকেও ডার্বির আগে কলকাতা লিগের দলে নথিভুক্ত করার ভাবনা ছিল লাল-হলুদের। তবে ডুরান্ড কাপের প্রথম ম্যাচে চোট পাওয়ায় আপাতত মাঠের বাইরে তিনি। কেরল থেকে আশিক নামে এক স্ট্রাইকারকে কোচ বিনো নিয়ে এলেও ডার্বির আগে তাঁকে নথিভুক্ত করা হয়নি। শনিবাসরীয় ডার্বিতে মোহনবাগানের জার্সিতেও সিনিয়র দলের কয়েকজনকে দেখা যেতে পারে। কিয়ান নাসিরি, সুহেল ভাট, দীপেন্দু বিশ্বাস, গ্লেন মার্টিন্স ও অভিষেক সূর্যবংশীর নাম লিগের দলে নথিভুক্ত করিয়েছে সবুজ-মেরুন। কিয়ান, সুহেল, দীপেন্দু ও গ্লেন সপ্তাহখানেক ধরেই রিজার্ভ দলের সঙ্গে অনুশীলন করছেন। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও ম্যাচ খেলেননি তাঁরা। অভিষেক বৃহস্পতিবার অনুশীলন করেন সিনিয়র দলের সঙ্গেই। কলকাতা লিগের ডার্বি পরিচালনার দায়িত্বে থাকছেন ভিনরাজ্যের রেফারি। দক্ষ হাতে ডার্বি করার মতো রেফারি নেই বাংলায়। যাঁরা আছেন, আপাতত ব্যস্ত ডুরান্ড কাপ নিয়ে। প্রিমিয়ার ডিভিশনের ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত থাকায় এই ডিভিশনে ম্যাচ পরিচালনা করছেন না রেফারি প্রাঞ্জল বন্দ্যোপাধ্যায়ও। অনভিজ্ঞ স্থানীয় রেফারির হাতে ডার্বির দায়িত্ব দিতে নারাজ আইএফএ। ফলে রেফারি নিয়ে আসা হচ্ছে ভিন রাজ্য থেকে। রেফারিং দলের বাকি তিন সদস্য স্থানীয়।

কলকাতা লিগের বড় ম্যাচ। পাঁচ ম্যাচে দশ পয়েন্ট পাওয়া মোহনবাগান আত্মবিশ্বাসে ভরপুর হয়ে মাঠে নামবে। চার ম্যাচে মাত্র পাঁচ পয়েন্ট পেয়েছে ইস্টবেঙ্গল। যদিও এসব পরিসংখ্যান ডার্বিতে খাটে না। বড় ম্যাচের আগে তাই সতর্ক হয়ে মাঠে নামতে চাইছে দুই দলই। ডার্বি জিতে শীর্ষে ওঠাই লক্ষ্য সবুজ-মেরুন কোচ ডেগি কার্ডোজার। অন্যদিকে, সমর্থকদের কথা ভেবে জয় পেতে মরিয়া ইস্টবেঙ্গল কোচ বিনো জর্জ। বাগান কোচ বলেন, “আমাদের প্রস্তুতি ভালো হয়েছে। আমরা খেলছিও ভালো। কলকাতা লিগে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ জিতে পয়েন্ট টেবিলের তৃতীয় স্থানে রয়েছি। ডার্বিতে আমরা বেশ কিছু সিনিয়র ফুটবলারকেও পাব। দীপেন্দু বিশ্বাস, সুহেল ভাট এবং কিয়ান নাসিরিকে আমরা কাল খেলাব। এটা আমাদের জন্য প্লাস পয়েন্ট। তরুণ ফুটবলারদের কাছে যা অনুপ্রেরণার।” ইস্টবেঙ্গল কোচ বিনো জর্জ জানিয়েছিলেন, দলের হাল শুধরে নেওয়ার জন্য সিনিয়র স্কোয়াড থেকে প্লেয়ার রাখবেন তিনি। এবার লিগে প্রভাত লাকড়ার মতো সিনিয়র দলের সদস্যকে দেখা গিয়েছে লাল-হলুদ জার্সিতে। তাছাড়া জেসিন টিকে, তন্ময় দাস, সুমন দে’র মতো ফুটবলাররাও এখন প্র্যাকটিস করেন সিনিয়র দলের সঙ্গেই। ডার্বির জন্য তাঁদের সঙ্গে সিনিয়র দলের জনা পাঁচেক ফুটবলারকেও নথিভুক্ত করিয়েছে ইস্টবেঙ্গল। তাঁরা হলেন দেবজিৎ মজুমদার, ডেভিড লালহানসাঙ্গা, এডমুন্ড লালরিনডিকা, মার্তণ্ড রায়না, লালরামসাঙ্গা এবং মার্ক জোথানপুইয়া। এই প্রসঙ্গে মোহনবাগান কোচ বলেন, “বিপক্ষকে নিয়ে নয়, নিজেদের দল নিয়ে ভাবতে চাই। তিন পয়েন্টের লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামব। ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠতে চাই আমরা।” বিনো জর্জ বলেন, “ডার্বি তো একটা যুদ্ধের মতো৷ যেখানে জয় ছাড়া আর কিছু ভাবতে চাই না। যে কোনও মূল্যে জিততে চাইছি। ফুটবলাররা পরিস্থিতি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল। সমর্থকদের কাছে ডার্বির গুরুত্ব অপরিসীম। ওরা জয়ের আনন্দে হাসে। পরাজয়ে কাঁদে। তাঁদের কথা মাথায় রেখে জয়ের জন্য ঝাঁপাতে হবে।” লাল-হলুদ শিবিরে আরও একটা ভালো খবর হল, দলে কোনও চোট সমস্যা নেই। প্রাথমিকভাবে পিভি বিষ্ণুকেও ডার্বির আগে কলকাতা লিগের দলে নথিভুক্ত করার ভাবনা ছিল লাল-হলুদের। ডুরান্ড কাপের প্রথম ম্যাচে চোট পাওয়ায় আপাতত মাঠের বাইরে।

বেহাল অবস্থা মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের। রেনবোর কাছেও ১-২ গোলে হারতে হল সাদা-কালো ব্রিগেডকে। কলকাতা লিগের গত ম্যাচে ডায়মন্ড হারবারের কাছে ০-১ গোলে পরাজিত হয়েছিল। ম্যাচে মেহরাজউদ্দিন ওয়াডুর ছেলেরা জয়ের সরণিতে ফিরতে পারলেন না। হতাশ করলেন বৈদ্যনাথ মুর্মু, সজল বাগরা। নৈহাটি স্টেডিয়ামে শুরু থেকে খারাপ খেলেনি মহামেডান। রেনবোও ছেড়ে কথা বলেনি। প্রতিপক্ষের খেলার গতি বুঝে তারাও আক্রমণে উঠে আসছিল। যদিও প্রথমার্ধে কোনও পক্ষই কোনও গোল দিতে পারেনি। দুই দলই বিরতিতে যায় গোলশূন্য অবস্থায়। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই মহামেডানকে এগিয়ে দেন শিবা মাণ্ডি। অনবদ্য ক্রস বাড়িয়েছিলেন সাদা-কালো অধিনায়ক সজল বাগ। ৭৬ মিনিট পর্যন্ত এগিয়েই ছিল মহামেডান। কিন্তু এরপরেই পুরনো রোগে ভুগতে দেখা যায় সাদা-কালো ফুটবলারদের। রেনবোকে ৭৭ মিনিটে সমতায় ফেরান সৌভিক ঘোষাল। ৮২ মিনিটে রেনবোর হয়ে স্কোরলাইন দ্বিগুণ করেন অমরনাথ বাস্কে। মহামেডান কবে জয়ে ফিরবে? কেনই বা তাদের হাল এমন বেহাল? প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন সমর্থকরা। কলকাতা লিগের অপর ম্যাচে এরিয়ান ক্লাব ৩-১ গোলে হারিয়ে দিয়েছে সাদার্ন সমিতিকে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles