Friday, July 17, 2026

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

অলিম্পিয়ানের হাত ধরেই শুরু হল ডুরান্ড ট্রফি ট্যুর!‌ অলিম্পিক পদকজয়ী ভারোত্তোলক মীরাবাই চানুর উজ্জ্বল উপস্থিতি

১৩৪তম ইন্ডিয়ান অয়েল ডুরান্ড কাপ ট্রফির জমকালো ট্রফি সফরে শুরু। এশিয়ার প্রাচীনতম ফুটবল টুর্নামেন্টের ট্রফি পৌঁছল মণিপুরের রাজধানীতে। ডুরান্ড ট্রফি হাতে অলিম্পিক পদকজয়ী ভারোত্তোলক সাইখোম মীরাবাই চানু। ডুরান্ড কাপের তিনটি ট্রফি সিটি কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি অজয় ​​কুমার ভাল্লার উপস্থিতিতে প্রদর্শিত। উপস্থিত ছিলেন মণিপুর সরকারের মুখ্য সচিব শ্রী প্রশান্ত কুমার সিং আইএএস এবং ঊর্ধ্বতন সামরিক লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোহিত মালহোত্রা এভিএসএম এসএম, চিফ অফ স্টাফ, হেডকোয়ার্টার্স ইস্টার্ন কমান্ড এবং ডুরান্ড কাপ আয়োজক কমিটির চেয়ারম্যান, লেফটেন্যান্ট জেনারেল অভিজিৎ এস পেন্ধারকর এভিএসএম ওয়াইএসএম, জেনারেল অফিসার কমান্ডিং, মেজর জেনারেল এস.এস কার্তিকেয় ওয়াইএসএম এসএম জেনারেল অফিসার কমান্ডিং, ৫৭ মাউন্টেন ডিভিশন মেজর জেনারেল রবরূপ। ছিলেন মণিপুরের ভারতীয় মহিলা দলের সদস্যরা, সম্প্রতি AFC মহিলা এশিয়া কাপ ২০২৬-এ যোগ্যতা অর্জন করেছেন।

বিদেশিমুক্ত ডুরান্ড চাইছে আইএসএল চ্যাম্পিয়ন মোহনবাগান। দেশের ফুটবলের উন্নতিই লক্ষ্য। এই মর্মে ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনকে চিঠি দিয়েছে সবুজ-মেরুন শিবির। আইএসএলে ভারতীয় ফুটবলাররা কম সুযোগ পান। সেই কারণে আরও বেশি করে ভারতীয় ফুটবলার তুলে আনার জন্য ফেডারেশনকে প্রস্তাব দিয়েছে মোহনবাগান। মোহনবাগান শিবিরের তরফে চিঠিতে এই বিষয়টি নিয়ে আলোকপাত করে দাবি করা হয়েছে, বিদেশিমুক্ত ডুরান্ডের আয়োজন করা হোক। যেখানে কেবল ভারতীয় ফুটবলাররাই শতাব্দী প্রাচীন এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারে। এমনটা হলে আরও বেশি করে দেশীয় ফুটবলার উঠে আসবে। যদিও এ ব্যাপারে এখনও ফেডারেশনের তরফে কোনও বিবৃতি জারি করা হয়নি। টুর্নামেন্টে খেলার জন্য ডুরান্ড কমিটির কাছে শর্ত রেখেছিল মোহনবাগান। এই সময় নানান টুর্নামেন্টের জন্য মাঠ নিয়ে নেওয়া হয়। সেই কারণে প্র্যাকটিসে সমস্যা দেখা যায়। তাই অনুশীলনের মাঠ চেয়েছিল মোহনবাগান। ডুরান্ড কমিটি সবুজ-মেরুন ক্লাবের এই দাবি মেনে নিয়েছে। শর্ত মেনে নেওয়ায় ডুরান্ড খেলতে রাজি হয়েছে মোহনবাগান।  ডুরান্ড কাপে অংশ নিচ্ছে মোহনবাগান। শতাব্দীপ্রাচীন ক্লাবকে রেখেই টুর্নামেন্টের সূচি প্রকাশিত হয়েছিল। কিন্তু সবুজ মেরুনের ডুরান্ড খেলা নিশ্চিত ছিল না। অবশেষে মোহনবাগানের দেওয়া চার শর্ত মেনে নিল ডুরান্ড কমিটি। যার ফলে ঐতিহাসিক টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের বিষয়ে সম্মতি পত্রে সই মোহনবাগানের। পাশাপাশি ক্লাবের দাবি মেনে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে মাঠ। শনিবার থেকেই যুবভারতীতে ফিরছে মোহনবাগানের অনুশীলন। গত দশদিন রাজারহাটে ফেডারেশনের সেন্টার অফ এক্সেলেন্সে অনুশীলন করছিল সবুজ মেরুন ব্রিগেড। কিন্তু শনিবার থেকে আবার যুবভারতীর প্র্যাকটিস গ্রাউন্ডে ফিরছে বাগানের অনুশীলন। শর্ত অনুযায়ী, ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে একই গ্রুপে থাকতে চায়নি মোহনবাগান। সেমিফাইনালের আগে ডার্বিতে মুখোমুখি হতে চায়নি। প্র্যাকটিসের জন্য যুবভারতীর মাঠ দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছিল। সব শর্তই মেনে নিয়েছে ডুরান্ড কমিটি। যার ফলে মোহনবাগানের খেলায় আর কোনও বাধা রইল না। 

একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে মোহনবাগানের পক্ষ থেকে। সুনীল ছেত্রীর পর এখনও ভাল মানের ভারতীয় স্ট্রাইকার উঠে আসেনি। সেদিকে নজর দিতে চাইছে সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন। এর পরিপ্রেক্ষিতে এক অভিনব প্রস্তাব দিল মোহনবাগান। ডুরান্ড কাপ বিদেশিহীন করার জন্য লিখিত আবেদন জানানো হয়েছে। এই মর্মে মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের সিইও বিনয় চোপড়া সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনকে চিঠি দিয়েছেন। কলকাতা লিগ বিদেশিহীন। ভূমিপুত্রের সংখ্যা বেড়েছে। এবার ডুরান্ড কাপও কোনও বিদেশি ছাড়া করার প্রস্তাব দিল মোহনবাগান। ভারতীয় প্রতিভাদের সুযোগ দেওয়ার পক্ষে কলকাতার প্রধান। ডুরান্ডে জেসন কামিন্স সহ আরও একজন-দু’জন বিদেশিকে খেলানোর মতো জায়গায় রয়েছে মোহনবাগান। তাসত্ত্বেও দেশীয় স্ট্রাইকার তুলে আনার দিকে নজর দিতে চাইছে ম্যানেজমেন্ট। শনিবার থেকে আইএসএল চ্যাম্পিয়নরা যুবভারতীর প্র্যাকটিস গ্রাউন্ডে অনুশীলন করবেন। ডুরান্ড কাপ শুরু হওয়ার ২২ দিন আগেই মাঠ অধিগ্রহণ করেছিল সেনাবাহিনী। জুলাইয়ের প্রথম দিন থেকে যুবভারতী সংলগ্ন দুটো প্র্যাকটিস মাঠের দখল নেয় ডুরান্ড কমিটি। যার ফলে প্র্যাকটিসের জন্য মাঠ পেতে হিমশিম খায় মোহনবাগান এবং ইস্টবেঙ্গল। কলকাতার দুই প্রধান কার্যত উদ্বাস্তু হয়ে যায়। প্রস্তুতির জন্য ইস্ট-মোহনকে খুঁজে নিতে হয় অন্য মাঠ। মোহনবাগান অনুশীলন করে নিউটাউন সেন্টার অফ এক্সেলেন্সের মাঠে। ইস্টবেঙ্গল প্র্যাকটিস করে হাওড়া স্টেডিয়ামে। তবে রাজারহাটে ফেডারেশনের অ্যাকাডেমির অ্যাস্ট্রোটার্ফের মাঠে প্র্যাকটিস করতে হয় মোহনবাগানকে। বর্তমানে সব জায়গায় ঘাসের মাঠে খেলা হয়। কলকাতা লিগও হচ্ছে ঘাসের মাঠে। সেখানে সবুজ মেরুনের জুনিয়র ব্রিগেডকে কৃত্রিম ঘাসের মাঠে প্র্যাকটিস করে ঘরোয়া লিগের ম্যাচগুলো খেলতে হচ্ছিল। যার ফলে ছিল চোট-আঘাতের আশঙ্কা। তাই ডুরান্ড কাপের তিন সপ্তাহ আগে মাঠ অধিগ্রহণ নিয়ে বিরক্ত ছিলেন দুই ক্লাবের কর্তারা। অবশেষে সেই সমস্যা মিটল। আবার যুবভারতীতে ফিরছে মোহনবাগান।

৩১ জুলাই মহমেডানের বিরুদ্ধে মিনি ডার্বি দিয়ে যাত্রা শুরু বাগানের। এবার আলাদা গ্রুপে কলকাতার দুই প্রধান। গ্রুপ এ-তে রয়েছে ইস্টবেঙ্গল। বি-তে মোহনবাগান এবং মহমেডান।‌ সুতরাং নক আউট পর্বের আগে মুখোমুখি হওয়ায় সম্ভাবনা নেই ইস্ট-মোহনের। ২৩ জুলাই ডুরান্ড কাপ শুরু। ২৩ আগস্ট কলকাতায় ফাইনাল। ১৯ এবং ২০ আগস্ট দুটো সেমিফাইনাল। শিলং এবং কলকাতায় অনুষ্ঠিত হবে।  গত দশদিন রাজারহাটে ফেডারেশনের সেন্টার অফ এক্সেলেন্সে অনুশীলন করছিলেন মোহনবাগান ফুটবলাররা। এবারের ডুরান্ডে বাংলা থেকে খেলবে চার দল। মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল, মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব এবং ডায়মন্ড হারবার এফসি। ২৩ জুলাই কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে শতাব্দী প্রাচীন এই ফুটবল টুর্নামেন্টের কিক অফ। প্রথম ম্যাচে নামতে চলেছে ইস্টবেঙ্গল। লাল-হলুদের প্রতিপক্ষ সাউথ ইউনাইটেড এফসি। মোহনবাগান ডুরান্ডে প্রথম ম্যাচ খেলবে ৩১ জুলাই। প্রতিপক্ষ মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। ৪ আগস্ট সবুজ-মেরুনের খেলা বিএসএফ ফুটবল টিমের সঙ্গে। ৯ আগস্ট ডায়মন্ড হারবার এফসি’র মুখোমুখি হবে মোহনবাগান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles