Wednesday, July 22, 2026

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

২১ জুলাই বিজেপির শহিদ দিবস খড়্গপুরে?‌ তৃণমূলের ২১-এর মঞ্চে থাকার জল্পনায় জল ঢাললেন দিলীপ!‌

২১-এর শহিদ মঞ্চে তিনি যোগ দেবেন ঠিকই, তবে তৃণমূল নয়, খড়গপুরে বিজেপির শহিদ সভায়। আশা ছিল টিএমসির। বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ ঘোষ ২১-এর মঞ্চে যোগ দিতে পারেন তৃণমূলে। বঙ্গ রাজনীতিতে তৃণমূলের অন্দরে শোনা যাচ্ছিল এমনই জল্পনা। খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যখন বাংলায় দিলীপ তখন দিল্লিতে। সেখান থেকে ফিরেই নব উদ্যমে মাঠে নামার বার্তা দিলেন বঙ্গ বিজেপির কাণ্ডারি। ১৯ জুলাই ঘোষণা করে দিলেন, ২১-এর শহিদ মঞ্চে তিনি যোগ দেবেন ঠিকই, তবে তৃণমূল নয়, খড়গপুরে বিজেপির শহিদ সভায়। শুক্রবার দুর্গাপুরে মোদির সভায় উপস্থিত থাকবেন বলে জানিয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, “দল না ডাকলেও বিজেপির সাধারণ কর্মী হিসাবে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সভায় উপস্থিত থাকবেন।” পরে সিদ্ধান্ত বদলান। বলেন, “আমাকে কর্মীরা ডেকেছিল তাই যাব বলেছিলাম। কিন্তু পার্টি হয়ত চায়নি আমি যাই সেই জন্য যাচ্ছি না।” বিশেষ কাজে দিল্লি যাওয়ার কথা জানান। দিল্লি থেকে ফিরে দিলীপ বলেন, “আমার মনে হল, আমি গেলে আমায় কোথায় রাখা হবে সেটা ঠিক করতে পারছে না। সে জন্য যাব না। সেই সময় মাননীয় সভাপতি নাড্ডা ডাকলেন, আমি দিল্লি চলে গেলাম।” দিল্লিতে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার সঙ্গে আলোচনা প্রসঙ্গে জানান, “রাজ্যের সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে কথা হয়েছে। সামনে বিধানসভা ভোট। তার সংগঠন, প্রস্তুতি সবকিছু নিয়েই আমাদের কথা হয়েছে। উনি জানিয়েছেন, রাজ্যে ফিরে গিয়ে জোরদার লড়াই করুন।” বাংলায় কর্মসূচিরও ঘোষণায় দিলীপ ঘোষ বলেন, “বাংলায় প্রায় আড়াইশো কর্মী তৃণমূলের হিংসার বলি। ২১ জুলাই খড়গপুরে শহিদ স্মরণ দিবস পালন করে তাঁদের শ্রদ্ধা জানাব।” নিজের সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টেও ২১ জুলাইয়ের খড়গপুরের গিরি ময়দানে দুপুর ৩টেয় শহিদ স্মরণ দিবস পালনের ডাক দেন দিলীপ।

কলকাতা শহরে রবিবার ২১ জুলাই তৃণমূল কংগ্রেসের শহিদ স্মরণ দিবস। সেই উপলক্ষে ধর্মতলায় তৈরি হচ্ছে বিশাল মঞ্চ। ‘অমর একুশে জুলাই’-এর ডাক দিয়ে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে তৃণমূল কংগ্রেসের ‘ধর্মতলা চলো’ কর্মসূচি আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে যুদ্ধকালীন তৎপরতায়। প্রধান বক্তা দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ১৯৯৩ সালের শহিদদের স্মরণে আয়োজিত এই রাজনৈতিক সমাবেশে রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে আসবেন তৃণমূল কর্মী ও সমর্থকরা। কলকাতা শহরের বেশ কিছু এলাকায় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ এবং যান চলাচলে বড়সড় বদল আনতে চলেছে কলকাতা পুলিশ। বড় জমায়েতকে কেন্দ্র করে কলকাতা ট্রাফিক পুলিশ ইতিমধ্যেই একটি বিস্তারিত পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। ধর্মতলায় ২১ জুলাই ২০২৫, রবিবার সকাল থেকে শুরু হয়ে দুপুর পর্যন্ত চলবে সভা। ধর্মতলা, এসপ্ল্যানেড, চৌরঙ্গী রোড, রানি রাসমণি অ্যাভিনিউ, বিবাদিবাগ সহ সংলগ্ন রাস্তাগুলি ভোর থেকেই বন্ধ। চৌরঙ্গি রোড, রানি রাসমণি অ্যাভিনিউ, ধর্মতলা স্ট্রিট, বিবাদিবাগ নর্থ ও সাউথ, লেনিন সরণি এসপ্ল্যানেড সংলগ্ন অংশ, ডালহৌসি সংলগ্ন রাস্তা। বিকল্প রুট বলতে যান চলাচলকে ঘুরিয়ে দেওয়া হবে পার্ক স্ট্রিট, সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ, রাজা সুবোধ মল্লিক স্কোয়ার, মৌলালি, বিধান সরণি, বিজয় চন্দ্র রোড, এন্টালি-সহ একাধিক রাস্তায়। বড় সমাবেশ এবং শহরের প্রাণকেন্দ্রে বিশাল জনসমাগম হবে, তাই মেট্রো রেল-এর কিছু নির্দিষ্ট গেট বন্ধ রাখা হতে পারে। এলিয়ট রোড ও পার্ক স্ট্রিট গেট সাময়িকভাবে বন্ধ। মেট্রোর সময়সূচি স্বাভাবিক থাকবে, তবে ভিড় এড়াতে ভোর থেকেই অতিরিক্ত ট্রেন চালানো হতে পারে। বাস, মিনিবাস, অটো, ট্যাক্সি পরিষেবাতেও প্রভাব পড়বে। রুট ঘুরিয়ে দেওয়ার ফলে অনেক যাত্রাপথে সময় বেশি লাগবে। নিরাপত্তার ব্যবস্থাও তুঙ্গে। কলকাতা পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, এই শহিদ দিবসের অনুষ্ঠান ঘিরে রাজ্যজুড়ে প্রায় ৫০,০০০-এর বেশি তৃণমূল কর্মী আসবেন বলে অনুমান। শহরের বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে থাকবে সিসিটিভি নজরদারি, ড্রোন ক্যামেরা। ট্রাফিক ম্যানেজমেন্টের জন্য মোতায়েন করা হচ্ছে অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী। তৈরি কুইক রেসপন্স টিম ও কন্ট্রোল রুম। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে শেষ একুশ জুলাই। গুরুত্ব বেশি। তোড়জোড়ও তুঙ্গে। মঞ্চ প্রস্তুত। ধর্মতলায় ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে তৈরি মঞ্চে বসতে পারবেন একসঙ্গে প্রায় ৬০০ জন। একুশে জুলাই সমাবেশের মূল মঞ্চটি হচ্ছে ত্রিস্তরীয় এবং আড়ে-বহরে অনেকটা বড়। ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে তিন ধাপে তৈরি মঞ্চে বসবেন শীর্ষ নেতৃত্ব, অতিথি, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, শহিদ পরিবারের সদস্যরা। প্রথম মঞ্চটি মাটি থেকে ১১ ফুট উঁচু, দ্বিতীয় ও তৃতীয়টির উচ্চতা যথাক্রমে ১২ ও ১৩ ফুট। মঞ্চের দৈর্ঘ্য ৮০ ফুট, প্রস্থ ৪২ ফুট। গোটা মঞ্চ ঘিরে ফেলা হবে দলীয় পতাকা তেরঙ্গার রঙে। তিনটি মঞ্চের প্রথমটিতে থাকবেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের প্রথম সারির শীর্ষ নেতারা। দ্বিতীয় মঞ্চে থাকবেন শহিদ পরিবারের সদস্যরা। তৃতীয়ভাগে থাকবেন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা। সোমবার কলকাতায় বিক্ষিপ্ত ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও মঞ্চ ঘেরা হচ্ছে না, খোলাই থাকছে। বিগত বছরগুলিতে এই দিনে বৃষ্টিতে ভিজেই বক্তব্য রাখতে দেখা গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। গোটা সমাবেশ দলের সোশাল মিডিয়া পেজে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। শহরজুড়ে থাকছে একাধিক জায়েন্ট স্ক্রিন। পার্ক স্ট্রিট, এসপ্ল্যানেড চত্বরে ১৫টি জায়েন্ট স্ক্রিনে পথচলতি মানুষজনও সমাবেশের সাক্ষী থাকতে পারবেন। সমাবেশ শান্তিপূর্ণ করতে ১০০০ স্বেচ্ছাসেবক থাকবেন।

২১ জুলাই যানজটের জন্য মানুষ বিরক্ত!‌ তৃণমূলের সভাস্থল আগামী বছর থেকে ধর্মতলার রাস্তাজুড়ে হবে না, জানিয়েছে হাই কোর্ট। বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের নির্দেশ। এই সভা নিয়ে আমি কিছু শর্ত দেব। শেষ সময়ে কর্মসূচির জায়গা বদলাব না। আগামী বছর থেকে শহিদ মিনার, ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ড বা অন্য কোথাও সভা করা যায় কি না, সেটা আপনাদের ভাবতে হবে। ২১ জুলাই। সকাল ৯টা থেকে ১১টা। মধ্য কলকাতায় যেন যানজট না-হয়! পুলিশকে নিশ্চিত করতে বলল হাই কোর্ট। কলকাতা হাই কোর্ট যাওয়ার রাস্তা, মধ্য কলকাতা এবং আশপাশের ৫ কিমি এলাকায় কোনও যানজট না হয়। কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে নিশ্চিত করতে হবে। কলকাতা পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছে হাই কোর্ট। তৃণমূলের কর্মসূচির দিনে শহরে যান নিয়ন্ত্রণে নির্দেশ দিল কলকাতা হাই কোর্ট। সকাল ৮টা পর্যন্ত মিছিল করা যাবে। সকাল ৯টার মধ্যে মিছিল যেখানে থাকবে, সেখানেই রাশ টানতে সেটল ডাউন হবে। পুলিশকে নিশ্চিত করতে হবে যাতে, সকাল ৯টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত শহরে কোনও যানজট না হয়। বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের নির্দেশ, কলকাতা হাই কোর্ট যাওয়ার রাস্তা, মধ্য কলকাতা এবং তার আশপাশের ৫ কিলোমিটার এলাকায় কোনও যানজট যাতে না-হয়, কলকাতার পুলিশ কমিশানরকে তা নিশ্চিত করতে হবে। কলকাতা পুলিশের অধীনে থাকা এলাকার জন্য এই নির্দেশ দিয়েছে হাই কোর্ট। ২১ জুলাই বেলা ১১টার পরে আবার মিছিল যেমন যায়, তেমন যাবে বলেই জানিয়েছে আদালত।

অল ইন্ডিয়া লয়্যার্স ইউনিয়ন আলু মামলা করে। আইনজীবী শামিম আহমেদ সওয়াল করে বলেন, ‘‘২১ জুলাইয়ের কর্মসূচির বিরোধিতা করছি না। বন্ধ করতেও বলছি না। ধর্মতলায় ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে ওই এলাকায় বছরের অন্য সময় ১৪৪ ধারা থাকে। কোনও রাজনৈতিক দলকে কর্মসূচি করতে দেওয়া হয় না। কারণ হিসেবে যানজট, ১৪৪ ধারার কথা জানানো হয়। তৃণমূলের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম হয়। ২১ জুলাইও যানজট হয়। ২১ জুলাই ছুটি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে রাজ্যে। ওই দিন ফেরি পরিষেবা বন্ধ। হাই কোর্টের বার অ্যাসোসিয়েশন রেজোলিউশন নিয়েছে ‘নো অ্যাডভার্স অর্ডার’। দু’পক্ষের আইনজীবী না-থাকলে নির্দেশ দেওয়া যাবে না। শহরের একটি স্কুল কর্তৃপক্ষ পড়ুয়াদের বলেছেন, স্কুলে আসার দরকার নেই। সিধো কানহু বিশ্ববিদ্যালয় পরীক্ষা পিছিয়ে দিয়েছে। রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল এজি কিশোর দত্ত এই মামলার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সওয়াল করেন, এই মামলা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে করা হয়েছে। কলকাতা পুলিশ যান নিয়ন্ত্রণের সব রকম ব্যবস্থা করেছে। যে রাস্তা বন্ধ, তার সমান্তরাল রাস্তা খোলা রাখা হচ্ছে। ৩ ঘণ্টার জন্য মালগাড়ি এবং ট্রাম চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। তাতে কোনও সমস্যা হবে না। আইনজীবীরা হাই কোর্টে আসবেন, সমস্যা হবে না। ট্র্যাফিক হেল্পলাইন চালু করা হয়েছে। কেউ সমস্যায় পড়লে ফোন করে সাহায্য চাইতে পারবেন। বিচারপতি বলেন, ‘‘কত লোক হবে বলে আশা করছেন? প্রশাসন নিশ্চয়ই জানবে, কত লোক হবে?’’ রাজ্যের আইনজীবী জানান, ১০ লক্ষের কাছাকাছি লোক হবে। বিচারপতি বলেন, ‘‘আপনার বক্তব্য রেকর্ড করব?’’ রাজ্যের আইনজীবী বলছেন, ‘‘এটা নতুন কিছু নয়।’’ বিচারপতি বলেন, ‘‘কলকাতার পুলিশ কমিশনার সরকারি কর্মচারী। তিনি কী কী পদক্ষেপ করছেন, তা স্পষ্ট করা দরকার। পরিস্থিতি যদি নিয়ন্ত্রণের বাইরে হয়, কী ভাবে নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হবে? আমহার্স্ট স্ট্রিট এবং কলেজ স্ট্রিট যদি বন্ধ হয়, তা হলে উত্তর কলকাতা স্তব্ধ হয়ে যাবে।’’

তৃণমূলের আইনজীবী জানান, এটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত মামলা। যাঁরা মামলা করেছেন, তাঁদের বামপন্থীদের কর্মসূচিতে দেখা গিয়েছে। ওই সংগঠনের সভাপতি রাজ্যসভার সাংসদ। তৃণমূলের আইনজীবী সওয়াল করে আরও জানান, এটা রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়। স্মরণসমাবেশ। মৃতদের পরিবারের সদস্যেরাও উপস্থিত থাকবেন। তাঁর সওয়াল, ‘‘২১ জুলাই কোর্টে আসতে আমি কোনও দিন বাধা পাইনি।’’ বিচারপতি বলেন, ‘‘মুচলেকা দিন যে, যানজট হবে না। পুলিশকে বলুন মুচলেকা দিয়ে জানাতে। পুজোয় খুব ভাল যান নিয়ন্ত্রণ হয় কলকাতায়। কলকাতা পুলিশ কি সেটা এখন করতে পারবে? পুলিশের উপর আমারও ভরসা রয়েছে। নিজের অর্ডারে আমি কলকাতা পুলিশকেই দায়িত্ব দিই।’’ এজি সওয়াল করে জানান, কলকাতা পুলিশের পরিচালনা ব্যবস্থা অনেক ভাল। অনেক শহরের পুলিশের থেকে ভাল। এখানে নবান্ন অভিযান, প্রধানমন্ত্রীর সভা হয়। তা-ও শহরে যান চলাচল মসৃণ থাকে। বিচারপতি জানান, এখনই মামলার নিষ্পত্তি করা হল না। আগামী দিনে সব পক্ষ হলফনামা দেবে। তৃণমূলের ২১ জুলাইয়ের কর্মসূচির কারণে মধ্য কলকাতায় যানজট তৈরি বলে অভিযোগ ওঠে। ধর্মতলায় কেন একটি দলকেই রাজনৈতিক কর্মসূচি করার অনুমতি দেওয়া হয়, এই প্রশ্ন তুলে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন কয়েক জন। বৃহস্পতিবার সেই মামলার শুনানি হয় বিচারপতি ঘোষের এজলাসে। হাই কোর্ট প্রশ্ন তোলে, রাস্তা বন্ধ করে কর্মসূচি কত দিন সহ্য করতে হবে? শুনানিতে বিচারপতি ঘোষের পর্যবেক্ষণ ছিল, “এই সভা নিয়ে আমি কিছু শর্ত দেব। শেষ সময়ে কর্মসূচির জায়গা বদলাব না। আগামী বছর থেকে শহিদ মিনার, ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ড বা অন্য কোথাও সভা করা যায় কি না, সেটা আপনাদের ভাবতে হবে।” বিচারপতির নির্দেশ, মধ্য কলকাতায় যানজট নিয়ন্ত্রণে রাখতে কলকাতা পুলিশকেই দায়িত্ব নিতে হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles