Saturday, July 18, 2026

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

খুদেদের বদঅভ্যাস করান মা-‌বাবাই!‌ অনেক শিশুরা মোবাইল ছাড়া খেতে চায় না? স্বাস্থ্যে নজর রাখতে হবে

অনেক শিশুই মোবাইল ছাড়া খেতে চায় না। মোবাইলের প্রতি শিশুর আসক্তি। কম যান না মা-‌বাবাও!‌ বাবা-মায়ের হাতে সারা ক্ষণ ফোন। এদিকে খেতে বসলেই খুদের ফোন চাই? কিছু কৌশল মেনে চললেই বায়না কমবে তাদের। অনেকে আবার মোবাইলের কারণে পড়াশোনায় মন বসাতে পারে না। মোবাইলের প্রতি আসক্তি কাটাতে হবে শিশুদের। অভিভাবক সময় দেন না বলেই কিন্তু শিশুদের মোবাইলের প্রতি আকর্ষণ বাড়ে। ছ’ মাস বয়স থেকে যখন শিশু অল্প অল্প করে বুঝতে শেখে। তখনই সে লক্ষ করে, বাবা-মায়ের হাতে সারা ক্ষণ ফোন। শিশুকে দুধ খাওয়ানোর সময়েও মা ফোন নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করছেন। আবার ঘুম পাড়ানোর সময়েও ফোনে গান শোনাচ্ছেন। এক বছরের শিশুর সামনেও ফোনে ভিডিয়ো চালিয়ে দিচ্ছেন বাবা-মায়েরা। এই ফেনের তীব্র ফ্রেকোয়েন্সি যেমন ক্ষতি করে শিশুর শরীরে। একইভাবে ক্ষতি করে চোখেরও। শিশু কিছু না বুঝলেও তাকিয়ে থাকছে মোবাইলের পর্দার দিকে। বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে তাই স্বাভাবিক ভাবেই মোবাইলের প্রতি আসক্তি তৈরি হচ্ছে। অনেক শিশুই মোবাইল ছাড়া খেতে চায় না, অনেকে আবার মোবাইলের কারণে পড়াশোনায় মন বসাতে পারে না। তারা মোবাইলের প্রতি এতটা নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে যে, তার কুপ্রভাব পড়ছে শিশুদের মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের উপর। অভিভাবকদের সামান্য ভুল শিশুর জীবনে বড় ক্ষতি ডেকে আনতে পারে। মোবাইলের প্রতি শিশুর আসক্তি কাটাতে অবলম্বন করতে হবে নিদৃষ্ট পদ্ধতি!‌ অভিভাবক সময় দেন না। যার ফলে শিশুদের মোবাইলের প্রতি আকর্ষণ বাড়ে। আসক্তি কাটাতে হলে ওর জন্য সময় বার করতে হবে। শত কর্মব্যস্ততা থাকলেও সন্তানের জন্য দিনের একটা নির্দিষ্ট সময় বরাদ্দ রাখতেই হবে অভিভাবকদের। ওই সময়ে শিশুর মনের কথা শুনতে হবে। ওর সঙ্গে খেলা, গল্প, গান, নাচ। প্রয়োজনে ওকে গল্প পড়েও শোনানো। খুদের মন মোবাইল থেকে অন্য দিকে ঘোরাতে বাবা মাকেই উদ্যোগী হয়ে উঠতে হবে। ওকে নিয়ে বেড়াতে যাওয়া। ওকে খেলতে নিয়ে যাওয়া। ওকে বই কিনে দিতে হবে। পড়াশোনা ছাড়া নাচ-গান-আঁকা-খেলাধুলো। যে দিকে ওর আগ্রহ আছে, তাতে বেশি করে উৎসাহ দেওয়া প্রয়োজন। নিজে সারা ক্ষণ মোবাইলের নেশায় বুঁদ। সেটা দেখলে খুদেও সেটাই করবে। নিজের স্বভাবে আগে পরিবর্তন আনতে হবে। আগে নিজের আসক্তি দূর করতে হবে। শিশুর সামনে প্রয়োজন ছাড়া ফোন ব্যবহার না করাই ভাল। খুদেকে ঘুম পাড়ানোর সময় কিংবা দুধ খাওয়ানোর সময় ফোন হাতের কাছে একদমই নয়। ওই সময়টা খুদের জন্যই বরাদ্দ রাখা প্রয়োজন। দিনের একটি নির্দিষ্ট সময়ে শিশুকে স্মার্টফোন ব্যবহার করার অনুমতি। শিশু স্মার্টফোনে কী দেখছে, সে দিকেও নজর রাখতে হবে। তাদের অবসর সময়টা অন্য কাজে ব্যস্ত থাকা। শিশু যদি অনলাইনে ক্লাস করে, তা হলে ইন্টারনেটে আর কী করছে সে, সে দিকেও খেয়াল রাখতে হবে। এ ছাড়া স্মার্টফোন থেকে আপত্তিকর ওয়েবসাইটগুলিকেও নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। চেষ্টা করা প্রয়োজন শিশুরা মোবাইল দেখলে যেন শিক্ষামূলক কিছু দেখে। খাচ্ছে না বলে শিশুর হাতে ফোন ধরিয়ে দেওয়ার প্রশ্নই নেই। ওর সঙ্গে সেই সময় গল্প করে, কোনও গল্প পড়েও শোনানো। চেষ্টা করতে হবে নিজে খাওয়ার সময় একসঙ্গে একই সময়েই খুদেকে খাওয়ানোর। বাবা কিংবা নাকে খেতে দেখলে সেও খাওয়ার প্রতি আগ্রহ পাবে। প্রযুক্তির সুবিধা-অসুবিধার দু’টি দিকই সন্তানকে বোঝানের পাশাপাশি প্রযুক্তির ভাল-মন্দ দিক নিয়ে আলোচনা সন্তানদের সঙ্গে। অতিরিক্ত প্রযুক্তি ব্যবহার করলে কী বিপদ হতে পারে, সে সব বিষয়েও সতর্ক করা দরকার খুদেকে।

স্বাস্থ্যোদ্ধারের জন্য হলুদের সঙ্গে গোলমরিচ মিশিয়ে খাওয়া উপকারী! নিয়মিত খেলে শরীরে কী কী প্রভাব পড়তে পারে? হলুদের সঙ্গে গোলমরিচ না মিশিয়ে খেলে ওষুধ বা পথ্যের বারো আনাই মাটি। গোলমরিচ ছাড়া হলুদের সম্পূর্ণ উপকার পাওয়াই সম্ভব নয়। হলুদ আর গোলমরিচ একসঙ্গে মিশিয়ে খেলে শরীরের উপকার। স্বাস্থ্যোদ্ধারের জন্য রাতে হলুদ দেওয়া দুধ খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন পুষ্টিবিদেরা। হলুদ মেশানো দুধে হলুদ আর দুধ ছাড়াও আরও কিছু উপকরণ মেশাতে বলা হয়। মধু, আদা, গোলমরিচ ইত্যাদি। শীতকালে তার সঙ্গে ছোট এলাচ, দারচিনির গুঁড়োও মেশানো। প্রতিটি উপকরণেরই নিজস্ব উপযোগিতা আছে। এদের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ হল গোলমরিচ। হলুদ আর গোলমরিচ একসঙ্গে মিশিয়ে খেলে হলুদে থেকে উপকারী কারকিউমিন সংগ্রহ করার ক্ষমতা ২০০০ শতাংশ বেড়ে যায় শরীরের। হলুদ আর গোলমরিচ একসঙ্গে মিশিয়ে খেলে শরীরে উপকার। এমস এবং হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রশিক্ষিত লিভার এবং অন্ত্রের রোগের চিকিৎসক আমেরিকান সোসাইটি অফ গ্যাস্ট্রোইন্টেসটাইনাল এন্ডোস্কপি এবং ইন্টারনাল মেডিসিনের অনুমোদিত চিকিৎসক জানান, হলুদের সঙ্গে গোলমরিচ মিশিয়ে নিয়মিত খেলে বাতের ব্যথা, অস্থিসন্ধির ব্যথা কমাতে সাহায্য করে হলুদ এবং গোলমরিচ। কারণ, হলুদের কারকিউমিন এবং গোলমরিচের পিপারিন একসঙ্গে শরীরে গেলে তা জোরালো প্রদাহনাশক হিসাবে কাজ করে। এর ফলে শরীরে নানা ধরনের ব্যথার সমস্যায় যাঁরা ভোগেন, বাতের ব্যথা, আর্থ্রাইটিস, অস্থিসন্ধির ব্যথা ইত্যাদি, তাঁদের জন্য এটি উপকারী। হলুদ এবং গোলমরিচ অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টে ভরপুর। যে সমস্ত দূষণ শরীরের ক্ষতিসাধন করে কিংবা নানা রোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়, তা থেকে শরীরকে মুক্ত করতেও সাহায্য করে। দু’টি মশলাই হজমে সাহায্য করে। শরীরে গেলে নানা ধরনের হজমকারক এনজ়াইমের নিঃসরণে সাহায্য করে। ফলে নিয়মিত খেলে পেটফাঁপা, গ্যাস-অম্বলের সমস্যা থাকে দূরে। কারকিউমিন এবং পিপারিনের মিশ্রণ রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। কোলেস্টেরল কমায়। রক্ত জমাট বাঁধার সমস্যাও কমায়। ফলে তা হার্টের জন্য ভাল। এমনকি, ওজনও নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। হলুদ এবং গোলমরিচ একসঙ্গে খাওয়া হলে তা কিছু ক্যানসারমুক্ত থাকা যায়।

রক্তাল্পতা দূর করতে খেজুরের জুড়ি মেলা ভার। হার্টের জন্য ডার্ক চকোলেট উপকারী। যৌন অক্ষমতার সমস্যা কাটাতে খেজুর উপকারী। কাজেই ডার্ক চকোলেট এবং খেজুর, দুইই স্বাস্থ্যকর। ডার্ক চকোলেটে চিনির পরিমাণ একেবারেই কম, কোকোর মাত্রা বেশি ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ। ডার্ক চকোলেট হার্টের জন্য ভাল। ডায়াবেটিকেরাও খেতে পারেন। সব ব্র্যান্ডের ডার্ক চকোলেটে চিনি ও কোকোর অনুপাত সমান থাকে না। সে ক্ষেত্রে পরিমিত পরিমাণে খাওয়াই ভাল। খেজুরে আবার প্রাকৃতিক চিনির পরিমাণ খুব বেশি। গ্লাইসেমিক ইনডেক্স জিআই বেশি। প্রতি ১০০ গ্রাম খেজুরে চিনির মাত্রা প্রায় ৬৮.৮ গ্রাম। ডায়াবিটিসে খেজুর না খাওয়াই ভাল। ডার্ক চকোলেটকে বলা হয় অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টের ভান্ডার। এটি খেলে শরীরে প্রদাহনাশ হয়, রক্তচাপ কমে, ইনসুলিন হরমোনের মাত্রা নিয়ন্ত্রিত হয়। অত্যধিক মানসিক চাপ হলেও ডার্ক চকোলেট খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। খেজুরে আবার পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও ভিটামিন বি৬ বেশি। হার্টের রোগে ও উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা দূর করতে খেজুরও ভাল, তবে এ ক্ষেত্রে ডার্ক চকোলেটের পাল্লাই ভারী। বরং উচ্চমাত্রায় ম্যাগনেসিয়াম এবং পটাসিয়াম থাকার কারণে শরীরে জলের ভারসাম্য রক্ষা করে খেজুর। স্নায়বিক দৌর্বল্যের সমস্যা কাটাতে খেজুরের জুড়ি মেলা ভার। ফাইবারের পরিমাণে খেজুরে ফাইবারের পরিমাণ ডার্ক চকোলেটের থেকে বেশি। দুটি মাঝারি মাপের খেজুরে ৩.৩ গ্রাম করে ফাইবার থাকে। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা ছাড়াও বদহজম, অম্বল, এমনকি পাকস্থলির আলসারেও উপশম আনে খেজুর। ডার্ক চকোলেটেও ফাইবার থাকে, তবে এতে পলিফেনলের মাত্রা বেশি। এই উপাদান জিএলপি-১ হরমোনের মাত্রা স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। এতে চিনি, ভাজাভুজি খাওয়ার ইচ্ছা কমে। ডায়েট করে ওজন কমাতে চাইলে, ডার্ক চকোলেট ভাল। ডার্ক চকোলেট ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়। খেজুরের পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ক্যালসিয়াম, কপার, ভিটামিন-কে, এসেনসিয়াল অ্যামাইনো অ্যাসিড হজম প্রক্রিয়া ঠিক রাখে। জৈব সালফার থাকার কারণে বিভিন্ন ভাইরাল, ফাঙ্গাল, ব্যাক্টেরিয়াল সংক্রমণ দূর করে খেজুর। ফুসফুসের রোগ থাকলে নিশ্চিন্তে খেজুর খেতেই পারা যায়।

শিঙাড়া, জিলিপির মতো খাবার নিয়ে সম্প্রতি একটি নির্দেশিকা জারি। কেন্দ্রের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের অধীনস্থ ‘অয়েল অ্যান্ড ফ্যাট বোর্ড’এর। স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানাল, শিঙাড়া, জিলিপি এবং লাড্ডুর মতো খাবার নিয়ে সতর্ক করা হয়েছে। খাবারগুলি নিয়ে কোনও নির্দেশিকা জারি করা হয়নি। কিছু সংবাদমাধ্যমে এই বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তিকর খবর ছড়ানো হচ্ছে। কেন্দ্রের এই নির্দেশিকা পশ্চিমবঙ্গে মানা হবে না বলে ঘোষণা করেছে তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, ‘কিছু সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে যে, স্বাস্থ্য মন্ত্রকের নির্দেশে এখন থেকে নাকি শিঙাড়া, জিলিপি খাওয়া যাবে না। এটা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কোনও বিজ্ঞপ্তি নয়। আমরা সব বিষয়ে হস্তক্ষেপ করি না। আমরা এই বিজ্ঞপ্তি কার্যকরও করব না। আমার মনে হয়, শিঙাড়া এবং জিলিপি অন্যান্য রাজ্যেও জনপ্রিয়। সেই সব রাজ্যের মানুষেরাও এই খাবারগুলি ভালবাসেন। মানুষের খাদ্যাভ্যাসে হস্তক্ষেপ করা সঠিক কাজ নয়।’’ ‘অয়েল অ্যান্ড ফ্যাট বোর্ড’-এর তরফে কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্রছাত্রীদের এ বিষয়ে যথাযথ শিক্ষা দেওয়ার কথা বলা হয়। পাশাপাশি এটাও বলা হয় যে, বিভিন্ন ক্যাফেটেরিয়া, জনবহুল জায়গায় শিঙাড়া, জিলিপি এবং লাড্ডুর মতো খাবারে ‘স্বাস্থ্যের ঝুঁকি’র বিষয়ে সতর্কীকরণ বিজ্ঞাপন দিতে হবে। এই ধরনের খাবারে কত পরিমাণ ক্যালোরি, কতটা চিনি ব্যবহার হয়েছে কিংবা ট্রান্স-ফ্যাটের পরিমাণ কত, তা জানাতে হবে। শুধু শিঙাড়া-জিলিপিই নয়, লাড্ডু, বড়া পাও, পকোড়াও রয়েছে সেই তালিকায়। যদিও এই খাবারগুলি নিষিদ্ধ করার কথা বলা হয়নি সেই নির্দেশিকায়। সিগারেটের মতোই ক্ষতিকারক শিঙাড়া। নাগপুরের কার্ডিয়োলজিক্যাল সোসাইটি অফ ইন্ডিয়ার প্রেসিডেন্ট চিকিৎসক বলেন, ‘‘সিগারেটের প্যাকেটে যেমন সতর্কীকরণ থাকে, এ বার খাবারেও সতর্কীকরণের বিষয়টির সূচনা হল। খাবারে কতটা চিনি এবং ট্রান্স-ফ্যাট রয়েছে তা জানা জরুরি। এগুলিই নতুন তামাক। মানুষের জানা প্রয়োজন তাঁরা কী খাচ্ছেন।’’

