Friday, July 17, 2026

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

দেশজুড়ে কাজ করবে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের স্কুল অফ এক্সেলেন্স, ফিফা ক্রমতালিকায় ১৩৩ নম্বরে ভারতীয় ফুটবল, খুবই দুর্ভাগ্যের :‌ ক্রীড়ামন্ত্রী

ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের স্কুল অফ এক্সেলেন্সের যাত্রা শুরু। শুক্রবার মধ্য কলকাতার একটি পাঁচতারা হোটেলে বসেছিল চাঁদের হাট। ছিলেন সৌরভ গাঙ্গুলি, ঝুলন গোস্বামী। এছাড়াও ছিলেন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। ছিলেন ক্লাব সভাপতি মুরারিলাল লোহিয়া, সচিব রূপক সাহা, ক্রিকেট সচিব সঞ্জীব আচার্য, ফুটবল সচিব সৈকত গাঙ্গুলি, শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার প্রমুখ। ছিলেন ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের একঝাঁক প্রাক্তন এবং বর্তমান ফুটবলার ও ক্রিকেটার। ঝুলন গোস্বামী ও সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে আজীবন সদস্যপদ তুলে দেয় ইস্টবেঙ্গল ক্লাব। বক্তব্য রাখেন বাংলার দুই প্রাক্তন ক্রিকেটার। দেশের কোনও ফুটবল ক্লাব এখনও পর্যন্ত যা করতে পারেনি, সেটা করে দেখাল ইস্টবেঙ্গল। ফুটবলার গড়ে তোলার বৃহত্তর কর্মকান্ডকে রূপায়িত করতে চলেছে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব। শুরু হতে চলেছে ‘ইস্টবেঙ্গল ক্লাব স্কুল অফ এক্সেলেন্স’। যেখানে থাকবে বিশ্বমানের ফুটবল পরিকাঠামো। শিক্ষার্থী ফুটবলারদের পড়াশোনার জন্যও থাকছে অতিরিক্ত নজরদারি। দক্ষ কোচদের সঙ্গে মানসিক স্বাস্থ্যের দিকেও নজর রাখা হবে। যার জন্য থাকবেন মেন্টররা। ফুটবলের কারুশিল্প, পড়াশোনার মেধা এবং সামাজিক ও স্বাভাবিক দর্শনের প্রতিফলনে ওদের সামনে ফুট উঠবে এক নতুন দিগন্ত। যেখানে থাকবে বিদেশি ফুটবল ক্লাবগুলোর প্রতিচ্ছবি। যেভাবে স্পেনের লা মাসিয়া থেকে উঠে আসেন লিওনেল মেসি, জাভি, ইনিয়েস্তারা। আয়াক্স ফুটবল অ্যাকাডেমির ইউহান ক্রুয়েফ বা স্পোর্টিং সিপি থেকে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো, লুই ফিগো, ব্রুনোরা উঠে এসেছিলেন। স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করার কাজ ইতিমধ্যেই চলছে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের ফুটবল স্কুলে। সর্বভারতীয় স্তর থেকে ফুটবলার তুলে আনা হবে। এই দেশে একমাত্র ইস্টবেঙ্গল ক্লাবই এমন স্বপ্নের উড়ান তৈরি করছে।

স্কুল অফ এক্সেলেন্স নিয়ে প্রত্যেকের গলায় ছিল আগামীদিনের জন্য শুভ কামনা। ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস এবং শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু মনে করেন, এখান থেকেই ভবিষ্যতের তারকা খুঁজে পাবে ভারতীয় ফুটবল। এদিন কলকাতা লিগ কলকাতার মাঠে ফেরানোর দাবি জানান ক্রীড়ামন্ত্রী। বর্তমানে ঘরোয়া লিগ হচ্ছে জেলার মাঠে। যার ফলে বঞ্চিত হচ্ছে কলকাতার ক্রীড়াপ্রেমীরা। এবার লিগ কলকাতায় ফেরানোর ডাক ক্রীড়ামন্ত্রীর। এদিকে ইস্টবেঙ্গলের সিনিয়র দলের অনেক ফুটবলার ইতিমধ্যেই শহরে পা রেখেছে। শনিবার থেকে অনুশীলন শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেটা হচ্ছে না। আগামী সপ্তাহ থেকে শুরু হবে প্র্যাকটিস। শনিবার ফুটবলারদের মেডিক্যাল পরীক্ষা করা হবে। আইএসএল অনিশ্চিত। আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। কবে শুরু হবে কেউ জানে না। তবে আসন্ন ডুরান্ড কাপে হয়ত বেশ কয়েকজন সিনিয়র ফুটবলারকে খেলতে দেখা যাবে।ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস বলেন, “বাংলার ফুটবলকে সর্বত্র ছড়িয়ে দিতে হবে। কলকাতার মাঠে আবার ফুটবল ফিরে আসুক। জেলাতে যেমন খেলা হচ্ছে হোক। সঙ্গে চাইব মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল, মহামেডান মাঠেও খেলা হোক। এতে আরও বেশি সংখ্যক মানুষ খেলা দেখতে পারবেন। মনে রাখতে হবে, খেলাধুলার উন্নয়নে রাজ্য সরকার কাজ করছে। ৭৮টা স্টেডিয়াম রয়েছে। সেখানে খেলা হোক। একসঙ্গে কলকাতা ফুটবল কলকাতা মাঠে ফিরে আসুক। ফিফার ক্রমতালিকায় ১৩৩ নম্বরে নেমে গিয়েছে ভারতীয় ফুটবল দল। এটা খুবই দুর্ভাগ্যের। যতদিন না বাংলার ফুটবল সমৃদ্ধ হবে, ভারতীয় দলও ততদিন সমৃদ্ধ হবে না।” ইস্টবেঙ্গলের উদ্যোগের প্রশংসাও করেন ক্রীড়ামন্ত্রী। ইস্টবেঙ্গল কর্তা দেবব্রত সরকার বলেন, “স্কুল অফ এক্সেলেন্সের মাধ্যমে খেলাধুলাকে দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়া হবে। এখন ফুটবল এবং ক্রিকেটের ব্যাপারে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী দিনে হকি থেকে শুরু করে অ্যাথলেটিক্স, সমস্ত ধারায় উদ্যোগী হবার প্রচেষ্টা থাকবে। আমাদের ক্লাবে রয়েছে ফুটবল স্কুল। ২৫ বছর বয়স হয়ে গেল যার। একই মডেলে এবার দেশজুড়ে কাজ করবে স্কুল অফ এক্সেলেন্স।” প্রসঙ্গত, এবারের ডুরান্ডে বাংলা থেকে খেলবে চার দল। মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল, মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব এবং ডায়মন্ড হারবার এফসি। ২৩ জুলাই কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে শতাব্দী প্রাচীন এই ফুটবল টুর্নামেন্টের কিক অফ। প্রথম ম্যাচে নামতে চলেছে ইস্টবেঙ্গল। লাল-হলুদের প্রতিপক্ষ সাউথ ইউনাইটেড এফসি। তার আগে প্রস্তুতি নিয়ে তিনি বলেন, “বৃহস্পতিবারই প্র্যাকটিস ছিল। ডুরান্ডই তো মাঠ দিতে পারছে না।”

কলকাতা লিগের জন্য তৈরি হচ্ছে বারাসত স্টেডিয়াম। ঘরোয়া লিগের ডার্বি দিয়ে স্টেডিয়ামের উদ্বোধন করতে চায় আইএফএ। তবে তার আগে মাঠ সম্পূর্ণ তৈরি হওয়া কঠিন।শুক্রবার বারাসতে ‘বারাসত বিদ্যাসাগর ক্রীড়াঙ্গন’ পরিদর্শনে যান ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। আগে এই মাঠে অ্যাসট্রোটার্ফ ছিল। বর্তমানে ফিফা কৃত্রিম ঘাসের মাঠ ব্যান করে দিয়েছে। তাই বারাসত স্টেডিয়ামে ঘাসের মাঠ তৈরীর কাজ চলছে। এছাড়াও স্টেডিয়ামের পরিকাঠামো উন্নয়নের অন্যান্য কাজও চলছে। সেই কাজের অগ্রগতি পরিদর্শনে যান ক্রীড়ামন্ত্রী। স্টেডিয়ামের ৮০ শতাংশ কাজ প্রায় শেষ। আশা করা যাচ্ছে, আগস্ট মাসের মধ্যে সমস্ত কাজ সম্পূর্ণ হয়ে হবে। সম্ভবত সেপ্টেম্বর মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে সবরকমের খেলা শুরু করা যাবে। মাঠ পরিদর্শনে অরূপ বিশ্বাসের সঙ্গে ছিলেন সাংসদ পার্থ ভৌমিক, মন্ত্রী রথীন ঘোষ, জেলা পরিষদের সভাধিপতি নারায়ণ গোস্বামী এবং আইএফএর সভাপতি অজিত ব্যানার্জী। দীর্ঘ বছর পর আবার বারাসত স্টেডিয়ামে ফিরতে চলেছে ফুটবল। কলকাতা ফুটবল লিগের প্রিমিয়ার ডিভিশনের খেলা বারাসত স্টেডিয়ামে হবে। কয়েক মাস আগে মাঠ পরিদর্শনে গিয়ে জানিয়েছিলেন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। সেদিন মাঠ পরিদর্শনে তাঁর সঙ্গে ছিলেন খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ, সাংসদ পার্থ ভৌমিক এবং বিধায়ক জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক সহ অন্যান্য পদাধিকারীরা। কলকাতার পর জেলার উল্লেখযোগ্য স্টেডিয়ামগুলোর মধ্যে রয়েছে বারাসতের বিদ্যাসাগর ক্রীড়াঙ্গন। কয়েক বছর আগেও কলকাতা ফুটবল লিগ এবং আই লিগের ম্যাচ বারাসত স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হত। কিন্তু ঘাস উঠে মাঠ নষ্ট হয়ে যাওয়ায় দীর্ঘদিন বড় খেলা বারাসত স্টেডিয়ামে হয় না। জেলার ক্রীড়াপ্রেমীরা এই বিষয়ে রাজ্য সরকারের কাছে বারবার আবেদন জানিয়েছেন। অবশেষে রাজ্যের ক্রীড়া ও যুব কল্যাণ দপ্তর বারাসতের বিদ্যাসাগর ক্রীড়াঙ্গনকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নেয়। গত কয়েক মাস ধরে স্টেডিয়ামের ত্রুটিগুলো মেরামত করার কাজ চলছে। সঙ্গে খেলার মাঠে উপযুক্ত ঘাস তৈরির প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। এর আগেও ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস বারাসত স্টেডিয়ামের মাঠ পরিদর্শনে যান। মাঠ পরিচর্যার দায়িত্বে থাকা কর্মীরা মাঠের এক প্রান্ত থেকে ঘাস তুলে মন্ত্রীকে দেখান। তাতে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস বলেছিলেন, ‘উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পরিষদ ও রাজ্যের ক্রীড়া দপ্তরের পক্ষ থেকে বারাসতের বিদ্যাসাগর ক্রীড়াঙ্গনকে আমরা ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছি। প্রাথমিক যা ত্রুটি বিচ্যুতি ছিল সেগুলো মেরামত করা হয়েছে। মাঠে ঘাস তৈরির প্রক্রিয়া চলছে। খেলার মাঠের উপযুক্ত ঘাস তৈরি করতে আরও মাস দুয়েক লাগবে। তারপর কলকাতা প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচগুলো আমরা বারাসত স্টেডিয়ামেই করব।’ ২০১১ সালের পর থেকে গত ১৪ বছরে রাজ্যে ৭৮টি মাঠ এবং স্টেডিয়াম তৈরি হয়েছে। গোটা ভারতবর্ষের কোথাও এমন নজির নেই। খেলাধুলোর সার্বিক বিকাশের জন্য রাজ্য সরকার সব রকম উদ্যোগ নিয়েছে। প্রসঙ্গত, একটা সময় নিয়মিত আই লিগের খেলা হত বারাসত স্টেডিয়ামে। তখনও আইএসএল শুরু হয়নি। এএফসি কাপের ম্যাচও হয়েছে। তারপর দীর্ঘ বছর কোনও খেলাধুলো হয়নি। এবার রাজ্য সরকারের উদ্যোগে নতুন করে সাজছে বারাসত স্টেডিয়াম।

ভারতীয় ফুটবল আরও অন্ধকারে। আপাতত স্থগিত রাখা হল আইএসএল। এতদিন ধরে জল্পনা চলছিল। সেটাই সত্যি হল। শুক্রবার চিঠি দিয়ে জানিয়ে দেয় এফএসডিএল। সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন সহ আইএসএলে খেলা বাকি ক্লাবগুলোকে চিঠি পাঠিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। ক্লাবগুলোকে চিঠিতে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের সঙ্গে তাঁদের চুক্তি ৮ ডিসেম্বর শেষ হচ্ছে। যার ফলে, সেপ্টেম্বরে আইএসএল শুরু হলেও, তার কয়েকদিনের মধ্যে চুক্তি শেষ হয়ে যাবে। তারমধ্যে মাত্র এক তৃতীয়াংশ লিগ করা সম্ভব হবে। সুতরাং, এই পরিস্থিতিতে দেশের একনম্বর লিগ শুরু করা সম্ভব নয়। বেশ কয়েকদিন ধরেই সমাধান সূত্র বের করার চেষ্টা চলছিল। একাধিকবার এফএসডিএলের সঙ্গে আলোচনায় বসেন ফেডারেশনের কর্তারা। কিন্তু কোনও সুরাহা মেলেনি। মাঝে শোনা গিয়েছিল, এক বছরের জন্য চুক্তি বাড়ানো হতে পারে। সেক্ষেত্রে এইবছর হবে আইএসএল। যাতে হাফ ছেড়ে বেঁচেছিল ক্লাবগুলো। কিন্তু সেই নিয়েও কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। পরিস্থিতি যে তিমিরে ছিল, সেই তিমিরেই আছে। যার ফলে কোনও গোপনীয়তা না রেখে, সরকারিভাবে বর্তমান পরিস্থিতি ক্লাবগুলোকে জানিয়ে দেওয়া হল। এফএসডিএলের চিঠিতে লেখা রয়েছে, ‘এমন টালমাটাল পরিস্থিতিতে আমরা আইএসএলের ২০২৫-২৬ মরশুম করার মতো জায়গায় নেই। যতদিন না নতুন চুক্তি হচ্ছে বা পরিস্থিতি স্পষ্ট হচ্ছে, ততদিন আইএসএল স্থগিত রাখা হল।’ অর্থাৎ, সেপ্টেম্বরে শুরু হচ্ছে না আইএসএল। আদৌ কবে ভারতের একনম্বর লিগ শুরু হবে, সেই নিয়ে ধোঁয়াশা অব্যাহত। সাধারণত সেপ্টেম্বর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত চলে আইএসএল। কিন্তু এবার ফেডারেশনের ফুটবল ক্যালেন্ডারে লিগের কোনও উল্লেখ ছিল না। সেখান থেকেই প্রশ্ন ওঠে। তারপরই গোটা পরিস্থিতি জানা যায়। তবে আইএসএল যে স্থগিত করে দেওয়া হবে, সেটা ভাবা যায়নি। শোনা গিয়েছিল, সমস্যা মিটে যাবে। দেরীতে শুরু হবে আইএসএল। ফেডারেশনের একাংশের দাবি ছিল, সম্ভবত নভেম্বরে শুরু হবে আইএসএল। কিন্তু বর্তমানে তেমন কোনও সম্ভাবনা নেই।

২০১০ সালে এফএসডিএলের সঙ্গে ১৫ বছরের চুক্তি হয় এআইএফএফের‌। ফেডারেশনকে বছরে ৫০ কোটি দেয় আয়োজক সংস্থা। দুই সংস্থার মধ্যে মাস্টার্স রাইট এগ্রিমেন্ট না হওয়া পর্যন্ত আইএসএল শুরু করা যাবে না। এখানেই গণ্ডগোল। বর্তমানে ফেডারেশনের সংবিধান চূড়ান্ত হয়নি। বর্তমানে যে কমিটি ফেডারেশন চালাচ্ছে, সেটা অস্থায়ী কমিটি। নির্বাচন হতে পারে সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনে।‌ বদলে যেতে পারে পুরো কমিটি। সেক্ষেত্রে এফএসডিএলের সঙ্গে নতুন চুক্তি করবে সেই নতুন কমিটি। এই প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি। অনেকটা সময় লাগবে। যার ফলে, রাতারাতি সমস্যার সমাধান হওয়া কোনওভাবেই সম্ভব নয়। এফএসডিএলের চিঠির পর বিপদে পড়ে গিয়েছে ক্লাবগুলো। প্রচুর অর্থ খরচ করে প্লেয়ার সই করানো হয়েছে। শেষপর্যন্ত আইএসএল না হলে, সমস্যায় পড়ে যাবে তাঁরা। বর্তমান পরিস্থিতি অনুযায়ী, আইএসএল এখন বিশ বাঁও জলে। এর জন্য সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনকেই দায়ী করতে হবে। ভারতীয় ফুটবলে সম্প্রতি কোনও সাফল্য নেই। ছেলেদের জাতীয় দলও তথৈবচ। সদ্য গোল্ডেন হ্যান্ডসেক করে বিদায় জানানো হয় কোচ মানোলো মার্কুয়েজকে। নতুন কোচ নিয়োগের বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছে। তারমধ্যেই এই বিপত্তি। বড় ধাক্কা ভারতীয় ফুটবল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles