২৩ জুলাই শুরু ডুরান্ড কাপ। যুবভারতী স্টেডিয়ামে টুর্নামেন্টের উদ্বোধনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ডুরান্ডে বাংলা থেকে খেলবে চার দল। মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল, মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব এবং ডায়মন্ড হারবার এফসি। ২৩ জুলাই কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে শতাব্দী প্রাচীন এই ফুটবল টুর্নামেন্টের কিক অফ। প্রথম ম্যাচে নামতে চলেছে ইস্টবেঙ্গল। রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস জানান, ডুরান্ড কাপের উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী। মোট পুরস্কারমূল্য ১.২ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ৩ কোটি টাকা হয়েছে। গোল্ডেন বল, গোল্ডেন বুট, গোল্ডেন গ্লাভসজয়ীদের দেওয়া হবে এসইউভি। বিদেশি দল হিসাবে এবারের ডুরান্ডে খেলবে নেপাল ত্রিভুবন আর্মি আর মালয়েশিয়ার সেনা দল। প্রথমবার ডুরান্ডে খেলতে নামবে ডায়মন্ডহারবার এফসি, মালয়েশিয়া আর্মি, আইটিবিপি, সাউথ ইউনাইটেড, ওয়ান লাদাখ, নামধারী এফসি। টুর্নামেন্টের ম্যাচগুলি সম্প্রচার করবে সোনি স্পোর্টস। পাঁচ শহরের ছয় মাঠে খেলা হবে ডুরান্ড কাপ। কলকাতার যুবভারতী এবং কিশোরভারতী স্টেডিয়াম ছাড়াও কোকরাঝাড়, ইম্ফল, শিলং ও জামশেদপুরে খেলা হবে। বাংলার ক্রীড়া দপ্তরের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি রাজেশ কুমার সিনহা বলেন, “টানা ছ’বার ডুরান্ড আয়োজন করতে পেরে আমরা গর্বিত। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন সরকারের সব দপ্তর এই প্রতিযোগিতা আয়োজনে সবরকম সাহায্য করে। বাংলার ক্লাবগুলিকে শুভেচ্ছা।” টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী ২৪টি দলকে ছ’টি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে। গত বছর মোট ১২টি আইএসএল দল ডুরান্ডে অংশগ্রহণ করে। এবার ডুরান্ড খেলবে ছ’টি আইএসএল দল। মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল, নর্থইস্ট ইউনাইটেড, পাঞ্জাব এফসি, জামশেদপুর এফসি, মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। ডুরান্ড চ্যাম্পিয়নদের প্রেসিডেন্টস কাপ দেওয়া হবে রাষ্ট্রপতি ভবনে।

শ্রীভূমিকে হারাতে পারেনি ভবানীপুর। ডায়মন্ড হারবার এফসি’র কাছেও হার। উয়াড়ির বিরুদ্ধে ভবানীপুরের বিদ্যাসাগর, সামাদ, জোজো, রিকিরা জয়ী। ৩-০ গোলে উয়াড়িকে উড়িয়ে জয়ের সরণিতে ফিরল। লিগের অন্য ম্যাচে মহামেডান স্পোর্টিং পরাজিত খিদিরপুরের কাছে। প্রথমার্ধে উয়াড়িকে সামলাতে কিছুটা বেগ পেতে হয় ভবানীপুরকে। প্রতিপক্ষকে বুঝে একাধিকবার উয়াড়ির রক্ষণভাগে হানা চালায় আকাশি-সাদা বাহিনী। সুকুরাম সর্দার, বিদ্যাসাগর সিংরা সুযোগ তৈরি করলেও তা থেকে গোল হয়নি। প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্য অবস্থায়। দ্বিতীয়ার্ধের ৫৪ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন বিদ্যাসাগর। তিন মিনিট পর জোজোর গোলে ব্যবধান বাড়ায় ভবানীপুর। ৬১ মিনিটে ফের গোল করেন বিদ্যাসাগর। ৩-০ গোলে উয়াড়িকে হারিয়ে জয়ে ফেরে ভবানীপুর। লিগের অন্য ম্যাচে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে খিদিরপুরের বিরুদ্ধে জয়ের মুখ দেখল না সাদা-কালো বাহিনী। কার্ড সমস্যার জন্য পায়নি দলের অধিনায়ক দীনেশ মেইতেইকে। প্রথমার্ধে খেলার ফলাফল ছিল ১-১। দ্বিতীয়ার্ধে গোল হজম করে বসে মেহরাজউদ্দিন ওয়াডুর ছেলেরা। ৮২ মিনিটে সমতায় ফেরে মহামেডান। গোলের আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ৮৬ মিনিটে খিদিরপুরকে এগিয়ে দেন নওবা মেইতেই। হ্যাটট্রিক করেন। ২-৩ গোলে পরাজিত মহামেডান।