ক্যানসার, ডায়াবিটিস-সহ ৭১টি অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের দাম বেঁধে দিল কেন্দ্র। সম্প্রতি গেজ়েট বিজ্ঞপ্তি জারি করে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। ওষুধের মূল্য নিয়ন্ত্রণকারী কেন্দ্রীয় সংস্থা ‘ন্যাশনাল ফার্মাসিউটিক্যাল প্রাইসিং অথরিটি’র এনপিপিএ তরফে এই দাম স্থির করে দেওয়া হয়েছে। তালিকায় রয়েছে মেলাস্ট্যাটিক স্তন ক্যানসার এবং গ্যাস্ট্রিক ক্যানসারের ওষুধও। নির্দিষ্ট কিছু ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থার তৈরি ওষুধের ক্ষেত্রে এই নিয়ম কার্যকর হচ্ছে। ‘রিলায়েন্স লাইফ সায়েন্সেস’ সংস্থা ‘ট্রাস্টুজ়ুমাব’ নামে যে ওষুধ তৈরি করে, সেটি মেলাস্ট্যাটিক স্তন ক্যানসার এবং গ্যাস্ট্রিক ক্যানসারের চিকিৎসায় ব্যবহার হয়। ওই ওষুধটির দাম বেঁধে দিয়েছে কেন্দ্র। গেজ়েট বিজ্ঞপ্তি অনুসারে খুচরো বাজারে, ভায়াল পিছু ওষুধের দাম হচ্ছে ১১ হাজার ৯৬৬ টাকা। ‘টরেন্ট ফার্মাসিউটিক্যাল্‌স’ তৈরি একটি ওষুধ পেপটিক আলসারের চিকিৎসায় ব্যবহার হয়। ক্ল্যারিথ্রোমাইসিন, এসোমেপ্রাজ়ল এবং অ্যামোক্সিসিলিনের মিশ্রণে তৈরি ওই ওষুধের প্রতিটি ট্যাবলেটের দাম ১৬২ টাকা ৫০ পয়সা স্থির করা হয়েছে। কিছু সংস্থার তৈরি ডায়াবিটিস প্রতিরোধের ২৫টি ওষুধের যেগুলির মধ্যে সিটাগ্লিপ্টিন রয়েছে দামও বেঁধে দেওয়া হয়েছে। কিছু সংস্থার প্যারাসিটামল ওষুধের দামও বেঁধে দেওয়া হয়েছে। গত ৪ জুলাই একটি গেজ়েট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানানো হয়েছে, ২০১৩ সালের ওষুধের মূল্য নিয়ন্ত্রণ বিধি মেনে এই ওষুধগুলির দাম স্থির করা হয়েছে। খুচরো বাজারে ওষুধের দাম কত হবে তা নির্ধারণ করে কেন্দ্রের এই সংস্থা। এর আগে গত এপ্রিলে দেশে অতি গুরুত্বপূর্ণ ও অত্যাবশ্যকীয় ৭৪৮টি ওষুধের দাম বৃদ্ধি পেয়েছিল। পাইকারি মূল্যবৃদ্ধির সূচক মেনে ওই ওষুধগুলির ‘এমআরপি’-র উপরে ১.৭৪ শতাংশ হারে দাম বৃদ্ধিতে সবুজ সঙ্কেত দিয়েছিল কেন্দ্রের এই সংস্থা। ওই তালিকায় ছিল প্যারসিটামল, কাশি, সুগার, বাত, কৃমি, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, ঘুম, ভিটামিন, কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সাধারণ রোগের ওষুধ থেকে গুরুত্বপূর্ণ অ্যান্টিবায়োটিক-সহ বিভিন্ন রোগের ট্যাবলেট, ইঞ্জেকশন। গত বছরের অক্টোবরে কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় অ্যাজমা,গ্লকোমা,থ্যালাসেমিয়া, যক্ষ্মা ও মানসিক অসুস্থতার ওষুধ-সহ আটটি অবশ্য প্রয়োজনীয় ওষুধের দাম অন্তত ৫০ শতাংশ বা তারও বেশি বৃদ্ধিতে অনুমোদন দিয়েছিল কেন্দ্রের এই সংস্থা। সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি লিখেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles