Monday, July 13, 2026

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

রথযাত্রায় পুরী মৃত্যুপুরী!‘ একে অন্যের উপর পড়ে যাচ্ছিল ভিড়ের চাপে’

রথযাত্রা, মহাধুমধাম। তার পরেই বদলে গিয়েছে পরিস্থিতি। দেবতা দর্শনে গিয়ে পদপিষ্ট, মৃত্যু, হাহাকার। তবে, রবিবারের আগেও, প্রবল জনসমাগমে অসুস্থতার ঘটনা ঘটেছে পুরীতে শুক্রবার। শুক্রবার ১০ লক্ষ ভক্তের ভিড় হয়েছিল। ভিড়ের চাপে সেদিনই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন ৬০০ মানুষ। ৭০ জন হাসপাতালে ভর্তি হন। রবিবারের ভোর। শনিবার রাতে পুরীর জগন্নাথ মন্দির থেকে জগন্নাথ, বললাম ও সুভদ্রার তিনটি রথ এসে পৌঁছয় তিন কিলোমিটার দূরে গুন্ডিচা মন্দিরে। সেই মন্দিরের সামনেই ঘটে দুর্ঘটনাটি। রথের রশি টানার জন্য হুড়োহুড়ি শুরু হয় ভক্তদের মধ্যে। অগণিত ভক্তের ভিড়ে কয়েকজন হুড়মুড়িয়ে পড়ে যান। ভক্তদের পায়ের তলায় চাপা পড়েন একাধিকজন।গুরুতর আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে, বাসন্তী সাহু, প্রেমাকান্ত মোহান্তি এবং প্রভাতী দাসকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। আহত অন্তত আরও পঞ্চাশজন। উৎসবের মাঝে এই মৃত্য, পদপিষ্ট, হুড়োহুড়ির কারণ কী? সংবাদ মাধ্যমে কী জানাচ্ছেন উপস্থিত ভক্তরা, আহতদের পরিবারের লোকজন? প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, ভোর ৪টার দিকে, চরামালা কাঠ বোঝাই দুটি ট্রাক সারধাবালি এলাকায় প্রবেশ করে। দুটি ট্রাকের অপ্রত্যাশিত আগমনের ফলে ভক্তদের মধ্যে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়, যার ফলে বেশ কয়েকজন আহত হন এবং তিনজন শ্বাসরোধ হয়ে প্রাণ হারান। নিহতদের একজনের স্বামী অভিযোগ করেছেন, ঘটনাটি ঘটার সময় দমকল, উদ্ধারকারী দল, হাসপাতাল কোনও পক্ষের কোনও কর্মকর্তা হাজির ছিলেন না সেখানে, ডাকে সাড়া মেলেনি বলেও অভিযোগ। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, আচমকা পরিস্থিতি খারাপ হয়। মানুষ একে অন্যের উপর পড়ে যাচ্ছিলেন ভিড়ের চাপে। প্রবল জনসমাগমে অ্যাম্বুলেন্স কোথায়? তা ভক্তদের থেকে অন্তত দু’ কিলোমিটার দূরে ছিল বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।

পুরীতে জগন্নাথদেবের মাসির বাড়ি গুন্ডিচা মন্দিরের সামনে পদপিষ্টের ঘটনায় এবার সরাসরি ওড়িশার বিজেপি সরকারকে তোপ দাগলেন সে রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়ক। বলেন, “সরকারের ব্যর্থতার কারণেই এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে।” পাশাপাশি, ঘটনার কড়া নিন্দা করেছেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গেও। এক্স হ্যান্ডেলে নবীন লেখেন, ‘রথযাত্রাকে কেন্দ্র করে পুরীতে দ্বিতীয়বার এরকম ঘটনা ঘটল। ভিড় সামলাতে ব্যর্থ পুলিশ প্রশাসন। সরকারের অযোগ্যতার কারণেই এই মর্মান্তিক ঘটনা। তাই এর দায় রাজ্য সরকারকেই নিতে হবে। মৃতদের পরিবারের প্রতি আমার সমবেদনা রইল। আহতরা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুক এই প্রার্থনাই আমি করি।’ ঘটনার কড়া নিন্দা করেছেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গেও। বিজেপিকে আক্রমণ শানিয়ে তিনি তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, ‘পুরীতে পদপিষ্টের ঘটনায় আমি গভীরভাবে শোকাহত। ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন ৫০ জন। শুক্রবারের পর রবিবার ফের এধরনের ঘটনা ঘটল। চরম অব্যবস্থার জন্যই এই ঘটেছে। এত বড় উৎসবে ভিড় নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাজ্য সরকারকে পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করতে হবে।’ রবি ভোর সাড়ে চারটে থেকেই গুন্ডিচা মন্দিরের কাছে ভিড় জমাতে শুরু করেন পুণ্যার্থীরা। রীতি অনুযায়ী, আজই প্রভু জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার রথ থেকে মন্দিরে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার কথা। তার আগে প্রভু জগন্নাথদেবকে রথে আসীন অবস্থায় দেখার জন্যই হাজার হাজার মানুষ সংকীর্ণ পরিসরে জমায়েত করেন। ওই পরিস্থিতিতে মন্দিরের কাছে রীতি পালনের সামগ্রী ভর্তি গাড়ি এসে পৌছলে হুড়োহুড়ি শুরু হয়। ভেঙে যায় ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্য তৈরি ব্যারিকেড। তারপরই পদপিষ্টের ঘটনা ঘটে। মৃত্যু হয় ৩ পুণ্যার্থীর। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৫০ জন। এর আগে গত শুক্রবারও রথযাত্রার সময় পদপিষ্টের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। এমনকী সময়মতো রথ পৌঁছতে না পারায় যাত্রা স্থগিতও করে দিতে হয়। রবিবার ভোরে ফের একবার অঘটন ঘটল। মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝি গাফিলতির কথা স্বীকার করে নিয়েছেন। জগন্নাথ ভক্তদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিয়ে তাঁর বক্তব্য, “আমি এবং আমার সরকার জগন্নাথ ভক্তদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। প্রভু জগন্নাথদেব স্বজনহারাদের এই দুঃখ সহ্য করার শক্তি দিক। এই ধরনের গাফিলতি সহ্য করা যায় না। পুরো ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করা হচ্ছে। দোষীরা শাস্তি পাবেই।”

জগন্নাথ রথযাত্রার শোভাযাত্রা চলাকালীন ওড়িশার পুরীর শ্রী গুন্ডিচা মন্দিরের কাছে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছে তিনজনের। সেই ঘটনায় প্রাণ হারানো এক মহিলার স্বামী এবার বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন সরকারের বিরুদ্ধে। তিনি বলেন, ‘ঘটনার পর সঙ্গে সঙ্গে সাড়া দেয়নি উদ্ধারকারী দল, দমকল কর্মকর্তারা।’ পুরীর জেলা কালেক্টর সিদ্ধার্থ এস সোয়াইন জানিয়েছেন, ভোর চারটে নাগাদ ভগবান জগন্নাথ ও তাঁর ভাইবোনদের বার্ষিক রথ শোভাযাত্রা দেখতে জড়ো হয়েছিলেন কয়েকশো ভক্ত। সেই সময় জগন্নাথের মাসির বাড়ির পাশে ঘটে যায় এই মর্মান্তির ঘটনা। এই বিষয়ে সংবাদ সংস্থা এএনআইকে স্ত্রী হারানো সেই ব্যক্তি বলেন, ‘যখন এই ঘটনা ঘটে, তখন কেউ সাড়া দেয়নি, না ফায়ার অফিসার, না উদ্ধারকারী দল, না হাসপাতালের দল। এটি একটি দুঃখজনক ঘটনা, যা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না।’ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আচার-অনুষ্ঠানের জন্য উপকরণ বহনকারী দুটি ট্রাক রথের কাছে একটি জনাকীর্ণ অংশে প্রবেশ করলে বিশৃঙ্খলা শুরু হয়। যার ফলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। এই ঘটনায় মৃতদের নাম বোলাগড়ের বাসন্তী সাহু এবং বালিপাটনার প্রেমাকান্ত মোহান্তি ও প্রতী দাস। আহতদের মধ্যে ছয়জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। পদপিষ্ট হওয়ার ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্বাধীন কুমার পন্ডা বিস্ফোরক অভিযোগ করেন। তিনি এই ঘটনার জন্য সরাসরি প্রশাসনকে দায়ী করেন। তিনি এও দাবি করলেন, রথযাত্রার দিনও নাকি একাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছিল পদপিষ্ট হয়ে। তবে সরকার নাকি সেই সব তথ্য ধামাচাপা দিয়েছিল। এই ঘটনায় প্রশাসনকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘গতকাল রাত ২-৩টা পর্যন্ত আমি মন্দিরের কাছে ছিলাম, কিন্তু ব্যবস্থাপনা ভালো ছিল না। ভিআইপিদের জন্য নতুন রাস্তা তৈরি করে সাধারণ মানুষকে দূর থেকে বেরিয়ে যেতে বলা হয়েছিল। প্রবেশদ্বার থেকেই লোকজন বের হতে শুরু করায় ভিড় বেড়ে যায়।’ ট্রাফিক ব্যবস্থার সমালোচনা করে পন্ডা বলেন, ‘প্রশাসন ঠিকমতো ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি। সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিল এক্সিট গেট। রথযাত্রার দিনও বহু মানুষ মারা গিয়েছিলেন, কিন্তু সরকার ও প্রশাসন তা প্রকাশ করেনি এবং কোনও হতাহতের ঘটনা জানায়নি। আজ তিনজন মারা গেছেন- দুজন নারী, একজন পুরুষ। এর জন্য দায়ী ওড়িশা প্রশাসন। রাতে সেখানে কোনও পুলিশ, প্রশাসন ছিল না।’ ঘটনা প্রসঙ্গে ওড়িশার আইনমন্ত্রী পৃথ্বীরাজ হরিচন্দন বলেন, ‘এটা দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা। আমরা ঘটনাপ্রবাহের দিকে নজর রাখছি। আজ সকালে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয়েছে। আমরা কড়া ব্যবস্থা নিচ্ছি। ডিজিপিকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। বিশাল জমায়েতে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছে তিনজনের। ছয়-সাতজন আহত হয়েছেন। আমি নিজে পুরী যাচ্ছি এবং পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছি। আমরা ভিড় সামলানোর জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করছি। সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে এবং লোকেরা দর্শন করছে। ডিজিপি ওয়াই বি খুরানিয়া এবং অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং পরিস্থিতি মূল্যায়ন করছেন।

মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়িনীতে জগন্নাথদেবের রথযাত্রা চলাকালীন মসজিদে চপ্পল ছুড়ে মারার অভিযোগ উঠল। চপ্পল ছোড়ার ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছিল স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ। তাঁরা থানা ঘেরাও করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। এরপর পুলিশ অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। এবং অভিযুক্তদের সন্ধান চলছে। জানা গিয়েছে, গত শুক্রবার সন্ধ্যায় উজ্জয়িনীতে জগন্নাথ যাত্রা চলাকালীন ভিড়ের মধ্যে থেকে কেউ মসজিদ লক্ষ্য করে চপ্পল ছুড়ে মেরেছিল। ঘটনার একটি ভিডিয়ো ভাইরাল হয়। ভাইরাল ভিডিয়োতে স্পষ্ট দেখা যায়, রথযাত্রা চলাকালীন মসজিদের দিকে তিনবার চপ্পল ছোড়া হয়। এতে ক্ষুব্ধ মুসলিম সম্প্রদায়ের লোকজন থানা ঘেরাও করে এবং অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবি জানায়। তাঁরা অভিযোগ করেন যে কিছু লোক শহরের শান্তি ও সম্প্রীতি বিঘ্নিত করার চেষ্টা করা হয়েছিল। এই আবহে পুলিশ অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করে। মসজিদের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। উজ্জয়িনীতে ভগবান জগন্নাথের দুটি রথযাত্রা বের করা হয়েছিল। একটির যাত্রা শহরের ইসকন মন্দির থেকে শুরু হয়েছিল এবং অন্যটি ধাবা রোডের খাটি সমাজের জগদীশ মন্দির থেকে শুরু হয়েছিল। গোপাল মন্দির থেকে শহরের বিভিন্ন পথ দিয়ে ঘুরে সেই একই রুট দিয়ে সেটি ফিরছিল নিজ গন্তব্যে। এদিকে মসজিদের সামনে দিয়ে যাওয়া যাত্রাপথের ভিড়ের মধ্যে থেকে কিছু লোক মসজিদের ওপর চপ্পল ছোড়ে। ঘটনার ভিডিয়ো প্রকাশ্যে আসার পর মুসলিম সমাজের অভিযোগ, শহরের পরিবেশ যাতে নষ্ট হয়, তার জন্যই ইচ্ছাকৃতভাবে এই কাজ করা হয়েছে। মুসলিম সমাজের বিপুল সংখ্যক মানুষ খারা কুয়ান পুলিশ স্টেশনে পৌঁছে স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। ঘটনা প্রসঙ্গে কাজি খলিফুর রহমান বলেন, আমাদের শহরে শান্তি ও সম্প্রীতি বিরাজ করছে। কিছু মানুষ শহরকে বদনাম করার চেষ্টা করছে। এ ধরনের ঘটনা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে এবং শহরের শান্তি বিঘ্নিত করে। প্রশাসনের উচিত এই ধরনের ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া যাতে এই ধরনের ঘটনা আর না ঘটে। মির্জা ওয়াদি মসজিদের ইমাম হাফিজ মহম্মদ আয়ুব বাদী হয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি জানান, শুক্রবার সন্ধ্যায় তার মোবাইলে একটি ভিডিয়ো আসে। দেখা যায়, মিছিলে থাকা কিছু লোক মসজিদের ওপর চপ্পল ও জুতা ছুড়ে মারে। পুলিশ বলছে, আসামিদের শনাক্ত করা মাত্রই তাদের গ্রেপ্তার করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ওড়িশার পুরীর গুন্ডিচা মন্দিরের কাছে সারধবলীতে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু ৩ জনের। পুরীর ডিস্ট্রিক্ট কালেক্টর সিদ্ধার্থ এস সোয়াইন জানিয়েছে, ভোর চারটে নাগাদ মন্দিরের কাছে কয়েকশো ভক্ত জড়ো হয়েছিলেন। সেখান থেকেই পরে হুড়োহুড়ির মতো পরিস্থিতি তৈরি হয় এবং অনেকে পদপিষ্ট হন। নিহতদের একজনের স্বামীর অভিযোগ, ঘটনার সময় কোনও আধিকারিক সাড়া দেননি। সংবাদ সংস্থা এএনআইকে ওই ব্যক্তি বলেন, ‘যখন এই ঘটনা ঘটে, তখন কেউ সাড়া দেয়নি, না ফায়ার অফিসার, না উদ্ধারকারী দল, না হাসপাতালের দল।’ পুরীর এক বাসিন্দা স্বাধীন কুমার পন্ডাও অভিযোগ করে বলেন, ম্যানেজমেন্ট ভালো ছিল না। 5ভিআইপিদের মন্দিরে প্রবেশের জন্য নতুন রাস্তা তৈরি করা হয়েছে এবং সাধারণ মানুষকে দূর থেকে বেরিয়ে যেতে বলা হচ্ছে। এই আবহে স্বাধীন কুমার পন্ডা বলেন, ‘লোকজন প্রবেশদ্বার থেকেই বের হতে শুরু করে, যার ফলে ভিড় বেড়ে যায়।’ ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাও একটি সমস্যার ছিল বলে অভিযোগ করে তিনি। তাঁর কথায়, অননুমোদিত পাস নিয়ে অনেক গাড়ি মন্দিরের কাছে চলে এসেছিল। পুরীর সেই বাসিন্দার আরও দাবি, এই ঘটনার জন্য দায়ী ওড়িশা প্রশাসন। বার্ষিক যাত্রা চলাকালীন ভগবান জগন্নাথ, ভগবান বলভদ্র এবং দেবী শুভদ্রার মূর্তি সহ তিনটি বিশাল রথ ভক্তরা জগন্নাথ মন্দির থেকে গুন্ডিচা মন্দির পর্যন্ত টেনে নিয়ে যান। ১ জুলাই জগন্নাথ মন্দিরে ফেরার আগে এক সপ্তাহ গুন্ডিচা মন্দিরে থাকবেন জগন্নাথদেবরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles